
















































































































































































































































































মার্ক্স-এঙ্গেলস-রচনাসমগ্র সম্পাদনা ও প্রকাশনা প্রসঙ্গে প্র দী প ব ক শি রূপরেখা সংক্ষিপ্তসার—গুরুত্বপূর্ণ নাম ও শব্দ— সংকেত ও শব্দ সংক্ষেপ নিবন্ধের পাঠ 0.ভূমিকা উদ্ভব: 1.1. প্রথম পর্ব: 1851-1883-1895 1.2. দ্বিতীয় পর্ব: 1902-1917 বিকাশ: 2.1. প্রথম মেগা (মেগা১) 2.1.1. প্রথম ব্যবস্থাপক: মস্কোর ক. মার্ক্সের ও ফ. এঙ্গেলসের ইনস্টিটিউট প্রথম সম্পাদক:
ক ল্পো ত্ত ম সাড়া যখন সাড়া দাও উন্মত্ত হয়ে উঠি ছুটে যাই এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ছুটে যাই আলোর দিকে, আবির্ভাবের দিকে। অন্ধকার থেকে পা বাড়িয়ে আসে যারা আসে সবুজের দিকে, সবুজ হতে সবুজ হয়েছ কোনওদিন? অবুঝ? অবুঝ হয়ে সাড়া দিলেও ততটাই আনন্দের হাতছানি ততটাই উন্মত্ততা— সাড়া দাও,
মেন্ড-ওয়ো গোম্বোজাভ বা ণী চ ক্র ব র্তী আমি আসছি সূর্য এবং চাঁদের সাহচর্যে বহু বছর এবং সময় কাটিয়েছি! সাথে ছিল সেই উঁচুনিচু ঢেউখেলানো রাস্তা, বুদ্ধিমান মানুষদের পরিত্যক্ত বিপজ্জনক মোড়! পাহাড়ের চড়াই-উতরাই, ছোট ছোট টিলা অতিক্রম করে শত শত অগভীর নদী পার হয়ে আমি পথপরিক্রমা করে চলেছি, ভাবনায় সাজাতে সাজাতে
একতারা মি তা না গ ভ ট্টা চা র্য বিস্তীর্ণ জনপথ হাঁটছিল রমণী একা পায়ে নেই শৃঙ্খল। সে মুক্ত অর্গল। অনর্গল কণ্টক। দগ্ধায় হৃদপাঁজর। চেয়েছিল বাঁচতে নিয়ে পদ্মসুখ। এখন সঙ্গী কেবল বিবর্ণ, রিক্ত, অসুখ তবু মেয়ে বাঁচতে একতারা উন্মুখ। চোরাবালি, মরুভূম তবু একতারা তোলে সুর। °°° চিত্রণ: চিন্ময় মুখোপাধ্যায়
ডুলুংমারির জঙ্গলে স ঞ্জ য় চ ট্টো পা ধ্যা য় এবারের গন্তব্যস্থল পুরুলিয়ার বাগমুন্ডি পাহাড়ের অদূরে কলাইকুস্মান্ডি নামের এক ছোট পাহাড়। পাহাড়ের একেবারে গা-ঘেঁষে ছোট গ্রাম কলাইকুস্মান্ডি। পাহাড়ের নামানুসারেই গ্রামের এমন নাম। প্রতিবছর পৌষ সংক্রান্তিতে পাহাড়ের উপর ওখানকার আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ তাদের এক দেবীর আরাধনায় মোষ বলি দেয়। বলির পর
প্রতীক্ষা অ র্থি তা ম ণ্ড ল আপাতত বিশ্রাম, তারপর ঝাঁপানের ভেতর থেকে বিষকন্যা ফুল আঁকে রোজ কিংবা ঘাম, অশ্রু, দাগ… মুহুর্মুহু ভেঙে যাচ্ছে লোকাচার, ধু ধূু চোখ দুয়ারের খসে পড়া কপাটে… গোল্লাছুট উঠোনে নতজানু বিগত শতক, আমাদের মায়া রঙের গেরস্থালি আগুন ছুঁয়ে যে সব মৃতদেহ ভেসে গেছে আজ, ধূপ
প্র দী প ঘো ষ মেধার অপমৃত্যুর কারণ আঁধারের পরেও যদি ধূসরেরই দিশা . বুঝতে হবে ফলিতার্থে আলো গিলে ফেলে . জীবনের ব্ল্যাকহোল, রাহু। কারণ সোহম উচ্চারণ এক সর্বনাশা প্রবণতা। জ্ঞান, মেধারই অনুপ্রাস। […]
জ য় ন্ত স র কা র পুতুলনাচের ইতিকথা (উৎসর্গ: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়) অদৃশ্য সুতোয় বাঁধা জীবনের সেই অনন্ত ঝুলন মাঝে দু-একটা তারা আর আধভাঙা চাঁদ তমসা যোজনা করে আলোক-আবহে কখনও চটুল গান, কখনও-বা মুজরায় ঠমকি চমকি— ঘুরেফিরে নাচের ভেতর, নিজস্ব ছায়ায়, বাসে ট্রেনে কিংবা গণমঞ্চে আমাদেরই পাশে হেঁটে যায়, মাঝে-মাঝে
‘দ্বিতীয় শ্রীক্ষেত্র’ বারিপদায় সুভদ্রার রথ টানেন মহিলারা ত রু ণ সিং হ ম হা পা ত্র বারিপদা ‘দ্বিতীয় শ্রীক্ষেত্র।’ বারিপদার রথযাত্রা ওড়িশার দ্বিতীয় বৃহত্তম। প্রাচীনত্ব, ঐতিহ্য আর জনসমাগমে ‘শ্রীক্ষেত্র’ পুরীর পরেই বারিপদার স্থান। ষোড়শ শতকের শেষার্ধে, ওড়িশার রাজনৈতিক ইতিহাসের এক সংকটকালে বারিপদায় জগন্নাথ মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন ভঞ্জবংশের রাজা বৈদ্যনাথ ভঞ্জ।
ভ্রমণবিহীন ভ্রমণকাহিনি বি জ ন সা হা উত্তর গোলার্ধে বিশেষ করে রাশিয়ায় গ্রীষ্ম মানেই কোথাও বেরিয়ে পড়া। লোকজন সাধারণত দক্ষিণমুখী হয়। আমি নিজে পছন্দ করি পুরনো রুশ শহর ভ্রমণ করতে যেসব জায়গা থেকে শুরু হয়েছে আজকের রাশিয়া। বহুল আলোচিত গোল্ডেন রিংয়ের শহরগুলো ভ্রমণ করা হলেও উত্তরের শহরগুলোয় এখনও যাওয়া হয়নি।
হাঁ সু লী মি ত্র ইংরাজ কবিদের স্মরণে কবি, কবে তুমি লিখেছিলে— যে কবিতা আমি আজ পড়ি! যে কবিতা তোমার আমার পরিচয়। আমি তোমার জীবনকালের আকাশে পৌঁছে যাই— আমি তোমার দেখা মেঘকে খুঁজে পাই, জানলার ফাঁক দিয়ে দেখা রক্তিম মেঘে— সে তোমার কাছ থেকে যেন আনে শীতলতার মাঝে তোমার ভাবনার
জীবনানন্দ থেকে বিনয় আ বু রা ই হা ন বিশ্বের সব দেশের সাহিত্যকর্মে অগ্রজদের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। সাহিত্যের অন্যান্য শাখার তুলনায় সূক্ষ্মতম মাধ্যম কবিতায় প্রভাবের মাত্রা সঘন। বাংলা কবিতায় বিদেশি কবিদের প্রভাবের পাশাপাশি বাংলা ভাষার অগ্রজ কিংবা সমকালীন কবিদেরও সুস্পষ্ট প্রভাব রয়েছে, কোনও কোনও ক্ষেত্রে তা ব্যাপকতর। হোমার, শেক্সপিয়র-সহ
আঞ্চলিক জীববৈচিত্রের সুরক্ষা শু ভ্র মু খো পা ধ্যা য় প্রতিদিনের জীবনে একসঙ্গে জড়িয়ে থাকা অজস্র জীব আমাদের জীবনযাত্রার সহযাত্রী। চারপাশের এই জীববৈচিত্র প্রতিনিয়ত আমাদের চলার পথ যেমন সুগম করছে, তেমনই আমাদের বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য নিখরচায় রক্ষা করে চলেছে। এইসব জীববৈচিত্র আমাদের দিনাতিপাতের চিরাচরিত নানান অভ্যাস, ধর্মাচরণ, অর্থকরী রসদ সংগ্রহ কিংবা
বৌদ্ধধর্মে ধ্যান ন ন্দি নী ক র চ ন্দ ধ্যান হল মনকে শান্ত ও একাগ্রতার সাথে মনোনিবেশ করার একটি বিশেষ অনুশীলন। এর মাধ্যমে আবেগীয় স্থিতিশীলতা অর্জন করা যায়। সাধারণত মেরুদণ্ড সোজা রেখে শান্তভাবে বসে এটি অনুশীলন করা হয়। এই সময় শ্বাসপ্রশ্বাস বা কোনও মন্ত্রের ওপর মনোযোগ নিবদ্ধ করা হয়। নিয়মিত
যে গান আপনি রোজ শোনেন, সেটাই হিন্দুত্বের বিরুদ্ধে সবচেয়ে পুরনো প্রতিরোধ অ ঞ্জ ন মু খো পা ধ্যা য় এক জোড়া ভাঙা মূর্তি, একটা প্রশ্ন কয়েক বছর আগে কলকাতার এক রাস্তায় বিদ্যাসাগরের একটা মূর্তি ভাঙা হয়েছিল। খবরটা অনেকেই দেখেছেন, ভুলেও গেছেন। কিন্তু প্রশ্নটা থেকে যায়— যে মানুষটা সারাজীবন বিধবাবিবাহের জন্য