Search
Generic filters
Search
Generic filters
ফৌজিয়া সিরাজ

ফৌজিয়া সিরাজ

ফৌজিয়া সিরাজ (২৬.৬.১৯৫৭-) আসানসোল, বর্ধমান। পিতা কাজী ফজরুল করিম। স্বামী ড. সৈয়দ আহসান সিরাজ। এম.এ. (রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়)। নাট্য বিভাগে শীর্ষস্থান অধিকার করেন (১৯৯২)। গৃহস্থালি, নাট্য গবেষণা ও অভিনয়। বাবা-মা দু'জনেই ভারতীয় গণনাট্য সংঘের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরবর্তীকালে বাবা নিজস্ব নাট্যসংস্থা গঠন করেন-- উত্তর সারথি। তাঁর কাছেই নাট্যাভিনয়ের হাতেখড়ি। শিশুশিল্পী হিসাবে প্রথম অভিনয় 'জীবিত ও মৃত'তে সতীশ চরিত্রে। আট বছর বয়সে মিনার্ভা মঞ্চে 'ফিঙ্গার প্রিন্ট' নাটকে অভিনয় করেন। সমান উৎসাহী ছিলেন আবৃত্তিতে এবং গল্প ও কবিতা লেখায়। বাবার নির্দেশনায় রবীন্দ্রনাথের 'মুকুট' ও 'ডাকঘর'-এ, ধনঞ্জয় বৈরাগীর 'এক পশলা বৃষ্টি'তে অভিনয় করেন। গণকৃষ্টি প্রযোজিত 'মান্যবর ভুল করছেন' নাটকে একটি মুখ্য চরিত্রে কয়েকটি শো অভিনয় করেন। কয়েক দশক সুন্দরম নাট্যগোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত। 'গল্প হেকিমসাহেব' নাটকে মোহরবাঈ চরিত্রাভিনয়ে নাট্যবোদ্ধাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তাঁর আরব্ধ গবেষণার বিষয় 'গণনাট্য: নবপর্যায়'। এম.এ. পরীক্ষায় শীর্ষস্থান অধিকারের কৃতিত্বে নীরদবরণ পুরস্কার পান (১৯৯২)।
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

ফৌজিয়া সিরাজের বিশেষ রচনা

‘আমি যখন পথনাটক করেছি তখন কিন্তু পথনাটককে ঘিরে উৎসাহ যেমন দেখেছি, তেমন জনপ্রিয়তাও দেখেছি। এখন যদি পথনাটক দেখতে মানুষের উৎসাহের অভাব দেখা যায়, তা হলে আমার ধারণা, নাটকের বিষয় নির্বাচন বা উপস্থাপনায় কোনও গন্ডগোল হচ্ছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যে আঙ্গিকগত পরিবর্তনটা থাকা দরকার সেটা থাকছে না। পথনাটক নাটক নয় বা লোকে আকর্ষণ বোধ করে না— এ-সব যুক্তি মানতে আমি একেবারেই রাজি নই।’

Read More »

ড. শ্যামল কান্তি দত্তর প্রবন্ধ

হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রমুখ যে প্রকৃত বাংলা ভাষার স্বপ্ন দেখেছেন, সে লোকায়ত বাংলা ভাষা প্রথম সফলভাবে সাহিত্য সভায় এসেছিল চৈতন্য প্রভাবেই। বর্তমানে বাংলা ভাষা যে অন্তর্জাল-আন্তর্জাতিকতার আলোয় অবহেলিত তা থেকে মুক্ত করার উপায়ও ঐ শ্রীচৈতন্যের চেতনাজাত মানবিক প্রেম-ভক্তি তথা ‘অচিন্ত্যভেদাভেদতত্ত্ব’ চর্চায়।

Read More »

গোবিন্দ কুণ্ডুর কবিতা

গো বি ন্দ  কু ণ্ডু দিশাহীন নিদ্রাহীন প্রতিটি রাত্রি কাটাই গভীর হতাশা নিয়ে, আমি কারও স্বপ্নের রাজপুত্র হয়ে উঠিনি কোনও দিন। এই পৃথিবীর মায়াজালে জড়ানো

Read More »

পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রবন্ধ

বর্তমান সময়টা হয়তো সুখের নয়। চারিদিকে তাকালে মনে হয় দুর্ভেদ্য দেয়াল ঘেরা ‘রক্তকরবী’র যক্ষপুরী যেন। ‘রক্তকরবী’ নাটকের অধ্যাপক নন্দিনীকে পাকা দেয়ালের ফাটল দিয়ে আসা আচমকা আলোর কথা বলেছিলেন স্তূপকৃত জঞ্জালের নীচে খুঁজে পাওয়া রক্তকরবীর ছোট্ট গাছটাই সেই ফাটল ভেঙে বেরিয়ে আসা আলো। শতবর্ষী তৃপ্তি মিত্র এবং শতবর্ষী বাদল সরকার এই আলোর খোঁজে জীবনভর কঠিন সুড়ঙ্গ খোদাই করে গেছেন।

Read More »

প্রদীপ বকশির প্রবন্ধ

মার্ক্স-এঙ্গেলস-রচনাসমগ্র সম্পাদনা ও প্রকাশনা প্রসঙ্গে প্র দী প  ব ক শি   রূপরেখা সংক্ষিপ্তসার—গুরুত্বপূর্ণ নাম ও শব্দ— সংকেত ও শব্দ সংক্ষেপ নিবন্ধের পাঠ 0.ভূমিকা উদ্ভব:

Read More »

কল্পোত্তমের কবিতা

ক ল্পো ত্ত ম সাড়া যখন সাড়া দাও উন্মত্ত হয়ে উঠি ছুটে যাই এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ছুটে যাই আলোর দিকে, আবির্ভাবের দিকে। অন্ধকার

Read More »