Search
Generic filters
Search
Generic filters
মলয়চন্দন মুখোপাধ্যায়
মলয়চন্দন মুখোপাধ্যায়
সিদ্ধার্থ মজুমদার
সিদ্ধার্থ মজুমদার
অমিতাভ ভট্টাচার্য
অমিতাভ ভট্টাচার্য
তপোমন ঘোষ
তপোমন ঘোষ
আবদুল্লাহ আল আমিন
আবদুল্লাহ আল আমিন
সুজিত বসু
সুজিত বসু
বিজন সাহা
বিজন সাহা
নন্দিনী কর চন্দ
নন্দিনী কর চন্দ
মীরাতুন নাহার
মীরাতুন নাহার
চয়ন বিকাশ ভদ্র
চয়ন বিকাশ ভদ্র
সোনামণি জয়ন্ত
সোনামণি জয়ন্ত
শুভ্র মুখোপাধ্যায়
শুভ্র মুখোপাধ্যায়
নুশান জান্নাত চৌধুরী
নুশান জান্নাত চৌধুরী
নিবেদিতা ঘোষ রায়
নিবেদিতা ঘোষ রায়
উত্তম মণ্ডল
উত্তম মণ্ডল
মানব সাধন বিশ্বাস
মানব সাধন বিশ্বাস
অনিন্দিতা মণ্ডল
অনিন্দিতা মণ্ডল
অরিজিৎ চক্রবর্তী
অরিজিৎ চক্রবর্তী
দিবাকর পুরকায়স্থ
দিবাকর পুরকায়স্থ
ঋভু চট্টোপাধ্যায়
ঋভু চট্টোপাধ্যায়
অভিজিৎ সিনহা
অভিজিৎ সিনহা
কল্যাণ সেনগুপ্ত
কল্যাণ সেনগুপ্ত
ড. সোমা দত্ত
ড. সোমা দত্ত
প্রীতম সরকার
প্রীতম সরকার
মোহাম্মদ কাজী মামুন
মোহাম্মদ কাজী মামুন
দীপ শেখর চক্রবর্তী
দীপ শেখর চক্রবর্তী
পলাশ মণ্ডল
পলাশ মণ্ডল
প্রসেনজিৎ দত্ত
প্রসেনজিৎ দত্ত
তরুণ সিংহ মহাপাত্র
তরুণ সিংহ মহাপাত্র
সন্দীপ ঘোষ
সন্দীপ ঘোষ
কাজী তানভীর হোসেন
কাজী তানভীর হোসেন
সুদীপ জোয়ারদার
সুদীপ জোয়ারদার
মণিশংকর বিশ্বাস
মণিশংকর বিশ্বাস
অভিজিৎ ভৌমিক
অভিজিৎ ভৌমিক
শুভদীপ রায়চৌধুরী
শুভদীপ রায়চৌধুরী
শুভেন্দু সরকার
শুভেন্দু সরকার
স্বপন নাগ
স্বপন নাগ
ড. শ্যামল কান্তি দত্ত
ড. শ্যামল কান্তি দত্ত
পিয়াস মজিদ
পিয়াস মজিদ
সবর্ণা চট্টোপাধ্যায়
সবর্ণা চট্টোপাধ্যায়
শুদ্ধসত্ত্ব ঘোষ
শুদ্ধসত্ত্ব ঘোষ
সুতপন চট্টোপাধ্যায়
সুতপন চট্টোপাধ্যায়
শুভঙ্কর সাহা
শুভঙ্কর সাহা
নন্দদুলাল চট্টোপাধ্যায়
নন্দদুলাল চট্টোপাধ্যায়
প্রদীপ ঘোষ
প্রদীপ ঘোষ
প্রদীপ বকশি
প্রদীপ বকশি
শঙ্কর রায়
শঙ্কর রায়
সৌমাভ ঘোষ
সৌমাভ ঘোষ
দত্তাত্রেয় দত্ত
দত্তাত্রেয় দত্ত
মোহাম্মদ সাদউদ্দিন
মোহাম্মদ সাদউদ্দিন
মলয় গোস্বামী
মলয় গোস্বামী
সুব্রত মজুমদার
সুব্রত মজুমদার
গৌতম চক্রবর্তী
গৌতম চক্রবর্তী
শিবরাম দে
শিবরাম দে
তন্ময় চট্টোপাধ্যায়
তন্ময় চট্টোপাধ্যায়
সুব্রত ঘোষ
সুব্রত ঘোষ
জয়ন্ত সরকার
জয়ন্ত সরকার
মিতা নাগ ভট্টাচার্য
মিতা নাগ ভট্টাচার্য
অপরাজিতা মৈত্র
অপরাজিতা মৈত্র
ভাস্কর দাস
ভাস্কর দাস
জয়দীপ দে
জয়দীপ দে
তীর্থঙ্কর মৈত্র
তীর্থঙ্কর মৈত্র
অঞ্জনা ঘোষ
অঞ্জনা ঘোষ
নাসরিন নাজমা
নাসরিন নাজমা
বিষ্ণুপদ বালা
বিষ্ণুপদ বালা
গৌরী মৈত্র
গৌরী মৈত্র
পার্থপ্রতিম রায়
পার্থপ্রতিম রায়
সুমন চট্টোপাধ্যায়
সুমন চট্টোপাধ্যায়
অনুপম ঘোষাল
অনুপম ঘোষাল
বিশ্বদেব মুখোপাধ্যায়
বিশ্বদেব মুখোপাধ্যায়
বিভাবসু
বিভাবসু
প্রতিভা সরকার
প্রতিভা সরকার
সাত্যকি হালদার
সাত্যকি হালদার
সৃজা মণ্ডল
সৃজা মণ্ডল
চৈত্রী ব্যানার্জী
চৈত্রী ব্যানার্জী
মন্দাক্রান্তা সেন
মন্দাক্রান্তা সেন
বেবী সাউ
বেবী সাউ
প্রবালকুমার বসু
প্রবালকুমার বসু
সব্যসাচী সরকার
সব্যসাচী সরকার
মো. বাহাউদ্দিন গোলাপ
মো. বাহাউদ্দিন গোলাপ
মঈনুল হাসান
মঈনুল হাসান
বিভাস রায়চৌধুরী
বিভাস রায়চৌধুরী
গালিব উদ্দিন মণ্ডল
গালিব উদ্দিন মণ্ডল
কুণাল বিশ্বাস
কুণাল বিশ্বাস
সায়ন্তনী বসু চৌধুরী
সায়ন্তনী বসু চৌধুরী
স্বপনকুমার মণ্ডল
স্বপনকুমার মণ্ডল
গৌতম চৌধুরী
গৌতম চৌধুরী
হাঁসুলী মিত্র
হাঁসুলী মিত্র
রবীন বসু
রবীন বসু
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়
শঙ্খদীপ ভট্টাচার্য
শঙ্খদীপ ভট্টাচার্য
মাসুদ শাওন
মাসুদ শাওন
কালীকৃষ্ণ গুহ
কালীকৃষ্ণ গুহ
পঙ্কজকুমার সরকার
পঙ্কজকুমার সরকার
অরুণ কর
অরুণ কর
চিরশ্রী বিশী চক্রবর্তী
চিরশ্রী বিশী চক্রবর্তী
যদুনাথ মুখোপাধ্যায়
যদুনাথ মুখোপাধ্যায়
উত্তম মাহাত
উত্তম মাহাত
প্রসেনজিৎ চৌধুরী
প্রসেনজিৎ চৌধুরী
দীপক সাহা
দীপক সাহা
সুব্রত নাগ
সুব্রত নাগ
সন্দীপ মজুমদার
সন্দীপ মজুমদার
সিদ্ধার্থ সিংহ
সিদ্ধার্থ সিংহ
রণবীর দত্ত
রণবীর দত্ত
সত্যবান রায়
সত্যবান রায়
সন্দীপ পাঠক
সন্দীপ পাঠক
আবু রাইহান
আবু রাইহান
অমিত্রসূদন ভট্টাচার্য
অমিত্রসূদন ভট্টাচার্য
রণদেব দাশগুপ্ত
রণদেব দাশগুপ্ত
মানস সরকার
মানস সরকার
জুয়েল মাজহার
জুয়েল মাজহার
প্রেমাশিস দে
প্রেমাশিস দে
সংহিতা চৌধুরী
সংহিতা চৌধুরী
সুপ্রভাত মুখোপাধ্যায়
সুপ্রভাত মুখোপাধ্যায়
অমিয় দেব
অমিয় দেব
নিমাই জানা
নিমাই জানা
রণজিৎ হালদার
রণজিৎ হালদার
অরণি বসু
অরণি বসু
হৈমন্তী বন্দ্যোপাধ্যায়
হৈমন্তী বন্দ্যোপাধ্যায়
দেবাশিস গঙ্গোপাধ্যায়
দেবাশিস গঙ্গোপাধ্যায়
স্মিতা সেনগুপ্ত
স্মিতা সেনগুপ্ত
রথীন চক্রবর্তী
রথীন চক্রবর্তী
শুভজিৎ ঘোষ
শুভজিৎ ঘোষ
চম্পা রায়
চম্পা রায়
সুদীপ্ত মাজি
সুদীপ্ত মাজি
পূর্ণেন্দু মিশ্র
পূর্ণেন্দু মিশ্র
সঞ্জীব রাহা
সঞ্জীব রাহা
অনিন্দ্য ভুক্ত
অনিন্দ্য ভুক্ত
বল্লরী সেন
বল্লরী সেন
সঞ্জয় চট্টোপাধ্যায়
সঞ্জয় চট্টোপাধ্যায়
মধুপর্ণা বসু
মধুপর্ণা বসু
সুভাষ বিশ্বাস
সুভাষ বিশ্বাস
বামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়
বামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়
সৌগত পুরকায়স্থ
সৌগত পুরকায়স্থ
বিজয় সিংহ
বিজয় সিংহ
রহিত ঘোষাল
রহিত ঘোষাল
অর্থিতা মণ্ডল
অর্থিতা মণ্ডল
চিরঞ্জয় চক্রবর্তী
চিরঞ্জয় চক্রবর্তী
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
মৈনাক দাস
মৈনাক দাস
তৃষ্ণা বসাক
তৃষ্ণা বসাক
হিন্দোল ভট্টাচার্য
হিন্দোল ভট্টাচার্য
সামিরুল হক
সামিরুল হক
সুকৃতি সিকদার
সুকৃতি সিকদার
বাণী চক্রবর্তী
বাণী চক্রবর্তী
গোবিন্দ কুণ্ডু
গোবিন্দ কুণ্ডু
রূপসীতা বসু
রূপসীতা বসু
বাপ্পাদিত্য জানা
বাপ্পাদিত্য জানা
শতাব্দী দাশ
শতাব্দী দাশ
শৌনক দত্ত
শৌনক দত্ত
রুহ
রুহ
দেবাশিস দাশ
দেবাশিস দাশ
সৈয়দ কওসর জামাল
সৈয়দ কওসর জামাল
পার্থসারথি গোস্বামী
পার্থসারথি গোস্বামী
রূপম চট্টোপাধ্যায়
রূপম চট্টোপাধ্যায়
অসীম কর্মকার
অসীম কর্মকার
দেবব্রত রায়
দেবব্রত রায়
সুমন্ত বন্দ্যোপাধ্যায়
সুমন্ত বন্দ্যোপাধ্যায়
অমিত মণ্ডল
অমিত মণ্ডল
বসন্ত সিংহ রায়
বসন্ত সিংহ রায়
দীপঙ্কর বাগচী
দীপঙ্কর বাগচী
নীহারুল ইসলাম
নীহারুল ইসলাম
সৌভিক পাল
সৌভিক পাল
অনুপ সান্যাল
অনুপ সান্যাল
গৌতম ঘোষ
গৌতম ঘোষ
মানস দাস
মানস দাস
রূপকুমার দাস
রূপকুমার দাস
শিবুপদ রায়
শিবুপদ রায়
দেবময় ঘোষ
দেবময় ঘোষ
সুনন্দ অধিকারী
সুনন্দ অধিকারী
ভাস্কর ভট্টাচার্য
ভাস্কর ভট্টাচার্য
দীপান্বিতা রায় সরকার
দীপান্বিতা রায় সরকার
কিঞ্জল রায়চৌধুরী
কিঞ্জল রায়চৌধুরী
নিখিল চিত্রকর
নিখিল চিত্রকর
সত্য ভাদুড়ি
সত্য ভাদুড়ি
শোভন চক্রবর্তী
শোভন চক্রবর্তী
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
চৈতালী চট্টোপাধ্যায়
চৈতালী চট্টোপাধ্যায়
গৌতমকুমার দে
গৌতমকুমার দে
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
শিশির আজম
শিশির আজম
আয়ুষ্মান সেন
আয়ুষ্মান সেন
দেবাশিস চন্দ
দেবাশিস চন্দ
স্মরজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়
স্মরজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়
কুশান গুপ্ত
কুশান গুপ্ত
পীযূষ রায়চৌধুরী
পীযূষ রায়চৌধুরী
সাবিনা ইয়াসমিন
সাবিনা ইয়াসমিন
শিউলি দেবনাথ
শিউলি দেবনাথ
ঝুমুর পাণ্ডে
ঝুমুর পাণ্ডে
মৌমিতা রায় চৌধুরী
মৌমিতা রায় চৌধুরী
সঙ্গীতা দাস
সঙ্গীতা দাস
স্বাগতা চৌধুরী
স্বাগতা চৌধুরী
ভূমিসূতা দাস
ভূমিসূতা দাস
ফৌজিয়া সিরাজ
ফৌজিয়া সিরাজ
কৃত্তিবাস চক্রবর্তী
কৃত্তিবাস চক্রবর্তী
নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
সৌগত রায় বর্মন
সৌগত রায় বর্মন
তরুণ চক্রবর্তী
তরুণ চক্রবর্তী
হামিরউদ্দিন মিদ্যা
হামিরউদ্দিন মিদ্যা
মণিকর্ণিকা রায়
মণিকর্ণিকা রায়
শৌনক মুখোপাধ্যায়
শৌনক মুখোপাধ্যায়
দেবদাস রজক
দেবদাস রজক
সোমা দত্ত
সোমা দত্ত
স্বপন দেবনাথ
স্বপন দেবনাথ
নুরুল আমিন বিশ্বাস
নুরুল আমিন বিশ্বাস
তরুণকুমার প্রধান
তরুণকুমার প্রধান
অরিন্দম বসু
অরিন্দম বসু
হাসিরাশি দেবী
হাসিরাশি দেবী
প্রচেত গুপ্ত
প্রচেত গুপ্ত
ফকির সাধন দরবেশ
ফকির সাধন দরবেশ
শ্রেয়া মুখার্জী
শ্রেয়া মুখার্জী
সুজয় ঘোষ
সুজয় ঘোষ
দেবেশ মজুমদার
দেবেশ মজুমদার
যুধাজিৎ সেনগুপ্ত
যুধাজিৎ সেনগুপ্ত
রবীন ব্যানার্জি
রবীন ব্যানার্জি
অনিন্দ্য দে
অনিন্দ্য দে
পবিত্র সরকার
পবিত্র সরকার
ঋতুপর্ণ বিশ্বাস
ঋতুপর্ণ বিশ্বাস
সায়ন্তনী ভট্টাচার্য
সায়ন্তনী ভট্টাচার্য
অর্পিতা কুণ্ডু
অর্পিতা কুণ্ডু
চিন্ময় মুখোপাধ্যায়
চিন্ময় মুখোপাধ্যায়
মার্সেলো মাস্তো
মার্সেলো মাস্তো
শক্তি পুরকাইত
শক্তি পুরকাইত
অভিজিৎ সেন
অভিজিৎ সেন
জ্যোতিষ্মতী দেব
জ্যোতিষ্মতী দেব
স্বপনকুমার ঠাকুর
স্বপনকুমার ঠাকুর
অনির্বাণ সেনশর্মা
অনির্বাণ সেনশর্মা
মোস্তফা অভি
মোস্তফা অভি
মহবুবুল হক মোল্লা
মহবুবুল হক মোল্লা
হিমাদ্রি বর্মণ
হিমাদ্রি বর্মণ
সালমিন রহমান
সালমিন রহমান
শুক্লা গাঙ্গুলি
শুক্লা গাঙ্গুলি
সুজিতকুমার বিশ্বাস
সুজিতকুমার বিশ্বাস
অভিজিৎ সিরাজ
অভিজিৎ সিরাজ
বনমালী মাল
বনমালী মাল
ধ্রুব বাগচী
ধ্রুব বাগচী
নাসির আহমেদ
নাসির আহমেদ
বিনয় মজুমদার
বিনয় মজুমদার
জি. এম. মনিরুজ্জামান
জি. এম. মনিরুজ্জামান
রোমেল রহমান
রোমেল রহমান
শাশ্বত বন্দ্যোপাধ্যায়
শাশ্বত বন্দ্যোপাধ্যায়
শুভ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
শুভ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
ময়ূরী মিত্র
ময়ূরী মিত্র
প্রদীপকুমার দাশগুপ্ত
প্রদীপকুমার দাশগুপ্ত
শুভদীপ নায়ক
শুভদীপ নায়ক
অহনা বিশ্বাস
অহনা বিশ্বাস
নাসরীন জাহান
নাসরীন জাহান
রাধাবল্লভ রায়
রাধাবল্লভ রায়
সর্বাণী বন্দ্যোপাধ্যায়
সর্বাণী বন্দ্যোপাধ্যায়
সৌমী আচার্য্য
সৌমী আচার্য্য
স্বাতী নন্দী চক্রবর্তী
স্বাতী নন্দী চক্রবর্তী
অঞ্জন মুখোপাধ্যায়
অঞ্জন মুখোপাধ্যায়
বিশ্বজিৎ ঘোষ
বিশ্বজিৎ ঘোষ
পার্থজিৎ মিশ্র
পার্থজিৎ মিশ্র
শতরূপা সরকার
শতরূপা সরকার
উপল মুখোপাধ্যায়
উপল মুখোপাধ্যায়
অরূপ রাহা
অরূপ রাহা
প্রলয় চক্রবর্তী
প্রলয় চক্রবর্তী
সম্রাজ্ঞী বন্দ্যোপাধ্যায়
সম্রাজ্ঞী বন্দ্যোপাধ্যায়
সুমন ভট্টাচার্য
সুমন ভট্টাচার্য
অমর্ত্য বন্দ্যোপাধ্যায়
অমর্ত্য বন্দ্যোপাধ্যায়
দীপককুমার দাঁ
দীপককুমার দাঁ
কামরুল ইসলাম
কামরুল ইসলাম
রাধামাধব মণ্ডল
রাধামাধব মণ্ডল
স্বাতী রায়
স্বাতী রায়
অঙ্কিতা বন্দ্যোপাধ্যায়
অঙ্কিতা বন্দ্যোপাধ্যায়
শায়ক মুখোপাধ্যায়
শায়ক মুখোপাধ্যায়
অশোক পাল
অশোক পাল
জগদীশ গুপ্ত
জগদীশ গুপ্ত
মেহেনাজ পারভিন
মেহেনাজ পারভিন
বরুণ দাস
বরুণ দাস
কৌশিক চট্টোপাধ্যায়
কৌশিক চট্টোপাধ্যায়
রক্তিম ভট্টাচার্য
রক্তিম ভট্টাচার্য
শতদ্রু মজুমদার
শতদ্রু মজুমদার
সৌরভ নন্দী
সৌরভ নন্দী

দুর্গাপূজা ও প্রসঙ্গত

এতদিন ধরে অন্য কোনও দেবদেবীর পুজো কোথাও হয় না। দুর্গাপুজোর এটি একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য। আরও একটি বৈশিষ্ট্য, এই পুজো উপলক্ষে কত যে পত্রপত্রিকা বেরোয়, তার কোনও সীমা নেই। কলকাতা যেহেতু এ-পুজোর প্রাণকেন্দ্র, স্বভাবতই এখান থেকে সবচেয়ে বেশি পুজোসংখ্যা পত্রিকা বেরোয়। প্রতিটি দৈনিক পত্রিকা বিরাট আকারে পুজোর অর্ঘ্য সাজায়। প্রসঙ্গত, সত্যজিৎ

মহালয়া

এই চণ্ডীপাঠকে অভাবিত মাত্রা দিয়েছে কলকাতার আকাশবাণী কেন্দ্র। ১৯২৭ সালে স্থাপিত হওয়া এই বেতার প্রচারকেন্দ্র থেকে (তখন নাম ছিল 'Indian State Broadcasting Service') ১৯৩১-এর ১১-ই অক্টোবর সর্বপ্রথম মহালয়ার অনুষ্ঠান প্রচারিত হয়। স্তোত্রপাঠে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র। পরিকল্পনা বাণীকুমার, প্রকৃত নাম বৈদ্যনাথ ভট্টাচার্য। সঙ্গীত পরিচালনায় রাইচাঁদ বড়াল ও পঙ্কজকুমার মল্লিক। অচিরেই এটি তুমুল

চিরজীবী বিদ্যাসাগর

বিদ্যাসাগর 'বর্ণপরিচয়' লেখার মাধ্যমে শিশুশিক্ষার ক্ষেত্রে এক বিরাট ভূমিকা রেখেছিলেন। ১৮৫৫-র ১৪-ই এপ্রিল, অর্থাৎ ১২৬২-র পয়লা বৈশাখ এর প্রথম খণ্ড, ও সে বছরের-ই পয়লা আষাঢ় বইটির দ্বিতীয় খণ্ড বেরোয়। এর আগেও শিশুদের অক্ষর পরিচয় ও বাক্যগঠনের বেশ কিছু বই থাকলেও বিদ্যাসাগরের 'বর্ণপরিচয়' উপযোগিতার দিক দিয়ে সেগুলিকে, ও পরবর্তীকালে রবীন্দ্রনাথের 'সহজপাঠ'-কে

অজানা বিভূতিভূষণ

নিতান্ত দারিদ্র্যের মধ্য থেকে তিনি উঠে এসেছিলেন বলে দারিদ্র্য ও প্রতিকূলতা নিয়ে তাঁর নিজস্ব এক দর্শন ছিল। তাই দেখি, ডায়েরির এক জায়গায় তিনি লিখছেন, 'দুঃখ জীবনের বড় সম্পদ, দারিদ্র্য, ব্যর্থতা বড় সম্পদ— Sadness ভিন্ন profundity আসে না।' অতীত দারিদ্র্যময় জীবনের কথা মনে করে নিজে সপ্তাহে একদিন শুধু নুন আর ভাত

উত্তম উত্তম

বিশ্ব চলচ্চিত্রের ইতিহাসে কম মহা-অভিনেতা জন্মাননি। তাঁদের মধ্যে খুব সামান্য কয়েকজন আল পাচিনো, মার্লোন ব্র্যান্ডো, রবার্ট ডি নিরো, লরেন্স অলিভিয়ার, গ্রেগরি পেক, জিন-পল বেলমন্ডো, ব্রুস লি, ইনোকেন্তি স্মোকতুনভস্কি, জিন গ্যাবিন, মাইকেল কেইন প্রমুখ। কিন্তু কতজন মৃত্যুর প্রায় পঞ্চাশ বছর পরেও জনপ্রিয়তা বাড়িয়েই চলেছেন? সম্ভবত চার্লি চ্যাপলিনের পর একমাত্র উত্তম। এলিজাবেথ

জন্মশতবর্ষে সুকান্ত ভট্টাচার্য

সুকান্ত তাঁর সামান্য খড়কুটোর মতো জীবনকে মহার্ঘ প্রতিভার মিনারের ওপর দাঁড় করিয়েছেন। তিনি যেন প্রতিভার এক বনসাই, সাহিত্যের কত না সম্ভার নিয়ে সুকান্তর কারুবাসনা! তিনি যদি সারস্বত সাধনার একটি সুচারু তোড়া স্বল্প-পরিসর জীবনে উপহার দিয়ে যান, আমরা লক্ষ্য করব, সেখানে রয়েছে গল্প, প্রবন্ধ, নাটক, গীতিনাট্য, কাব্যনাট্য, গান, ছড়া, কবিতার বৈভব।

বাইশে শ্রাবণ

রবীন্দ্রনাথ-ও কিন্তু আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলেন। যে কবি চির আশাবাদী, একটা সময় প্রখর বিষণ্নতা গ্রাস করেছিল তাঁকেও। ইউনানি মতে একবার নিজের চিকিৎসা করান তিনি। তাইতেই এমন মানসিক বিপর্যয়। অবসাদ, কান্না পাওয়া, আত্মহননেচ্ছা, সাময়িকভাবে এসব পেয়ে বসেছিল তাঁকে। পুত্র রথীন্দ্রনাথকে চিঠিতে জানাচ্ছেন তিনি, ‘দিনরাত্রি মরবার কথা এবং মরবার ইচ্ছা আমাকে তাড়না করছে।

মোহন রায়হান: এক সুহানা সফর

মোহন রায়হান জীবনযাপনেও দলছুট এক কবি, একলা চলার ব্রত ও অভীপ্সা নিয়ে তিনি পথ চলেন। সেজন্য কম প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়নি তাঁকে, এমনকী কারাবাস ও শারীরিক নির্যাতন, যে জন্য দীর্ঘ চিকিৎসার জন্য চেন্নাইয়ের হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল তাঁকে। 'কবি ছাড়া আমাদের জয় বৃথা', আপ্তবাক্যটি মোহন রায়হান নামের সঙ্গে হুবহু

আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল ও দুই বিখ্যাত বাঙালি

কী অসাধারণ শিক্ষাই না আমরা পেতে পারি, উৎসাহিত হয়ে পারি খেলোয়াড়দের থেকে! একটি উদাহরণ: প্রথম বিশ্বকাপে সোনাজয়ী উরুগুয়ে দলে ছিলেন হেক্টর কাস্ত্রো। তেরো বছর বয়সে মেশিনে তাঁর ডানহাত কাটা পড়েছিল। অদম্য উৎসাহে তিনি ফুটবল খেলেছেন, জাতীয় দলে স্থান করে নিয়েছেন, আর ফাইনালে জয়সূচক গোলটিও তাঁর-ই করা! তাঁর স্বদেশবাসী তাঁকে ডাকতেন—

চন্দ্রাবতী: বঙ্গের প্রথম পদকর্ত্রী

চন্দ্রাবতীর জীবনের যেটি শ্রদ্ধেয় দিক, তা হল গরলকে অমৃতে পরিণত করা। ব্যক্তিগত জীবনের গভীর শোককে কাটিয়ে উঠে একাগ্রতা নিয়ে পঠনপাঠন‌ ও সৃষ্টিকর্মে মন দেন। পিতাকে সহায়তা করেন কাব্যরচনায়। ১৫৭৫ নাগাদ, যখন চন্দ্রাবতীর বয়স মাত্র পঁচিশ, সেসময় তিনি পিতার লেখা মনসার ভাসান-এ সহযোগিতা করেছিলেন। তারপর একের পর এক নিজস্ব রচনায় ভাস্বর

রবীন্দ্রনাথের দৃষ্টিতে ইসলাম

হিন্দুকে মুসলমানদের আপন বলে মনে করতে হবে, একথা তিনি ‌বারবার উচ্চারণ করে গেছেন। 'যদি ভাবি, মুসলমানদের অস্বীকার করে একপাশে সরিয়ে দিলেই দেশের‌ সকল মঙ্গলপ্রচেষ্টা সফল হবে, তাহলে বড়‌ই ভুল করব'— বলেছেন তিনি। বাউলদের সাধনার মধ্যে তিনি হিন্দু-মুসলমানের সম্মিলন আবিষ্কার করেন, অনুবাদ করেন মারাঠি সন্ত কবি তুকারামের 'অভঙ্গ' যেমন, ঠিক তেমনই

দুই হুজুরের গপ্পো

১৯৩০ সালের ১৪ জুলাই, আলবার্ট আইনস্টাইন বার্লিনের উপকণ্ঠে নিজের বাড়িতে স্বাগত জানান ভারতীয় কবি, দার্শনিক ও সঙ্গীতজ্ঞ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে। তিনি ছিলেন প্রথম অ-ইউরোপীয় নোবেল বিজয়ী। তাঁদের এই সাক্ষাৎকারটি ইতিহাসের অন্যতম বুদ্ধিদীপ্ত ও মননশীল আলাপচারিতায় পরিণত হয়, যেখানে তাঁরা বিজ্ঞান ও ধর্মের চিরন্তন দ্বন্দ্ব নিয়ে আলোচনা করেন। “সায়েন্স অ্যান্ড দ্য ইন্ডিয়ান

শতবর্ষী বাঙালি

বাঙালিদের মধ্যেও শতায়ু লোক নেহাত কম নেই। একটা কথা মনে রাখা জরুরি, বিখ্যাত ব্যক্তি ছাড়া সাধারণ মানুষের আয়ু নিয়ে বিশেষ কোনও গবেষণা থাকে না। আবার একটু বেশি বয়স্ক মানুষকে শতায়ু বলে চালিয়ে দেওয়ার রেওয়াজ-ও রয়েছে। তবে শতবর্ষের আয়ুলাভ যে মানুষের কাঙ্ক্ষিত, তা উপনিষদের‌ একটি বাক্যে সুন্দরভাবে ধরা পড়েছে— 'জীবেম শরদঃ

শংকর: বিচিত্র বিষয় ও আখ্যানের কথাকার

শংকরের জনপ্রিয়তার একটি কারণ যদি হয় সাবলীল ও সহজ গতিচ্ছন্দময় ভাষা, অন্য আরেকটি কারণ হল, নিজ সময়কে করপুটে ধারণ করা। তার সঙ্গে মিশেছে আমাদের পরিকীর্ণ জগতের বহুকিছু, আমাদের নাগালের মধ্যেই আছে, অথচ আমরা এ-পর্যন্ত যার হদিশ পাইনি, তাকে পাঠকের দরবারে এনে হাজির করা। ১৯৫৫-তে যে উপন্যাসটি দিয়ে বাংলা-সাহিত্যে তাঁর আবির্ভাব,

মহাশ্বেতা দেবী: স্বনামে চিহ্নিত অনশ্বর প্রতিভা

গ্রামশি-বর্ণিত ও পরবর্তীতে বহুলচর্চিত ‘সাব অলটার্ন’-এর আগেই মহাশ্বেতার লেখায় ব্রাত্যজনসংহিতা মূর্ত; ‘অরণ্যের অধিকার’ প্রকাশিত হয় ১৯৭৭-এ। আর সাব অলটার্ন-তত্ত্ব প্রথম দানা বাঁধছে ১৯৮২-তে জ্ঞানেন্দ্র পাণ্ডে, রণজিৎ গুহ, গৌতম ভদ্র, শাহেদ আমিন, পার্থ চট্টোপাধ্যায়দের সঙ্কলন প্রকাশের মাধ্যমে। অবশ্য তার বহু আগেই ইতিহাস রচনায় সাব অলটার্ন চেতনায় স্থিতধী দেখা গেছে রবীন্দ্রনাথকে। স্বামী

সারদাদেবী: এক অনন্যা মাতৃরূপা

ব্রাহ্মণ ঘরের মেয়ে ও বধূ হয়ে তিনি কিনা মুসলমান ঘরামি আমজাদকে খেতে দিয়ে তার এঁটোকাটা নিজের হাতে পরিষ্কার করেন! বিধর্মী খ্রিস্টান নিবেদিতার সঙ্গে বসে আহার করেন! আর তাঁর চেয়েও বড় কথা, সে যুগের বিচারে বিপ্লবাত্মক ঘটনা, স্বামীর মৃত্যুর পর যে দীর্ঘ চৌত্রিশ বছর বেঁচেছিলেন তিনি, বিধবাবিবাহের প্রবর্তক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর-ও যা

জীবনচক্রের মহাকাব্য নবান্ন: শ্রম, প্রকৃতি ও নবজন্মের দ্বান্দ্বিকতা

নবান্ন। এটি কেবল একটি ঋতুভিত্তিক পার্বণ নয়; এটি সেই বৈদিক পূর্ব কাল থেকে ঐতিহ্যের নিরবচ্ছিন্ন ধারায় (যা প্রাচীন পুথি ও পাল আমলের লোক-আচারে চিত্রিত) এই সুবিস্তীর্ণ বদ্বীপ অঞ্চলের মানুষের 'অন্নময় ব্রহ্মের' প্রতি নিবেদিত এক গভীর নান্দনিক অর্ঘ্য, যেখানে লক্ষ্মীদেবীর সঙ্গে শস্যের অধিষ্ঠাত্রী লোকদেবতার আহ্বানও লুকিয়ে থাকে। নবান্ন হল জীবন ও

বুদ্ধদেব বসু: কালে কালান্তরে

বুদ্ধদেব বসুর অন্যতম অবদান যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে তুলনামূলক সাহিত্য (Comparative Literature) বিষয়টির প্রবর্তন। সারা ভারতে বিশ্ববিদ্যালয়-মানে এ বিষয়ে পড়ানোর সূচনা তাঁর মাধ্যমেই হয়েছিল। এর ফল হয়েছিল সুদূরপ্রসারী। এর ফলে তিনি যে বেশ কয়েকজন সার্থক আন্তর্জাতিক সাহিত্যবোধসম্পন্ন সাহিত্যিক তৈরি করেছিলেন তা-ই নয়, বিশ্বসাহিত্যের বহু ধ্রুপদী রচনা বাংলায় অনুবাদের মাধ্যমে তাঁরা বাংলা অনুবাদসাহিত্যকে

আমার স্মৃতিতে ঋত্বিককুমার ঘটক

দুটো‌ জিনিস লক্ষ্য করেছিলাম তাঁর।‌ এক, তিনি কথা বলার সময় আত্মমগ্ন‌ থাকতেন। কারও দিকে‌ তাকিয়ে‌ কথা বলতেন না। তাকাতেন‌ হয় সুদূরে, আর নয়তো‌ চোখ বুজে‌ কথা বলতেন। আর দ্বিতীয় যা, তা হল‌ ঋত্বিকের চোখ। এত উজ্জ্বল আর‌ মরমী, এক-ই সঙ্গে জ্যোৎস্নাপ্লাবিত আর লুব্ধক নক্ষত্রের মতো দীপ্ত, তা আর কারও মধ্যে

ঋত্বিক ঘটক ও বাংলাদেশ

ঋত্বিক ঘটকের জীবনের প্রথম বাইশ বছর (১৯২৫-১৯৪৭) কেটেছে মূলত পূর্ব-বাংলায়, যা এখনকার বাংলাদেশ। তাঁর জন্ম ঢাকার ২,ঋষিকেশ দাস রোডের ঝুলন বাড়িতে। ১৯৪৭, অর্থাৎ দেশভাগ ও স্বাধীনতা প্রাপ্তির আগে পর্যন্ত তিনি মূলত পূর্ব-বাংলায় কাটান। আমরা দেখব, পূর্ব-বাংলা যেমন রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করেছিল, সে-দেশ, সে-ভূমির প্রভাব তদনুরূপ ঋত্বিকেরও পড়েছিল তাঁর চলচ্চিত্রে।