Search
Generic filters
Search
Generic filters
নন্দিনী কর চন্দ

নন্দিনী কর চন্দ

নন্দিনী কর চন্দ পড়েছেন সেন্ট পল’স ক্যাথেড্রাল মিশন কলেজ। রবীন্দ্রভারতী ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যথাক্রমে নাটক ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর। এছাড়া মনোবিদ্যার বিশেষ পাঠও নিয়েছেন। কেন্দ্রীয় সরকারের নারী ও সমাজকল্যাণ দপ্তরের প্রকল্পে কর্মরত। দেশের অপরিচিত/ অল্পপরিচিত অঞ্চল, লোকজীবন ও উৎসব এবং খাদ্যাভ্যাস প্রভৃতি বিষয়ে অনুসন্ধানী ভ্রমণ তাঁর উৎসাহের ক্ষেত্র।
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

বিশেষ নিবন্ধ: নন্দিনী কর চন্দ

এ গহন আঁধারে; তব স্তূপমূলে জ্বালি আলো বুদ্ধদেব নিজেই বলেছিলেন যে, ধর্মনীতি-চর্চা অনেকটা সাপের বিষের মতো। ভালভাবে ব্যবহার করলে এগুলো শক্তিশালী ঔষধ কিন্তু ভালভাবে ব্যবহার

Read More »

স্মৃতি-বিস্মৃতির অন্দরমহলে: কবিতার সঙ্গে গেরস্থালি

বিস্মৃতির অতলে প্রায় তলিয়ে যাওয়া এমন কয়েকজন মহিলা কবির কথা আলোচনা করব, যাঁরা তাঁদের কাব্যপ্রতিভার দ্যুতিতে বাংলা কাব্যের ধারাকে উজ্জ্বল ও বেগবান করে তুলেছিলেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কৃষ্ণকামিনী দাসী, মোক্ষদায়িনী দেবী, প্রসন্নময়ী দেবী, লজ্জাবতী বসু, জগন্মোহিনী দেবী, গিরিন্দ্রমোহিনী দাসী, হিরণ্ময়ী দেবী, অম্বুজাসুন্দরী দাশগুপ্ত, সুরবালা ঘোষ প্রমুখ।

Read More »

সাধনা মুখোপাধ্যায়: অন্য এক ‘ভোরের অ্যালার্ম’

India’s First Bengali Daily Magazine. জানেন কি, বাঙালিকে বাংলা ভাষায় প্রথম ‘কেক, বিস্কুট ও পেস্ট্রি’ বানাতে শিখিয়েছেন একজন আদ্যন্ত কবি? হ্যাঁ, বাঙালিকে বাংলা ভাষায় কেক, পেস্ট্রি ও চায়ের সঙ্গে জীবনসাথির মত জড়িয়ে থাকা বিস্কুট ঘরোয়া উপায়ে বানাতে শিখিয়েছেন যিনি, তিনি আদতে একজন কবি। নাম সাধনা মুখোপাধ্যায়। প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে কবিতা রচনার পাশাপাশি রন্ধনপ্রণালী, জ্ঞানবিজ্ঞান ও শিশুতোষ সাহিত্য বিষয়ে লেখালিখি করেছেন বিস্তর। তিনি একাধারে কবি, সুলেখিকা, রন্ধন-পটিয়সী, শিক্ষাব্রতী, সমাজসেবিকাও।

Read More »

কিংবদন্তি খনা ও তাঁর বচন

India’s First Bengali Daily Magazine. খনাকে আমরা প্রাচীন বিদূষী, বাঙালি নারীরূপেই বুঝি। যিনি ছিলেন একাধারে জ্যোর্তির্বিদ, গণিতজ্ঞ এবং কবি। বাংলা অঞ্চলে কথিত আছে, শুভক্ষণে জন্মগ্রহণ করার কারণে তাঁর নাম ‘ক্ষণা’ বা ‘খনা’। আবার ওড়িয়া ভাষায় ‘খন’ বা ‘খোনা’ শব্দের অর্থ বোবা। ওড়িশায় প্রচলিত আছে, মিহির তাঁর স্ত্রী লীলাবতীর জিভ কেটে দেন বলে তাঁর (লীলাবতীর) নাম হয় ‘খোনা’। আবার অনেক পণ্ডিত মনে করেন ‘খনার বচন’ যেহেতু আবহাওয়া, দিনক্ষণ, তিথিনক্ষত্রের সঙ্গে জড়িত, তাই ‘ক্ষণ’ থেকে ‘খন’ হয়ে ‘খনা’ নামটির উৎপত্তি।

Read More »

মণিপুর: যে মুলুকে প্রথম উড়েছিল তেরঙ্গা

India’s First Bengali Daily Magazine. ইম্ফলের কাছে মৈরাঙয়ে অবস্থিত INA Martyrs’ Memorial Complex ভারতবর্ষের স্বাধীনতা স‌ংগ্রামের ঐতিহাসিক স্মৃতিবিজড়িত স্মারক ভাণ্ডার। এখানেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯৪৪-এর ১৪ এপ্রিল ভারতীয় জাতীয় সেনার কমান্ডার ইন চিফ হিসেবে ত্রিবর্ণ পতাকা উত্তোলনের সঙ্গে নেতাজির প্রত‍্যক্ষ ভূমিকা ছিল। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু কর্তৃক স্বাধীনতার সিংহদ্বার হিসেবে মৈরাঙ স্বীকৃতি লাভ করেছিল। বর্তমানে এই কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে নেতাজির একটি মূর্তি রয়েছে আর সংলগ্ন মিউজিয়ামের সংগ্রহে রয়েছে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে ব‍্যবহৃত বহু অস্ত্রশস্ত্র, গুরুত্বপূর্ণ চিঠি, নথিপত্র, ব‌ই, দলিল, পাণ্ডুলিপি, মানচিত্র।

Read More »

কবিয়াল ভোলা ময়রা ও কবিগান

India’s First Bengali Story Portal. কবিয়ালদের সম্পর্কে অনেক সাহিত্য সমালোচক নেতিবাচক ধারণা পোষণ করলেও বাংলা লোকায়তসাহিত্যের এক বিপুল সম্পদ কবিগানের খনিতে জমা আছে, একথা অস্বীকার করার কোনও উপায় নেই। আর বিনোদনের সঙ্গে সঙ্গে লোকশিক্ষা, জনসচেতনতার কাজেও কবিগান অনেক ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছে। প্রকৃতপক্ষে উনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধ ও দ্বিতীয়ার্ধের লোকগান সম্পর্কে আলোচনা অসম্পূর্ণ রয়ে যায়, যদি ভোলা ময়রাদের মত কবিয়ালদের নাম না নেওয়া হয়।

Read More »

মোহে লাগি লগন গুরু চরণন কি

India’s First Bengali Story Portal. উগ্র সামাজিক পীড়নে বিধ্বস্ত, সংকীর্ণ লোকনিন্দায় ক্ষতবিক্ষত মন নিয়ে মীরাবাঈ শ্রীকৃষ্ণের মন্দিরে পৌঁছলে সন্ত রবিদাসের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ হয়। তিনি সেখানে আধ‍্যাত্মিক মুক্তির বিষয়ে আলোচনা করছিলেন। মীরাবাঈ তাঁকে মন্ত্রদীক্ষা দিতে অনুরোধ করেন। কিন্তু তিনি জাতিতে চামার আর মীরাবাঈ জাতিতে ঠাকুর বলে মীরাবাঈয়ের আরও লাঞ্ছনার কারণ হয়ে দাঁড়াবেন ভেবে প্রথমে অস্বীকার করেন। পরে মীরাবাঈয়ের বারংবার অনুরোধ ও আকুতি দেখে সম্মত হন এবং মীরাবাঈকে দীক্ষা দেন।

Read More »

রথ-কথা

India’s First Bengali Story Portal. মাহেশে গুণ্ডিচাবাটীকে বলা হয় কুঞ্জবাটী আর জগন্নাথদেব এখানে ‘মাসির বাড়ি’ যান না, তিনি তাঁর সখী পৌর্ণমাসির কুঞ্জে যান। আর তাই রথযাত্রা উৎসবের এক দিন ‘হোড়া পঞ্চমী’ উৎসব হয়। সেই সন্ধ্যায় এলাকার ছেলেরা মশাল ও পালকি নিয়ে প্রথমে জগন্নাথদেবের মন্দিরে আসেন। তারপর লক্ষ্মীদেবীকে ওই পালকিতে করে পৌর্ণমাসির বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। যাতে তিনি জগন্নাথদেবকে সর্ষেপোড়া দিয়ে বশ করে সখীর বাড়ি থেকে ফিরিয়ে নিতে আসতে পারেন।

Read More »

হাওয়াবদলের দেশে

India’s First Bengali Story Portal. দীর্ঘ রোগভোগের পরে স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধারের জন্য বিশেষ করে বাঙালি সম্প্রদায়ের মধ্যে একসময় হাওয়া পরিবর্তনের লক্ষ্যে হাজারিবাগ, গিরিডি, দেওঘর, মধুপুর, শিমুলতলা প্রভৃতি জায়গায় যাওয়ার চল ছিল। সম্ভ্রান্ত বাঙালিরা এখানে বাড়ি বানিয়ে রেখেছিলেন। কিছু পুরানো জীর্ণ বাড়ি আজও সেই সাক্ষ্য বহন করে চলেছে। শিমুলতলা বেড়াতে এসে এমনই কোনও একটি পুরনো বাড়িতে দু-একদিন থাকবার পরিকল্পনা করাই যায়, তবে শুধুমাত্র স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধার নয়, ঘুরে বেড়ানোর জন্যও শিমুলতলা আসাই যায়।

Read More »

মহানদীর তীরে, সম্বলপুরে

India’s First Bengali Story Portal. ওড়িশার ‘হ্যান্ডলুম সিটি’ বলে প্রসিদ্ধ এই শহরটি বিশ্ববিখ্যাত সম্বলপুরী ইকত শাড়ির জন্য যেমন প্রসিদ্ধ, তেমনই মহানদীর তীরে অবস্থিত একটি অল্পপরিচিত হলেও স্বল্পছুটি কাটানোর এক অনন্য ভ্রমণস্থান হবার যোগ্যতা রাখে। হিরাকুঁদ ড‍্যাম, ডেব্রিগড় ওয়াইল্ডলাইফ স্যাংচুয়ারি, খালাসুনি ওয়াইল্ডলাইফ স্যাংচুয়ারি, সমালেশ্বরী, ঘণ্টেশ্বরী, হুমা, বুদ্ধরাজা মন্দির, গুদগুদা জলপ্রপাত, ডিয়ার পার্ক, ঊষাকোটি ওয়াইল্ডলাইফ স্যাংচুয়ারি, প্রধানপাত ওয়াটার ফলস— সব মিলিয়ে সম্বলপুর ভ্রমণপিপাসুদের নিরাশ করে না।

Read More »

গৌতমবুদ্ধের জীবনে নারী

আজ থেকে ২৫৬৬ বছর আগে বৌদ্ধধর্মের জনক মহামানব গৌতমবুদ্ধ কপিলাবস্তু রাজ্যে জন্মগ্রহণ করেন। বুদ্ধের জন্মের আগে প্রাচীন ভারতবর্ষে নারীদের অবস্থান ছিল চার দেয়ালে বন্দি। পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থায় নারীদের জীবন ছিল স্বামী কিংবা পুত্রদের অধীন। নানা সামাজিক কুসংস্কার, বৈষম্য ও অবহেলায় নারীরা ছিলেন জরাগ্রস্ত। ঠিক তখনই শাক্যরাজা শুদ্ধোধন ও মায়াদেবীর ঘরে বুদ্ধের আগমন।

Read More »

গড়িয়া: ত্রিপুরার জনজাতিদের উৎসব আজ সর্বজনীন

বর্তমানে সর্বজনীন চেহারা নিলেও ‘গড়িয়া পূজা’ ত্রিপুরার বিশেষ কয়েকটি উপজাতির এক মহান গৌরবময় পূজা ও উৎসব। তাঁদের সমাজে কোন যুগ থেকে এই পূজা চলে আসছে তা বলা কঠিন, তবে বয়সের দিক দিয়ে এই পূজা-উৎসব যে সুপ্রাচীন তা বলতেই হবে। গড়িয়া দেবতা তাদের পরম আরাধ্য এবং উপজাতিদের বদ্ধমূল ধারণা ও বিশ্বাস, তাঁর শুভাশিস ছাড়া জাগতিক কল্যাণ, সুখশান্তি, ভোগবিলাস ও অস্তিত্ব কোনওটাই সম্ভব নয়। তাই, দেবতাকে পরম ভক্তিভরে শ্রদ্ধা নিবেদনের অভিপ্রায়ে প্রতিটি উপজাতি নরনারী এই ‍পূজা-উৎসবের শুভদিনের জন্য সাগ্রহ প্রতীক্ষায় থাকেন।

Read More »

ফুল দেই: উত্তরাখণ্ডের ফুলেল উৎসব

ছোট থেকে বড় সব মেয়ে এই উৎসব অত‍্যন্ত উৎসাহের সঙ্গে পালন করেন। কিশোরী ও যুবতী মেয়েরা প্রথমে বাগান ও জঙ্গল থেকে অনেক ফুল সংগ্রহ করে আনেন। তারপর সেইসব ফুল ও চাল দিয়ে নিজেদের, আত্মীয়স্বজনদের, বন্ধুবান্ধবের বাড়ির প্রধান ফটক বা প্রবেশদ্বারের চৌকাঠের সামনে সুদৃশ্য অলংকরণ নির্মাণ করেন। এরপর মেয়েরা দলবেঁধে প্রতিবেশী ও গ্রামের বেশিরভাগ বাড়িতে যান একটি থালায় কিছু ফুল, চাল ও গুড় নিয়ে। তারা এই গ্রাম পরিক্রমার সময় একটি গানও গেয়ে থাকেন।

Read More »

বসন্তোৎসব: উল্লেখ আছে বাৎসায়নের ‘কামসূত্র’-তেও

বাৎসায়নের ‘কামসূত্র’, যা রচিত হয়েছিল তৃতীয়-চতুর্থ শতকে, তাতেও এই উৎসবের উল্লেখ আছে। ‘কামসূত্র’ গ্রন্থে দোলায় বসে আমোদ-প্রমোদের কথা আমরা জানতে পারি। ইংরেজরাও প্রথম দিকে এই উৎসবকে রোমান উৎসব ‘ল্যুপেরক্যালিয়া’ হিসেবেই মনে করেছিল। অনেকে আবার একে গ্রিকদের উৎসব ‘ব্যাকানালিয়া’-এর সঙ্গেও তুলনা করতেন। মহামতি আকবর এই রঙের উৎসবের বড় অনুরাগী ছিলেন এবং সপার্ষদ তিনি এই উৎসবে অংশ নিয়ে রঙিন হতেন। রং খেলছেন জাহাঙ্গির বা অন্য মোগল বাদশা, এমন অসংখ্য মুঘল মিনিয়েচার সংরক্ষিত রয়েছে দেশবিদেশের বিভিন্ন জাদুঘরে।

Read More »

পৌষপার্বণ: নানারূপে পালিত হয় আসমুদ্রহিমাচলে

ভারতবর্ষে নাগাল্যান্ড ছাড়া প্রায় সমস্ত রাজ‍্যের মানুষ‌ই পালন করেন সংক্রান্তি। নানা রূপে, নানা নামে। সংক্রান্তির অর্থ গমন করা। এই দিনটিতেই শেষ হয় সূর্যের দক্ষিণায়ন। এবার শুরু সূর্যের উত্তরায়ণ। অর্থাৎ শীতের শেষের সূচনা হয় এই দিনে। ঋতুর পরিবর্তন হয় মকর সংক্রান্তির দিন। শীত কমে গিয়ে শুরু হয় বসন্ত। সব রাজ‍্যের লোকাচার মিলিয়ে দেখা যায়, প্রধানত শস্য এবং সূর্যের পুজোর দিন এটি। মহাভারতেও এই দিনটির উল্লেখ আছে। এদিন নাকি ভীষ্ম ইচ্ছামৃত্যু বরণ করেছিলেন।

Read More »

মামলেট

লম্বা গলার অ্যালুমিনিয়াম বা স্টিলের গ্লাসে একটা চামচ দিয়ে একটার পর একটা ডিম ভেঙে সুনিপুণ হাতে একটা সুরের মত তা ফেটিয়ে সাথে গোলগোল করে কাটা কাঁচালঙ্কা আর ছোট চারকোনা শেপে পেঁয়াজ কুচি মিশিয়ে, প্রায় কালচে হয়ে যাওয়া একধরনের হাতাওলা তাওয়ায় তাকে সযত্নে বিছিয়ে দিয়ে মাঝারি আঁচে এই মামলেট বানানো হত। এখনকার নামে যাকে বলে রোডসাইড ফুড স্টল, তখনকার দিনে তার সাথে পাব্লিকের খিদের ডিমান্ড অব ডেপথ্ মেনে পাউরুটি তার যোগ্য সঙ্গত করত।

Read More »

বাথুকাম্মা: মেয়েদের একান্ত নিজস্ব কুসুম মহোৎসব

সাতটি স্তরে সজ্জিত, ফুলের অনন্য শৈলীর স্তূপটি, যা এতদিন যে যার বাড়িতে নৈবেদ্য দিয়ে পুজো করছিলেন, সেগুলি বহন করে নিয়ে এসে পুকুর, দিঘি বা নদীর পাশে কোনও উন্মুক্ত প্রান্তরে একসঙ্গে গোল করে রেখে তাকে ঘিরে নাচগান করেন মেয়েরা। এই স্থানটি আলো দিয়ে সুসজ্জিত করা হয়। এরপর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে মহিলারা শোভাযাত্রা করে ওই ফুলের তৈরি গোপুরম-সদৃশ কাঠামো বা কখনও তার ওপর স্থাপিত দেবীমূর্তিকে ধীরে ধীরে জলে সংস্থাপন করেন।

Read More »

অগ্নিবীর: বন্দুকের মুখে ঈশ্বর

১৯৫০ দশকে নেপালের রাজতন্ত্র ও রাজার মন্ত্রিগোষ্ঠী রানাশাহী শাসনের বিরুদ্ধে সফল সশস্ত্র বিদ্রোহ হয়েছিল। সেই বিদ্রোহে অংশ নিয়েছিলেন অনেক ভারতীয়। তাঁদের মধ্যে অনেকে বাঙালি। নেপালের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সেই প্রথম সংঘর্ষ সে-দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে মুক্তিযুদ্ধ হিসেবে চিহ্নিত। ভারত ও চীনের মধ্যে একফালি দেশ নেপালের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ সংগ্রাম সশস্ত্র ও নিরস্ত্র দুই পথ ধরে চলেছিল। ডান-বাম-অতিবাম— ত্রিমুখী রাজনৈতিক ঘাত-প্রতিঘাতের চূড়ান্ত সফলতা আসে ২০০৮ সালে রাজার শাসনের অবসানে।

Read More »

নারী: এক দৈবী আখর

আমরা ৮-ই মার্চের আন্তর্জাতিক নারীদিবসে আবহমান নারীবিশ্বকে সামান্য একটু ছুঁয়ে যেতে চাইলাম মাত্র। হাজার হাজার বছর ধরেই তাঁদের ওপর কড়া অনুশাসন, জবরদস্ত পরওয়ানা আর পুরুষতন্ত্রের দাপট। সে-সবের ফল ভুগতে হয়েছে আন্তিগোনে থেকে সীতা, দ্রৌপদী; জোয়ান অফ আর্ক থেকে আনারকলি, হাইপেশিয়া; রানি লক্ষ্মীবাঈ থেকে প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, বেগম রোকেয়া; রোজা পার্কস থেকে মালালা ইউসুফজাই— তাঁদের মতো হাজারো নামহীন নারীকে।

Read More »

মাতৃভাষা: অবিনাশী হৃৎস্পন্দন ও বিশ্বজনীন উত্তরাধিকার

প্রতিটি ভাষার নিজস্ব একটি আলো আছে, সে নিজের দীপ্তিতেই ভাস্বর। পৃথিবীতে আজ প্রায় সাত হাজার ভাষা আছে। ভাষাবিজ্ঞানীরা বলছেন, এই শতাব্দীর শেষে তার অর্ধেকেরও বেশি বিলুপ্ত হয়ে যাবে। এ তথ্য সত্যিই বেদনাদায়ক। একটি ভাষার মৃত্যু মানে কেবল কিছু শব্দের মৃত্যু নয়— সে মানে একটি জগৎদর্শনের অবলুপ্তি, একটি জাতির স্মৃতির চিরকালীন বিনাশ। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে তাই আমাদের অঙ্গীকার হোক বহুমাত্রিক। নিজের মাতৃভাষাকে ভালবাসা, তাকে চর্চায় রাখা, তার সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া। আর তার সাথে অন্য সমস্ত ভাষার প্রতি আরও বেশি করে শ্রদ্ধাশীল হওয়া।

Read More »

শংকর: বিচিত্র বিষয় ও আখ্যানের কথাকার

শংকরের জনপ্রিয়তার একটি কারণ যদি হয় সাবলীল ও সহজ গতিচ্ছন্দময় ভাষা, অন্য আরেকটি কারণ হল, নিজ সময়কে করপুটে ধারণ করা। তার সঙ্গে মিশেছে আমাদের পরিকীর্ণ জগতের বহুকিছু, আমাদের নাগালের মধ্যেই আছে, অথচ আমরা এ-পর্যন্ত যার হদিশ পাইনি, তাকে পাঠকের দরবারে এনে হাজির করা। ১৯৫৫-তে যে উপন্যাসটি দিয়ে বাংলা-সাহিত্যে তাঁর আবির্ভাব, সেই ‘কত অজানারে’ হাইকোর্টের জীবনযাপন, সেখানকার আসামি-ফরিয়াদি, উকিল-ব্যারিস্টার প্রমুখের চিত্র। লেখকের নিজ অভিজ্ঞতাপ্রসূত রচনা এটি। তিনি প্রথম জীবনে হাইকোর্টের সঙ্গে চাকরিসূত্রে যুক্ত ছিলেন।

Read More »

সুজিত বসুর তিনটি কবিতা

তারপরে একদিন আকাশে মেঘের সাজ, মুখরিত ধারাবারিপাত/ রঙিন ছাতার নিচে দু’গালে হীরের গুঁড়ি, মন মেলে ডানা/ আরো নিচে বিভাজিকা, নিপুণ শিল্পীর হাতে গড়া দুই উদ্ধত শিখর/ কিছুটা অস্পষ্ট, তবু আভাসে ছড়ায় মায়া বৃষ্টিস্নাত নাভি/ তখনই হঠাৎ হল ভূমিকম্প, পাঁচিলের বাধা ভাঙে বেসামাল ঝড়/ ফেরা যে হবে না ঘরে মুহূর্তে তা বুঝে যাই, হারিয়েছি চাবি/ অনেক তো দিন গেল, অনেক ঘুরেছি পথে, বিপথে অনেক হল ঘোরা/ তাকে তো দেখেছি, তাই নাই বা পড়ুক চোখে অজন্তা ইলোরা।

Read More »

ছোটগল্প: ফাউ

গরমকালে ছুটির দিনে ছাদে পায়চারি করতে বেশ লাগে। ঠান্ডা হাওয়ায় জুড়োয় শরীরটা। আকাশের একপাশে আবির। সন্ধে হবে হবে। অন্যদিকে কাঁচা হলুদ। চায়ের ট্রে নিয়ে জমিয়ে বসেছে রুমা। বিয়ের পর কি মানুষ প্রেম করতে ভুলে যায়? নিত্যদিন ভাত রুটি ডালের গল্পে প্রেম থাকে না কোথাও? অনেকদিন রুমার সঙ্গে শুধু শুধু ঘুরতে যায়নি ও।

Read More »