
বিশেষ নিবন্ধ: চয়ন বিকাশ ভদ্র
কাশফুল শরতের অন্যতম অনুষঙ্গ শরৎকালে নদীর তীরে কাশফুল ফোটে, আকাশে ভেসে বেড়ায় সাদা মেঘের ভেলা, সাদা বকের সারি দেখা যায় আকাশে। প্রকৃতি ঘোষণা করে মা

কাশফুল শরতের অন্যতম অনুষঙ্গ শরৎকালে নদীর তীরে কাশফুল ফোটে, আকাশে ভেসে বেড়ায় সাদা মেঘের ভেলা, সাদা বকের সারি দেখা যায় আকাশে। প্রকৃতি ঘোষণা করে মা

India’s First Bengali Daily Magazine. পুরাণের পাতায় চোখ রাখতে পেলাম দু’রকমের তথ্য। বাল্মিকী রামায়ণে রাম রাবণবধ হেতু মহামায়ার যে পুজো করেছিলেন তাতে পদ্মফুলের কোনও উল্লেখ পাওয়া যাচ্ছে না। তবে কৃত্তিবাসী রামায়ণে পদ্মের উল্লেখ পাওয়া যায়। বোধন, আমন্ত্রণ, অধিবাস করে রামচন্দ্র পুজো শুরু করেছিলেন ষষ্ঠীতে। তারপর সপ্তমী, অষ্টমী পুজো করে, নবমীতেও পুজো প্রায় সাঙ্গ, কিন্তু রামচন্দ্রের মনে কোনও আনন্দ নেই। এমন সময় বিভীষণ রামচন্দ্রকে বললেন: ‘তুষ্টিতে চণ্ডীরে এই করহ বিধান।/ অষ্টোত্তর-শত নীলোৎপল কর দান॥/ দেবের দুর্লভ পুষ্প যথা তথা নাই।/ তুষ্ট হবেন ভগবতী শুনহ গোঁসাই॥’

India’s First Bengali Daily Magazine. দ্বিজেন শর্মা বাংলাদেশের রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় নানা প্রজাতির গাছ লাগিয়েছেন, তৈরি করেছেন উদ্যান ও বাগান। গাছের পরিচর্যা ও সংরক্ষণ এবং প্রকৃতিবান্ধব শহর গড়ে তোলায় সবাইকে সম্পৃক্ত করতে আজীবন প্রচার চালিয়ে গেছেন। উদ্ভিদ ও প্রকৃতি নিয়ে লেখা দ্বিজেন শর্মার ‘শ্যামলী নিসর্গ’ প্রকৃতিপ্রেমী ও গবেষকদের কাছে অন্যতম আকরগ্রন্থ। ১৯৯৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলা একাডেমি এর পুনর্মুদ্রণ করে। লেখক এই গ্রন্থে ঢাকার সুদর্শন বৃক্ষরাজির আকার, আয়তন, আকৃতি, বর্ণ এবং এর ভেষজ গুণের বর্ণনা দেন।

India’s First Bengali Story Portal. কোলেস্টেরল বশে রাখে আম। হৃদরোগ, স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। প্রচুর ক্যারোটিন, ভিটামিন সি এবং ক্যালোরি আছে। আয়ুর্বেদীয় ও ইউনানী পদ্ধতির চিকিৎসায় পাকা ফল ল্যাকজেটিভ, রোচক ও টনিক বা বলকারকরূপে ব্যবহৃত হয়। লিভার বা যকৃতের জন্য উপকারী। রাতকানা ও অন্ধত্ব প্রতিরোধে পাকা এবং কাঁচা, উভয় প্রকার আমই মহৌষধ। রক্ত পড়া বন্ধকরণে আমগাছের বিভিন্ন অঙ্গের রস উপকারী। কচি পাতার রস দাঁতের ব্যথা উপশমকারী। আমের শুকনো মুকুল পাতলা পায়খানা, পুরাতন আমাশয় এবং প্রস্রাবের জ্বালাযন্ত্রণা উপশম করে। গাছের আঠা পায়ের ফাটা ও চর্মরোগে ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যায়। জ্বর, বুকের ব্যথা, বহুমূত্র রোগের জন্য আমের পাতার চূর্ণ ব্যবহৃত হয়।

India’s First Bengali Story Portal. ফলসার বহুবিধ গুণ। গবেষকরা জানাচ্ছেন, ফলসা আর্থারাইটিস বা বাতের সমস্যা থেকে রেহাই দিতে পারে, স্তন ও লিভার ক্যান্সারের হাত থেকে রক্ষা করতে পারে, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, হাড় মজবুত করে, শরীরকে ঠান্ডা রাখতে, খিদে বাড়াতে ও খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে, অ্যাজমা কিংবা শ্বাস-প্রশ্বাস সম্পর্কিত বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে এবং ডায়ারিয়া উপশমে ফলপ্রসূ। এমনকি রক্তশূন্যতাতেও ফলসা উপকারী। এছাড়াও ফলসার বাকলের রস জ্বর, সাধারণ সর্দিকাশি এবং আমাশয় নিরাময়েও কাজ করে।

প্রাচীন ভারতীয় সাহিত্যে, বিশেষত, ধর্মীয় এবং প্রণয়কাব্যে প্রায়শই অশোক গাছের উল্লেখ পাওয়া যায়। সংস্কৃত সাহিত্যে কমপক্ষে ১৬টি ভিন্ন নামে অশোক গাছ বা অশোক ফুলের উল্লেখ রয়েছে। বিখ্যাত সংস্কৃত নাট্যকার ও কবি কালিদাস তাঁর ‘মালবিকাগ্নিমিত্রম’ নাটকে এই গাছটিকে অমর করে রেখেছেন, যেখানে অনূঢ়া নারীর পদস্পর্শে অশোক গাছে ফুল ফোটে। এছাড়াও, পুরাণ বর্ণিত কামদেবের পঞ্চশরের অন্যতম শর এই অশোক ফুলে সজ্জিত।

কবিগুরু আর তাঁর শান্তিনিকেতন ও বিশ্বভারতীর সঙ্গে ছাতিমের সম্পর্ক বেশ নিবিড়। বিশ্বভারতীর সমাবর্তন সমারোহে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের হাতে ছাতিম পাতা তুলে দেওয়ার রীতি বহুকালের। ঐতিহ্যপূর্ণ সপ্তপর্ণী বিশ্বভারতীর আচার্যের কাছ থেকে পাওয়া অনেকের কাছেই স্বপ্নের। ছাতিম তলা এবং সেখানকার পুরনো ঘণ্টা বিশ্বভারতীর আইকনিক স্থানগুলির একটি। এই ছাতিমতলায় ব্রহ্মোপাসনার মধ্যে দিয়েই শুরু হয় শান্তিনিকেতনের ঐতিহ্যবাহী পৌষমেলা। এই ছাতিম গাছই পশ্চিমবঙ্গের state tree বা জাতীয় বৃক্ষ।

মূল্যবান তুলোর জন্য দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অনেক দেশে বাণিজ্যিকভাবে শ্বেত শিমুল গাছ লাগানো হয়। এর বীজও অত্যন্ত দামি ও কার্যকরী। বীজের তেলের আয়োডিন ভ্যালু ৮৫-১০০। ভারত, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়ায় বাণিজ্যিকভাবে বীজের তেল উৎপাদন করা হয়। বায়োফুয়েল আর রং প্রক্রিয়াজাতকরণে এই তেল কাজে লাগে। শ্বেত শিমুলের গাছের বাকল ভেষজ ঔষধে কাজে লাগে। আর মায়ানমারের মিথ অনুযায়ী, শ্বেত শিমুল পবিত্র বৃক্ষ। গুয়াতেমালা ও পুয়ের্তো রিকোর জাতীয় বৃক্ষও শ্বেত শিমুল।

সোনাপাতা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে অবিশ্বাস্য কাজ দেয়। এছাড়া শরীরের ওজন এবং উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। হজমশক্তি বা পাচন ক্ষমতা বৃদ্ধিতেও সহায়ক। সোনাপাতায় থাকা অ্যানথ্রোনয়েড রেচক হিসেবে কাজ করে এবং পাচন প্রক্রিয়াকে সক্রিয় করে তোলে। এতে মলাশয়ের সঞ্চালন উদ্দীপিত হয় বলে খুব অল্প সময়ে এবং সহজেই বাহ্যি নিষ্কাষিত হয়। পাতায় বিদ্যমান বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদানগুলির দরুন এটি প্রধানত জোলাপ বা রেচক হিসেবে কার্যকরী।

রঞ্জনা বেশ পরিচিত একটি গাছ। লাল বীজগুলো দেখতে খুব সুন্দর। চিনে একে বলা হয় xiang si dou অর্থাৎ mutual love bean। অনেকে এই বীজ দিয়ে আংটি, মালা, দুল ইত্যাদি বানায়। বিখ্যাত ইংরেজ ছত্রাকবিজ্ঞানী এবং উদ্ভিদবিদ এড্রেড জন হেনরি কর্নার (E. J. H. Corner) তাঁর বইয়ে লিখেছেন, ভারতীয় উপমহাদেশে প্রাচীনকালে স্বর্ণকারেরা সোনার ভর পরিমাপে রঞ্জনার বীজ ব্যবহার করতেন। এই গাছের কাঠ খুব শক্ত, তাই আসবাবপত্র, নৌকা প্রভৃতি তৈরিতে কাজে লাগে।

শীত ঋতুতে উদ্ভিদ জগতে যখন নেমে আসে এক প্রাণহীন রসহীন বিবর্ণতার ছায়া, তখন খেজুর গাছ রসের বার্তা নিয়ে আসে। রস আহরণের জন্য খেজুর গাছ বছরে ন্যূনতম একবার কাটা এবং গোলগাল রাখা প্রয়োজন হয়। গ্রামীণ অর্থনীতি এবং মৌসুমি কর্মসংস্থানে রসময়ী খেজুর গাছের অগ্রণী ভূমিকা রয়েছে। খেজুরের রস দিয়ে নানারকম গুড়, পিঠা, পায়েস প্রভৃতি তৈরি হয়। বাঙালি খাদ্যসংস্কৃতির ঐতিহ্যের পাশাপাশি যা একটি লাভজনক কুটির শিল্প হিসেবেও উল্লেখযোগ্য।

ঝলকে দেখে নেওয়া যাক চিনেবাদামের নানাবিধ পুষ্টিগুণ। ১. হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়, ২. মস্তিষ্কের ক্ষমতা ও কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়, ৩. ক্যানসারের মত রোগ দূরে রাখে, ৪. পুষ্টির ঘাটতি দূর করে, ৫. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়, ৬. খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়, ৭. ব্লাড প্রেসার বা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে, ৮. ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে, ৯. রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে, ১০. কোষের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, এবং ১১. হজম শক্তির উন্নতি ঘটায়।

গ্রিক পিথেসেলোবিয়াম-এর অর্থ বানরের ফল আর লাতিন ডুলসি মানে মিষ্টি। এই ফল দুটি খোসার মধ্যে শাঁস ও বীজ গোলাকারভাবে মালার মত সাজানো থাকে। ফলে ৫-১০টি বীজ থাকে। প্রতিটি ফলে বীজদানা থাকে আট থেকে ১০টি। এই ফল কাঁচা অবস্থায় সবুজ থাকে কিন্তু পাকলে এর খোসা টকটকে লাল হয়ে ফেটে যায়। ভেতরের সাদা শাঁস বেশি পাকলে অনেক সময় তাতে লালচে দাগ পড়ে।

গাছে সারা বছর অনবরত ফুল ফোটে। তবে বসন্ত ও গ্রীষ্মে ফুল বেশি ফোটে। যেসব গাছে ফল হয় না সেসব গাছে সব সময়ই ফুল ফোটে। গ্রীষ্মকাল পাতা ঝরার সময়। কিন্তু বছরে কয়েকবারই পাতা ঝরে, পাতা গজায়। মঞ্জরীদণ্ডে একটির পর একটি ফুল ফুটতে থাকে। গাছের চারপাশে ঘিরে থাকে মৌমাছি, প্রজাপতি ও বিভিন্ন পতঙ্গ। ফল গোলাকৃতির, মাংসল, বড় ও বাদামি রঙের। ফল কামানের গোলার মত বড় হয় বলে এই উদ্ভিদকে ইংরেজিতে ‘Cannon ball tree’ বলে।

তমালের ফলের মণ্ড ও পাতার চূর্ণ মাছের জন্য বিষ। ভেষজ চিকিৎসায় এর নানাবিধ ব্যবহার আছে। জ্বর, ডায়ারিয়া, নিউমোনিয়া, প্রস্রাবে সমস্যা, নিউরালজিয়া, প্লুরিসি, মিনোরেজিয়া, প্রসব-পরবর্তী জ্বর, বিষাক্ত মাকড়সার কামড় ইত্যাদিতে তমাল গাছের নানান অংশ ব্যবহৃত হয়। এছাড়া এর ছালের নির্যাসে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি, অ্যান্টি-পাইরেটিক গুণ আছে। এর অ্যালকোহলিক নির্যাসে ইঁদুরের ক্যানসার নিরাময়ের ক্ষমতা আছে বলে পরীক্ষায় প্রমাণ পাওয়া গেছে।

ফাল্গুন-চৈত্রে ছোট ছোট সবুজাভ ফুল ফোটে। এরপর জাম আকৃতির ফল আসে। একটি পরিণত গাছ থেকে ৪-৫ কেজি কর্পূর পাওয়া যায়। যদিও গাছের বয়স হতে হবে কমপক্ষে ৫০ বছর। গাছ থেকে মোমের মতো যে রস বেরোয় তা থেকেই কর্পূর তৈরি হয়। এর কাণ্ড, পাতা, ডাল সব কিছুতেই কর্পূর আছে। কর্পূরের স্বাদ তেতো, তবে সুগন্ধী, রং সাদা। সাধারণত গাছের বীজ থেকে চারা তৈরি করা হয়।

দরজায় আটকানো কাগজটার থেকে চোখ সরিয়ে নিল বিজয়া। ওসব আইনের বুলি তার মুখস্থ। নতুন করে আর শেখার কিছু নেই। এরপর, লিফটের দিকে না গিয়ে সে সিঁড়ির দিকে পা বাড়াল। অ্যাপার্টমেন্ট থেকে বেরিয়ে উঠে বসল গাড়িতে। চোখের সামনে পরপর ভেসে উঠছে স্মৃতির জলছবি। নিজের সুখের ঘরের দুয়ারে দাঁড়িয়ে ‘ডিফল্ট ইএমআই’-এর নোটিস পড়তে মনের জোর চাই। অনেক কষ্ট করে সে দৃশ্য দেখে নিচে নেমে আসতে হল বিজয়াকে।

তালিবান। জঙ্গিগোষ্ঠী বলেই দুনিয়াজোড়া ডাক। আফগানিস্তানের ঊষর মরুভূমি, সশস্ত্র যোদ্ধা চলেছে হননের উদ্দেশ্যে। মানে, স্বাধীন হতে… দিনান্তে তাঁদের কেউ কেউ কবিতা লিখতেন। ২০১২ সালে লন্ডনের প্রকাশনা C. Hurst & Co Publishers Ltd প্রথম সংকলন প্রকাশ করে ‘Poetry of the Taliban’। সেই সম্ভার থেকে নির্বাচিত তিনটি কবিতার অনুবাদ।

দূর পাহাড়ের গায়ে ডানা মেলে/ বসে আছে একটুকরো মেঘ। বৈরাগী প্রজাপতি।/ সন্ন্যাস-মৌনতা ভেঙে যে পাহাড় একদিন/ অশ্রাব্য-মুখর হবে, ছল-কোলাহলে ভেসে যাবে তার/ ভার্জিন-ফুলগোছা, হয়তো বা কোনও খরস্রোতা/ শুকিয়ে শুকিয়ে হবে কাঠ,/ অনভিপ্রেত প্রত্যয়-অসদ্গতি!

আরও উপযুক্ত, আরও আরও সাশ্রয়ী, এসবের টানে প্রযুক্তি গবেষণা এগিয়ে চলে। সময়ের উদ্বর্তনে পুরনো সে-সব আলোর অনেকেই আজ আর নেই। নিয়ন আলো কিন্তু যাই যাই করে আজও পুরোপুরি যেতে পারেনি। এই এলইডি আলোর দাপটের সময়কালেও।

দুটো জিনিস লক্ষ্য করেছিলাম তাঁর। এক, তিনি কথা বলার সময় আত্মমগ্ন থাকতেন। কারও দিকে তাকিয়ে কথা বলতেন না। তাকাতেন হয় সুদূরে, আর নয়তো চোখ বুজে কথা বলতেন। আর দ্বিতীয় যা, তা হল ঋত্বিকের চোখ। এত উজ্জ্বল আর মরমী, এক-ই সঙ্গে জ্যোৎস্নাপ্লাবিত আর লুব্ধক নক্ষত্রের মতো দীপ্ত, তা আর কারও মধ্যে দেখিনি। সত্যজিৎ-মৃণালের মধ্যেও না, যদিও ঘটনাচক্রে ওই দু’জনের সঙ্গে আমার মোলাকাত হয়েছিল অনেক বেশি।

ঋত্বিক ঘটকের জীবনের প্রথম বাইশ বছর (১৯২৫-১৯৪৭) কেটেছে মূলত পূর্ব-বাংলায়, যা এখনকার বাংলাদেশ। তাঁর জন্ম ঢাকার ২,ঋষিকেশ দাস রোডের ঝুলন বাড়িতে। ১৯৪৭, অর্থাৎ দেশভাগ ও স্বাধীনতা প্রাপ্তির আগে পর্যন্ত তিনি মূলত পূর্ব-বাংলায় কাটান। আমরা দেখব, পূর্ব-বাংলা যেমন রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করেছিল, সে-দেশ, সে-ভূমির প্রভাব তদনুরূপ ঋত্বিকেরও পড়েছিল তাঁর চলচ্চিত্রে।