
নগর জীবন ছবির মতন হয়তো
আরও উপযুক্ত, আরও আরও সাশ্রয়ী, এসবের টানে প্রযুক্তি গবেষণা এগিয়ে চলে। সময়ের উদ্বর্তনে পুরনো সে-সব আলোর অনেকেই আজ আর নেই। নিয়ন আলো কিন্তু যাই যাই করে আজও পুরোপুরি যেতে পারেনি। এই এলইডি আলোর দাপটের সময়কালেও।

আরও উপযুক্ত, আরও আরও সাশ্রয়ী, এসবের টানে প্রযুক্তি গবেষণা এগিয়ে চলে। সময়ের উদ্বর্তনে পুরনো সে-সব আলোর অনেকেই আজ আর নেই। নিয়ন আলো কিন্তু যাই যাই করে আজও পুরোপুরি যেতে পারেনি। এই এলইডি আলোর দাপটের সময়কালেও।

অরুণাচলের মেচুকা অবতরণ ১৯৯৬ সালের অক্টোবর। ডিব্রুগড়ের কাছে চাবুয়া সামরিক বিমানবন্দর থেকে এএন-৩২ বিমানে উড়ে পড়লাম। গন্তব্য মেচুকা। তখনও পর্যন্ত মেচুকা সড়কপথে অরুণাচলের কোনও শহরের

দরজা ঠেলে ভেতরে উঁকি দিতেই প্রথমে যেটি চোখে পড়ল, সেটি সেই লাল-হলুদ মাফলার, খাটের পাশে ঝোলানো। তাহলে সিড়িঙ্গেবাবু নিশ্চয়ই এই ঘরেই অধিষ্ঠান করেন, তালা দিয়ে কোথাও বেরিয়েছেন। হঠাৎ আমি ভূতগ্রস্তের মত করিডর ধরে হাঁটছি আর এক-একটা করে ঘরের দরজা ঠেলে ফাঁক দিয়ে উঁকি দিচ্ছি। কী আশ্চর্য, প্রতিটি ঘরেই কোথাও না কোথাও দেখছি একটা করে ওই লাল-হলুদ মাফলার ঝুলছে। যত দ্রুত পারি দোতলায় ঘরগুলোর দরজা ঠেলে উঁকি দিলাম। সবখানেই এক ছবি।

India’s First Bengali Daily Journal. একদিন দেখি আল্গুরামের দরজার সামনে এক পেল্লায় প্রাণিসম্পদ। ঠিক ছাগল বলতে মন চায় না; আমার সমান উঁচু, রাশভারি দাড়ি আর লম্বা কান! পেরু থেকে লামা এল নাকি! নাকি উটের ছানা! এসব ভাবতে ভাবতে সবে একটু দাড়িতে হাত বোলাতে গেছি আর তখনই এক রাম ঢুঁ। আমিও পপাত চ।

ভালভাষা উৎসব সংখ্যা ২০২৩। শুধু ট্যানারির ময়লা জল নয়, এই জলাভূমি গোটা কলকাতা শহরের ময়লা জল আর তার সঙ্গে হাজার-হাজার ছোট-মাঝারি শিল্পের ময়লা জলকেও প্রায় একশো বছর শোধন করে দিয়েছে। ভাবলে আশ্চর্য হতে হয় কলকাতার মতো জনবহুল মেট্রোপলিটন শহরের ময়লা জল শোধনের একমাত্র ব্যবস্থা ছিল এই পুবের জলাভূমি। এতকাল এই কাজ হয়েছে নিখরচায়। এখন প্রায় শ্বাসরুদ্ধ কোমায় আচ্ছন্ন জলাভূমিটি উধাও হল বলে। লিখেছেন শুভ্র মুখোপাধ্যায়।

India’s First Bengali Daily Journal. চক্ষুদান নিয়ে মানুষের মনের মধ্যে জমাট বেঁধে আছে নানা ভীতি, অন্ধসংস্কার আর ভিত্তিহীন বিশ্বাস। অথচ চক্ষুদান মানে মোটেই শবদেহের কোনও বিকৃতি দেখা যাবে না; পরজন্ম যদি থেকেও থাকে তবে অন্ধ হয়ে জন্মানোর অভিশাপ নিতান্তই কষ্টকল্পনা। কোনও ধর্মগ্রন্থেই মরণোত্তর চক্ষুদানে কোনও আপত্তির কথা বা কারণ লেখা নেই। তবু মানুষের মনে কোথায় যেন একটা জড়তা চেপে বসে আছে।

India’s First Bengali Daily Journal. আগামী বিশ-পঁচিশ বছরে ভূউষ্ণায়নে পরিবর্তিত প্রাকৃতিক পরিস্থিতিতে আমাদেরও প্রস্তুত থাকতে হবে খাদ্যাভ্যাস বদলে। এই লেখায় জানিয়ে রাখি যে, ভূউষ্ণায়নে জলবায়ু পরিবর্তনের ধাক্কা সাগর-মহাসাগরে জলতলের স্ফীতি, হিমালয়ের হিমবাহ, দুই মেরুর বরফের পুরু আচ্ছাদন, অতিবৃষ্টি, বন্যা, সাইক্লোন, অনাবৃষ্টি, খরা, মহামারী সব ছাপিয়ে দ্রুত পৌঁছে যাচ্ছে আমাদের খাবার টেবিলে।

India’s First Bengali Daily Journal. আমাকে মাঝখানে রেখে দুপাশে দুজন, নবী আর পুলিনদা। সিটটা বোধহয় ধুয়েছে, ভেজা, ঠান্ডা; কেমন আঁশটে গন্ধ। পুলিনদা বলছে, অনেক কিছু জেনে ফেলেছিস রমেন! আমার হাত পা অসাড়, গলা দিয়ে কোনও শব্দ বেরোচ্ছে না। দেখছি নবী আমার মুখ বাঁধছে, হাত-পাও; আমি বুঝতে পারছি কী ঘটতে চলেছে, কিন্তু আমি শান্ত, প্রতিরোধহীন। ওরা ঠিক ওবের মতোই আমার দশা করল; তারপর ঠান্ডা মাথায় জলার ঠান্ডাজলের নীচে এমন ভাবে রাখল যাতে লাশটা ভেসে না ওঠে।

India’s First Bengali Daily Journal. দার্জিলিং জেলার নামথিং পোখরি (৪.১৮৯ হেক্টর) বিএইচএস ঘোষিত হয়; এই জলাশয়টিতে অতীব সংবেদী ও বিরল হিমালয়ান স্যালামান্ডার বা ভারতীয় নিউট-এর বাস। সেই প্রাচীন ও মধ্য মিওসিন যুগ থেকে বিবর্তনের পথে আজও টিকে আছে ভারত-নেপাল হিমালয়ের এই নিউট। এটিকে দেখতে কতকটা টিকটিকির মতো হলেও এরা উভচর শ্রেণির; এদের ত্বকে কোনও আঁশ নেই আর জলে ডিম পাড়ে ও জলেই ছানাপোনারা বড় হয়। শুধুমাত্র পূর্ব হিমালয়ের কিছু জলাশয়ে এদের বাস আর তার মধ্যে নামথিং পোখরি অগ্রগণ্য।

India’s First Bengali Daily Journal. দেশের প্রান্তিক কাগজকুড়ানিরা সমাজের প্রায় অলক্ষ্যে থেকে সরকারের একটি পয়সাও দাবি না করে কী যে সুচারুভাবে শহর-মফস্বলের কঠিন আবর্জনা থেকে বিভিন্ন ধরনের প্লাস্টিক বর্জ্য পৃথক করার দুরূহ কাজটি করে চলেছেন, ভাবলেও অবাক হতে হয়। সেই কাজের অর্থমূল্য বিপুল, অথচ সমাজ কোনও আমলই দিল না। এমনকি এখন বেশ বোঝা যাচ্ছে এই কুড়ানিদের কাজ ‘কার্বন ক্রেডিট’ পাবার যোগ্য।

India’s First Bengali Daily Journal. ২০২২-এ বাঘ সুমারি অনুযায়ী দেশে বাঘের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩,১৬৭; ২০১৮-য় সেই সংখ্যা ছিল ২,৯৬৭। অর্থাৎ পাঁচ বছরে দেশে দু’শোটি বাঘ বেড়েছে। নিশ্চিত আনন্দের খবর। যদিও দুর্জনরা বলছেন, এই হিসেবে জল আছে প্রচুর। ২০২২ থেকে ইতিমধ্যেই একশোর ওপর বাঘ মারা গিয়েছে নানা কারণে; সেগুলিও নাকি এখনও জীবিত হিসেবেই ধরা! সে যাই হোক, বাঘ বাড়ছে, এ নিশ্চয়ই ভাল খবর। সারা পৃথিবীর বাঘের ৭০ শতাংশ রয়েছে ভারতে আর তাদের সংখ্যা বছরে ৬ শতাংশ হারে বাড়ছে। কিন্তু এও আবার বেশ দুঃখের যে, ভারতের বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ সংস্থা জানিয়েছে, মূলত চোরাশিকার ও নানান দুর্ঘটনায় ২০০৮ থেকে ২০২৩-এর পয়লা এপ্রিলের মধ্যে ভারতে ১,২৮৭টি বাঘ প্রাণ হারিয়েছে!

India’s First Bengali Daily Magazine. ভারতে বাদাবনের পরিমাণ কমবেশি ৪,৯২১ বর্গকিলোমিটার; ভারত ভূখণ্ডের মাত্র ০.১৫% জুড়ে। এই পরিমাণের প্রায় ৪৩% রয়েছে আমাদের রাজ্যে আর বাকিটা ছড়িয়ে আছে গুজরাত, অন্ধ্র, কেরল ও আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের বিভিন্ন স্থানে। আমরা ভাগ্যবান, আমাদের রাজ্যে রয়েছে বাদাবনের সবচেয়ে সমৃদ্ধ অঞ্চল, সুন্দরবন। এই জাতীয় অরণ্য ও ব্যাঘ্রবনের নানান আন্তর্জাতিক খ্যাতি মিলেছে; সুন্দরবন বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভও অধুনা রামসার সাইট।

India’s First Bengali Story Portal. এই লেখার শিরোনামটি কবি শঙ্খ ঘোষের ‘তুমি তো তেমন গৌরী নও’ থেকে স্রেফ চুরি। তা হোক, আমি তো আর হিমানীশ গোস্বামীর মতো অমন গুণসম্পন্ন গোবরের অর্থই পাল্টে দিইনি। উনি বলে গেছেন গোবর মানে বাংলায় অর্থ ষণ্ড (গো+বর) অথবা ইং-বাং সংযোগে অর্থ যে মহিলা স্বামীকে ডিভোর্স দিয়েছে (go+বর)। কী কাণ্ড! সুকুমার রায় অবধি গোবরকে শুদ্ধতার সার্টিফিকেট দিয়ে লিখে গেছেন, ‘‘শান বাঁধানো ভুঁই গোবর জলে ধুই’’, আর গোস্বামীবাবু গোবরের সেই শুদ্ধতাটুকুও কেড়ে নিলেন! কী আক্কেল ভাবুন! আমি তো তেমন কোনও গর্হিত কাজ করিনি।

India’s First Bengali Story Portal. কলকাতা শহরের জন্য তার জলাভূমিটি পরিবেশ সংরক্ষণে সুস্থিত সাশ্রয়ী বিকল্প হিসেবে সারা দুনিয়ায় বিবেচিত হলেও রাজ্যে সেটি কোনও কদর পেল না। এই জলাভূমি কলকাতার প্রায় দেড়-দু কোটি বাসিন্দার জন্য প্রতি বছর প্রায় তিনলক্ষ টন অক্সিজেন জুগিয়ে চলেছে। ময়লাজল-আবর্জনার কার্বনের ৬০ শতাংশ কার্বন জমা করে রাখে এই অবাক জলাভূমি। হিসেব বলে, প্রতিদিন শ্বাসকাজ, যানবাহন আর শহর-সন্নিহিত ছোট আর মাঝারি শিল্পের মোট বর্জ্য কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ প্রায় ৩৫০০ টন। তার বিপুল অংশ জলার গাছপালা ধরে রাখে; বছরে প্রতি বর্গ মিটার পিছু প্রায় দুই কিলোগ্রাম কার্বন। এই জলাভূমি না থাকলে আরও কত বেশি কার্বন আবহাওয়া উষ্ণ করে তোলার কাজে হাত মেলাত বেশ বোঝা যায়।

India’s First Bengali Daily Journal. ব্রজর বাড়ি রামরাজাতলা। নির্ঘাত তার বাড়ি অযোধ্যার ধারেপাশে; এমন গর্বের বন্ধু পেয়ে আমার চেতনা ছাপ্পান্ন ইঞ্চি। তবে বৃত্তি পরীক্ষার গণ্ডি পেরোতেই উপহার পেলুম লীলা মজুমদারের ‘লঙ্কাদহন পালা’। উঃ, সে কী নাটক রে ভাই। সেই বইটিই আমায় শিখিয়েছে ‘ঠাট্টার সময়ে ইয়ার্কি’ করতে নেই। আর জানলাম সেই রাম ঠাট্টা, ‘রামায়ণে বাহাদুর রামচন্দ্র নয়/ কহ বাহু তুলে বদন খুলে/ হল্লুমানের জয়।।’

কী অসাধারণ শিক্ষাই না আমরা পেতে পারি, উৎসাহিত হয়ে পারি খেলোয়াড়দের থেকে! একটি উদাহরণ: প্রথম বিশ্বকাপে সোনাজয়ী উরুগুয়ে দলে ছিলেন হেক্টর কাস্ত্রো। তেরো বছর বয়সে মেশিনে তাঁর ডানহাত কাটা পড়েছিল। অদম্য উৎসাহে তিনি ফুটবল খেলেছেন, জাতীয় দলে স্থান করে নিয়েছেন, আর ফাইনালে জয়সূচক গোলটিও তাঁর-ই করা! তাঁর স্বদেশবাসী তাঁকে ডাকতেন— ‘এল ডিভিনো মানকো’, অর্থাৎ একহাত-বিশিষ্ট ঈশ্বর।

১৬০৭ থেকে ১৭৮৩ পর্যন্ত সময়কাল আমেরিকায় ব্রিটেনের ঔপনিবেশিক রাজত্ব। আজকের দিনে যে আমেরিকা, তা কিন্তু পুরোটা ব্রিটিশদের দখলে ছিল না। ছিল ভার্জিনিয়া, ম্যাসাচুসেটস, নিউ ইয়র্ক, পেনসিলভেনিয়া-সহ ১৩টি রাজ্য। আর কানাডার বেশ কিছু অঞ্চল। আমেরিকার অন্যান্য স্থানে ফরাসি, ডাচ, নরওয়েজিয়, সুইডিস উপনিবেশ-ও ছিল। তাছাড়া রাশিয়া আমেরিকার আলাস্কা থেকে ক্যালিফোর্নিয়া পর্যন্ত দখল করে। পরে সে আলাস্কা আমেরিকার কাছে বিক্রিও করে দেয়।

গঙ্গার মর্ত্যে আগমন নিয়ে যেমন ভগীরথের গল্প, তেমনই গোদাবরীর উৎসস্থলে না এলে জানা যেত না, দক্ষিণের গঙ্গা নিয়েও আছে হাজার গল্প। যে গল্প জানাবে আজও এই অঞ্চলের মানুষ অনেক সময়েই কাছাকাছি আর কোনও পানীয়জল না পেয়ে কষ্ট করে হলেও এই উৎসস্থলে এসেই শীতল এই পানীয়জল নিয়ে যান নিজেদের কাজের জন্য। গঙ্গা বা অন্য নদী সে শুধু ধার্মিক আবেগের কারণে পবিত্র না, হাজার প্রাণীর ‘তৃষ্ণা’ মেটাবার জন্য সে হয়ে ওঠে ‘দেবী’ বা ‘পবিত্র’। সে পথে মিশে যায় হাজার গল্প-কষ্ট কিংবা দিনযাপনের চরম বাস্তবতা।

একই আলোকমালায় কাটিয়েছি/ বহুকাল দু’জনে…/ বলিনি কখনও।/ তারা খসা দেখেছি একসাথে, যদিও/ গোপন থেকেছে চাওয়া-পাওয়া।/ মাঝে বহুদিন, বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মতো/ একা… নীরবে বয়েছি যাতনা।/ আজ মিথ্যের নেই অবকাশ/ তোমাকে কি পড়েনি মনে/ কোনও মুহূর্ত বা ক্ষণে/ ভাবিনি কি একান্ত বন্ধু আমার—/ এতদিন পরে, পুনর্মিলনে বলেছ/ পাখি হতে চেয়েছিলে এ জীবনে

অবিক্রীত পণ্যের পাহাড় যখন পুঁজির পুনরুৎপাদনকে বাধাগ্রস্ত করে, তখন পুঁজিপতিরা তীব্র আতঙ্কে ভোগে। এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য তারা প্রতিযোগী পুঁজিপতির বাজার ও পণ্য ধ্বংস করতে চায়। আর এই ধ্বংসের বৈধ হাতিয়ার হিসেবে তারা রাষ্ট্র ও সামরিক বাহিনীকে ব্যবহার করে যুদ্ধ বাধিয়ে দেয়। অর্থাৎ, উদ্বৃত্ত পণ্য এবং অতিরিক্ত শ্রমকে ধ্বংস করে পুঁজির ভারসাম্য ফিরিয়ে আনাই বুর্জোয়া যুদ্ধের মূল উদ্দেশ্য। এই শোষণের প্রক্রিয়াকে আড়াল করতে রাষ্ট্র একদল বুদ্ধিজীবী ও নীতিবিদ লালন করে, যারা কৃত্রিম ‘দেশপ্রেম’ ও ‘জাতীয়তাবাদ’-এর আফিম খাইয়ে শ্রমিককে বিভ্রান্ত রাখে, যাতে তারা শোষক ও শোষিতের মধ্যকার মৌলিক শ্রেণি-পার্থক্য ভুলে যায়।

বুয়েনস আইরেসের রিভার প্লেটের যে স্টেডিয়ামে তখন খেলা হত, তার মাত্র এক মাইল দূরে ছিল সামরিক সরকারের বন্দিশিবির নেভি স্কুল অব ম্যাকনিকস। সাংবাদিক ডেভিড কক্স ফুটবল বিশ্বকাপের খবর সংগ্রহ করতে গেছিলেন। তিনি ‘ডার্টি ওয়ার’ বইতে লিখেছিলেন, যখন স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনার ম্যাচ চলত তখন ওই টর্চার সেল থেকে কান্নার শব্দ শোনা যেত। আর্জেন্টিনার ভুবনমোহিনী ফুটবলে লেগে আছে রক্ত।