Search
Generic filters
Search
Generic filters

রম্যগদ্য: অনুপ্রবেশকারী

ছোটবেলা থেকেই দেখেছি আমার চারপাশে অনেক অনুপ্রবেশকারী। প্রথমটায় বেশ গুঁতো খেয়েছিলাম। বড় মিস্ত্রি কিশোরীকাকু আর তার সহকারী আল্গুরাম থাকতেন কাছেই। তারাই তখন আমাদের বাড়ির দোতলা তৈরির কাজে রয়েছেন। নানা কাজে সকালে কী সন্ধ্যায় তাদের আস্তানায় যেতে হত। তেমনই একদিন দেখি আল্গুরামের দরজার সামনে এক পেল্লায় প্রাণিসম্পদ। ঠিক ছাগল বলতে মন চায় না; আমার সমান উঁচু, রাশভারি দাড়ি আর লম্বা কান! পেরু থেকে লামা এল নাকি! নাকি উটের ছানা! এসব ভাবতে ভাবতে সবে একটু দাড়িতে হাত বোলাতে গেছি আর তখনই এক রাম ঢুঁ। আমিও পপাত চ। আল্গুরাম হন্তদন্ত হয়ে বেরিয়ে এসেছে। আমি প্যান্টের ধুলো ঝাড়তে ঝাড়তে উঠছি আর সবিস্ময়ে জিজ্ঞেস করছি, ‘আল্গুকাকু কী গো এটা?’ ‘আরে আরে উইঠে পড়ো উইঠে পড়ো; ইটা আসলি পটনাঈ; নজদিক মৎ যাও।’ আমি তখন কাজ সেরে মায়ের কাছে দৌড় দিতে তৎপর। আমাদের সে সময় মায়েরাই ছিল আজকের দিনের গুগল। ‘মা, মা, সে এক অতিকায়…’ ইত্যাদি ইত্যাদি…। মা বলল, ‘ওরে হাঁদারাম ওটা রামছাগল।’ আমার উপাধির শেষে রাম, আবার ছাগলের নামের আগেও রাম ব্যাপারটা আমার একটু অসম্মানজনক মনে হল। মা তখনও বলে চলেছে, ‘ওরে ওটার খুব কাছে যাসনি যেন, ভীষণ গুঁতো খাবি।’ আমি আড়চোখে নিজেকে দেখছি কোথাও ধুলো লেগে নেই তো! এক গুঁতোয় ধূলিসাৎ হবার অসম্মানটাও এর সাথে যোগ করতে মোটেই ভাল লাগবে না। এখন ভাবি গোরুর সাথে রাম, মা-জননী, (গুঁতোর ভয়ে) ভক্তিভাব তো বেশ খাপ খেত! খামোখা ছাগলের সঙ্গে রাম-হেন নামকে জোড়া কেন বাপু! রামগোরুকে অনায়াসে হারুদের আপিসে বসিয়ে ট্যাঁশগোরু বললে বোঝাই যেত সে মোটেও গোরু নয়। সুকুমার রায়ের ছন্দে মোটেও অক্ষরের টানাটানি পড়ত না।

আরও কয়েকবছর পরে চাকরি ছেড়ে মেজজ্যাঠামশাই আর মেজমা রেঙ্গুন থেকে ফিরে এলেন। সঙ্গে বিস্তর জিনিসপত্র। তার মধ্যে একটা ছিল চাকা লাগানো কারুকাজ করা সেগুন কাঠের বর্মী সিন্দুক।‌ সেই উচ্চাসনে সবুজ-লাল সুতোয় বোনা ‘মায়ের দান’ ও টিয়াপাখি আঁকা চটের আসনে বসে পড়তাম বেশ কিছু দিন। আর-একটি বস্তু ছিল, সেটি নির্জীব নয়, সজীব। এতই সজীব যে আমার প্রাণ ওষ্ঠাগত। তিনি হলেন দাঁড়ে বসা মেজোমার পেয়ারের পাতিলেবু হলুদরঙা ঝুঁটিওলা এক পেল্লায় কাকাতুয়া, কুটুম। প্রথম প্রথম সে গুগাবাবা-র ভূতের গলায় চেঁচাত, ‘ভাত হল’ কিংবা ‘তাড়াতাড়ি তাড়াতাড়ি’, এমন সব নির্বিষ শব্দ। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই ভোর হল কি না হল তার ‘খোকন ওঠো’, ‘খোকন ওঠরে’ চিৎকার শুরু হল। তারপরে শুরু হত ‘খোকন পড়তে বোস’ ‘খোকন পড়তে বোস।’ তখন আমার সেই বয়সটা, যখন কেউই চায় না বাড়ি ডাকনামটা সবাই জানুক। এদিকে এ কাকাতুয়া নিয়ে আমার পাড়ার আর স্কুলের বন্ধুদের আদিখ্যেতার শেষ নেই। মেজমার প্রিয় পাখি কুটুম। সেও নাকি এক বিদেশিনী। ইন্দোনেশিয়ার কোন সাহেবের কাছ থেকে কেনা। ফলে কোনও অনুযোগে কেউই আমল দিল না। শুধু ঠাম্মি অভয় দিয়ে বলেছিল, ‘ভাবিস নে খোকা। আমি শিখিয়ে পড়িয়ে নেব। আর ক’দিন পর থেকে দেখবি সারাদিন কেমন হরিনাম করে।’ কিন্তু সেই শুভদিন আসার আগেই বিদেশিনী সবার অলক্ষ্যে পায়ের শেকল কেটে মেজমার আদরের ‘কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প’ ছেড়ে দেশি আকাশে মুক্তির আনন্দে উড়ে গেল। সারাবাড়িতে শোকের ছায়া। আমিও বিমর্ষ; যেন অপরাধ হয়েছে আমার। কিন্তু আমার সত্যি সত্যিই খুব চিন্তা হত। এই অচেনা দেশের অজানা আকাশে কার সাথে কথা বলবে সে! আবার এও ভেবে নিজেকে শান্ত রাখতাম, স্বল্প চেনা কলকাতা থেকে ও হয়তো আকাশপথে ওর চেনা রেঙ্গুনেই ফিরে গেছে! সে পথ তো খুব দূর নয়। আর তা নয়তো হাঁসেদের থেকে পথ চিনে নিয়ে সোজা জাকার্তায় ফিরে গেছে।

এর কিছুদিন পর মামার বাড়ি গিয়ে দেখি একেবারে জোড়া বিস্ময়! ছোটমামার কোলে এক চকোলেট রঙের কুকুরছানা আর ছোটমাসির কোলে এক গালফোলা তুলোতুলো ছেয়ে-রঙের বেড়ালছানাটি। যেই বলেছি, ‘এ কী গো, কুকুরছানা, বেড়ালছানা কোলে তুলেছ কেন?’ মামা-মাসি দুজনেই ফোঁস করে উঠল। নেহাত কোথাকার মুখ্যু এসেছি এমন ভঙ্গি করে তারা সমস্বরে বলে উঠল, ‘জানিস, এরা কোথাকার?’ আমি ভাবলাম এ আবার কী প্রশ্ন! কুকুর-বেড়াল হবে হয় রাস্তার কিংবা কারওর বাড়ি পোষ্যদের ছানাপোনা। ছোটমামা ভয়ংকর গম্ভীর হয়ে বলল, ‘এ খাঁটি স্কটিশ টেরিয়ার ছানা। ছোট ওয়ালডি সাহেব স্কটল্যান্ড থেকে এনেছিল এর মা-বাবাকে।’ জানিয়ে রাখি, আমার মামার বাড়িটি ছিল গঙ্গার ধারে ওয়াল্ডি সাহেবদের বাগানবাড়ির ঠিক বিপরীতে। ড. ডেভিড ওয়াল্ডি সেই উনিশ শতকের মাঝামাঝি ভারতে প্রথম লেড অক্সাইডের কারখানা তৈরি করেন। তাঁর বানানো রেড লেড ছিল বিশ্বসেরা। সেই কারখানা আজও বিরাজমান, শুধু তাঁদের বাগানবাড়ি আর আমার মামার বাড়ি প্রোমোটারদের হাতুড়ির গায়ে ধূলিসাৎ। সে যাক; তখন আমার ছোটমামা স্কটিশ ছানা পেয়ে গদগদ। তার গুণকীর্তন আর শেষ হয় না। ছোটমাসি আর থাকতে না পেরে সেও জুড়ে দিলে তার বেড়াল-শাবকের গুণগান। জানা গেল, সেই বেড়াল তপস্বিনীর আসল দেশ কাবুল। আমি এসব আদিখ্যেতার মানে বুঝলাম না। আমি ভাবছি, আরে বাবা দেশে কি কুকুরছানা বেড়ালছানাটির অভাব পড়েছে? এই তো আমার বন্ধু অনিমেষের নেড়ি ভুলো কেমন চমৎকার শিক্ষা-দীক্ষা পেয়েছে; বসতে বললে বসে, দৌড়ে বল তুলে এনে দেয়। নাড়ু খেলতে না এলে ভুলো লং অফে ফিল্ডিং করে। আর বেড়াল বাপু কোনও কাজে আসে না। শুধু পিকোলোকেই দেখি একপাল হুলো-মেনির দেখাশোনা করে দিনভর। কেউ বাড়ি না ফিরলে সে আবার কাঁদতে কাঁদতে পাড়ায় বাড়ি বাড়ি খুঁজতে বেরিয়ে পড়ে। আমার হুঁশ ফিরতেই দেখি ছোটমামা-মাসি তাদের পোষ্যদের গুণগান থেকে গড়িয়ে ফোঁসফোঁস-ঘোঁৎঘোঁৎ পেরিয়ে হাতাহাতিতে মেতেছে। আর লোম ঝুমঝুম স্কটিশ টেরিয়ার ছানা নরম-গরম তুলতুলে ঘুমন্ত কাবলি বেড়ালছানাটির গায়ে ঠেস দিয়ে দিব্য ঘুমোচ্ছে।

বড় হতে হতেই আমার জ্ঞানচক্ষু খুলল (হয়তো বা)। যেমন সকলেরই খোলে বা খোলে না। কলেজকালের মধ্যেই জেনে গেলাম আমার দেশের সীমানার মধ্যে আছে প্রায় গোটা একটা ম্যাপবইটাই। আফ্রিকা-চিন-রাশিয়া-পাকিস্তান-আফগানিস্তান এমন বিস্তর দেশ থেকে প্রায় সাড়ে তিনশো প্রজাতির পাখি নিয়ম করে কেউ শীতে কেউ গ্রীষ্মে কেউবা বর্ষায় আমাদের দেশে কয়েকমাস কাটিয়ে যায়। না পাসপোর্ট, না ভিসা, না কোনও নাগরিকনামা। দিব্য আছে তারা। ততদিনে জেনে গেছি, আমরা যেসব শাক-সব্জি-ফলমূল খাই তার একের তিন ভাগই আমার দেশের নয়। বিগত প্রায় হাজার বছরের ইতিহাস জুড়ে এইসব প্রজাতিরা আর অতিথি নয়। এই মহাভারতের প্রতিদিনের সঙ্গী। দক্ষিণ আমেরিকা থেকে আসা আলু-টমেটো, মধ্য আমেরিকার লঙ্কা, মধ্য এশিয়ার রসুন, পশ্চিম এশিয়ার পেঁয়াজ কিংবা ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের সর্ষে ছাড়া কি ভারতে রান্নাঘর চলবে! আর নিকট ভবিষ্যতে এসেছে আরও কত কী। রঙিন ক্যাপসিকাম, ব্রকোলি, খেদে চেরি টমেটো, পার্সলে এমন কতকিছু। কমবেশি ৩১ রকমের মাছ ভিনদেশ থেকে এসে জুড়ে বসেছে আমার দেশে। এদের মধ্যে অন্তত আটটিকে বাজারে আমরা রোজ দেখি। অভারতীয় বৃক্ষ-গুল্ম অথবা পুস্প এখন নানান ধর্মীয় আচারের অঙ্গ। মায়ের পায়ের রাঙাজবা প্রথমে কোথায় ফুটেছিল কে তার খোঁজ রাখে! কেনই বা রাখবে! যেদিকে তাকাই এখন অনুপ্রবেশকারী চোখে পড়ে। কেউ পার্থনিয়ামের মতো অযাচিত এসে পড়ে গেড়ে বসেছে, তবে বেশিরভাগই আমাদের স্বার্থের ডাকে সাড়া দিয়ে। আর এমন অগণিত অনুপ্রবেশকারীদের সঙ্গে নিয়ে আজকের এই মহাভারত দিব্য আছে।

চিত্র: গুগল

One Response

  1. দারুন সুন্দর একটা রম্য লেখা হয়েছে 👍🏻

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

two − 2 =

Recent Posts

মলয়চন্দন মুখোপাধ্যায়

নারায়ণগঞ্জের দুর্গাপুজো

বাংলাদেশের নানা জেলার‌ রামকৃষ্ণ মিশনে ঘোরার অভিজ্ঞতায় দেখেছি, সব জায়গাতেই আচারপরায়ণ মহারাজ ও ব্রহ্মচারীদের সুমধুর ব্যবহার। এখানে এসেই যখন এখানকার অধ্যক্ষ মহারাজ স্বামী একনাথানন্দজির সঙ্গে আলাপ হল, মুহূর্তের মধ্যেই তিনি অন্তরঙ্গ হয়ে উঠলেন। আমাকে পূজামণ্ডপে নিয়ে তাঁর কাছে বসালেন। ষষ্ঠীর রাতে নববস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠান‌ ছিল। আমাকে দিয়েও বস্ত্রদান করালেন। এই যে আচরণ, এতে করে আমি যে কী পরিমাণ সম্মানিত বোধ করলাম, তা বলার‌ নয়। কেবল‌ তাই নয়, সমবেত দর্শক-শ্রোতার সামনে আমাকে কিছু বলার আমন্ত্রণ-ও জানালেন। আমাকে আপ্লুত করল তাঁর এই আহ্বান।

Read More »
মলয়চন্দন মুখোপাধ্যায়

দুর্গাপূজা ও প্রসঙ্গত

এতদিন ধরে অন্য কোনও দেবদেবীর পুজো কোথাও হয় না। দুর্গাপুজোর এটি একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য। আরও একটি বৈশিষ্ট্য, এই পুজো উপলক্ষে কত যে পত্রপত্রিকা বেরোয়, তার কোনও সীমা নেই। কলকাতা যেহেতু এ-পুজোর প্রাণকেন্দ্র, স্বভাবতই এখান থেকে সবচেয়ে বেশি পুজোসংখ্যা পত্রিকা বেরোয়। প্রতিটি দৈনিক পত্রিকা বিরাট আকারে পুজোর অর্ঘ্য সাজায়। প্রসঙ্গত, সত্যজিৎ রায় তাঁর যে দু’টি ভিন্নধারার লেখার মাধ্যমে দীর্ঘ পঞ্চাশ বছরের ওপর জনপ্রিয়তার শীর্ষে, তা কিন্তু এই পুজোর ‘দেশ’ আর’ আনন্দমেলা’-র সূত্রেই।

Read More »
মলয়চন্দন মুখোপাধ্যায়

মহালয়া

এই চণ্ডীপাঠকে অভাবিত মাত্রা দিয়েছে কলকাতার আকাশবাণী কেন্দ্র। ১৯২৭ সালে স্থাপিত হওয়া এই বেতার প্রচারকেন্দ্র থেকে (তখন নাম ছিল ‘Indian State Broadcasting Service’) ১৯৩১-এর ১১-ই অক্টোবর সর্বপ্রথম মহালয়ার অনুষ্ঠান প্রচারিত হয়। স্তোত্রপাঠে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র। পরিকল্পনা বাণীকুমার, প্রকৃত নাম বৈদ্যনাথ ভট্টাচার্য। সঙ্গীত পরিচালনায় রাইচাঁদ বড়াল ও পঙ্কজকুমার মল্লিক। অচিরেই এটি তুমুল জনপ্রিয় হয়। অদ্যাপি, প্রায় শতবর্ষ হতে চলল, অনুষ্ঠানটির জনপ্রিয়তায় বিন্দুমাত্র ভাটা পড়েনি। সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে শিল্পীর পরিবর্তন হয়েছে, মহালয়ার প্রাক্-সূর্যোদয়ে এখনও কী কলকাতা, কী কানপুর-ঢাকা-ম্যাসাচুসেটস-আগরতলা-আন্দামান-মেহেরপুর-টোকিওর বাঙালি এটা শুনতে ভোলেন না।

Read More »
মলয়চন্দন মুখোপাধ্যায়

চিরজীবী বিদ্যাসাগর

বিদ্যাসাগর ‘বর্ণপরিচয়’ লেখার মাধ্যমে শিশুশিক্ষার ক্ষেত্রে এক বিরাট ভূমিকা রেখেছিলেন। ১৮৫৫-র ১৪-ই এপ্রিল, অর্থাৎ ১২৬২-র পয়লা বৈশাখ এর প্রথম খণ্ড, ও সে বছরের-ই পয়লা আষাঢ় বইটির দ্বিতীয় খণ্ড বেরোয়। এর আগেও শিশুদের অক্ষর পরিচয় ও বাক্যগঠনের বেশ কিছু বই থাকলেও বিদ্যাসাগরের ‘বর্ণপরিচয়’ উপযোগিতার দিক দিয়ে সেগুলিকে, ও পরবর্তীকালে রবীন্দ্রনাথের ‘সহজপাঠ’-কে বহুগুণে ছাড়িয়ে গিয়েছে। তাঁর জীবিতকালেই বইটির ১৫০-এর ওপর সংস্করণ হয়, আর ছাপা হয়েছিল তিরিশ লাখের-ও বেশি। এখন-ও ও বইটির উপযোগিতা শেষ হয়ে যায়নি।

Read More »
মলয়চন্দন মুখোপাধ্যায়

অজানা বিভূতিভূষণ

নিতান্ত দারিদ্র্যের মধ্য থেকে তিনি উঠে এসেছিলেন বলে দারিদ্র্য ও প্রতিকূলতা নিয়ে তাঁর নিজস্ব এক দর্শন ছিল। তাই দেখি, ডায়েরির এক জায়গায় তিনি লিখছেন, ‘দুঃখ জীবনের বড় সম্পদ, দারিদ্র্য, ব্যর্থতা বড় সম্পদ— Sadness ভিন্ন profundity আসে না।’ অতীত দারিদ্র্যময় জীবনের কথা মনে করে নিজে সপ্তাহে একদিন শুধু নুন আর ভাত খেতেন।

Read More »
মলয়চন্দন মুখোপাধ্যায়

উত্তম উত্তম

বিশ্ব চলচ্চিত্রের ইতিহাসে কম মহা-অভিনেতা জন্মাননি। তাঁদের মধ্যে খুব সামান্য কয়েকজন আল পাচিনো, মার্লোন ব্র্যান্ডো, রবার্ট ডি নিরো, লরেন্স অলিভিয়ার, গ্রেগরি পেক, জিন-পল বেলমন্ডো, ব্রুস লি, ইনোকেন্তি স্মোকতুনভস্কি, জিন গ্যাবিন, মাইকেল কেইন প্রমুখ। কিন্তু কতজন মৃত্যুর প্রায় পঞ্চাশ বছর পরেও জনপ্রিয়তা বাড়িয়েই চলেছেন? সম্ভবত চার্লি চ্যাপলিনের পর একমাত্র উত্তম। এলিজাবেথ টেলর ‘নায়ক’ দেখে আপ্লুত হয়ে যে উত্তমের সঙ্গে ছবি করতে চেয়েছিলেন, উত্তমের অভিনয়ের এ-ও তো এক অনিবার্য স্বীকৃতি!

Read More »