Search
Generic filters
Search
Generic filters

ছোটগল্প: ভোজের হাট

সুশীল কর কলেজে রমেনের সঙ্গে পড়েছি; আমি বিকম, রমেন বিএসসি। বড় নিরীহ ছেলে। কিন্তু সেই রমেনই কিনা থার্ড ইয়ারের আগে তার পাড়ার কোন কাকার পাল্লায় পড়ে ছোটা হাতি চালানো শিখে নিল। কলেজে থাকতেই ঘোষপুরের সবজি সেই গাড়িতে সে কোলে মার্কেটে পৌঁছে দিয়ে বেশ দু’পয়সা করেছিল। আমাদের কাছে রীতিমতো হিরো। আর কলেজ ছাড়ার মাস কয়েক পরে দেখি এক লজ্‌ঝরে হলুদ অ্যাম্বাসাডর ট্যাক্সির ড্রাইভার বনে গেছে সে। বেশ কনফি রেখেই বলেছিল, দ্যাখ না, বছর দুয়েকের মধ্যেই নিজের ট্যাক্সি যদি না করেছি! সে তাও করেছিল; ভোজের হাটের ট্যাক্সি স্ট্যান্ডে তার সেই সেকেন্ড হ্যান্ড ট্যাক্সির গায়ে হেলান দিয়ে মোবাইলে গেম খেলছিল। আমার ডাকে তাকিয়ে দেখে। কিছু বলে না, শুধু তার বাঁ হাত দিয়ে বনেটে আলতো চাপড় মেরে বুঝিয়ে দিয়েছিল তার সেই স্বপ্নটি এখন সত্যি। আমি, চলি রে রমেন, বলে নিজের কাজে চলে গেলাম। তবে বেশ ভাল লেগেছিল; নিজের পায়ে দাঁড়ানোর জন্য বন্ধুর এমন একমুখী চেষ্টা, যাকে বলে সেল্ফ মেড।

মাঝেমধ্যেই রমেনের সঙ্গে দেখা হয়ে যেত। বেশিরভাগ সময়েই খানিক রাতের দিকে। তাকে ওই ট্যাক্সি স্ট্যান্ডে আরেকদিন ধরলাম।

কীরে, কী ব্যাপার, তোকে তো দিনের বেলা দেখি না!

আরে, রাতের দিকে সওয়ারির ভাড়া ডবল, সে বলল। আর, আমি তো সেই কবে থেকে রাতে সবজি নিয়ে গিয়ে রাত্তিরের কলকাতাকেই চিনি ভাল; ডান্ডাবাবুগুলোও আমায় চেনে। আসলে দিনের বেলা তিনটে শিফটে ট্যুইশনি, অঙ্ক আর কেমিস্ট্রি; সকালে দু’ব্যাচ, তারপর দুপুরে খাবার পর জম্পেশ দিবানিদ্রা, আবার বিকেলে একটা ব্যাচ। স্ট্যান্ডে আসতে আসতে রাত সাড়ে আটটা-ন’টা।

আমি বললাম, এবারে বিয়ে কর।‌ রমেন বাঁকা হাসি হেসে যা টুকিটাকি বলল তাতে বুঝলাম সে তার পক্ষীরাজ নিয়ে বেশ আছে।

এরপর বেশ অনেকদিন তার দেখা মেলেনি। আমিও হয়তো রমেনের কথা ভুলেই গিয়েছিলাম। সবাই নিজের কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকলে যা হয় আর কী।‌ ইদানীং আমাদের এদিকটায় আবার বাজারের আবহাওয়া বেশ তেতে উঠছে। সামনের বছরে ভোট, এখনই কেমন ফিসফাস; চাপা কানাকানি। কোথাও বিরোধীর টিকির দেখা নেই, তাও সব ঠেকেই নানান কে, কেন, কোথায় ইত্যাদির জোর তুফান। আরও যেন বেশ কয়েক মাস পরে রমেনকে দেখলাম; কেমন ফ্যাকাসে মুখ আর ঠান্ডা চাউনি। আমাকে দেখেও দেখল না, গাড়ি নিয়ে পাশ দিয়ে চলে গেল ঘটকপুকুরের দিকে।

মাস কয়েক হয়তো আরও চলে গেছে; আমি কাজ সেরে ফিরছি। ভোজের হাট বাস স্টপে নামতেই রমেন আমার পাশে গাড়ি থামিয়ে বলল, উঠে আয়। আলো-আঁধারে মুখ তো ভাল দেখছি না, তবে গলাটা কেমন ঠান্ডা আর কঠিন। আমি সেই আদেশের মতো ডাক উপেক্ষা করতে পারলাম না। পেছনের সিটেই উঠলাম।

কেমন আছিস রমেন? অনেকদিন তোকে দেখতে পাচ্ছিলাম না, ভাবলাম কোথাও গেছিস‌ হয়তো!

খুঁক করে ছোট্ট হাসির মতো একটা শব্দ করেই সে সেই ঠান্ডা গলায় বলল, ঠিকই ধরেছিস। আবার চুপচাপ। গাড়ির পেছন দিকটা দেখার লম্বাটে আয়নায় ওর মুখটা দেখার চেষ্টা করছি; রমেন বলল, সে অনেক কথা রে। নিজের চেষ্টায় নিজের পায়ে দাঁড়ানো যতটা না কঠিন, তার চেয়ে ঢের কঠিন কাজ দাঁড়িয়ে থাকাটা। কথাটা আমার নয়, এ আমাকে বলেছিল ওবেদুল্লা।

ওবেদুল্লা! সে তো তোদের সদস্য।

হ্যাঁ, পঞ্চায়েতে দুবারের।

তা সে হঠাৎ তোকে জ্ঞান দিচ্ছে কেন!

সেই কথা বলব বলেই তোকে ডাকলাম।

আমি কেমন রহস্যের গন্ধ পেলাম। দেখছি গাড়ি কখন আমার বাড়ি কোথায় পেছনে ফেলে ঘটকপুকুরের দিকে চলেছে; খুব জোরেও না, তবে ধীরেও নয়। আমি ভাবছি এর পর কী বলবে সে!

বুঝলি, সেদিনও এমন রাত দশটা নাগাদ হবে; ওবেদুল্লা, নবী, ছেনো আর পুলিনদা আমার ট্যাক্সিতে ওই পেছনের সিটেই গাদাগাদি করে চেপে বসল। সকলেই তো চেনা, তবে ওবেদুল্লা একেবারে আমার পাড়ার ছেলে। আমায় দেখে একটু হাসল। ভারিক্কি চালে ওবে বলল, রমেনদা, এই যে তুমি নিজের চেষ্টায় দু’পায়ে দাঁড়িয়েছ এটা শেখার, তবে জানবে সোজা দাঁড়িয়ে থাকাটা এখন বেশ চাপ। পুলিনদারা ঠেসেগুঁজে বসেই বলল, চল।

কোথায় যাব? তোমরা চললে কোথায় এই রাতবিরেতে!

কাজ আছে, একটু কুল্টিগঙের দিকে নিয়ে চল তো। পুলিনদাই বলল। ঘটকপুকুরের কাছাকাছি এসে হঠাৎ বলল, পোলের হাট চল।

সে কী, তাহলে তোমরা এদিকে এলে কেন?

আরে বাঁ হাতে ব্রিজ পেরিয়ে ভাঙড়ের রাস্তা ধর। আমাদের কথা আছে।

সে তো ধরতেই হবে; পেছনের সিটে নবী আর পুলিনদা দুজনে ওবেদুল্লাকে নিচু গলায় কিছু বোঝাচ্ছে, এবারে লড়াই জোর, তারই স্ট্র্যাটেজি নিয়ে কীসব বলছে, আমার কানে ঢুকলেও মাথায় ঢুকছে না। আমি ভাবছি তেলের দামটা কি দেবে! ভাঙড় কাটা খালের কাছেই একটা চাপা গোঙানির আওয়াজে পেছনে তাকিয়ে আমি হতবাক; ছেনো মুখটা গামছা দিয়ে ঠেসে ধরেছে, আর পুলিনদা তার সর্বশক্তি দিয়ে ওবেকে সিটে চেপে ধরেছে। নবীর একটা বীভৎস ছোরা ওবেদুল্লার গোটা পেটটাকে কুপিয়ে চলেছে। আমার হাত কাঁপছে, চোখে কেমন ঝাপসা দেখছি। পুলিনদা, ওবে তো তোমারই দলের, তোমার চ্যালা! বলতে চাইলাম, না বললাম নিজেই বুঝে উঠতে পারলাম না। খালের পাশে গাড়িটা থামিয়ে দিয়েছি। পেছন থেকে হিসহিসিয়ে উঠল পুলিনদা; তখনই সে আবার মনে করিয়ে দেবার মতো করে বলল, দাঁড়ানো সহজ, দাঁড়িয়ে থাকাটা সহজ নয়। এগিয়ে চল, চাপা গলায় বলল; খালের ধারে ফাঁকা জায়গায় গাড়ি রাখ। আমি তার কথামতো এঁকেবেঁকে তার পছন্দের জায়গায় পৌঁছলাম। পেছনের সিট রক্তে ভেসে যাচ্ছে। ওবে কি এখনও বেঁচে আছে? এই গাড়িতে কত মরণাপন্ন মানুষকে হাসপাতালে পৌঁছে দিয়ে প্রাণ বাঁচিয়েছি, আর এই গাড়িতেই একটা প্রাণ চলে গেল! স্টিয়ারিংয়ে মাথা রেখে কতক্ষণ শুয়ে ছিলাম, খেয়াল নেই।

পুলিনদা বলল, ওঠ; তোর এসব দেখার অভ্যেস নেই, তোর হাত কাঁপবে, চালাতে পারবি না। ছেনো চালাবে, তুই পেছনে আয়।

আমি মন্ত্রপূতের মতো পেছনে গেলাম। আমাকে মাঝখানে রেখে দুপাশে দুজন, নবী আর পুলিনদা। সিটটা বোধহয় ধুয়েছে, ভেজা, ঠান্ডা; কেমন আঁশটে গন্ধ। পুলিনদা বলছে, অনেক কিছু জেনে ফেলেছিস রমেন! আমার হাত পা অসাড়, গলা দিয়ে কোনও শব্দ বেরোচ্ছে না। দেখছি নবী আমার মুখ বাঁধছে, হাত-পাও; আমি বুঝতে পারছি কী ঘটতে চলেছে, কিন্তু আমি শান্ত, প্রতিরোধহীন। ওরা ঠিক ওবের মতোই আমার দশা করল; তারপর ঠান্ডা মাথায় জলার ঠান্ডাজলের নীচে এমন ভাবে রাখল যাতে লাশটা ভেসে না ওঠে। রমেন থামল।

আমি গর্জে উঠি, কী যা তা বলে যাচ্ছিস!

রমেন কাতর গলায় বলল, না রে, আমি নেই। সত্যিই। জীবনে হয়তো দাঁড়িয়েছিলাম, কিন্তু দাঁড়িয়ে থাকাটা কি অত সহজ!

আমি কি জ্ঞানে ছিলাম, নাকি অজ্ঞান! যখন ঘোর কাটল তখন প্রথম আলোয় জলার ওপরের কুয়াশা যেন আমার চোখের ওপরেও জমে আছে। গাড়ি থেকে বেরোলাম। কিন্তু এ তো নীল-সাদা গতিধারা, হলুদ অ্যাম্বাসাডর তো নয়! ড্রাইভার কোথায়? রমেনের ফোন নম্বরে কোনও সাড়াশব্দ নেই। হাঁটতে শুরু করলাম; আমি ভোজের হাটে ফিরে যাব।

চিত্রণ: চিন্ময় মুখোপাধ্যায়

One Response

  1. ভাল লাগল গল্পটি৷ ভূতের গল্প কিন্তু এটাই আমাদের ভবিষ্যতের গল্প৷

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

seventeen − 11 =

Recent Posts

মলয়চন্দন মুখোপাধ্যায়

নারায়ণগঞ্জের দুর্গাপুজো

বাংলাদেশের নানা জেলার‌ রামকৃষ্ণ মিশনে ঘোরার অভিজ্ঞতায় দেখেছি, সব জায়গাতেই আচারপরায়ণ মহারাজ ও ব্রহ্মচারীদের সুমধুর ব্যবহার। এখানে এসেই যখন এখানকার অধ্যক্ষ মহারাজ স্বামী একনাথানন্দজির সঙ্গে আলাপ হল, মুহূর্তের মধ্যেই তিনি অন্তরঙ্গ হয়ে উঠলেন। আমাকে পূজামণ্ডপে নিয়ে তাঁর কাছে বসালেন। ষষ্ঠীর রাতে নববস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠান‌ ছিল। আমাকে দিয়েও বস্ত্রদান করালেন। এই যে আচরণ, এতে করে আমি যে কী পরিমাণ সম্মানিত বোধ করলাম, তা বলার‌ নয়। কেবল‌ তাই নয়, সমবেত দর্শক-শ্রোতার সামনে আমাকে কিছু বলার আমন্ত্রণ-ও জানালেন। আমাকে আপ্লুত করল তাঁর এই আহ্বান।

Read More »
মলয়চন্দন মুখোপাধ্যায়

দুর্গাপূজা ও প্রসঙ্গত

এতদিন ধরে অন্য কোনও দেবদেবীর পুজো কোথাও হয় না। দুর্গাপুজোর এটি একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য। আরও একটি বৈশিষ্ট্য, এই পুজো উপলক্ষে কত যে পত্রপত্রিকা বেরোয়, তার কোনও সীমা নেই। কলকাতা যেহেতু এ-পুজোর প্রাণকেন্দ্র, স্বভাবতই এখান থেকে সবচেয়ে বেশি পুজোসংখ্যা পত্রিকা বেরোয়। প্রতিটি দৈনিক পত্রিকা বিরাট আকারে পুজোর অর্ঘ্য সাজায়। প্রসঙ্গত, সত্যজিৎ রায় তাঁর যে দু’টি ভিন্নধারার লেখার মাধ্যমে দীর্ঘ পঞ্চাশ বছরের ওপর জনপ্রিয়তার শীর্ষে, তা কিন্তু এই পুজোর ‘দেশ’ আর’ আনন্দমেলা’-র সূত্রেই।

Read More »
মলয়চন্দন মুখোপাধ্যায়

মহালয়া

এই চণ্ডীপাঠকে অভাবিত মাত্রা দিয়েছে কলকাতার আকাশবাণী কেন্দ্র। ১৯২৭ সালে স্থাপিত হওয়া এই বেতার প্রচারকেন্দ্র থেকে (তখন নাম ছিল ‘Indian State Broadcasting Service’) ১৯৩১-এর ১১-ই অক্টোবর সর্বপ্রথম মহালয়ার অনুষ্ঠান প্রচারিত হয়। স্তোত্রপাঠে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র। পরিকল্পনা বাণীকুমার, প্রকৃত নাম বৈদ্যনাথ ভট্টাচার্য। সঙ্গীত পরিচালনায় রাইচাঁদ বড়াল ও পঙ্কজকুমার মল্লিক। অচিরেই এটি তুমুল জনপ্রিয় হয়। অদ্যাপি, প্রায় শতবর্ষ হতে চলল, অনুষ্ঠানটির জনপ্রিয়তায় বিন্দুমাত্র ভাটা পড়েনি। সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে শিল্পীর পরিবর্তন হয়েছে, মহালয়ার প্রাক্-সূর্যোদয়ে এখনও কী কলকাতা, কী কানপুর-ঢাকা-ম্যাসাচুসেটস-আগরতলা-আন্দামান-মেহেরপুর-টোকিওর বাঙালি এটা শুনতে ভোলেন না।

Read More »
মলয়চন্দন মুখোপাধ্যায়

চিরজীবী বিদ্যাসাগর

বিদ্যাসাগর ‘বর্ণপরিচয়’ লেখার মাধ্যমে শিশুশিক্ষার ক্ষেত্রে এক বিরাট ভূমিকা রেখেছিলেন। ১৮৫৫-র ১৪-ই এপ্রিল, অর্থাৎ ১২৬২-র পয়লা বৈশাখ এর প্রথম খণ্ড, ও সে বছরের-ই পয়লা আষাঢ় বইটির দ্বিতীয় খণ্ড বেরোয়। এর আগেও শিশুদের অক্ষর পরিচয় ও বাক্যগঠনের বেশ কিছু বই থাকলেও বিদ্যাসাগরের ‘বর্ণপরিচয়’ উপযোগিতার দিক দিয়ে সেগুলিকে, ও পরবর্তীকালে রবীন্দ্রনাথের ‘সহজপাঠ’-কে বহুগুণে ছাড়িয়ে গিয়েছে। তাঁর জীবিতকালেই বইটির ১৫০-এর ওপর সংস্করণ হয়, আর ছাপা হয়েছিল তিরিশ লাখের-ও বেশি। এখন-ও ও বইটির উপযোগিতা শেষ হয়ে যায়নি।

Read More »
মলয়চন্দন মুখোপাধ্যায়

অজানা বিভূতিভূষণ

নিতান্ত দারিদ্র্যের মধ্য থেকে তিনি উঠে এসেছিলেন বলে দারিদ্র্য ও প্রতিকূলতা নিয়ে তাঁর নিজস্ব এক দর্শন ছিল। তাই দেখি, ডায়েরির এক জায়গায় তিনি লিখছেন, ‘দুঃখ জীবনের বড় সম্পদ, দারিদ্র্য, ব্যর্থতা বড় সম্পদ— Sadness ভিন্ন profundity আসে না।’ অতীত দারিদ্র্যময় জীবনের কথা মনে করে নিজে সপ্তাহে একদিন শুধু নুন আর ভাত খেতেন।

Read More »
মলয়চন্দন মুখোপাধ্যায়

উত্তম উত্তম

বিশ্ব চলচ্চিত্রের ইতিহাসে কম মহা-অভিনেতা জন্মাননি। তাঁদের মধ্যে খুব সামান্য কয়েকজন আল পাচিনো, মার্লোন ব্র্যান্ডো, রবার্ট ডি নিরো, লরেন্স অলিভিয়ার, গ্রেগরি পেক, জিন-পল বেলমন্ডো, ব্রুস লি, ইনোকেন্তি স্মোকতুনভস্কি, জিন গ্যাবিন, মাইকেল কেইন প্রমুখ। কিন্তু কতজন মৃত্যুর প্রায় পঞ্চাশ বছর পরেও জনপ্রিয়তা বাড়িয়েই চলেছেন? সম্ভবত চার্লি চ্যাপলিনের পর একমাত্র উত্তম। এলিজাবেথ টেলর ‘নায়ক’ দেখে আপ্লুত হয়ে যে উত্তমের সঙ্গে ছবি করতে চেয়েছিলেন, উত্তমের অভিনয়ের এ-ও তো এক অনিবার্য স্বীকৃতি!

Read More »