Search
Generic filters
Search
Generic filters
সুজিত বসু

সুজিত বসু

ড. সুজিত বসু তাত্ত্বিক পদার্থবিদ্যায় গবেষণা করে পিএইচ ডি প্রাপ্ত হন মস্কো থেকে। দেশে ফিরে তিনি কর্মরত হন ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার শাখা অফিস আমেদাবাদের অন্তরীক্ষ উপযোগ কেন্দ্রে। সেখানে তিনি তিন দশক কর্মরত ছিলেন। অবসরের পরেও দুবছর তিনি সাম্মানিক অধ্যাপক ছিলেন প্রথমে ওই কেন্দ্রে ও পরে ইন্দাস বিশ্ববিদ্যালয়ে। তাঁর কাজ ছিল কৃত্রিম উপগ্রহ প্রাপ্ত তথ্যের সাহায্যে ব্যবহারিক গবেষণা, যার মূল বিষয় ছিল আবহবিদ্যা ও সমুদ্রবিজ্ঞান। তিনি সুপরিচিত বিজ্ঞানী ছিলেন। গবেষণালব্ধ ফল তাঁর শতাধিক প্রবন্ধের মাধ্যমে দেশবিদেশের প্রভাবশালী বিজ্ঞান পত্রিকায় প্রকাশিত এবং বেশ কয়েকটি প্রবন্ধ উচ্চ প্রশংসিত। বিজ্ঞান যদি তাঁর পেশা হয়ে থাকে তাহলে কবিতা তাঁর নেশা। তাঁর প্রথম কবিতাগুচ্ছ প্রকাশ পায় তদানীন্তন বিখ্যাত কবিতা পত্রিকা ‘অজ্ঞাতবাস’-এ। সাতের দশকে এবং আটের দশকের প্রথম ভাগে তাঁর কবিতা বাংলা ভাষার অনেক প্রথম সারির পত্রিকায় প্রকাশিত হত যদিও এই সময়ের বেশিরভাগই তিনি বিদেশে ছিলেন শিক্ষাগত কারণে। তাঁর বেশ কিছু কবিতা সাধারণ পাঠক এবং কয়েকজন খ্যাতনামা কবিদের কাছেও আদরণীয় হয়েছিল। নয়ের দশকে এবং তার পরে তিনি খুব বেশি না লিখলেও বিক্ষিপ্তভাবে বেশ কিছু কবিতা পশ্চিমবঙ্গ এবং প্রবাসের বেশ কিছু পত্রিকায় প্রকাশিত। এমনকি তিনি আমেরিকার প্রবাসী বাঙালিদের পত্রিকাতেও বেশ কিছু কবিতা লিখেছেন। তাঁর দুটি কবিতার বই আছে।
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

সুজিত বসুর কবিতা

জঙ্গলে ভালবাসা জঙ্গলে জংলিরা থাকে, সুসভ‍্য মানুষ থাকে শহরে ও গ্রামে নগ্নপদে চলে ওরা, মাটির কোমল ছায়া জংলির শরীরে নরম ঘাসের বুকে পদক্ষেপ জংলিদের, সুসভ‍্যেরা

Read More »

সুজিত বসুর গুচ্ছকবিতা

বিলাপ অভিসার জল আনতে চল রে সখী, জল আনতে চল নিভু নিভু আলোর সাজে সূর্য অস্তাচলে শেষবিকেলের রশ্মিমালায় বুকে ব্যথার ঢল লজ্জা আমার আবির হয়ে

Read More »

কবিতা: জীবনের নানা দিক

ট্রেনের জানালা থেকে চোখে পড়ে ঘাসের গালিচা/ কোমল রোদের স্নেহে ইংল্যান্ডের গ্রামাঞ্চল শান্তির নিদ্রায়/ সমুদ্রে দ্বীপের মতো ছোট ছোট বাড়িগুলি ঘাসের শয্যায়/ অতি দ্রুত বদলে যায় দৃশ্যাবলি, ট্রেন থামে ব্রাসেলস স্টেশনে/ বেলজিয়ামের মোহ দূরে রেখে ট্রেন চলে স্থির নিশানায়/ অভ্রান্ত লক্ষ্যের দিকে, আমস্টারডাম ডাকে কুহকী মায়ায়/ নগরে পৌঁছেই এক নয়নাভিরাম দৃশ্য, সুন্দরী ট্রামেরা/ হাতছানি দিয়ে ডাকে, বহু বহুদিন পরে প্রিয় বাহনের/ ডাকে সাড়া দিয়ে আমি পৌঁছে যাই মহার্ঘ নিবাসে

Read More »

সুজিত বসুর দুটি কবিতা

তারার আলো লাগে না ভাল, বিজলীবাতি ঘরে/ জ্বালাই তাই অন্তহীন, একলা দিন কাটে/ চেতনা সব হয় নীরব, বেদনা ঝরে পড়ে/ যজ্ঞবেদী সাজানো থাকে, জ্বলে না তাতে ধূপ/ রাখে না পদচিহ্ন কেউ ঘরের চৌকাঠে/ শরীরে ভয়, নারীরা নয় এখন অপরূপ/ তারারা সব নিঝুম ঘুমে, চাঁদের নেই দেখা/ অর্ধমৃত, কাটাই শীত ও গ্রীষ্ম একা একা

Read More »

সুজিত বসুর কবিতা: কিছু কিছু পাপ

শৈবাল কে বলেছ তাকে, এ যে বিষম পাথরে/ সবুজ জমা, গুল্মলতা পায়ে জড়ায়, নাগিনী/ হিসিয়ে ফণা বিষের কণা উজাড় করো আদরে/ তরল হিম, নেশার ঝিম কাটে না তাতে, জাগিনি

Read More »

সুজিত বসুর একগুচ্ছ কবিতা

কতকাল যেন তোমার সঙ্গে কতটি কাল যে/ দেখা সাক্ষাৎ হয়নি আমার, ওষ্ঠের মিল/ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসরে কবে ওয়ালজে/ ঘূর্ণনে ঘোরা চকিত নৃত্যে, রক্তপদ্ম/ ঊরুর মিনারে ফুটে উঠেছিল, সরু হাইহিল/ ভ্রষ্ট বুকের পাষাণে একটি কুয়াশাবিন্দু/ রেখে গিয়েছিল বিষণ্ণতায়, ওই সরোবর/ এখন মৃণালে হয় বহুভুজ, যুদ্ধ আঙিনা।

Read More »

সুজিত বসুর কবিতা

ওপারে, ভাইকে মারার জন্য উদ্ধত বন্দুক/ এপারে তখন, বনলতা সেন নাটকে দেখান মুখ/ ওপারে, শক্তি সুনীল এখনও প্রায়শই প্রকাশিত/ বাংলা বলার লজ্জায় ভয়ে এপারে অনেকে ভীত/ এপারের প্রতিভার উল্লেখ ওপারে নাটকে ঘটে/ ওপারে বাংলা নিজ মহিমায়, নিশ্চিত সংকটে/ এপারে বাংলা, ওপারে নাটকে বাংলার গৌরব/ জ্বালিয়ে রাখেন নিশ্চিতরূপে করিম মোশাররফ।

Read More »

সুজিত বসুর কবিতাগুচ্ছ

India’s First Bengali Daily Journal. ঘুমিয়ে থাকে ঘুমিয়ে থাকে দরজা ধরে দাঁড়ানো/ রাজপুত্র দুর্গদ্বারে, বিভ্রান্তি ক্ষণিকে/ জলবালুকা হয়ে কি তাকে টেনে নিয়েছে ঘোরানো/ সিঁড়ির ষড়যন্ত্রে ক্রূর, চেনেনি সে কি খনিকে/ যা ছিল এত কুহকে ভরা, ধূসর কোনো অতীতে/ খনন করে সন্ধানীরা খুঁজে নিয়েছে স্বর্ণ,/ ধাতব পীত উজ্জ্বলতা, শোকাগ্নিও যে গীতে

Read More »

সুজিত বসুর কবিতাগুচ্ছ

India’s First Bengali Daily Journal. রাকস্যাক কাঁধে নিয়ে ঘোরাফেরা রাজপথে, সীমিত মুদ্রায়/ কলা রুটি কোক দিয়ে প্রাতরাশ দুপুর ও রাতের আহার/ সেবারে নিয়মমতো, উপভোগ অজানাই থেকে যেত প্রায়/ পকেটে পাউন্ড দিত অতি লঘু চাপ, বুকে বিষাদ পাহাড়/ এবারে আমার কাছে রানির হাসিতে মাখা অনেক কাগজ/ শ্বেতাঙ্গিনী ওয়েট্রেস স্যার নামে সম্বোধনে জানায় সম্মান/ ইসলিংটনে দেখি ধবল ঊরুর শোভা নারীদের রোজ/ এখন স্টেশনে আর শুতে হয় না, হোটেলের বাথটবে স্নান

Read More »

সুজিত বসুর গুচ্ছকবিতা

India’s First Bengali Daily Journal. ‘তীব্র গতিতে নীলাঞ্জনার শাড়ির আঁচলে মেঘ’/ একটি লাইন লিখেছি মাত্র, হঠাৎ গর্জে ওঠো,/ অলীক ওসব রূপকথা ছাড়ো, অসহ্য গতিবেগ/ স্পিডোমিটারের কাঁটা মাপে শুধু, ঘরের দুয়ারে ছোট/ শিশির বিন্দু কেঁপেছে বাতাসে, যেই নিতে যাব চোখে/ অমনি বজ্রপাতের শব্দে কাঁপিয়ে সারাটি ঘর/ বেজে ওঠে কারো গম্ভীর স্বর, কী বলবে বলো লোকে/ শ্মশানে নিষেধ জলের প্রবেশ, রূপকথাগুলো জ্বর/ দগ্ধ শরীরে উঁকিঝুঁকি দেয়, হারানো ছোট্ট নীল/ পাখিটা এভাবে আসবে যে ফিরে কখনো ভাবিনি আগে

Read More »

সুজিত বসুর কবিতাগুচ্ছ

India’s First Bengali Daily Journal. নিষেধ আলোয় জড়াও শরীর, দূরের বড় হোটেল থেকে/ তীব্র শিহর বিজলিবাতি, লম্বা নখে একটু ছিঁড়ি/ তন্তুজালের বিহ্বলতা, রিস্টওয়াচে প্রহর গোনা/ হরিণীদের প্রহর গোনা, ধনুক হাতে মৃগয়া কে/ করতে পারো লক্ষ্যভেদী, মস্কো নদী জলের লহর/ বাজাও এত সর্বনাশা, শরীর জুড়ে এ যন্ত্রণা/ আমায় বড় ব্যাকুল করে, হাতের থেকে ধাতুর গুলি/ ছিটকে পড়ে আত্মঘাতে, সুজিত তুমি একটু কি জোর/ দিচ্ছ আমায় সমর্থনে, শিকারটুকু গুছিয়ে তুলি।

Read More »

সুজিত বসুর গুচ্ছকবিতা

India’s First Bengali Daily Journal. এখনও অম্লান হাসে নবজাত শিশুদের দল/ সবুজ কিশোরী মুখ ভেজা আজও ভোরের শিশিরে/ আজও স্বপ্নে ভেসে আসে মায়াবী যুবতী/ এখনও পবিত্র আছে বৃষ্টিধারা, ঝরনাদের জল/ অহল্যা অরণ্য কিছু বিষাক্ত নয় আজও মানুষের ভিড়ে/ জীবন মেশায় আজও মিঠেকড়া লাভ আর ক্ষতি/ হলুদ ভোরের ঘুম ভাঙায় এখনও এসে নীলকণ্ঠ পাখি/ এখনও অনেক যুদ্ধ জয় করা বাকি।

Read More »

সুজিত বসুর কবিতাগুচ্ছ

India’s First Bengali Daily Magazine. আগুন ঘিরে সেই আমাদের প্রথম অঙ্গীকার/ সপ্তপদী ভালবাসার রেশমি মায়াজাল/ অটুট থাকবে সারাজীবন, স্বচ্ছ অমলিন/ সুখের দিনে বৃষ্টি স্নেহের, দুঃখ রোখার ঢাল// পাখির পালক জীবন তখন, দিনগুলি মসৃণ/ রোজই তখন শুক্লপক্ষ, জ্যোৎস্না সারারাত/ চাঁপার সুবাস চতুর্দিকে, বাতাস ছুঁয়ে উড়ি/ জানতাম না প্রস্তুতিতে অদূরে আঘাত// প্রেমের রঙে ঘর রাঙানোর সেই যে প্রতিশ্রুতি/ দিয়েছিলাম তা ভুলিনি, মনোহারী কথা/ রাতপোশাকে সাজিয়ে রাখি, হয়নি কোনো ত্রুটি/ তবে কেন এখন ঘরে পাষাণ নীরবতা

Read More »

সুজিত বসুর কবিতাগুচ্ছ

India’s First Bengali Daily Magazine. কেবল নিজের সঙ্গে, এ খেলার গোলঘরে রুমালচুরির/ বৃত্ত ঘুরে চলাফেরা, ভিয়েনার ট্রেন এসে সরল ঋজুতা/ দেখাবে বাঁকানো তার বাজপাখি ঠোঁট দিয়ে, সে তার কিছুটা/ মুখাগ্র আড়ালে রাখে, ঝমঝম ঝমঝম বর্ষা মেঘ তীর/ সহসা ফুটেছে চোখে কৃষ্ণসার অন্ধকারে, গোধূলি গোধূলি/ ভেনিস স্টেশন জুড়ে, ফিকে নীল পুরু পরদা দোলনা ঝুলনে/ ঝুলেছে নিঃসাড় চুপ, এ রাসপূর্ণিমা এই বৃন্দাবন ধূলি/ মেখেছ বৈষ্ণব গায়ে, তারই ঝড় বৃষ্টিধারা ভেনিস স্টেশনে/ শরীরে তোমার ঝরে কুয়াশার বর্শা হয়ে, ভিয়েনার ট্রেন/ এ থেকে কতটা মুক্তি দিতে পারে, চারিদিকে সমুদ্র সফেন।

Read More »

সুজিত বসুর কবিতাগুচ্ছ

India’s First Bengali Daily Magazine. ছেঁড়া ছেঁড়া সুখ দুঃখ দিয়ে হয় জীবনের নকশিকাঁথা বোনা/ অদৃশ্য শত্রু বা বন্ধু ঘৃণা হিংসা স্নেহ প্রেম মায়ার অলীক তাস বাঁটে/ রঙের টেক্কাটা শুধু পাইনি কখনো, ব্যথা সেঁটে বসে আমার কপাটে/ কাঁসর ঘণ্টার শব্দ এখনও ভোলায় তবু অনেক যন্ত্রণা// মনোরম দৃশ্যাবলি, সাঁতারে যুবতী মুখ, হাঁসেরা মন্থর ভাসে জলে/ পবিত্র শাঁখের শব্দ শুনি আজ কদাচিৎ, নিভৃতে তবুও মনে বাজে/ ঝকঝকে দাঁতের সারি প্রেমিকা উজ্জ্বল হেসে নির্জনে প্রেমের কথা বলে/ অদৃশ্য দড়ির ফাঁস রোজ অনুভব করি, ভয় পাই বোমার আওয়াজে

Read More »

সুজিত বসুর গুচ্ছকবিতা

India’s First Bengali Daily Magazine. মস্কো নগরীর বন বনান্তর ভরে গেছে হিম কুয়াশায়/ শুকনো পাতারা সব ঝরে যায় ক্রমাগত তুহিন মর্মরে/ এ সব বেদনাঘন দিনে লিজা মনে হয় তুমি যে কোথায়/ কোন সুদূরের সুইডেনে যেন নির্বাসনে নির্জন বন্দরে;/ কোথায় ঈশ্বর আজ, ঘণ্টা বাজে ঝমঝম হিমেলি নির্জনে/
আমার পাপীর মনে কেন শুধু পাকায় যে ময়ালকুণ্ডলী/ আমার ঈশ্বর আমি পদতলে লুটিয়েছি, বিষের অঞ্জলি/ তোমাকে নিজেকে দেব একদিন ঠিক জেনো, মনে রেখো মনে;

Read More »

সুজিত বসুর কবিতাগুচ্ছ

India’s First Bengali Daily Magazine. নিষিদ্ধ নারীর কাছে যেতে গেলে জ্বরতাপ/ হাওয়া কাঁদে আকুল নিস্বনে/ সিঁথিতে আগুন আভা ট্রাফিকের লাল আলো/ সেকথা পড়েনি তবু মনে/ হরিণী শরীরে ছিল স্বেদগন্ধে মাদকতা/ চোখের চুম্বকে ছিল দুর্নিবার আকর্ষণ/ যুবক ধাতুর জন্য; অ্যাসিডের তেজ/ পোড়াত এ দেহমন; নিভৃতে হত না কোনও কথা/ শুধু কিছু উত্তেজনা, শাণিত ধারালো/ ছুরির আঘাতও ছিল মোহময়, যেন কোনও সাপ

Read More »

সুজিত বসুর কবিতাগুচ্ছ

India’s First Bengali Daily Magazine. কবিতা আর লিখি না আমি, কবিতা আমি আর/ সকাল কাটে বিকেল কাটে, রাত্রি নিঝুম ঝুম/ অন্ধকারের সমুদ্রে দিই গভীর ডুবসাঁতার/ এবার বোধহয় ঘুমিয়ে পড়া, এবার বোধহয় ঘুম// বান্ধবীদের শাড়ির ভাঁজে তখন আলোর ভেলা/ সেই ভেলাতেই চড়ে করা জগৎ পারাপার/ পদ্য নিয়ে খেলা তখন, শব্দ নিয়ে খেলা/ কবিতা আর লিখি না আমি, কবিতা আমি আর// মৃগনাভির গন্ধে মাতাল সোনার হরিণ মন/ সিগারেটের মাদক ধোঁয়ায় ঝাপসা নারীমুখ/ অথচ সেই মুখেই তখন চুম্বক টান, সুখ/ কবিতারই নেশায় মদির প্রথম সে চুম্বন

Read More »

সুজিত বসুর কবিতাগুচ্ছ

India’s First Bengali Story Portal. কোথাও কেমনভাবে স্বর্ণরেণু কুহেলির মতো/ স্তূপময় জমেছিল, জলধারা বর্ষাকণা মেঘময়তার/ প্রান্তে এসে পড়ে থাকে, ওই তার স্তনচূড়ো, যেন ক্ষয় তার/ ধূম হয়ে ঝরে পড়ে, ঝরোঝরো নম্র অবনত/ ভারে ভারে ভরে থাকা এ মেদুর পরাবৃত্ত গোল বৃত্তাকার/ ফলানো ছুরির নিচে ফুলে থাকে, যেন তার কত/ আদরে আদুর হয়ে ভরে থাকা, ভরে থাকা কোমল সংখ্যার/ শঙ্খধ্বনি বেজেছিল, কোমল লাবণ্য গন্ধ আলোর সন্তত/ এভাবে বঙ্কিম হয়ে অস্পষ্ট আভাস হয়, কোমল পাতার/ নৌকো কবে ভেসে গেছে মায়ার কুয়াশাপুরে চূর্ণ পরাহত।

Read More »

দেবময় ঘোষের ছোটগল্প

দরজায় আটকানো কাগজটার থেকে চোখ সরিয়ে নিল বিজয়া। ওসব আইনের বুলি তার মুখস্থ। নতুন করে আর শেখার কিছু নেই। এরপর, লিফটের দিকে না গিয়ে সে সিঁড়ির দিকে পা বাড়াল। অ্যাপার্টমেন্ট থেকে বেরিয়ে উঠে বসল গাড়িতে। চোখের সামনে পরপর ভেসে উঠছে স্মৃতির জলছবি। নিজের সুখের ঘরের দুয়ারে দাঁড়িয়ে ‘ডিফল্ট ইএমআই’-এর নোটিস পড়তে মনের জোর চাই। অনেক কষ্ট করে সে দৃশ্য দেখে নিচে নেমে আসতে হল বিজয়াকে।

Read More »

তালিবানি কবিতাগুচ্ছ

তালিবান। জঙ্গিগোষ্ঠী বলেই দুনিয়াজোড়া ডাক। আফগানিস্তানের ঊষর মরুভূমি, সশস্ত্র যোদ্ধা চলেছে হননের উদ্দেশ্যে। মানে, স্বাধীন হতে… দিনান্তে তাঁদের কেউ কেউ কবিতা লিখতেন। ২০১২ সালে লন্ডনের প্রকাশনা C. Hurst & Co Publishers Ltd প্রথম সংকলন প্রকাশ করে ‘Poetry of the Taliban’। সেই সম্ভার থেকে নির্বাচিত তিনটি কবিতার অনুবাদ।

Read More »

নিখিল চিত্রকরের কবিতাগুচ্ছ

দূর পাহাড়ের গায়ে ডানা মেলে/ বসে আছে একটুকরো মেঘ। বৈরাগী প্রজাপতি।/ সন্ন্যাস-মৌনতা ভেঙে যে পাহাড় একদিন/ অশ্রাব্য-মুখর হবে, ছল-কোলাহলে ভেসে যাবে তার/ ভার্জিন-ফুলগোছা, হয়তো বা কোনও খরস্রোতা/ শুকিয়ে শুকিয়ে হবে কাঠ,/ অনভিপ্রেত প্রত্যয়-অসদ্গতি!

Read More »

নগর জীবন ছবির মতন হয়তো

আরও উপযুক্ত, আরও আরও সাশ্রয়ী, এসবের টানে প্রযুক্তি গবেষণা এগিয়ে চলে। সময়ের উদ্বর্তনে পুরনো সে-সব আলোর অনেকেই আজ আর নেই। নিয়ন আলো কিন্তু যাই যাই করে আজও পুরোপুরি যেতে পারেনি। এই এলইডি আলোর দাপটের সময়কালেও।

Read More »

আমার স্মৃতিতে ঋত্বিককুমার ঘটক

দুটো‌ জিনিস লক্ষ্য করেছিলাম তাঁর।‌ এক, তিনি কথা বলার সময় আত্মমগ্ন‌ থাকতেন। কারও দিকে‌ তাকিয়ে‌ কথা বলতেন না। তাকাতেন‌ হয় সুদূরে, আর নয়তো‌ চোখ বুজে‌ কথা বলতেন। আর দ্বিতীয় যা, তা হল‌ ঋত্বিকের চোখ। এত উজ্জ্বল আর‌ মরমী, এক-ই সঙ্গে জ্যোৎস্নাপ্লাবিত আর লুব্ধক নক্ষত্রের মতো দীপ্ত, তা আর কারও মধ্যে দেখিনি। সত্যজিৎ-মৃণালের মধ্যেও না, যদিও ঘটনাচক্রে ওই দু’জনের সঙ্গে আমার মোলাকাত হয়েছিল অনেক বেশি।

Read More »

ঋত্বিক ঘটক ও বাংলাদেশ

ঋত্বিক ঘটকের জীবনের প্রথম বাইশ বছর (১৯২৫-১৯৪৭) কেটেছে মূলত পূর্ব-বাংলায়, যা এখনকার বাংলাদেশ। তাঁর জন্ম ঢাকার ২,ঋষিকেশ দাস রোডের ঝুলন বাড়িতে। ১৯৪৭, অর্থাৎ দেশভাগ ও স্বাধীনতা প্রাপ্তির আগে পর্যন্ত তিনি মূলত পূর্ব-বাংলায় কাটান। আমরা দেখব, পূর্ব-বাংলা যেমন রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করেছিল, সে-দেশ, সে-ভূমির প্রভাব তদনুরূপ ঋত্বিকেরও পড়েছিল তাঁর চলচ্চিত্রে।

Read More »