Search
Generic filters
Search
Generic filters
মলয়চন্দন মুখোপাধ্যায়
মলয়চন্দন মুখোপাধ্যায়
সিদ্ধার্থ মজুমদার
সিদ্ধার্থ মজুমদার
অমিতাভ ভট্টাচার্য
অমিতাভ ভট্টাচার্য
তপোমন ঘোষ
তপোমন ঘোষ
সুজিত বসু
সুজিত বসু
আবদুল্লাহ আল আমিন
আবদুল্লাহ আল আমিন
বিজন সাহা
বিজন সাহা
নন্দিনী কর চন্দ
নন্দিনী কর চন্দ
চয়ন বিকাশ ভদ্র
চয়ন বিকাশ ভদ্র
সোনামণি জয়ন্ত
সোনামণি জয়ন্ত
শুভ্র মুখোপাধ্যায়
শুভ্র মুখোপাধ্যায়
মীরাতুন নাহার
মীরাতুন নাহার
নিবেদিতা ঘোষ রায়
নিবেদিতা ঘোষ রায়
নুশান জান্নাত চৌধুরী
নুশান জান্নাত চৌধুরী
উত্তম মণ্ডল
উত্তম মণ্ডল
দিবাকর পুরকায়স্থ
দিবাকর পুরকায়স্থ
মানব সাধন বিশ্বাস
মানব সাধন বিশ্বাস
অনিন্দিতা মণ্ডল
অনিন্দিতা মণ্ডল
অরিজিৎ চক্রবর্তী
অরিজিৎ চক্রবর্তী
কল্যাণ সেনগুপ্ত
কল্যাণ সেনগুপ্ত
ঋভু চট্টোপাধ্যায়
ঋভু চট্টোপাধ্যায়
অভিজিৎ সিনহা
অভিজিৎ সিনহা
ড. সোমা দত্ত
ড. সোমা দত্ত
প্রীতম সরকার
প্রীতম সরকার
দীপ শেখর চক্রবর্তী
দীপ শেখর চক্রবর্তী
পলাশ মণ্ডল
পলাশ মণ্ডল
মোহাম্মদ কাজী মামুন
মোহাম্মদ কাজী মামুন
তরুণ সিংহ মহাপাত্র
তরুণ সিংহ মহাপাত্র
সন্দীপ ঘোষ
সন্দীপ ঘোষ
প্রসেনজিৎ দত্ত
প্রসেনজিৎ দত্ত
মণিশংকর বিশ্বাস
মণিশংকর বিশ্বাস
অভিজিৎ ভৌমিক
অভিজিৎ ভৌমিক
শুভদীপ রায়চৌধুরী
শুভদীপ রায়চৌধুরী
শুভেন্দু সরকার
শুভেন্দু সরকার
স্বপন নাগ
স্বপন নাগ
ড. শ্যামল কান্তি দত্ত
ড. শ্যামল কান্তি দত্ত
কাজী তানভীর হোসেন
কাজী তানভীর হোসেন
সুদীপ জোয়ারদার
সুদীপ জোয়ারদার
শুভঙ্কর সাহা
শুভঙ্কর সাহা
নন্দদুলাল চট্টোপাধ্যায়
নন্দদুলাল চট্টোপাধ্যায়
প্রদীপ ঘোষ
প্রদীপ ঘোষ
প্রদীপ বকশি
প্রদীপ বকশি
শঙ্কর রায়
শঙ্কর রায়
সৌমাভ ঘোষ
সৌমাভ ঘোষ
দত্তাত্রেয় দত্ত
দত্তাত্রেয় দত্ত
মোহাম্মদ সাদউদ্দিন
মোহাম্মদ সাদউদ্দিন
মলয় গোস্বামী
মলয় গোস্বামী
সুব্রত মজুমদার
সুব্রত মজুমদার
পিয়াস মজিদ
পিয়াস মজিদ
সবর্ণা চট্টোপাধ্যায়
সবর্ণা চট্টোপাধ্যায়
শুদ্ধসত্ত্ব ঘোষ
শুদ্ধসত্ত্ব ঘোষ
সুতপন চট্টোপাধ্যায়
সুতপন চট্টোপাধ্যায়
তীর্থঙ্কর মৈত্র
তীর্থঙ্কর মৈত্র
অঞ্জনা ঘোষ
অঞ্জনা ঘোষ
নাসরিন নাজমা
নাসরিন নাজমা
বিষ্ণুপদ বালা
বিষ্ণুপদ বালা
গৌরী মৈত্র
গৌরী মৈত্র
পার্থপ্রতিম রায়
পার্থপ্রতিম রায়
সুমন চট্টোপাধ্যায়
সুমন চট্টোপাধ্যায়
গৌতম চক্রবর্তী
গৌতম চক্রবর্তী
শিবরাম দে
শিবরাম দে
তন্ময় চট্টোপাধ্যায়
তন্ময় চট্টোপাধ্যায়
সুব্রত ঘোষ
সুব্রত ঘোষ
জয়ন্ত সরকার
জয়ন্ত সরকার
মিতা নাগ ভট্টাচার্য
মিতা নাগ ভট্টাচার্য
অপরাজিতা মৈত্র
অপরাজিতা মৈত্র
ভাস্কর দাস
ভাস্কর দাস
জয়দীপ দে
জয়দীপ দে
বিভাস রায়চৌধুরী
বিভাস রায়চৌধুরী
গালিব উদ্দিন মণ্ডল
গালিব উদ্দিন মণ্ডল
কুণাল বিশ্বাস
কুণাল বিশ্বাস
সায়ন্তনী বসু চৌধুরী
সায়ন্তনী বসু চৌধুরী
স্বপনকুমার মণ্ডল
স্বপনকুমার মণ্ডল
গৌতম চৌধুরী
গৌতম চৌধুরী
হাঁসুলী মিত্র
হাঁসুলী মিত্র
রবীন বসু
রবীন বসু
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়
শঙ্খদীপ ভট্টাচার্য
শঙ্খদীপ ভট্টাচার্য
মাসুদ শাওন
মাসুদ শাওন
কালীকৃষ্ণ গুহ
কালীকৃষ্ণ গুহ
পঙ্কজকুমার সরকার
পঙ্কজকুমার সরকার
অরুণ কর
অরুণ কর
চিরশ্রী বিশী চক্রবর্তী
চিরশ্রী বিশী চক্রবর্তী
যদুনাথ মুখোপাধ্যায়
যদুনাথ মুখোপাধ্যায়
উত্তম মাহাত
উত্তম মাহাত
প্রসেনজিৎ চৌধুরী
প্রসেনজিৎ চৌধুরী
দীপক সাহা
দীপক সাহা
অনুপম ঘোষাল
অনুপম ঘোষাল
বিশ্বদেব মুখোপাধ্যায়
বিশ্বদেব মুখোপাধ্যায়
বিভাবসু
বিভাবসু
প্রতিভা সরকার
প্রতিভা সরকার
সাত্যকি হালদার
সাত্যকি হালদার
সৃজা মণ্ডল
সৃজা মণ্ডল
চৈত্রী ব্যানার্জী
চৈত্রী ব্যানার্জী
মন্দাক্রান্তা সেন
মন্দাক্রান্তা সেন
বেবী সাউ
বেবী সাউ
প্রবালকুমার বসু
প্রবালকুমার বসু
সব্যসাচী সরকার
সব্যসাচী সরকার
মো. বাহাউদ্দিন গোলাপ
মো. বাহাউদ্দিন গোলাপ
মঈনুল হাসান
মঈনুল হাসান
অনিন্দ্য ভুক্ত
অনিন্দ্য ভুক্ত
বল্লরী সেন
বল্লরী সেন
সঞ্জয় চট্টোপাধ্যায়
সঞ্জয় চট্টোপাধ্যায়
মধুপর্ণা বসু
মধুপর্ণা বসু
সুভাষ বিশ্বাস
সুভাষ বিশ্বাস
বামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়
বামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়
সৌগত পুরকায়স্থ
সৌগত পুরকায়স্থ
বিজয় সিংহ
বিজয় সিংহ
রহিত ঘোষাল
রহিত ঘোষাল
অর্থিতা মণ্ডল
অর্থিতা মণ্ডল
চিরঞ্জয় চক্রবর্তী
চিরঞ্জয় চক্রবর্তী
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
মৈনাক দাস
মৈনাক দাস
তৃষ্ণা বসাক
তৃষ্ণা বসাক
হিন্দোল ভট্টাচার্য
হিন্দোল ভট্টাচার্য
সামিরুল হক
সামিরুল হক
সুকৃতি সিকদার
সুকৃতি সিকদার
বাণী চক্রবর্তী
বাণী চক্রবর্তী
গোবিন্দ কুণ্ডু
গোবিন্দ কুণ্ডু
রূপসীতা বসু
রূপসীতা বসু
বাপ্পাদিত্য জানা
বাপ্পাদিত্য জানা
শতাব্দী দাশ
শতাব্দী দাশ
শৌনক দত্ত
শৌনক দত্ত
রুহ
রুহ
দেবাশিস দাশ
দেবাশিস দাশ
সৈয়দ কওসর জামাল
সৈয়দ কওসর জামাল
সুব্রত নাগ
সুব্রত নাগ
সন্দীপ মজুমদার
সন্দীপ মজুমদার
সিদ্ধার্থ সিংহ
সিদ্ধার্থ সিংহ
রণবীর দত্ত
রণবীর দত্ত
সত্যবান রায়
সত্যবান রায়
সন্দীপ পাঠক
সন্দীপ পাঠক
আবু রাইহান
আবু রাইহান
অমিত্রসূদন ভট্টাচার্য
অমিত্রসূদন ভট্টাচার্য
রণদেব দাশগুপ্ত
রণদেব দাশগুপ্ত
মানস সরকার
মানস সরকার
জুয়েল মাজহার
জুয়েল মাজহার
প্রেমাশিস দে
প্রেমাশিস দে
সংহিতা চৌধুরী
সংহিতা চৌধুরী
সুপ্রভাত মুখোপাধ্যায়
সুপ্রভাত মুখোপাধ্যায়
অমিয় দেব
অমিয় দেব
নিমাই জানা
নিমাই জানা
রণজিৎ হালদার
রণজিৎ হালদার
অরণি বসু
অরণি বসু
হৈমন্তী বন্দ্যোপাধ্যায়
হৈমন্তী বন্দ্যোপাধ্যায়
দেবাশিস গঙ্গোপাধ্যায়
দেবাশিস গঙ্গোপাধ্যায়
স্মিতা সেনগুপ্ত
স্মিতা সেনগুপ্ত
রথীন চক্রবর্তী
রথীন চক্রবর্তী
শুভজিৎ ঘোষ
শুভজিৎ ঘোষ
চম্পা রায়
চম্পা রায়
সুদীপ্ত মাজি
সুদীপ্ত মাজি
পূর্ণেন্দু মিশ্র
পূর্ণেন্দু মিশ্র
সঞ্জীব রাহা
সঞ্জীব রাহা
নুরুল আমিন বিশ্বাস
নুরুল আমিন বিশ্বাস
তরুণকুমার প্রধান
তরুণকুমার প্রধান
অরিন্দম বসু
অরিন্দম বসু
হাসিরাশি দেবী
হাসিরাশি দেবী
প্রচেত গুপ্ত
প্রচেত গুপ্ত
ফকির সাধন দরবেশ
ফকির সাধন দরবেশ
শ্রেয়া মুখার্জী
শ্রেয়া মুখার্জী
সুজয় ঘোষ
সুজয় ঘোষ
দেবেশ মজুমদার
দেবেশ মজুমদার
যুধাজিৎ সেনগুপ্ত
যুধাজিৎ সেনগুপ্ত
রবীন ব্যানার্জি
রবীন ব্যানার্জি
অনিন্দ্য দে
অনিন্দ্য দে
পবিত্র সরকার
পবিত্র সরকার
ঋতুপর্ণ বিশ্বাস
ঋতুপর্ণ বিশ্বাস
সায়ন্তনী ভট্টাচার্য
সায়ন্তনী ভট্টাচার্য
অর্পিতা কুণ্ডু
অর্পিতা কুণ্ডু
চিন্ময় মুখোপাধ্যায়
চিন্ময় মুখোপাধ্যায়
মার্সেলো মাস্তো
মার্সেলো মাস্তো
শক্তি পুরকাইত
শক্তি পুরকাইত
অভিজিৎ সেন
অভিজিৎ সেন
জ্যোতিষ্মতী দেব
জ্যোতিষ্মতী দেব
স্বপনকুমার ঠাকুর
স্বপনকুমার ঠাকুর
অনির্বাণ সেনশর্মা
অনির্বাণ সেনশর্মা
মোস্তফা অভি
মোস্তফা অভি
মহবুবুল হক মোল্লা
মহবুবুল হক মোল্লা
হিমাদ্রি বর্মণ
হিমাদ্রি বর্মণ
সালমিন রহমান
সালমিন রহমান
শুক্লা গাঙ্গুলি
শুক্লা গাঙ্গুলি
সুজিতকুমার বিশ্বাস
সুজিতকুমার বিশ্বাস
অভিজিৎ সিরাজ
অভিজিৎ সিরাজ
বনমালী মাল
বনমালী মাল
ধ্রুব বাগচী
ধ্রুব বাগচী
নাসির আহমেদ
নাসির আহমেদ
বিনয় মজুমদার
বিনয় মজুমদার
জি. এম. মনিরুজ্জামান
জি. এম. মনিরুজ্জামান
রোমেল রহমান
রোমেল রহমান
শাশ্বত বন্দ্যোপাধ্যায়
শাশ্বত বন্দ্যোপাধ্যায়
শুভ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
শুভ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
ময়ূরী মিত্র
ময়ূরী মিত্র
প্রদীপকুমার দাশগুপ্ত
প্রদীপকুমার দাশগুপ্ত
শুভদীপ নায়ক
শুভদীপ নায়ক
অহনা বিশ্বাস
অহনা বিশ্বাস
নাসরীন জাহান
নাসরীন জাহান
রাধাবল্লভ রায়
রাধাবল্লভ রায়
সর্বাণী বন্দ্যোপাধ্যায়
সর্বাণী বন্দ্যোপাধ্যায়
সৌমী আচার্য্য
সৌমী আচার্য্য
স্বাতী নন্দী চক্রবর্তী
স্বাতী নন্দী চক্রবর্তী
অঞ্জন মুখোপাধ্যায়
অঞ্জন মুখোপাধ্যায়
বিশ্বজিৎ ঘোষ
বিশ্বজিৎ ঘোষ
পার্থজিৎ মিশ্র
পার্থজিৎ মিশ্র
শতরূপা সরকার
শতরূপা সরকার
উপল মুখোপাধ্যায়
উপল মুখোপাধ্যায়
অরূপ রাহা
অরূপ রাহা
প্রলয় চক্রবর্তী
প্রলয় চক্রবর্তী
সম্রাজ্ঞী বন্দ্যোপাধ্যায়
সম্রাজ্ঞী বন্দ্যোপাধ্যায়
সুমন ভট্টাচার্য
সুমন ভট্টাচার্য
অমর্ত্য বন্দ্যোপাধ্যায়
অমর্ত্য বন্দ্যোপাধ্যায়
দীপককুমার দাঁ
দীপককুমার দাঁ
কামরুল ইসলাম
কামরুল ইসলাম
রাধামাধব মণ্ডল
রাধামাধব মণ্ডল
স্বাতী রায়
স্বাতী রায়
অঙ্কিতা বন্দ্যোপাধ্যায়
অঙ্কিতা বন্দ্যোপাধ্যায়
শায়ক মুখোপাধ্যায়
শায়ক মুখোপাধ্যায়
অশোক পাল
অশোক পাল
জগদীশ গুপ্ত
জগদীশ গুপ্ত
মেহেনাজ পারভিন
মেহেনাজ পারভিন
বরুণ দাস
বরুণ দাস
কৌশিক চট্টোপাধ্যায়
কৌশিক চট্টোপাধ্যায়
রক্তিম ভট্টাচার্য
রক্তিম ভট্টাচার্য
শতদ্রু মজুমদার
শতদ্রু মজুমদার
সৌরভ নন্দী
সৌরভ নন্দী
পার্থসারথি গোস্বামী
পার্থসারথি গোস্বামী
রূপম চট্টোপাধ্যায়
রূপম চট্টোপাধ্যায়
অসীম কর্মকার
অসীম কর্মকার
দেবব্রত রায়
দেবব্রত রায়
সুমন্ত বন্দ্যোপাধ্যায়
সুমন্ত বন্দ্যোপাধ্যায়
অমিত মণ্ডল
অমিত মণ্ডল
বসন্ত সিংহ রায়
বসন্ত সিংহ রায়
দীপঙ্কর বাগচী
দীপঙ্কর বাগচী
নীহারুল ইসলাম
নীহারুল ইসলাম
সৌভিক পাল
সৌভিক পাল
অনুপ সান্যাল
অনুপ সান্যাল
গৌতম ঘোষ
গৌতম ঘোষ
মানস দাস
মানস দাস
রূপকুমার দাস
রূপকুমার দাস
শিবুপদ রায়
শিবুপদ রায়
দেবময় ঘোষ
দেবময় ঘোষ
সুনন্দ অধিকারী
সুনন্দ অধিকারী
ভাস্কর ভট্টাচার্য
ভাস্কর ভট্টাচার্য
দীপান্বিতা রায় সরকার
দীপান্বিতা রায় সরকার
কিঞ্জল রায়চৌধুরী
কিঞ্জল রায়চৌধুরী
নিখিল চিত্রকর
নিখিল চিত্রকর
সত্য ভাদুড়ি
সত্য ভাদুড়ি
শোভন চক্রবর্তী
শোভন চক্রবর্তী
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
চৈতালী চট্টোপাধ্যায়
চৈতালী চট্টোপাধ্যায়
গৌতমকুমার দে
গৌতমকুমার দে
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
শিশির আজম
শিশির আজম
আয়ুষ্মান সেন
আয়ুষ্মান সেন
দেবাশিস চন্দ
দেবাশিস চন্দ
স্মরজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়
স্মরজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়
কুশান গুপ্ত
কুশান গুপ্ত
পীযূষ রায়চৌধুরী
পীযূষ রায়চৌধুরী
সাবিনা ইয়াসমিন
সাবিনা ইয়াসমিন
শিউলি দেবনাথ
শিউলি দেবনাথ
ঝুমুর পাণ্ডে
ঝুমুর পাণ্ডে
মৌমিতা রায় চৌধুরী
মৌমিতা রায় চৌধুরী
সঙ্গীতা দাস
সঙ্গীতা দাস
স্বাগতা চৌধুরী
স্বাগতা চৌধুরী
ভূমিসূতা দাস
ভূমিসূতা দাস
ফৌজিয়া সিরাজ
ফৌজিয়া সিরাজ
কৃত্তিবাস চক্রবর্তী
কৃত্তিবাস চক্রবর্তী
নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
সৌগত রায় বর্মন
সৌগত রায় বর্মন
তরুণ চক্রবর্তী
তরুণ চক্রবর্তী
হামিরউদ্দিন মিদ্যা
হামিরউদ্দিন মিদ্যা
মণিকর্ণিকা রায়
মণিকর্ণিকা রায়
শৌনক মুখোপাধ্যায়
শৌনক মুখোপাধ্যায়
দেবদাস রজক
দেবদাস রজক
সোমা দত্ত
সোমা দত্ত
স্বপন দেবনাথ
স্বপন দেবনাথ

জীবনানন্দ: প্রয়াণদিনে শ্রদ্ধার্ঘ্য

হেমন্তকাল ও জীবনানন্দ অভিন্ন, ওতপ্রোত ও পরস্পর পরিপূরক। তাঁর কবিতায় বারবার নানা অনুষঙ্গে, বিভঙ্গে ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গে হেমন্তের বসতি যেন। 'হেমন্তের মাঠে মাঠে ঝরে শুধু/ শিশিরের জল', 'ধানক্ষেতে, মাঠে,/ জমিছে ধোঁয়াটে/ ধারালো কুয়াশা'! কুয়াশা আর শিশির, এই দুই অচ্ছেদ্য অনুষঙ্গ হেমন্তের, চিনিয়ে দেন তিনি। 'চারিদিকে নুয়ে পড়ে ফলেছে ফসল/ তাদের স্তনের

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ও প্রসঙ্গত

সমসময় তাঁকে চেনেনি। বরং সর্বপ্রযত্নে বানচাল করার চেষ্টা চালিয়ে গেছে তাঁর প্রগতিশীল কাজকর্মকে। এই সময় ও বাঙালি সমাজ-ও কি চিনেছে তাঁকে? তাঁকে তাই শেষ জীবন কাটাতে হল ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী থেকে দূরে সাঁওতাল পরগনায়। শেষ বয়সে উপলব্ধি করেছিলেন তিনি, যাদের জন্য তাঁর এই কাজ, সব অপাত্রে দান!

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়: দেড়শো বছরের সূচনায়

তাঁকে অনুবাদ করা হয় ভারতীয় নানা ভাষায় নানা সময়ে। তবুও কিন্তু তিনি সম্পূর্ণ মূল্যায়িত হননি আজ-ও। বেশ কিছু অনুবাদ ছিল তাঁর, প্রথমজীবনে কলকাতা বাসকালে, হিন্দি থেকে ইংরেজিতে, যা হারিয়ে গেছে চিরতরে। বারো বছর রেঙ্গুন-পেরু পর্বে আগুন লেগে পুড়েছে তাঁর আঁকা ছবি, 'চরিত্রহীন'-এর পাণ্ডুলিপি, পরে আবার যা লেখেন।

শতবর্ষে মহানায়ক উত্তমকুমার

'মহা' শব্দটি মহান আর বিশাল, এই দুই অর্থে ব্যবহৃত হয়। যেমন 'মহাকাব্য' বা 'মহারাজ'। কাব্য আর রাজার চেয়ে তার মাত্রা ভিন্ন, মহিমা অনেক বেশি তাৎপর্যময়। উত্তম বাংলা চলচ্চিত্রের সেই তাৎপর্যময়তার একমাত্র উদাহরণ। যাঁকে শ্রদ্ধাভরে আমরা 'কিংবদন্তি'-ও বলে থাকি। তাই সত্যজিৎ রায়ের মতো আরেক কিংবদন্তি তাঁকে নিয়ে চিত্রনাট্য লেখেন, ছবি বানান,

কাজী নজরুল: ত্রস্ত ছায়াপথ

আমরা যদি তাঁর লেখা পড়ে তাঁকে অনুসরণ না করি, তাহলে বৃথাই তাঁকে স্মরণ। যেকোনও প্রতিভা আমাদের মানুষ হিসেবে আদর্শিক হয়ে উঠতে পারে তখনি, যখন আমরা তাঁর মানসিকতাকে অনুভব করে অন্তত চেষ্টা করব তাঁর পথকে ভালবাসতে। একদিকে পাঠ নিচ্ছি 'এই হৃদয়ের চেয়ে বড়ো কোনো মন্দির কাবা নাই' আর আচরণে ভিন্ন থাকছি,

সুকান্ত ভট্টাচার্য: ভিসুভিয়স-ফুজিয়ামার সহোদর এক কবি

'--ক্ষুদ্র এ শরীরে গোপনে মর্মরধ্বনি বাজে', সুকান্ত লিখেছেন নিজের সম্পর্কে। বলেছেন, 'আমি এক অঙ্কুরিত বীজ'। এই বীজ মহীরুহে পরিণত হতে পারল না, বাংলা সাহিত্যের পরম দুর্ভাগ্য এটা। কিন্তু তাঁর একুশ বছরের জীবনে তিনি আভাস দিয়ে গেছেন, তাঁর সম্ভাবনা কতদূর প্রসারিত হতে পারত। সুকান্ত মানে একজন কবিমাত্র নন, তার চেয়েও আরও

বাইশে শ্রাবণ ও প্রসঙ্গত

প্রয়াণের আগে, সব হিসেব বাদ দিয়ে যদি তাঁর জীবনের শেষ পাঁচ বছরের কথা-ই ধরি, দেখব, কত প্রিয়জনের মৃত্যুশোক বহন করতে হয়েছে তাঁকে। যেহেতু তিনি ছিলেন মানুষের সান্নিধ্যপ্রিয়, তাই অন্যের চেয়ে ঢের ঢের বেশি মৃত্যুবেদনা সহ্য করতে হয়েছে তাঁকে। এসব মৃত্যু তাঁকে বেদনার্ত করলেও নিজের মনোবলের জোরে সে-অরুন্তুদ বিষাদকে কাটিয়েও উঠেছেন।

উত্তমকুমার: অন্য ও অনন্য

তাঁর জন্মদিনের চেয়েও মৃত্যুদিনটিকে অধিকভাবে স্মরণ করা হয়, এ এক আশ্চর্য ব্যাপার। তাছাড়া বাংলা চলচ্চিত্র-জগতে তো কম খ্যাতিমান ব্যক্তির আবির্ভাব হয়নি, সত্যজিৎ-ঋত্বিক-মৃণাল, ছবি বিশ্বাস-কানন দেবী-সুচিত্রা-সৌমিত্র, তবু তাঁর মতো, ঠিক তাঁর মতো স্মরণযোগ্য হয়ে রইলেন না কেউ। শ্রাবণের অনুষঙ্গে নয়, উত্তমকুমারের প্রয়াণদিবসটি চিহ্নিত চব্বিশে জুলাই তারিখটির বিধুরতায়। ১৯৮০-র এই দিনটিতে বাংলা

মন্দ মেয়ে ভদ্র অভিনেত্রী: সুকুমারী দত্ত

বিনোদিনী দাসীর বর্ণময় জীবনের আড়ালে ঢাকা পড়ে যাওয়া এই ‘তারকা অভিনেত্রী’-র বহুমাত্রিক জীবনটিও কম রঙিন নয় বরং বিস্মৃত নক্ষত্র এক, যিনি ১২৮২ বঙ্গাব্দের ৩ শ্রাবণ (১৮৭৫ খ্রি., মূল্য ছিল ১ টাকা) ‘অপূর্ব্বসতী’ নাটকটি লিখে বাংলা নাট্যাতিহাসের প্রথম নারী নাট্যকার হিসেবে সুবিদিত হয়ে আছেন।

কবি-কিশোর সুকান্ত: মৃত্যুদিনে শ্রদ্ধার্ঘ্য

শৈশবেই জন্মস্থান কালীঘাট থেকে বেলেঘাটায় চলে আসেন। ওখানকার দেশবন্ধু বিদ্যালয়ে পড়াকালীন হাতেলেখা 'সপ্তমিকা' বের করতেন। বরাবর ভাল ফল করতেন বার্ষিক পরীক্ষায়। তবে ম্যাট্রিক পাশ করতে পারেননি, সম্ভবত অঙ্কে কাঁচা ছিলেন বলে। বাংলার তিন বরেণ্য কবি-ই দশম মান উৎরোননি। আর আজ ম্যাট্রিকে এঁদের তিনজনের লেখা-ই পাঠ্যতালিকায় অপরিহার্য! একটি কৌতূহলী তথ্য হল,

বাঙালি রবীন্দ্রনাথ

রবীন্দ্রনাথের মধ্যে হিন্দু-মুসলমান সাম্প্রদায়িকতার বিন্দুমাত্র ভেদাভেদ ছিল না। বিশ্বভারতীতে তিনি বক্তৃতা দিতে উদার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন মুহম্মদ শহীদুল্লাহকে, কাজী নজরুল ইসলাম, আলাউদ্দীন খাঁ, কাজী আবদুল ওদুদকে। গান শেখাতে আবদুল আহাদকে। বন্দে আলী মিয়া, জসীমউদ্দিন প্রমুখকে তিনি কাহিনির প্লট বলে দেন, যেমন দেন গল্পকার প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় বা মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়কে। সৈয়দ মুজতবা আলী

সনজীদা খাতুন: শ্রদ্ধাঞ্জলি

সাতচল্লিশ-পরবর্তী পূর্ববঙ্গে বেশ কিছু সাংস্কৃতিক সংস্থা গড়ে ওঠে, যাদের মধ‍্যে 'বুলবুল ললিতকলা একাডেমী', 'ক্রান্তি', 'উদীচী' অন‍্যতম। রাজনৈতিক শোষণ ও পূর্ববঙ্গকে নিপীড়নের প্রতিবাদে কখনও পরোক্ষভাবে কখনও সরাসরি ভূমিকা রেখেছিল এইসব সংগঠন। 'ছায়ানট' এমনি আর এক আগ্নেয় প্রতিষ্ঠান, ১৯৬৭-তে জন্মে আজ পর্যন্ত যার ভূমিকা দেশের সুমহান ঐতিহ‍্যকে বাংলাদেশের গভীর থেকে গভীরতরতায় নিয়ে

মহাত্মা অশ্বিনীকুমার: মৃত্যুঞ্জয়ী প্রতিভা

সর্বভারতীয় রাজনীতির সঙ্গে তিনি দীর্ঘদিন জড়িয়ে ছিলেন, এবং জাতীয় কংগ্রেসে নিয়মিত যোগ দিতেন। কংগ্রেসের আবেদন-নিবেদনের রাজনৈতিক কার্যক্রম দেখে সিপাহী বিদ্রোহের পূর্ববর্তী বছরের জাতক এবং প্রখর প্রজ্ঞাবান অশ্বিনীকুমার ১৮৯৭-এর কংগ্রেসের অমরাবতী অধিবেশনে দৃঢ়তার সঙ্গে একে 'Threedays' mockery',— ‘তিনদিনের তামাশা’ বলে উল্লেখ করেন। দুর্ভাগ্য দেশের, তাঁর কথা অনুধাবন করলেও কেউ গুরুত্ব দেননি।

সত্যজিতের নানা জানা-অজানা

তুলনায় প্রথম দিকে বাংলায় তিনি কাঁচা ছিলেন। ‘সিগনেট প্রেস’-এর মালিক দিলীপকুমার গুপ্ত তাঁকে বেশ কিছু বাংলা বই উপহার দিয়ে সেগুলো মনোযোগ দিয়ে পড়তে বলেছিলেন। উপহার দিয়ে লিখেছিলেন: ‘‘বাংলাসাহিত্যে ক’অক্ষর গোমাংস সত্যজিৎকে’’। সত্যজিতের-ই লিখিত জবানবন্দি। এই লোক-ই কিনা পরবর্তীতে রবীন্দ্রনাথ-তারাশঙ্কর-বিভূতিভূষণ-পরশুরামের মত লেখকদের কাহিনি নিয়ে ধ্রুপদী সব ছবি নির্মাণ করেন! নিজে বাংলায়

মাতৃ-ভাষা-রূপে খনি, পূর্ণ মণিজালে

কী যে জাদু বাংলাভাষায়! আর ব‍্যাপ্তি। একহাতে সে উপহার দেয় বৈষ্ণবপদাবলীকবিতা, অন‍্যহাতে ময়মনসিংহগীতিকা। আবিশ্বের বিশ্ববিদ‍্যালয়গুলিতে বাংলাভাষা পড়ানো হচ্ছে,— মেলবোর্ন, লন্ডন, টোকিও, বেইজিং, মন্ট্রিল-সহ একশোটি বিশ্ববিদ্যালয়ে। ব্রিটেন থেকে বেরোয় বারোটি সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা। আছে দৈনিক পাক্ষিক মাসিক পত্রিকাও। বিদেশিদের গবেষণা মাইজভাণ্ডারী দর্শন (হানস হার্ডার, জার্মানি) থেকে অশ্বিনীকুমার দত্ত, চাকমা ভাষা থেকে

ঋত্বিককুমার ঘটক : ভারতীয় চলচ্চিত্রের এক নিয়তিতাড়িত কর্ণ

India's First Bengali Daily Journal. আমরা দেখছি, পৃথিবীর অন‍্যতম প্রাচীন শিল্পমাধ‍্যম নাটক দিয়ে ঋত্বিকের নন্দনলোকে যাত্রা শুরু। নাটক তিনি শেষজীবন পর্যন্ত চালিয়ে গেছেন। নাটক থেকে তিনি এলেন পৃথিবীর সবচেয়ে নবীন নন্দনমাধ‍্যম বলে আখ‍্যায়িত সিনেমায়। নাটক থেকে চলচ্চিত্রে আসার পেছনে তাঁর যুক্তি ছিল, নাটকের চেয়ে অনেক দ্রুত দর্শকের কাছে পৌঁছনো যায়

লেবেদেফ এবং ও তাঁর সংস্কৃত শিক্ষক জগন্নাথ বিদ্যাপঞ্চানন

India's First Bengali Daily Journal. একজনের নাম গোলকনাথ, অন্যজনের নাম জগন্নাথ। এই দুই নাথ-এর ছত্রছায়ায় একজন রুশ পরিব্রাজক হয়ে উঠলেন ভারতচর্চার অগ্রগণ্য পথিকৃৎ। শুধু তাই নয়, সেই রুশ নাগরিক লেবেদেফের হাত ধরে বাংলা তথা ভারত পেল প্রথম ইউরোপীয় ধাঁচের প্রসেনিয়াম থিয়েটার। গোলকনাথের কথা তবুও দুই বাংলার শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতির উৎসাহীজনেরা কম-বেশি জানেন।

বলরাম হাড়ি ও লালন: নিপীড়িত মানুষের নেতা ও ত্রাতা

India's First Bengali Daily Journal. তিনিও লালনের মতো গৃহত্যাগ করেন, তবে চিরদিনের জন্য নয়। বিভিন্ন অঞ্চল ভ্রমণ করে তিনি মেহেরপুরে ফিরে এসেছিলেন। তবে জমিদারতন্ত্রের পৃষ্ঠপোষিত-নিয়ন্ত্রিত ভদ্রসমাজে নয়। তিনি ফিরে আসেন ভিন্ন সাজ-পোশাকে, ভিন্ন রূপে-চেহারায়। উচ্চধর্ম ও উচ্চবর্ণের বিরুদ্ধে গড়ে তোলেন বলরামি সম্প্রদায়। সনাতন ধর্মের পরিমণ্ডলের বাইরে ভৈরবের তীরে গড়েন ভিন্নধারার

সৈনিক, সৈন্যদল ও ছড়ায় বাংলার ব্রাত‍্য যোদ্ধাজীবন

India's First Bengali Daily Journal. বাংলায় শিশুদের খেলার মধ্যেও ছিল যুদ্ধের পরিবেশ তৈরির প্রচেষ্টা। ‘আগডুম বাগডুম’ খেলা— তারই একটি উদাহরণ। ‘আগডুম বাগডুম’ খেলায় শিশুরা গোল হয়ে বসে একে অন্যের হাঁটু ছুঁয়ে ছড়া কেটে এ খেলা খেলত, যে খেলা তাদের পরবর্তী জীবনে তৈরি করত যোদ্ধার জীবন। বিনয় ঘোষ তাঁর ‘পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতি’

রবীন্দ্রনাথের ‘চিত্রলেখা’ হাসিরাশি দেবী

India's First Bengali Daily Journal. মেয়েটির বয়স তখন ১৪ কী ১৫। সেই কিশোরীর আঁকা একটা ছবি পট্ করে ছিঁড়ে ফেললেন রবি ঠাকুর। দেখে ঝোলা কাঁধে পাশে দাঁড়ানো কিশোরী-শিল্পী থতমত। পরক্ষণেই স্মিত হেসে কিশোরীর মাথায় হাত বুলিয়ে বিশ্বকবি বোঝালেন— ‘‘এটা ঠি-ইক হয়নি, এইভাবে আঁক্।’’ দেখিয়ে দিলেন হাতে ধরে। এইভাবে গোবরডাঙার এক