Search
Generic filters
Search
Generic filters
শ্রেয়া মুখার্জী

শ্রেয়া মুখার্জী

শ্রেয়া মুখার্জী বাংলাদেশের মেয়ে। বাংলাদেশের দক্ষিণ অঞ্চল বরিশাল শহর-লাগোয়া ঐতিহ্যবাহী কাশীপুরের বনেদি জমিদারগৃহে শ্রেয়ার জন্ম, ২০০৪-এর ১৬ অক্টোবর। কীর্তনখোলা নদী-অধ‍্যুষিত বরিশাল শহরের লাগোয়া এই স্থানটিতেই রয়েছে মহাত্মা অশ্বিনীকুমার দত্তের ভাবশিষ্য মুকুন্দদাসের কালীবাড়ি। শৈশব থেকেই শ্রেয়া নৃত‍্যে পারদর্শী, ছবি আঁকায় আগ্রহী, আর ডায়েরি লেখায় উৎসাহী। স্কুলজীবনেই লেখালেখিতে হাতেখড়ি। গল্প, কবিতা ও প্রবন্ধ লেখায় সমুৎসুক। ব‍্যাডমিন্টন খেলতে ভাল লাগে শ্রেয়ার। আর শখ বেড়ানোর। অশ্বিনীকুমার দত্ত-প্রতিষ্ঠিত সুবিখ‍্যাত ব্রজমোহন কলেজের ছাত্রী, ইতিহাসে অনার্স, প্রথম বর্ষ। পাশাপাশি কম্পিউটারেও প্রশিক্ষণরত। প্রিয় বই আনে ফ্রাঙ্কের ডায়েরি, রবীন্দ্রনাথের ‘শেষের কবিতা’। মহাভারতের চরিতাবলি তাঁকে আকর্ষণ করে। শিব ও শ্রীকৃষ্ণ নিয়েও কৌতূহলী শ্রেয়া। বাবা তপনচন্দ্র মুখার্জী ও মা লিপি মুখার্জী। তিন বোনের মধ‍্যে শ্রেয়া সবার বড়। বোনেরা শ্রুতি আর সৃষ্টি। বাড়িতে দুর্গাপূজা কালীপূজার মতো বারোমাসে তেরো পার্বণের মধ‍্য দিয়ে বেড়ে ওঠা। অভিজাত পারিবারিক পরিবেশ এবং নিকটজনের সঙ্গ তাঁকে গড়ে তুলতে ভূমিকা রেখেছে।
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

নদী

India’s First Bengali Daily Journal. আমার মনের ভিতর এরকম একটি নদী আছে বলে টের পাই। যে নদীর সুখ দুঃখের মধ্য দিয়ে কুলু কুলু করে বয়ে চলে। তেমনি আমার মনের মধ্যেও মনে হয় সুখ-দুঃখ নিয়ে মনের নদী বয়ে চলে। কোথাও কোথাও নদী অনেক প্রশস্ত, সে রকম নদী দেখলে মনটাকেও সেই নদীর মত প্রশস্ত করে নেওয়ার ইচ্ছে হয়। নদীর যেমন ঢেউ মনের মধ্যে নানান চিন্তার ঢেউ আমি টের পাই।

Read More »

আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল ও দুই বিখ্যাত বাঙালি

কী অসাধারণ শিক্ষাই না আমরা পেতে পারি, উৎসাহিত হয়ে পারি খেলোয়াড়দের থেকে! একটি উদাহরণ: প্রথম বিশ্বকাপে সোনাজয়ী উরুগুয়ে দলে ছিলেন হেক্টর কাস্ত্রো। তেরো বছর বয়সে মেশিনে তাঁর ডানহাত কাটা পড়েছিল। অদম্য উৎসাহে তিনি ফুটবল খেলেছেন, জাতীয় দলে স্থান করে নিয়েছেন, আর ফাইনালে জয়সূচক গোলটিও তাঁর-ই করা! তাঁর স্বদেশবাসী তাঁকে ডাকতেন— ‘এল ডিভিনো মানকো’, অর্থাৎ একহাত-বিশিষ্ট ঈশ্বর।

Read More »

আমেরিকার স্বাধীনতা: আড়াইশো বছর

১৬০৭ থেকে ১৭৮৩ পর্যন্ত সময়কাল আমেরিকায় ব্রিটেনের ঔপনিবেশিক রাজত্ব। আজকের দিনে যে আমেরিকা, তা কিন্তু পুরোটা ব্রিটিশদের দখলে ছিল না। ছিল ভার্জিনিয়া, ম্যাসাচুসেটস, নিউ ইয়র্ক, পেনসিলভেনিয়া-সহ ১৩টি রাজ্য। আর কানাডার বেশ কিছু অঞ্চল। আমেরিকার অন্যান্য স্থানে ফরাসি, ডাচ, নরওয়েজিয়, সুইডিস উপনিবেশ-ও ছিল। তাছাড়া রাশিয়া আমেরিকার আলাস্কা থেকে ক্যালিফোর্নিয়া পর্যন্ত দখল করে। পরে সে আলাস্কা আমেরিকার কাছে বিক্রিও করে দেয়।

Read More »

গোদাবরীর গোমুখে

গঙ্গার মর্ত্যে আগমন নিয়ে যেমন ভগীরথের গল্প, তেমনই গোদাবরীর উৎসস্থলে না এলে জানা যেত না, দক্ষিণের গঙ্গা নিয়েও আছে হাজার গল্প। যে গল্প জানাবে আজও এই অঞ্চলের মানুষ অনেক সময়েই কাছাকাছি আর কোনও পানীয়জল না পেয়ে কষ্ট করে হলেও এই উৎসস্থলে এসেই শীতল এই পানীয়জল নিয়ে যান নিজেদের কাজের জন্য। গঙ্গা বা অন্য নদী সে শুধু ধার্মিক আবেগের কারণে পবিত্র না, হাজার প্রাণীর ‘তৃষ্ণা’ মেটাবার জন্য সে হয়ে ওঠে ‘দেবী’ বা ‘পবিত্র’। সে পথে মিশে যায় হাজার গল্প-কষ্ট কিংবা দিনযাপনের চরম বাস্তবতা।

Read More »

রুহের কবিতাগুচ্ছ

একই আলোকমালায় কাটিয়েছি/ বহুকাল দু’জনে…/ বলিনি কখনও।/ তারা খসা দেখেছি একসাথে, যদিও/ গোপন থেকেছে চাওয়া-পাওয়া।/ মাঝে বহুদিন, বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মতো/ একা… নীরবে বয়েছি যাতনা।/ আজ মিথ্যের নেই অবকাশ/ তোমাকে কি পড়েনি মনে/ কোনও মুহূর্ত বা ক্ষণে/ ভাবিনি কি একান্ত বন্ধু আমার—/ এতদিন পরে, পুনর্মিলনে বলেছ/ পাখি হতে চেয়েছিলে এ জীবনে

Read More »

যুদ্ধ: বৈশ্বিক কসাইখানা, পুঁজির সংকট ও শ্রমের মুক্তি

অবিক্রীত পণ্যের পাহাড় যখন পুঁজির পুনরুৎপাদনকে বাধাগ্রস্ত করে, তখন পুঁজিপতিরা তীব্র আতঙ্কে ভোগে। এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য তারা প্রতিযোগী পুঁজিপতির বাজার ও পণ্য ধ্বংস করতে চায়। আর এই ধ্বংসের বৈধ হাতিয়ার হিসেবে তারা রাষ্ট্র ও সামরিক বাহিনীকে ব্যবহার করে যুদ্ধ বাধিয়ে দেয়। অর্থাৎ, উদ্বৃত্ত পণ্য এবং অতিরিক্ত শ্রমকে ধ্বংস করে পুঁজির ভারসাম্য ফিরিয়ে আনাই বুর্জোয়া যুদ্ধের মূল উদ্দেশ্য। এই শোষণের প্রক্রিয়াকে আড়াল করতে রাষ্ট্র একদল বুদ্ধিজীবী ও নীতিবিদ লালন করে, যারা কৃত্রিম ‘দেশপ্রেম’ ও ‘জাতীয়তাবাদ’-এর আফিম খাইয়ে শ্রমিককে বিভ্রান্ত রাখে, যাতে তারা শোষক ও শোষিতের মধ্যকার মৌলিক শ্রেণি-পার্থক্য ভুলে যায়।

Read More »

বিশ্বকাপ জৌলুসে আর্জেন্টিনা গণহত্যার বধ্যভূমি

বুয়েনস আইরেসের রিভার প্লেটের যে স্টেডিয়ামে তখন খেলা হত, তার মাত্র এক মাইল দূরে ছিল সামরিক সরকারের বন্দিশিবির নেভি স্কুল অব ম্যাকনিকস। সাংবাদিক ডেভিড কক্স ফুটবল বিশ্বকাপের খবর সংগ্রহ করতে গেছিলেন। তিনি ‘ডার্টি ওয়ার’ বইতে লিখেছিলেন, যখন স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনার ম্যাচ চলত তখন ওই টর্চার সেল থেকে কান্নার শব্দ শোনা যেত। আর্জেন্টিনার ভুবনমোহিনী ফুটবলে লেগে আছে রক্ত।

Read More »