Search
Generic filters
Search
Generic filters
সুজিতকুমার বিশ্বাস

সুজিতকুমার বিশ্বাস

সুজিতকুমার বিশ্বাসের জন্ম ১৯৭০ সালে। উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত শিলিগুড়ি কলেজের বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান। কৃষ্ণনগর গভর্নমেন্ট কলেজ থেকে বাংলা অনার্স ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.এ.। বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অধ্যাপক অমিত্রসূদন ভট্টচার্যের তত্ত্বাবধানে পি-এইচ.ডি.। ‘বিশ্বভারতী পত্রিকা’ সহ বিভিন্ন প্রথম শ্রেণির পত্রপত্রিকায় গবেষণাধর্মী প্রবন্ধ লিখছেন নিয়মিত। অমিত্রসূদন ভট্টাচার্য সম্পাদিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘নিজের কথা’ (নির্মলকুমারী মহলানবীশকে লেখা পাঁচশত রবীন্দ্র-পত্রাবলী) গ্রন্থের সহযোগী সম্পাদক এবং ‘পঞ্চকবির শ্রীচৈতন্যজীবনী’ গ্রন্থের যুগ্মসম্পাদক। ‘রবীন্দ্র-রচনাবরী সম্পাদনার ইতিবৃত্ত’ গ্রন্থের লেখক।
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

কবির অন্তর্জীবন: একটি সফল ঐতিহাসিক উপন্যাস

রবীন্দ্রনাথ রাণুকে ভালবেসেছিলেন, স্নেহ করেছিলেন, যত্নে রেখেছিলেন, শত শত চিঠি দিয়ে তাঁর সঙ্গে প্রতিদিন প্রতিমুহূর্ত সম্পর্ক রেখেছিলেন, কুশলকামনা করেছিলেন, মঙ্গলকামনা করেছিলেন। রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে রাণুর কত কথা, কত গল্প, কত গান, কবিতা, নাটক, কত কত অভিনয় কত মহড়া, ছায়াঘেরা পাহাড়ী পথে বৈকালিক ভ্রমণ, কত দুরন্তপনা, কত অত্যাচার, কত রাগ অভিমান, আদরের পরিচয় মিলবে এই উপন্যাসের পাতায় পাতায়। এককথায় বলা যেতে পারে, ষাটোর্ধ্ব রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে কিশোরী রাণুর প্রথম যৌবনের সাতটি বসন্তের অবিস্মরণীয় সময়ের ফেলে আসা মধুর স্মৃতির অমূল্য সেরা স্মারক গ্রন্থ ‘হৃদয়ে রয়েছ গোপনে’।

Read More »

অগ্নিবীর: বন্দুকের মুখে ঈশ্বর

১৯৫০ দশকে নেপালের রাজতন্ত্র ও রাজার মন্ত্রিগোষ্ঠী রানাশাহী শাসনের বিরুদ্ধে সফল সশস্ত্র বিদ্রোহ হয়েছিল। সেই বিদ্রোহে অংশ নিয়েছিলেন অনেক ভারতীয়। তাঁদের মধ্যে অনেকে বাঙালি। নেপালের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সেই প্রথম সংঘর্ষ সে-দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে মুক্তিযুদ্ধ হিসেবে চিহ্নিত। ভারত ও চীনের মধ্যে একফালি দেশ নেপালের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ সংগ্রাম সশস্ত্র ও নিরস্ত্র দুই পথ ধরে চলেছিল। ডান-বাম-অতিবাম— ত্রিমুখী রাজনৈতিক ঘাত-প্রতিঘাতের চূড়ান্ত সফলতা আসে ২০০৮ সালে রাজার শাসনের অবসানে।

Read More »

নারী: এক দৈবী আখর

আমরা ৮-ই মার্চের আন্তর্জাতিক নারীদিবসে আবহমান নারীবিশ্বকে সামান্য একটু ছুঁয়ে যেতে চাইলাম মাত্র। হাজার হাজার বছর ধরেই তাঁদের ওপর কড়া অনুশাসন, জবরদস্ত পরওয়ানা আর পুরুষতন্ত্রের দাপট। সে-সবের ফল ভুগতে হয়েছে আন্তিগোনে থেকে সীতা, দ্রৌপদী; জোয়ান অফ আর্ক থেকে আনারকলি, হাইপেশিয়া; রানি লক্ষ্মীবাঈ থেকে প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, বেগম রোকেয়া; রোজা পার্কস থেকে মালালা ইউসুফজাই— তাঁদের মতো হাজারো নামহীন নারীকে।

Read More »

মাতৃভাষা: অবিনাশী হৃৎস্পন্দন ও বিশ্বজনীন উত্তরাধিকার

প্রতিটি ভাষার নিজস্ব একটি আলো আছে, সে নিজের দীপ্তিতেই ভাস্বর। পৃথিবীতে আজ প্রায় সাত হাজার ভাষা আছে। ভাষাবিজ্ঞানীরা বলছেন, এই শতাব্দীর শেষে তার অর্ধেকেরও বেশি বিলুপ্ত হয়ে যাবে। এ তথ্য সত্যিই বেদনাদায়ক। একটি ভাষার মৃত্যু মানে কেবল কিছু শব্দের মৃত্যু নয়— সে মানে একটি জগৎদর্শনের অবলুপ্তি, একটি জাতির স্মৃতির চিরকালীন বিনাশ। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে তাই আমাদের অঙ্গীকার হোক বহুমাত্রিক। নিজের মাতৃভাষাকে ভালবাসা, তাকে চর্চায় রাখা, তার সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া। আর তার সাথে অন্য সমস্ত ভাষার প্রতি আরও বেশি করে শ্রদ্ধাশীল হওয়া।

Read More »

শংকর: বিচিত্র বিষয় ও আখ্যানের কথাকার

শংকরের জনপ্রিয়তার একটি কারণ যদি হয় সাবলীল ও সহজ গতিচ্ছন্দময় ভাষা, অন্য আরেকটি কারণ হল, নিজ সময়কে করপুটে ধারণ করা। তার সঙ্গে মিশেছে আমাদের পরিকীর্ণ জগতের বহুকিছু, আমাদের নাগালের মধ্যেই আছে, অথচ আমরা এ-পর্যন্ত যার হদিশ পাইনি, তাকে পাঠকের দরবারে এনে হাজির করা। ১৯৫৫-তে যে উপন্যাসটি দিয়ে বাংলা-সাহিত্যে তাঁর আবির্ভাব, সেই ‘কত অজানারে’ হাইকোর্টের জীবনযাপন, সেখানকার আসামি-ফরিয়াদি, উকিল-ব্যারিস্টার প্রমুখের চিত্র। লেখকের নিজ অভিজ্ঞতাপ্রসূত রচনা এটি। তিনি প্রথম জীবনে হাইকোর্টের সঙ্গে চাকরিসূত্রে যুক্ত ছিলেন।

Read More »

সুজিত বসুর তিনটি কবিতা

তারপরে একদিন আকাশে মেঘের সাজ, মুখরিত ধারাবারিপাত/ রঙিন ছাতার নিচে দু’গালে হীরের গুঁড়ি, মন মেলে ডানা/ আরো নিচে বিভাজিকা, নিপুণ শিল্পীর হাতে গড়া দুই উদ্ধত শিখর/ কিছুটা অস্পষ্ট, তবু আভাসে ছড়ায় মায়া বৃষ্টিস্নাত নাভি/ তখনই হঠাৎ হল ভূমিকম্প, পাঁচিলের বাধা ভাঙে বেসামাল ঝড়/ ফেরা যে হবে না ঘরে মুহূর্তে তা বুঝে যাই, হারিয়েছি চাবি/ অনেক তো দিন গেল, অনেক ঘুরেছি পথে, বিপথে অনেক হল ঘোরা/ তাকে তো দেখেছি, তাই নাই বা পড়ুক চোখে অজন্তা ইলোরা।

Read More »

ছোটগল্প: ফাউ

গরমকালে ছুটির দিনে ছাদে পায়চারি করতে বেশ লাগে। ঠান্ডা হাওয়ায় জুড়োয় শরীরটা। আকাশের একপাশে আবির। সন্ধে হবে হবে। অন্যদিকে কাঁচা হলুদ। চায়ের ট্রে নিয়ে জমিয়ে বসেছে রুমা। বিয়ের পর কি মানুষ প্রেম করতে ভুলে যায়? নিত্যদিন ভাত রুটি ডালের গল্পে প্রেম থাকে না কোথাও? অনেকদিন রুমার সঙ্গে শুধু শুধু ঘুরতে যায়নি ও।

Read More »