Search
Generic filters
Search
Generic filters
বিষ্ণুপদ বালা

বিষ্ণুপদ বালা

বিষ্ণুপদ বালা আশির দশকের কবি। ছড়া রচনা দিয়ে লেখালিখির শুরু। গোবরডাঙা খাঁটুরা উচ্চবিদ্যালয়ে দশম শ্রেণি পড়ার সময়ে স্কুল পত্রিকা ‘অভিযান’-এ প্রথম কবিতা প্রকাশিত হয়। তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘বালিকুড়ো আমাদের মাঠ’, ‘অন্তরা গানের টুকরো’ ও ‘ভাত যেভাবে কাঁদে’। ছিলেন কবি বিনয় মজুমদার ও কবিদম্পতি মণীন্দ্র গুপ্ত ও দেবারতি মিত্রর স্নেহধন্য। কবিতার পাশাপাশি লেখেন গল্প-প্রবন্ধও।
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

বিষ্ণুপদ বালার কবিতা

পেঁচান্বেষণে ফের যদি ভিনদেশে পাড়ি জমাই কাঞ্চনজঙ্ঘা কিংবা কালকা মেলে ভ্রমণবিলাসী নয়, কিংবা অন্য কোনও মৌতাত তির-ধনুক ছাড়াই স্রেফ পেঁচান্বেষণে… তুমি একদম পিছু ডাকবে না

Read More »

বিষ্ণুপদ বালার কবিতা

India’s First Bengali Daily Magazine. পাঁচতলা বিল্ডিংয়ের কার্নিশ থেকে/ একটি মানুষের পতন ঘটেছে/ ঠিক বায়ুশূন্য সিলিন্ডারে পতনশীল পালকের মতো…// তবে এখানে বিশ্বসিলিন্ডার তো/ ভরপুর বাতাস ছিল/ অপদার্থের মতো…// মাথা আগে এসেছিল/ নাকি পা/ ছবি ঘ্যাটাঘ্যাট…// দেয়ালের থেকে দূরত্ব কতটুকু/ ত্রিকোণমিতি/ পরিমিতি…

Read More »

পা চোর

India’s First Bengali Story Portal. সমস্ত শাড়ি শুকিয়ে ঘরে ফেরে রাম। শুরু করে দেয় ছাপাকার্য। ঠিক এইমুহূর্তে তার কর্ণকুহরে নূপুরের ধ্বনি আঘাত মারে। সেই পার্কাশান তার বুকে গিয়ে লাগে। বন্ধ হয়ে যায় ছাপা কাজ। জানলার কাছে হেঁটে যায় তার পাদুটো। চোখদুটো জানলার রঙিন পর্দায় গিয়ে কম্প লাগায়। যেন সঙ্গীত তরঙ্গে আন্দোলিত হয়। হঠাৎ মালিকের পায়ের শব্দ কানে আসায় রংরেঙের ছাপাকাজ শুরু হয়ে যায় শাড়ির ওপর। কিন্তু তার মন-প্রাণ সবই পড়ে থাকে পর্দার ওপারে পা ও নূপুরের মধ্যে। অন্যমনস্কতায় ভুল ছেপে বসে রাম।

Read More »

বিষ্ণুপদ বালার গুচ্ছ কবিতা

আজকের সকালটা কেমন গ্রিন স্যালাদের মত লাগছে।/ একটু আগে কি বৃষ্টি হয়ে গেছে নাকি?/ নাকি কচি জামপাতায় কেউ স্যালাদ-অয়েল দিয়েছে ছিটিয়ে/ মেয়োনিজ সসে ডুবিয়ে তোলা হয়েছে ঝুনো পাকা/ রয়েল ফল। এও কি রাশিয়ান স্যালাদ নাকি?/ বুলবুল পাখির মত চাক চাক কাঁচাপাকা টমেটো।/ কাটা গাজরের মত হলদে পাখির মেলা বসেছে সজনের ডালে…/ ঘ্রাণে নয়, দর্শনে আমার পরিপূর্ণ পেট ভরে যায়।

Read More »

অগ্নিবীর: বন্দুকের মুখে ঈশ্বর

১৯৫০ দশকে নেপালের রাজতন্ত্র ও রাজার মন্ত্রিগোষ্ঠী রানাশাহী শাসনের বিরুদ্ধে সফল সশস্ত্র বিদ্রোহ হয়েছিল। সেই বিদ্রোহে অংশ নিয়েছিলেন অনেক ভারতীয়। তাঁদের মধ্যে অনেকে বাঙালি। নেপালের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সেই প্রথম সংঘর্ষ সে-দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে মুক্তিযুদ্ধ হিসেবে চিহ্নিত। ভারত ও চীনের মধ্যে একফালি দেশ নেপালের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ সংগ্রাম সশস্ত্র ও নিরস্ত্র দুই পথ ধরে চলেছিল। ডান-বাম-অতিবাম— ত্রিমুখী রাজনৈতিক ঘাত-প্রতিঘাতের চূড়ান্ত সফলতা আসে ২০০৮ সালে রাজার শাসনের অবসানে।

Read More »

নারী: এক দৈবী আখর

আমরা ৮-ই মার্চের আন্তর্জাতিক নারীদিবসে আবহমান নারীবিশ্বকে সামান্য একটু ছুঁয়ে যেতে চাইলাম মাত্র। হাজার হাজার বছর ধরেই তাঁদের ওপর কড়া অনুশাসন, জবরদস্ত পরওয়ানা আর পুরুষতন্ত্রের দাপট। সে-সবের ফল ভুগতে হয়েছে আন্তিগোনে থেকে সীতা, দ্রৌপদী; জোয়ান অফ আর্ক থেকে আনারকলি, হাইপেশিয়া; রানি লক্ষ্মীবাঈ থেকে প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, বেগম রোকেয়া; রোজা পার্কস থেকে মালালা ইউসুফজাই— তাঁদের মতো হাজারো নামহীন নারীকে।

Read More »

মাতৃভাষা: অবিনাশী হৃৎস্পন্দন ও বিশ্বজনীন উত্তরাধিকার

প্রতিটি ভাষার নিজস্ব একটি আলো আছে, সে নিজের দীপ্তিতেই ভাস্বর। পৃথিবীতে আজ প্রায় সাত হাজার ভাষা আছে। ভাষাবিজ্ঞানীরা বলছেন, এই শতাব্দীর শেষে তার অর্ধেকেরও বেশি বিলুপ্ত হয়ে যাবে। এ তথ্য সত্যিই বেদনাদায়ক। একটি ভাষার মৃত্যু মানে কেবল কিছু শব্দের মৃত্যু নয়— সে মানে একটি জগৎদর্শনের অবলুপ্তি, একটি জাতির স্মৃতির চিরকালীন বিনাশ। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে তাই আমাদের অঙ্গীকার হোক বহুমাত্রিক। নিজের মাতৃভাষাকে ভালবাসা, তাকে চর্চায় রাখা, তার সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া। আর তার সাথে অন্য সমস্ত ভাষার প্রতি আরও বেশি করে শ্রদ্ধাশীল হওয়া।

Read More »

শংকর: বিচিত্র বিষয় ও আখ্যানের কথাকার

শংকরের জনপ্রিয়তার একটি কারণ যদি হয় সাবলীল ও সহজ গতিচ্ছন্দময় ভাষা, অন্য আরেকটি কারণ হল, নিজ সময়কে করপুটে ধারণ করা। তার সঙ্গে মিশেছে আমাদের পরিকীর্ণ জগতের বহুকিছু, আমাদের নাগালের মধ্যেই আছে, অথচ আমরা এ-পর্যন্ত যার হদিশ পাইনি, তাকে পাঠকের দরবারে এনে হাজির করা। ১৯৫৫-তে যে উপন্যাসটি দিয়ে বাংলা-সাহিত্যে তাঁর আবির্ভাব, সেই ‘কত অজানারে’ হাইকোর্টের জীবনযাপন, সেখানকার আসামি-ফরিয়াদি, উকিল-ব্যারিস্টার প্রমুখের চিত্র। লেখকের নিজ অভিজ্ঞতাপ্রসূত রচনা এটি। তিনি প্রথম জীবনে হাইকোর্টের সঙ্গে চাকরিসূত্রে যুক্ত ছিলেন।

Read More »

সুজিত বসুর তিনটি কবিতা

তারপরে একদিন আকাশে মেঘের সাজ, মুখরিত ধারাবারিপাত/ রঙিন ছাতার নিচে দু’গালে হীরের গুঁড়ি, মন মেলে ডানা/ আরো নিচে বিভাজিকা, নিপুণ শিল্পীর হাতে গড়া দুই উদ্ধত শিখর/ কিছুটা অস্পষ্ট, তবু আভাসে ছড়ায় মায়া বৃষ্টিস্নাত নাভি/ তখনই হঠাৎ হল ভূমিকম্প, পাঁচিলের বাধা ভাঙে বেসামাল ঝড়/ ফেরা যে হবে না ঘরে মুহূর্তে তা বুঝে যাই, হারিয়েছি চাবি/ অনেক তো দিন গেল, অনেক ঘুরেছি পথে, বিপথে অনেক হল ঘোরা/ তাকে তো দেখেছি, তাই নাই বা পড়ুক চোখে অজন্তা ইলোরা।

Read More »

ছোটগল্প: ফাউ

গরমকালে ছুটির দিনে ছাদে পায়চারি করতে বেশ লাগে। ঠান্ডা হাওয়ায় জুড়োয় শরীরটা। আকাশের একপাশে আবির। সন্ধে হবে হবে। অন্যদিকে কাঁচা হলুদ। চায়ের ট্রে নিয়ে জমিয়ে বসেছে রুমা। বিয়ের পর কি মানুষ প্রেম করতে ভুলে যায়? নিত্যদিন ভাত রুটি ডালের গল্পে প্রেম থাকে না কোথাও? অনেকদিন রুমার সঙ্গে শুধু শুধু ঘুরতে যায়নি ও।

Read More »