একটি রাত্রি কা লী কৃ ষ্ণ গু হ প্রতিটি রাত্রিকেই নতুন মনে হয়— অচেনা লাগে। আজকের রাত্রিটা যেন চির-অচেনা যেন কিছু ঘটার ছিল যা ঘটেনি ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা নিয়ে প্রেম-বিরহের সমর্থনে মৃদু হাওয়া বইছে। মনে হয়, কারা যেন আকাশ পারাপার করছে। ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনার মধ্যে আর কী কী ঘটছে? ভোর হয়ে এল…
ফরেস্ট বাংলো অ ভি জি ৎ সি রা জ শঙ্কর দত্তকে আমি শেষ দেখি আনন্দপুরে মাদুরদহের একটা স্কুল বাড়িতে। অনেক রাত হয়ে গিয়েছিল সেদিন। বাড়ির খোলা ছাদে বসে গান শুনছিলাম আমরা। দ্বাদশী চাঁদের আলোয় শঙ্করের স্ত্রী গাইছিল, তুমি কোন কাননের ফুল/তুমি কোন গগনের তারা।… শঙ্করকে কতকটা আনমনা লাগছিল। তার দৃষ্টি
বি ভা স রা য় চৌ ধু রী চালুন্দিয়া শ্যামলেশকে একটা কবিতা পাঠাতে হবে ভাবতেই মনে পড়ে শ্যামলেশের কবিতা আমাকে প্রথম দেয় একটি বিষণ্ণ ধ্বনি— লুপ্ত নদী চালুন্দিয়া আজকাল এইসব হয় ভবিষ্যৎ মরে গেলে অতীত বিষয় এসে আমাদের খোঁজে… খুব কলরব করে… অমিতকে নিয়ে চালুন্দিয়া দেখতে গিয়েছি বারবার খাবলে-খুবলে নেওয়ার
প্রহ্লাদ পাত্রর কাহিনি সা ত্য কি হা ল দা র তাকে প্রথম যখন দেখি, তখন তার খানিকটা বয়স হয়ে গেছে। আউটডোরে নিয়মিত হাজিরা দেওয়ার কিছু লোক থাকে। কোনও কারণে গঞ্জে এসেছে, মনে হল এক ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে কিছু না হোক দুটো গ্যাসের বড়ি নিয়ে যাই। এমন কিছু মুখ সব সরকারি
বি শ্ব দে ব মু খো পা ধ্যা য় দেশলাই ও কলের গান গুড়ি মেরে বাঘটি এগিয়ে যাচ্ছে আর কিছু দূরে কোনও এক নির্জন নদীর তীরে জল খাচ্ছে একটি হরিণ। দেশলাই বাক্সের উপরে ছবিটি এই। এক কোণে ইংরেজি অক্ষরে লেখা থাকত ‘ডিয়ার অ্যান্ড টাইগার’। যতদূর মনে পড়ে বিংশ শতকের প্রায়
জীবনের অসীম বিস্ময়: অপু ও বিভূতিভূষণ অ নি ন্দি তা ম ণ্ড ল জীবন সম্পর্কে আমাদের মনের মাঝে একটা লক্ষ্য অনুসারে নির্দিষ্ট ছক কাটা থাকে। সেই ছক অনুসরণ করে দিনগত পাপক্ষয়ের মতন আমরাও পৃথিবীর মতন ঘুরে চলি। আমাদেরও আহ্নিক গতি বছরে গড়ায়, এক এক করে বছরগুলো পার করে দেয় জীবনসীমা।
অ র ণি ব সু আহূতি অ্যাম্বুল্যান্স থেকে নেমে আগুনের ভিতর দিয়ে সকল আধার কার্ড পেরিয়ে তুমি চলে গেলে। শূন্যতা পাহারা দিচ্ছি আমি। একা একা কথা বলি, একা একা শুনি। লকলক করে আগুন, চরাচর কাঁপতে থাকে। নির্জনে নিজেকে আহূতি দিই রোজ। °°° চিত্রণ: সৌজন্য চক্রবর্তী
রেলগাড়িতে রোমাঞ্চ প্র চে ত গু প্ত বুক ধক্ ধক্ করছে। উল্টোদিকের সিটে বসা পুষ্করকে জিজ্ঞেস করলাম— সে আমার যমজ ভাই হলে কী হবে, আমার চেয়ে অনেক বেশি বুদ্ধিমান আর সাহসী— কাঁপা গলায় বললাম, ‘ছোটমামা কি উঠতে পারবে? নাকি তার আগেই ট্রেন ছেড়ে দেবে?’ পুষ্কর জানলার শিকের ওপর মুখ ঠেকিয়ে,
ম ন্দা ক্রা ন্তা সে ন সাইট সিইং লামাহাটায় গিয়ে তোমাকে ফোন করেছিলাম। তুমি বললে, সাইট সিইং কেমন হচ্ছে? এদিকে আমি তো বসে আছি অরণ্যের নিথর কোলে। ঠেলে সরালেও নড়ে বসব না। ভালই হল, বুঝে গেলাম তুমি অস্থির। চঞ্চল। আমি মনের মধ্যে নড়ে বসলাম। মনে মনে অস্থির তো আমিও। তোমাকে
যাত্রা ঝু মু র পা ণ্ডে আকাশে শব্দ করে একঝাঁক পাখি উড়ে গেল। চমকে তাকালেন সুমন। হ্যাঁ সুমন দত্তরায়। শহরে ছাদের ওপর এই ছোট্ট একটুকরো আকাশ। এটাই যেন অনেক শান্তি এনে দেয় সুমনকে। উঁচু উঁচু ফ্ল্যাটবাড়িতে ঢেকে যাচ্ছে পুরো শহরটা। বাড়ি কোথায়, সব যেন বাক্স। এই যে সামনে বিরাট ফ্ল্যাটটা।
গৌ ত ম চৌ ধু রী হাতচিঠি বজ্রের মতো লিকলিকে রেখাগুলি হেঁটে যাচ্ছিল অকুতোভয়, অন্ধকার ঝোপঝাড় মাঠ দিগন্ত পার হয়ে। যেন সত্যিই আগুন থেকে উঠে-আসা পূত অস্ত্র! যার জন্য কত না সাধ্যসাধনা। আজও কাসুন্দে-খুরুটে আরও সব চিপা চিপা স্যাঁতসেঁতে গলিতে ঘ্রাণ মিশে আছে। উন্মত্ত বাজার ফণা তুলে নাচ শুরু করেনি
যখন অন্য মন, অন্য আশা তৃ ষ্ণা ব সা ক কলকাতায় শীত বলে কোনও ঋতু নেই, শুনেছিল দেবী। এবার দেখল তা পুরো সত্যি নয়। ডিসেম্বরের শেষে জমিয়ে শীত পড়ল কলকাতায়। কলকাতার শীতের একটা আলাদা মজা আছে। এর আগে এইসময় আগের বছর ও মায়ের কাছে চলে গেছিল। সংক্রান্তি নাকি কাটাতে নেই
না স রী ন জা হা ন ভ্রমণে যাও তোমাকে বলেছি— বিদায়! তুমি ভ্রমণে যাও। সবুজ অলৌকিক অব্দি খেয়ে ফেলছে ব্ল্যাকহোল! আমি ফিরে এলাম, আমি, উড়তে পারলাম না। সোডিয়াম বাতিগুলো অব্দি বাদামি বেশ্যার অপেক্ষায় থাকে, মরা মাছির চোখের মতো, কাঠপেন্সিলের মতো বিগ্রহ নিয়ে বাজারে চলবে? বাতাসে কোথায় আর সন্তর্পণ? তুমি
মায়ের নাম শ তা ব্দী দা শ সুহাসিনী ভারি অপ্রস্তুতে পড়লেন। দুই ছেলে আপিসে বেরিয়েছে। কর্তা দুপুরের ঘুম দিচ্ছেন। এ ব্যাপারটা কীভাবে যে একা সামলাবেন, বুঝে উঠতে পারলেন না৷ সমুখে তাঁর মেয়েটিও হতবাক। ঘেমেনেয়ে একসা হয়ে আছে সে। কাঠফাটা গরমে মেয়েমানুষের বেরোনো ঠিক নয় মোটে— একথা সুহাসিনী তাঁর বড় নাতনিকে