বি ভা স রা য় চৌ ধু রী
চালুন্দিয়া
শ্যামলেশকে একটা কবিতা পাঠাতে হবে
ভাবতেই মনে পড়ে
শ্যামলেশের কবিতা আমাকে প্রথম দেয়
একটি বিষণ্ণ ধ্বনি— লুপ্ত নদী চালুন্দিয়া
আজকাল এইসব হয়
ভবিষ্যৎ মরে গেলে অতীত বিষয় এসে
আমাদের খোঁজে… খুব কলরব করে…
অমিতকে নিয়ে চালুন্দিয়া
দেখতে গিয়েছি বারবার
খাবলে-খুবলে নেওয়ার পর নদী
যেমন খালের নামে
কখনও বিলের নামে
ছিন্নভিন্ন পড়ে থাকে
মুন্ডুটি উধাও
মানুষের জীবনেও প্রায়শই দেখা যায়
লাশ গোপন করার
একই পদ্ধতি
নদী ও মানুষ— আততায়ী দু’ক্ষেত্রেই
এক ছকে চলে
কারণ খুনিরা কিছুতেই বুঝতে দেবে না
খুন হয়েছিল
এইসব ভাবি আর
যাই খুঁজতে চালুন্দিয়ার
টুকরো টুকরো জল
মাঠঘাট পার করে পাই
ঝোপের ওপাশে পাই
রাহুল সন্ধান করে
অমিত সন্ধান করে
যমুনার সঙ্গে তবে কোথায় মিশেছে চালুন্দিয়া?
মুন্ডু খুঁজে পাওয়া যায়নি
ভেসে যাচ্ছে চালুন্দিয়া নদীর কাটা পা
মরে আসা যমুনায়…
সঙ্গমে দুঃখের বসবাস
কবিতা লিখতে এসে
খুন হয়ে যাওয়ার পর
আমিও কিছুটা চালুন্দিয়া
বাকি সব বরুণ বিশ্বাস…
°°°
চিত্রণ: দেবাশিস সাহা





