Search
Generic filters
Search
Generic filters
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

সাত্যকি হালদারের ছোটগল্প

প্রহ্লাদ পাত্রর কাহিনি

সা ত্য কি  হা ল দা র

তাকে প্রথম যখন দেখি, তখন তার খানিকটা বয়স হয়ে গেছে।
আউটডোরে নিয়মিত হাজিরা দেওয়ার কিছু লোক থাকে। কোনও কারণে গঞ্জে এসেছে, মনে হল এক ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে কিছু না হোক দুটো গ্যাসের বড়ি নিয়ে যাই। এমন কিছু মুখ সব সরকারি আউটডোরেই সকালবেলায় থাকে। খুব কিছু বক্তব্য নেই, টিকিট করে চারটে গ্যাসের বড়ি বা দুটো জ্বরের ট্যাবলেটের চাহিদা। কথায় কথা না বাড়িয়ে দ্রুতগামী আউটডোর চালু রাখার জন্য ওই চাহিদা মিটিয়ে দেওয়াই দস্তুর।
জয়পুর স্বাস্থ্যকেন্দ্র এর বাইরে নয়। সেখানেও তখন এক রীতি। তবে যে যুগে জয়পুরে কাজের কারণে পোস্টিং হয়েছিল, সে যুগের জয়পুর ছিল এক অর্থে পৃথিবীর বাইরে। চারপাশে জঙ্গলঘেরা একটি ছোট গঞ্জ। তার ভেতর দিয়ে এদিক-ওদিক চলে গেছে আরামবাগ-বিষ্ণুপুরের পাকা রাস্তা। সে রাস্তায় বাস যাতায়াত ছিল খুবই কম। হাসপাতালের কয়েকটি একতলা ঘর আর বাস রাস্তার ধারে ফরেস্ট অফিসের দোতলা, এই ছিল সাকুল্যে পাকাবাড়ি। এর বাইরে ছোট ছোট গ্রাম বা জনপদ, সবই জঙ্গলের ভেতর। জঙ্গলের মধ্য দিয়েই কাজ পড়লে বা ঠেকায় পড়লে গঞ্জে আসত মানুষজন। সে জায়গা যে একদিন শহুরে বাঙালির উইক-এন্ডের ঠিকানা হতে পারে, তা ছিল কল্পনারও বাইরে। এখন কদাচিৎ যাতায়াতের পথে সে জায়গাগুলো চোখে পড়লে বিশ-পঁচিশ বছর আগের সেই ঠাস-বুনোন আদিম জঙ্গলের কথা মনে হয়।
কিন্তু কথা শুরু হয়েছিল প্রহ্লাদ পাত্রকে নিয়ে। এবং আউটডোরের নিয়মিত হাজিরাদারদের নিয়ে। প্রহ্লাদ পাত্র নিয়মিত হাজিরাদার, আবার তেমন নয়ও। ছয়-সাত মাইল জঙ্গলের ভেতরে বেলশুল গ্রামে তার জমিজিরেত ছিল খানিকটা। প্রথম দিকে কিছু দিন বর্ধমানে চাষের কাজে গিয়েছিল। পরে বয়স বাড়লে গাঁয়ে সে নিজের জমিটুকুতেই সুখ শান্তি খুঁজে পায়।
সুখ পাওয়ার আরও একটা উপলক্ষ ছিল। জমিতে চাষের কাজের জন্য মোষ, ও দেশে বলত কাঁড়া, তেমন দুটো তাগড়াই কাঁড়া প্রহ্লাদ কোনও কালে কিনে এনেছিল। কিনেছিল হুগলির পুরশুড়ার গরু হাট থেকে। বুড়ো হয়ে যাওয়া সেই দুই কাঁড়াকে পরে সে গাড়িতে জুড়ে নেয়। প্রহ্লাদ পাত্রর কাঁড়ার গাড়িটিই ছিল বেলশুল গ্রামের আপদবিপদে মানুষের একমাত্র প্রাইভেট কার। ভরসার বাহন। জঙ্গলের মাঝে সব গাঁয়েই তখন এই রকম এক-দুটি প্রাইভেট বাহনের ব্যবস্থা থাকত।
রোগা লম্বা চেহারা, খালি গা বা শীতকালে একখানা চাদর, মাথায় প্যাঁচানো ময়লাটে গামছা, এই ছিল প্রহ্লাদ পাত্রর মোটামুটি ধরন। আউটডোরে আসা কয়েক জনকে হোক বা মাঝ-রাত্তিরে বউ-ঝিদের প্রসববেদনায়, সবেতে দেখতাম সামনের গাছতলায় সেই মোষের গাড়ি। পাশে মোরামের ওপর উবু হয়ে বসে বিড়ি টানছে প্রহ্লাদ। রোগ-ব্যামোর কারণে নয়, ড্রাইভারির জন্য প্রহ্লাদ পাত্র ছিল নিয়মিত হাজিরাদারদের একজন।
নিজের দরকারে সে কখনও আমাদের কাছে আসেনি। তবে আসত। যত জনকে সে আনত, তাদের জন্য মুখ বাড়িয়ে এবং কখনও সশরীরে একটুখানি তদ্বির করে যেত। …দ্যাখেন ডাক্তারবাবু মোদের গাঁয়ের হিরু মুন্ডার বাচ্চা ছেলাটারে আনাছি… কিংবা, পোয়াতিটির ব্যবস্থা কি ইখানে হবে নাকি বিষ্টুপুর নেওয়া লাগবে! পারলে ইখানেই করায় দেন…।
বর্ষার মুখে মুখে আর একটা কাজ করত সে। সেটি তার ওই প্রাচীন পেশা। নিজে যেমন একদা বর্ধমানে চাষের কাজে যেত, তেমনই তাদের ওই বেলশুলের যারা জোয়ান-মদ্দ তাদের সে পুরনো যোগাযোগে তিন-চার মাসের জন্য চাষে পাঠিয়ে দিত। আগে থেকে কথাবার্তা বলে জয়পুর বাস স্ট্যান্ড থেকে বর্ধমান বা আরামবাগ-গামী কোনও বাসের মাথায় তুলে দিত। প্রথম প্রথম ভাবতাম আড়কাঠি হয়ে কমিশনে লেবার পাঠায়। পরে কথা বলে আর যাতায়াতে লোকটা কিছু দিন আমাদের কাছে সড়োগড়ো হয়ে গেলে বোঝা যায়, সরল চিত্ত আর খোলা মনের মানুষটি আসলে পরোপকারী। পরোপকারের বাতিক-গ্রস্ত। বেলশুলের লোকেরা বাইরে গিয়ে কাজ পাক, গ্রামের বাইরেটা চিনুক, ঘরের ছেলেপিলের জন্য অন্ন জোগাড় করে নিয়ে আসুক, এই রকম সব হাবিজাবি মনস্তত্ত্ব নিয়ে সে জগৎসংসারে চরকি কেটে বেড়াত। নিজের গাড়ির ড্রাইভারি করে তার যে তেমন কামাই হত তা নয়। হয়তো কখনও গচ্ছাও যেত।
কিন্তু সেই অজাতশত্রু প্রহ্লাদ পাত্রও ঝামেলায় পড়ল একদিন। ভালমানুষেরা অযাচিত বিপদে পড়ে না এমন তো মোটেই নিয়ম না, ফলে বেলশুলের সেই বয়স্ক খোলামেলা লোকটিও রোগী হয়ে চলে এল একদিন। এবং সে এক ভয়াবহ রোগী। ব্যারামটিও মারাত্মক।
আমার সেদিন রাতের ডিউটি অফ। সম্ভবত বর্ষাকাল চলছিল। সারা দিন বৃষ্টি হওয়ার পরও সন্ধেয় এতটুকু বিরাম হয়নি। সারা হাসপাতাল ও কোয়ার্টার লোডশেডিংয়ে ঢাকা। তখন জঙ্গল ছিল হাসপাতালের গায়ের কাছটিতে। বৃষ্টি নামা মানে পাতায় পাতায় জল পড়ে চতুর্দিক বিকল করা শব্দ। হাসপাতালের বি-এম-ও-এইচ কর্ম-সহকারী স্টাফ অধিকারীদাকে দিয়ে ডাক পাঠালেন আমাকে। অধিকারীদার ছাতায় বাঁচানো হারিকেনের আলোর পিছু পিছু গিয়ে উঠলাম হাসপাতালে।
ছায়ামূর্তির মতো গোটাকতক লোক দাঁড়িয়ে আছে বারান্দায়। সব রোগাটে চেহারা। আর বারান্দার আবছা কোনায় অন্ধকারে বসে কেঁদে চলেছে কেউ। মহিলার কান্না। কান্নার পাশে সান্ত্বনার জন্যও কেউ কেউ।
বি-এম-ও-এইচ ডক্টর বর্মন। ব্যস্ত হয়ে তিনি আমাকে ওয়ার্ডে নিয়ে গেলেন। মেল ওয়ার্ডে একটি মাত্র রোগী। হারিকেনের আলোয় দেখি সে রোগী আর কেউ নয়, প্রহ্লাদ পাত্র। বাবু হয়ে বেডের মাঝখানটিতে বসা। শরীর এবং মাথাটি সামনের দিকে ঝোঁকানো।
বাইরের লোকজন, মহিলার কান্না, ডক্টর বর্মনের তৎপরতা, সবেতে মনে হয়েছিল গুরুতর বিষয়। কিন্তু তেমনটা হয়ে থাকলে সে লোকটা বেডের মাঝে বসে থাকবে কেন!
বাইরে তখনও সেই জলের শব্দ। ঘন জঙ্গল ঠায় দাঁড়িয়ে অন্ধকারে পাতা মুড়ে ভিজছে। প্রহ্লাদ পাত্রর আবছায়া মুখটি এবার দেখলাম। অভিব্যক্তিহীন মুখ। আমি কিছু অনুমান করার সুযোগ পাওয়ার আগেই ডক্টর বর্মন আমাকে প্রায় ঠেলে নিয়ে এলেন পেছনে। পাশে হারিকেন উঁচু করে ধরা অধিকারীদা। চেয়ে দেখি খালি গা প্রহ্লাদ পাত্রর পিঠের মাঝ বরাবর মেরুদণ্ডের সামান্য ডাইনে সটান বসে রয়েছে একটি ছুরি। একটি ধারালো চাকু, নিস্পৃহ ও নির্মম। চাকুর হাতলটি ছাড়া বাকি সামান্য অংশই বাইরে। হাতলের মাপে ধারণা হল অন্তত ইঞ্চি চারেক গেঁথে রয়েছে ভেতরে।
কঠিন দৃশ্য। কিন্তু রক্তপাতহীন। আমরা অনেক ক্ষণ কোনও কথা বললাম না। ছুরি এমন ভাবে ঠেসে বসা যে রক্তপাতের সুযোগটুকুও চাপা পড়ে গেছে।
লোকজনের সামান্য কথায় জানা গেল বিকেলে প্রহ্লাদ পাত্র সস্ত্রীক পাশের গ্রামে মেয়ের বাড়ি থেকে ফিরছিল। তার সেই নিজস্ব বাহনে। পথে ডাকাতের আক্রমণ হয়। জয়পুর জঙ্গলের ডাকাতরা সব খড়কেশুলি গ্রামের বাসিন্দা। প্রহ্লাদ মোষের লেজ মুড়িয়ে গাড়ি ছুট করাতে ডাকাতদের একজন পেছন থেকে চাকু ছুড়ে দেয়। অব্যর্থ নিশানায় সেটি গেঁথে গেছে পিঠ বরাবর।
কী করা যায় তা নিয়ে আমাদের দুই ডাক্তারের বিভ্রান্তি। শরীরের যে জায়গায় যতখানি বসেছে তার কাছাকাছি সব গুরুত্বপূর্ণ শারীরিক এলাকা। মেজর ব্লাড ভেসল্-ও থাকতে পারে। চাপের চোটে আপাতত হয়তো বন্ধ হয়ে আছে। ছুরি টেনে বার করা মানে সমূহ রক্তপাতের সম্ভাবনা। বার করা সহজ হলেও সেই রক্তপাত নিয়ন্ত্রণ আমাদের হাসপাতালে সম্ভব হবে না।
বাইরে তখনও সেই বৃষ্টির শব্দ আর বারান্দার এক কোণে খুনখুনে কান্নার আওয়াজ। আমরা বেশ বিচলিত। নাইটে আসা কম বয়সি সিস্টার মেয়েটি বারবার ঘর-বাইর করছে। ছায়ামূর্তিদের নিশ্চল উদ্বেগ। কিন্তু এসবের ভেতর মূল রোগীটি নির্বিকার। এক ভাবে বসা। যন্ত্রণার শব্দ নয়, কোনও কথা নেই মুখে। আমরা হাসপাতালের সরকারি অ্যাম্বুল্যান্স-চালক বিভূতিকে ডেকে পাঠাই। যেভাবে বসা সেভাবেই রোগীকে বিষ্ণুপুরের মহকুমা হাসপাতালে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে নেই।
হাসপাতাল ফাঁকা হয়ে যায়। পরদিন সকালে বিভূতি জানায় বিষ্ণুপুরের ডাক্তাররা দেখামাত্র রোগীকে বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজে রেফার করে দিয়েছে।
কিন্তু আমার কৌতূহল মেটে না। ডক্টর বর্মনেরও নিশ্চয়ই নয়। শেষ পর্যন্ত কী হল মানুষটার। চিকিৎসাই বা কেমন হল! পরের দিন আমি যখন বাঁকুড়া মাচানতলা সি-এম-ও-এইচ অফিসে নিজের কাজে যাচ্ছি, ডক্টর বর্মন বললেন পারলে একবার গোবিন্দনগর যেতে। বাঁকুড়া শহরের গোবিন্দনগরে মেডিক্যাল কলেজ। প্রহ্লাদ পাত্রর বিষয়ে যদি খোঁজ নেওয়া যায়।
গেলাম গোবিন্দনগর। দেখলাম ডাক্তাররা সবাই প্রায় তেমন এক রোগীর কথা জানে। সঙ্গে লোক দিয়ে আমাকে পাঠিয়ে দেওয়া হল দোতলার মেল সার্জিক্যাল ওয়ার্ডে।
এই বার আমার চোখ সত্যিই ছানাবড়া। সেই রাতে পিঠে ছুরি ঢোকার দৃশ্যেও ততখানি অবাক হইনি। গিয়ে দেখি মেল ওয়ার্ডের হাটের মাঝে সামনের একটি বেডে প্রহ্লাদ পাত্র। সেখানেও সে একই রকম বসা। সেখানেও তার পিঠে গেঁথে থাকা সেই ছুরি। প্রায় আটচল্লিশ ঘণ্টা পরও।
আমি চুপচাপ দেখে নীচে চলে আসি।
কাহিনির পরের অংশ বেশ সংক্ষিপ্ত। বাঁকুড়ার ডাক্তাররাও তাকে রাখেনি। শেষ পর্যন্ত কলকাতায় রেফার। তবে প্রহ্লাদ পাত্র নিজেই বেঁকে বসেছিল তখন। সেদিন রাতেই সে ফিরে এসেছিল আমাদের জয়পুরে।
তবে সে আমাদের ওপর আর ভরসা রাখেনি। কোনও ডাক্তারের ওপরেই নয়। জয়পুর হাসপাতালে ইমার্জেন্সিতে পৌঁছে সে বেলশুলেরই ছোকরামতো একজনকে নির্দেশ দেয় এক টানে সেই ছুরিটি বার করে ফেলতে। আমরা আঁতকে উঠে নিষেধ করেছিলাম। কিন্তু প্রহ্লাদ পাত্র তখন নিজেই নিজের ডাক্তার। তার কথামতো গাঁয়ের অনুগত এক ছোকরা ইমার্জেন্সির ভেতরের রোয়াকেই এক টানে খসিয়ে ফেলল পিঠের সেই ছুরি।
না। প্রহ্লাদ পাত্র মরেনি। রক্তপাতও তেমন হয়নি। শুধু দুই দিন টানা বসে থাকার পর সে অঘোর ঘুমে তলিয়ে গিয়েছিল। হাসপাতালের বেডে টান হয়ে পড়ে ছিল পরের ক’টা দিন। আমরা মাঝেমাঝে পালস্ দেখে গেছি আর অ্যান্টিবায়োটিক ইনজেকশন চলেছে।
তারপরেও লোকটা হাসপাতালে এসেছে। তার কাঁড়ার গাড়িটিতে চাপিয়ে গাঁয়ের লোকদের পৌঁছে দিয়ে গেছে। অবসরে বিড়ি টেনেছে গাছতলায় বসে। বিনীত মুখে আমাদের সঙ্গে দেখাও করেছে কখনও।
এবং পরের ও তারপরের বর্ষাকালেও সে জোয়ান ছেলেদের তুলে দিয়েছে বর্ধমানের বাসে। গাঁয়ের বাইরেটা চিনতে পাঠিয়েছে। বাস ছাড়ার পর নিজের ফাঁকা গাড়িটি নিয়ে ভিজতে ভিজতে আবার ফিরে গেছে গ্রামে।

°°°

চিত্রণ: মৃণাল শীল

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

eighteen − 16 =

Recent Posts

সাত্যকি হালদার

সাত্যকি হালদারের ছোটগল্প

প্রহ্লাদ পাত্রর কাহিনি সা ত্য কি  হা ল দা র তাকে প্রথম যখন দেখি, তখন তার খানিকটা বয়স হয়ে গেছে। আউটডোরে নিয়মিত হাজিরা দেওয়ার কিছু

Read More »
অনিন্দিতা মণ্ডল

অনিন্দিতা মণ্ডলের প্রবন্ধ

জীবনের অসীম বিস্ময়: অপু ও বিভূতিভূষণ অ নি ন্দি তা  ম ণ্ড ল জীবন সম্পর্কে আমাদের মনের মাঝে একটা লক্ষ্য অনুসারে নির্দিষ্ট ছক কাটা থাকে।

Read More »
অরণি বসু

অরণি বসুর কবিতা

অ র ণি  ব সু আহূতি অ্যাম্বুল্যান্স থেকে নেমে আগুনের ভিতর দিয়ে সকল আধার কার্ড পেরিয়ে তুমি চলে গেলে। শূন্যতা পাহারা দিচ্ছি আমি। একা একা

Read More »
প্রচেত গুপ্ত

প্রচেত গুপ্তের স্মৃতিকথা

রেলগাড়িতে রোমাঞ্চ প্র চে ত  গু প্ত বুক ধক্ ধক্ করছে। উল্টোদিকের সিটে বসা পুষ্করকে জিজ্ঞেস করলাম— সে আমার যমজ ভাই হলে কী হবে, আমার

Read More »
গৌতম চৌধুরী

গৌতম চৌধুরীর কবিতা

গৌ ত ম  চৌ ধু রী হাতচিঠি বজ্রের মতো লিকলিকে রেখাগুলি হেঁটে যাচ্ছিল অকুতোভয়, অন্ধকার ঝোপঝাড় মাঠ দিগন্ত পার হয়ে। যেন সত্যিই আগুন থেকে উঠে-আসা

Read More »