গৌ ত ম চৌ ধু রী
হাতচিঠি
বজ্রের মতো লিকলিকে রেখাগুলি হেঁটে যাচ্ছিল অকুতোভয়, অন্ধকার ঝোপঝাড় মাঠ দিগন্ত পার হয়ে। যেন সত্যিই আগুন থেকে উঠে-আসা পূত অস্ত্র! যার জন্য কত না সাধ্যসাধনা। আজও কাসুন্দে-খুরুটে আরও সব চিপা চিপা স্যাঁতসেঁতে গলিতে ঘ্রাণ মিশে আছে। উন্মত্ত বাজার ফণা তুলে নাচ শুরু করেনি তখনও। লে লে বাবু ছ’আনায় হাড় মজ্জা সমেত বেচে এক্কেরে সন্ন্যাসী-ফকির। প্রকৃত প্রস্তাবে ক্রীতদাস। কাণ্ড দ্যাখো, যত মান্যিগণ্যি তাবড় ওস্তাদ, সব জিভকাটা। গান্ধারী কুষ্মাণ্ড আকৃতির মাংসপিণ্ড প্রসব করেছে, অকালে। আশংকা শোক বা স্ত্রীলজ্জা থেকে নয়, চোখে সে ফেট্টি বেঁধেছে প্রণয়বশত, মাথা উঁচু রেখে দৃশ্যবঞ্চিত অস্তিত্ব ভাগ করে নিতে। আজ নিঃশর্ত জন্মান্ধপূজা। অভিধানে বাক্-নাম্নী কোনও শব্দ নেই। শুধু চাটু, শুধু পদপ্রক্ষালন। দ্রোণ ভীষ্ম থেকে এলিতেলি, সবারই আত্মার পুঁজ ফেটে পড়ছে। বিদ্যা ও অবিদ্যা স্থানে ভয়। কৌতুকে কুষ্মাণ্ডগণ গড়াগড়ি যায়— মানে, প্রমথেরা। কারও তিষ্য, বাকি সকলেরই সর্বনাশ। তবে কি আবার হিলহিলে রেখার সন্ধানে?
°°°
চিত্রণ: দেবাশিস সাহা





