
মৈথুনকাল
ফাল্গুনের রাতের মাদকতা ছোরাপকে আরও বেশি উদাস করে তোলে। সে মগজের গভীরে সুখ সুখ অনুভবে বুঁদ হয়ে থাকে কিছুক্ষণ। তার মাথার ওপর ক্ষয়ে যাওয়া হলদেটে চাঁদ। হালটের খেতের ওপর উদাস করা ফাল্গুনী হাওয়া। সে বিলের মাঝ বরাবর ছিলার পথ ধরে বকুলের মায়ের বাড়ির টিমটিমে আলোর নিশানা ধরে হাঁটে। তার সঙ্গে হাঁটতে থাকে দূরের তারাগুলো আর পথচলা নিজের ছায়া। ছায়াটা ছোরাপকে প্রশ্ন করে, নদীর ধারে দাঁড়িয়ে শরীর ঝাঁকিয়ে সে যে কাণ্ডটা করেছে ছায়ার কাছে সেই দৃশ্যটি গুপ্ত কিছু নয়।