Search
Generic filters
Search
Generic filters
নুশান জান্নাত চৌধুরী

নুশান জান্নাত চৌধুরী

নুশান জান্নাত চৌধুরীর জন্ম বাংলাদেশের রংপুরে। বর্তমান নিবাস অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে। কবিতা লেখেন। প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশুনা কৃষি ও প্রাকৃতিক সম্পদ বিজ্ঞান নিয়ে। বর্তমানে কাজের সুবাদে সুইডেনের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে বনজ জীনতত্ত্ব ও উদ্ভিদ বিজ্ঞানের ওপর গবেষণা কাজে নিযুক্ত রয়েছেন।
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

মানুষ, ভালবাসা ও একটি ব্যক্তিগত ভাব-চিত্র

এই মুহূর্তে, এখনই, অসীম বিস্তৃত মহাজগতে অসংখ্য ঘটনা ঘটছে একসঙ্গে। মিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে এক বিশাল নক্ষত্র তার জীবনের শেষ প্রান্তে এসে বিস্ফোরিত হচ্ছে সুপারনোভায়। সেই

Read More »

নুশান জান্নাত চৌধুরীর কবিতাগুচ্ছ

কিছুকাল ঘুমিয়ে, কিছুকাল লুকিয়ে,/ কিছু শহর, কিছু মানুষের ভিড়ে হারিয়ে/ আমি দেখি—// কোনও এক/ পথহারা দেবদূতের বিষণ্ণ ডানার পাশে/ আমি বুক পেতে দিয়েছি// চুলের ভেতর জন্ম নিয়েছে/ ঘাসফুল থোকা থোকা, বুকের মাঝখানে একটা প্রাচীন পেরেক,// ঝরাপাতার রাজ্যপাটে/ আমার বাম হাঁটুতে গেঁথে আছে—/ আগামী বছরের প্রথম সন্ধ্যা;

Read More »

নুশান জান্নাত চৌধুরীর কবিতা

India’s First Bengali Daily Journal. আমার কাছে এমন কিছু নেই যা ধরে রাখা যায়,/ ব্যবহার করব না কিন্তু ভাবব আছে, আছে তো— কাছে হোক বা দূরে—/ এইরূপ কোনও জায়গা-জমি, মানুষ/ বা নিজের করে রাখার উপযোগী কোনও পরিচয়—/ কিছুই নেই যা ছুঁয়ে বলা যায়—/ আমি আমাতেই বুঁদ হয়ে থাকি, তোমাতে নয়/ আর এ না থাকার অর্থ আমারই অযোগ্যতা/ তবু চোখ যায়— নামে, তোমার নামে

Read More »

নুশান জান্নাত চৌধুরীর দুটি কবিতা

India’s First Bengali Daily Journal. তবু তোমায় আমার খুঁজতে থাকা অন্ধ হওয়া চোখ,/ এখন পথের মধ্যে গোলকধাঁধা/ আর আমার অস্তিত্বের সংকট।// এখন আমার স্থিরতা/ বাস্তবতা ও বিভ্রমের সীমানায়,/ এখন আমার ছন্দে আঘাত—/ কেবল তোমার অপেক্ষায়।// এখন আমি নই তো আর/ ছায়ার মধ্যে লুকিয়ে থাকা গভীর একটা ক্ষত,/ এখন আমি রূপান্তর, আর জীবন নামের এক তরল পদার্থ।// ভাবছি, আর জনমে তোমার সঙ্গে নিখোঁজ হব

Read More »

নুশান জান্নাত চৌধুরীর দুটি কবিতা

India’s First Bengali Daily Journal. মনে হয় তাকে তবে দেখেছি কোথায় কবে,/ যেখানে শহর শেষে পদ্মগন্ধ ভাসে দৃশ্যত আনমনা বাতাসে/ হয়ত সেখানে তাকে পেলেও পেতে পারো,/ তবে ভয় হয়, আমাদের শুধু ভয় হয়/ সে কি পাছে ছেঁড়া ঘুড়ি হয়ে আর কোথা হারায়!// ও লেমন ইউক্যালিপ্টাস! ও ম্যাপল-পাইনের বন! ও ল্যাভেন্ডার-ওক!/ একদিন, কোনও একদিন/ গভীর ঘুম থেকে জেগে উঠে যদি তারে কোনও ভোরে/ তোমাদের ফের মনে পড়ে, জেনো—/ সে তো শখের উঠোন ফেলে/ উজানদিঘির পাড়ে/ জোনাকি মেঘের সাথে চলে যায় দূরে

Read More »

নুশান জান্নাত চৌধুরীর ছবি

India’s First Bengali Daily Journal. নুশান জান্নাত চৌধুরীর ছবি। ‘অনিবার্যতার স্পর্শে’। ‘আজও রোদ ছিল’। ‘গগনবিহারী’। ‘গন্তব্যের ইশারায়’। ‘পথপানে’। ‘পালকের পাশ দিয়ে’। ‘শতাব্দী-প্রাচীন ভাঙা পিঠ’। ‘সংক্ষিপ্ত মুহূর্তে’। ‘স্মৃতি-বিস্মৃতির অন্তহীন পথে’।

Read More »

নুশান জান্নাত চৌধুরীর দুটি কবিতা

India’s First Bengali Daily Journal. আমার ঘুমের সুযোগে আজ এত কণ্ঠস্বর জেগে ওঠে/ প্রশস্ত প্রেম নিয়ে ধুকেধুকে, ভাবিনিতো আগে!/ আমি তো ভেবেছি— বালি আর জল থৈথৈ,/ কোথায় এ জীবনের বোঝা সই!/ মানুষের বোধে বুদ্ধিতে, উপলব্ধিতে, কই বা এক// বৃহত্তর বোঝাপড়া— আজও আছে বাকি/ আমি তো ভেবেছি আমাদের, সব শুধু ফাঁকি/ আমি তো ভেবেছি— গম্ভীর মুখ করে;/ কোথায় যে এক দুর্গম প্রেম রয়ে গেছে,/ পৃথিবীর তাবৎ প্রেমিক-প্রেমিকার থেকে দূরে

Read More »

ছোটগল্প: এলোমেলো যোগাযোগ

India’s First Bengali Daily Journal. তিস্তার স্বচ্ছ জল জ্বলজ্বল করে, দূরে ভাসে বিন্দু বিন্দু নৌকা। নাজু, গীতাদি, ঝিনুক মিলে বসে বসে সেইসব বিন্দুর মিলিয়ে যাওয়া দেখত। একেকজনের মনে একেক ভাবনার গ্রাস। ঝিনুকের ভাবনা হত নৌকাগুলোকে নিয়ে, আগে সেগুলোকে জাহাজ ভাবত ও, এখন জানে ওসবের নাম নৌকা, কিন্তু জানে না ওরা কোথায় যায়, কে যায়, ওই যে কতক বাদামি রঙের পাখি ওড়ে জলের ওপর আর পরক্ষণেই ডুব দেয় ওদেরই বা কী নাম?

Read More »

ছোটগল্প: কাঁপন

India’s First Bengali Daily Journal. খোলা আকাশ, দূরের পর্বতাঞ্চল আর ওকলাহোমার সুবিস্তীর্ণ তৃণভূমির মাঝ দিয়ে চলে যাওয়া এইসব হাইওয়েতে কত নিষ্প্রাণ জীবই তো পড়ে থাকতে দেখেছে ও কতবার। কত সময় চলতি পথে চোখ পড়েছে ওদের দুমড়েমুচড়ে যাওয়া শরীরের ওপর। কিন্তু আগে বোঝেনি হৃদয়ে এমন কাঁপনও লাগে। একটা দুঃখ, একটা অপরাধবোধে মনটা ছেয়ে থাকল বাকি পথ। স্বামী-স্ত্রীতে আর তেমন কোনও কথাই হল না বাকি রাস্তাটুকু। মন বিক্ষিপ্ত হয়ে যাচ্ছে, রাতের হাইওয়েতে মনোযোগ রাখা কঠিন হয়ে যাচ্ছে।

Read More »

নুশান জান্নাত চৌধুরীর দুটি কবিতা

India’s First Bengali Daily Journal. যেমন করে মজুরের নখ থেকে কাদামাটি খসে যায় নদীগর্ভে/ যেমন করে কিশোরীর মৃদু প্রেম চড়ুইয়ের সাথে উড়ে যায় বনের পাতায়/ তেমন করে আমার নাগাল থেকে তোমাদের হাত খসে যায়// ক্লান্ত পা, ভারী হৃদয় নিয়ে আমি যাই/ পাহাড়-উপত্যকা-মরু-বন দ্রুত ম্লান হয়ে যায়// তোমাদের সাথে দেখা প্রত্যন্ত অপরিচিত প্রান্তরে/ কই, আমাকে তো পাই নাই// আমার সদয় মুখ ও পরিশ্রান্ত বুক জুড়ে জেগে ওঠে ঘরোয়া ঘাসের দল/ একপ্রস্থ শস্যের খেতে,/ এইটুকু ভেবে শুধু সান্ত্বনা পাই

Read More »

নুশান জান্নাত চৌধুরীর কবিতা

India’s First Bengali Daily Magazine. মাঝে মাঝে মনে হয় ভুলে যাচ্ছি সব/ জলজযন্ত্রণায়/ শুধু বোধ হয়/ ও কিছু নয়— হয়ত এমনই হয়/ আমাদের সাধারণ ক্ষয়…// এখনও ভুলতে পারিনি পুরোটা/ চোখে এখনও কিছুটা জ্যোতি বাকি/ এখনও প্রলাপ বকি/ এখনও শান্তির নিমিত্তে বর্বর বিবাদের বাগদান করি/ আমরা এখনও দুর্ভিক্ষের হাঁ করা মুখ থেকে ঝরি// সেই সুযোগে কিছু না বলেই/ আলো নিভিয়ে দিয়েছে কেউ/ টের পাচ্ছি অসাড় ঠান্ডা// সেই সুযোগে আমার হাতের ওপর/ এ আঁধারেই কেউ/ ফেলে গেল উজ্জ্বল রঙের বীজ/ আমি কি আদিম কোনও জীব!

Read More »

নুশান জান্নাত চৌধুরীর কবিতা

India’s First Bengali Daily Magazine. জানি কী বলতে চাও;/ এমন কোনও মানুষের কথা যে তোমার প্রতিদিনের দুখের কারণ?/ হয়তো বলবে মানুষ কতটা ভীরু, পুরুষ কতটা বিমুখ/ দারিদ্র কতটা অভিশপ্ত, কবি কতটা নির্লিপ্ত।/ হয়তো বলতে এসেছ কোনও এক বুদ্ধিমান বন্ধুর সুকৌশলের কথা,/ নাকি বলতে চাও কুয়াশাচ্ছন্ন নির্জনতায় শেষবার দেখা/ তোমার প্রেমিকার কথা— রিভলভারের ক্ষতের চেয়েও গভীর ছিল যার চোখ।/ দেবদূতের ডানার মত করুণ বিমূর্ত ন্যায়বিচারের কথা বলতে চাও?

Read More »

নুশান জান্নাত চৌধুরীর গুচ্ছকবিতা

India’s First Bengali Daily Magazine. আমাকে নিয়ে তোমার ভাবনাচিন্তা/ আমাকে ব্যথিত করে।/ তোমার নির্লজ্জতা দেখে আমি/ চোখের জল ধরে রাখতে পারি না।/ তোমার আমার এই যে অবিরাম আলাপ/ তারপরও আমাকে কি বুঝেছ তুমি?/ সেদিন বলাবলি করছিলে—/ আমাকে কী ভীষণ ভালবাসো।/ স্বীকার করি—/ আমার জন্য তোমার ভালবাসা ও অনুভূতিই/ আমাকে দিয়েছে অতুঙ্গস্পর্শী জনপ্রিয়তা।/ শুধু দুঃখ হয়— এইসব অনুভুতির নাজুকতায়।/ খবর পেয়েছি ওরা নাকি/ ফুলের টোকায়ও কুঁকড়ে ওঠে?/ এটাই দূরত্ব।

Read More »

আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল ও দুই বিখ্যাত বাঙালি

কী অসাধারণ শিক্ষাই না আমরা পেতে পারি, উৎসাহিত হয়ে পারি খেলোয়াড়দের থেকে! একটি উদাহরণ: প্রথম বিশ্বকাপে সোনাজয়ী উরুগুয়ে দলে ছিলেন হেক্টর কাস্ত্রো। তেরো বছর বয়সে মেশিনে তাঁর ডানহাত কাটা পড়েছিল। অদম্য উৎসাহে তিনি ফুটবল খেলেছেন, জাতীয় দলে স্থান করে নিয়েছেন, আর ফাইনালে জয়সূচক গোলটিও তাঁর-ই করা! তাঁর স্বদেশবাসী তাঁকে ডাকতেন— ‘এল ডিভিনো মানকো’, অর্থাৎ একহাত-বিশিষ্ট ঈশ্বর।

Read More »

আমেরিকার স্বাধীনতা: আড়াইশো বছর

১৬০৭ থেকে ১৭৮৩ পর্যন্ত সময়কাল আমেরিকায় ব্রিটেনের ঔপনিবেশিক রাজত্ব। আজকের দিনে যে আমেরিকা, তা কিন্তু পুরোটা ব্রিটিশদের দখলে ছিল না। ছিল ভার্জিনিয়া, ম্যাসাচুসেটস, নিউ ইয়র্ক, পেনসিলভেনিয়া-সহ ১৩টি রাজ্য। আর কানাডার বেশ কিছু অঞ্চল। আমেরিকার অন্যান্য স্থানে ফরাসি, ডাচ, নরওয়েজিয়, সুইডিস উপনিবেশ-ও ছিল। তাছাড়া রাশিয়া আমেরিকার আলাস্কা থেকে ক্যালিফোর্নিয়া পর্যন্ত দখল করে। পরে সে আলাস্কা আমেরিকার কাছে বিক্রিও করে দেয়।

Read More »

গোদাবরীর গোমুখে

গঙ্গার মর্ত্যে আগমন নিয়ে যেমন ভগীরথের গল্প, তেমনই গোদাবরীর উৎসস্থলে না এলে জানা যেত না, দক্ষিণের গঙ্গা নিয়েও আছে হাজার গল্প। যে গল্প জানাবে আজও এই অঞ্চলের মানুষ অনেক সময়েই কাছাকাছি আর কোনও পানীয়জল না পেয়ে কষ্ট করে হলেও এই উৎসস্থলে এসেই শীতল এই পানীয়জল নিয়ে যান নিজেদের কাজের জন্য। গঙ্গা বা অন্য নদী সে শুধু ধার্মিক আবেগের কারণে পবিত্র না, হাজার প্রাণীর ‘তৃষ্ণা’ মেটাবার জন্য সে হয়ে ওঠে ‘দেবী’ বা ‘পবিত্র’। সে পথে মিশে যায় হাজার গল্প-কষ্ট কিংবা দিনযাপনের চরম বাস্তবতা।

Read More »

রুহের কবিতাগুচ্ছ

একই আলোকমালায় কাটিয়েছি/ বহুকাল দু’জনে…/ বলিনি কখনও।/ তারা খসা দেখেছি একসাথে, যদিও/ গোপন থেকেছে চাওয়া-পাওয়া।/ মাঝে বহুদিন, বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মতো/ একা… নীরবে বয়েছি যাতনা।/ আজ মিথ্যের নেই অবকাশ/ তোমাকে কি পড়েনি মনে/ কোনও মুহূর্ত বা ক্ষণে/ ভাবিনি কি একান্ত বন্ধু আমার—/ এতদিন পরে, পুনর্মিলনে বলেছ/ পাখি হতে চেয়েছিলে এ জীবনে

Read More »

যুদ্ধ: বৈশ্বিক কসাইখানা, পুঁজির সংকট ও শ্রমের মুক্তি

অবিক্রীত পণ্যের পাহাড় যখন পুঁজির পুনরুৎপাদনকে বাধাগ্রস্ত করে, তখন পুঁজিপতিরা তীব্র আতঙ্কে ভোগে। এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য তারা প্রতিযোগী পুঁজিপতির বাজার ও পণ্য ধ্বংস করতে চায়। আর এই ধ্বংসের বৈধ হাতিয়ার হিসেবে তারা রাষ্ট্র ও সামরিক বাহিনীকে ব্যবহার করে যুদ্ধ বাধিয়ে দেয়। অর্থাৎ, উদ্বৃত্ত পণ্য এবং অতিরিক্ত শ্রমকে ধ্বংস করে পুঁজির ভারসাম্য ফিরিয়ে আনাই বুর্জোয়া যুদ্ধের মূল উদ্দেশ্য। এই শোষণের প্রক্রিয়াকে আড়াল করতে রাষ্ট্র একদল বুদ্ধিজীবী ও নীতিবিদ লালন করে, যারা কৃত্রিম ‘দেশপ্রেম’ ও ‘জাতীয়তাবাদ’-এর আফিম খাইয়ে শ্রমিককে বিভ্রান্ত রাখে, যাতে তারা শোষক ও শোষিতের মধ্যকার মৌলিক শ্রেণি-পার্থক্য ভুলে যায়।

Read More »

বিশ্বকাপ জৌলুসে আর্জেন্টিনা গণহত্যার বধ্যভূমি

বুয়েনস আইরেসের রিভার প্লেটের যে স্টেডিয়ামে তখন খেলা হত, তার মাত্র এক মাইল দূরে ছিল সামরিক সরকারের বন্দিশিবির নেভি স্কুল অব ম্যাকনিকস। সাংবাদিক ডেভিড কক্স ফুটবল বিশ্বকাপের খবর সংগ্রহ করতে গেছিলেন। তিনি ‘ডার্টি ওয়ার’ বইতে লিখেছিলেন, যখন স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনার ম্যাচ চলত তখন ওই টর্চার সেল থেকে কান্নার শব্দ শোনা যেত। আর্জেন্টিনার ভুবনমোহিনী ফুটবলে লেগে আছে রক্ত।

Read More »