
মিতা নাগ ভট্টাচার্যের কবিতা
একতারা মি তা না গ ভ ট্টা চা র্য বিস্তীর্ণ জনপথ হাঁটছিল রমণী একা পায়ে নেই শৃঙ্খল। সে মুক্ত অর্গল। অনর্গল কণ্টক। দগ্ধায় হৃদপাঁজর। চেয়েছিল

একতারা মি তা না গ ভ ট্টা চা র্য বিস্তীর্ণ জনপথ হাঁটছিল রমণী একা পায়ে নেই শৃঙ্খল। সে মুক্ত অর্গল। অনর্গল কণ্টক। দগ্ধায় হৃদপাঁজর। চেয়েছিল

আমেদাবাদ, গান্ধীনগরের বসন্তসময় এ এক মধুর সময়। না অসহ্য গরম, না জলজ স্যাঁতসেঁতে বাতাস। স্নিগ্ধ নির্মল আকাশে ফাগুনের আবাহন আবীর দিয়ে। পলাশে, শিমুলে, অশোকে, চাঁপাফুলে

ভালভাষা উৎসব সংখ্যা ২০২৩|| রুমার ভিতর তোলপাড়। কিন্তু স্থির থাকল। অর্পির ওপর রাগ করে লাভ নেই। নিজের দাদার ইমেজ ঠিক রাখতে চাইছে। রুমা কারও করুণা পেতে চায় না। যে অনি স্ত্রীকে এত তুচ্ছ করতে পারে, তাকে এত ইমপর্ট্যান্স দেবার দিন শেষ। আকাশে আমলকী রঙা রোদ্দুর ঝিলিক দিচ্ছিল তখন। রোদ্দুরের ঝলক রুমার শরীর ছাপিয়ে মনের ভিতর। লিখেছেন মিতা নাগ ভট্টাচার্য।

India’s First Bengali Story Portal. স্কুল খুলে যাচ্ছে। শোনামাত্রই প্রতিমার মেজাজ খারাপ। আর তো মিড ডে মিলের অত জিনিস পাওয়া যাবে না। তবে হ্যাঁ, টিয়ার দুপুরে ভরপেট খাওয়াটা হয়ে যাবে। ঝুমাকে কত আদরে মানুষ করছিল। মেয়ে হাসপাতালে ধরাকরা করে চাকরি যোগাড় করল, টিউশন করত, পয়সাও জমেছিল বেশ। সব নিয়ে ওই রাজেনের সঙ্গে চলে গেল। কত কেঁদেছে প্রতিমা। টাকার লোভ যখন ঝুমা মেটাতে পারেনি, তখনি রাজেন বেপাত্তা।

ট্রমা-চিহ্নিত সেলফিগুলি অ রি জি ৎ চ ক্র ব র্তী অজ্ঞাত পাণ্ডুলিপি থেকে উদ্ধারকৃত দু’টি টীকা (লেখকের নাম অনুপস্থিত। পাণ্ডুলিপির শেষ কয়েকটি পৃষ্ঠা বহু আগেই

পি য়া স ম জি দ অনিমিখ তোমার ভেতর যত ময়ূরতা, কেকা; আমি বন থেকে তার দিকে লক্ষ করে আছি। আমার চোখের সবুজ লোকালয়ের বাকি

জিতকা স্ব প ন কু মা র ম ণ্ড ল ১ হাটবারে বিদ্যাখাড়ির পাড়ে রাস্তা জুড়ে জমাটি ভিড়। মোরগ লড়াই চলছে। কাঁতিদার লড়াইয়ের তাগদ দেখে

সু দী প্ত মা জি মেঘ জংলা হাওয়ার গন্ধে জাগা নেশার মতো উড়িয়ে দিচ্ছ ওড়না তোমার, দিদিমণি এখন কি আর তেমন সবুজ বয়স আছে কুড়িয়ে

ডিঙি চ ম্পা রা য় ‘ও যদু… জাল নিয়া এগাও।’ মাঝ-নদীতে কারেন্ট জাল পাতছিল কালিচরণ। যদুকে ঘাটে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে হাঁক দিল। যদিও কালিচরণ জানে,

হৈ ম ন্তী ব ন্দ্যো পা ধ্যা য় মোহনার দিকে লুম্পেন হয়েছে রাত, রাহাজানি করে নিয়ে গেছে মন জ্যোৎস্নার গভীরদেশে ঘরবাড়ি তার গাঢ় হলুদের মতো