Search
Generic filters
Search
Generic filters
তরুণ সিংহ মহাপাত্র

তরুণ সিংহ মহাপাত্র

তরুণ সিংহ মহাপাত্র (জন্ম: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৩) বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের শিক্ষক। ওড়িশা-বাংলা সীমান্ত অঞ্চল নিয়ে কাজের সূত্রে ওড়িয়া ভাষার সংস্পর্শ লাভ। প্রায় এক দশক অনুবাদকর্মে যুক্ত।
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

ওড়িশা সীমান্ত বঙ্গে বৈষ্ণব পদাবলী

বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ সম্পদ বৈষ্ণব পদাবলী। শ্রীচৈতন্য-পূর্ব যুগে বৈষ্ণব পদাবলী রচিত হলেও পদাবলী সাহিত্যের বিকাশে শ্রীচৈতন্য-এর অবদান অনস্বীকার্য। বর্তমান আলোচনার মূল লক্ষ্য ‌ওড়িশা সীমান্ত বঙ্গে

Read More »

কলিকাতা–দর্শন

India’s First Bengali Daily Journal. মহানগরী কলিকাতায়, সাতসমুদ্র পারের ইংরেজি নাম বহন করা এক–দু’টি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে পরিচারক স্তরের কোন‌ও পদে নিযুক্ত এক–দু’জন ভাগ্যশালী যুবক অনেকের ঈর্ষার পাত্র হ‌ওয়া স্বাভাবিক। অভূতপূর্ব কেশসজ্জায় সজ্জিত হয়ে তারা গ্রামে আসত। গ্রামে যে ক’দিন থাকত প্রতিদিনেই একাধিকবার সুগন্ধি তেল মেখে তারা সেই অভূতপূর্বতার যত্ন নিত। পকেটে চিরুনি রাখা এমনকি খোদ শিক্ষকমশাইদের সামনে তা বের করে চুল আঁচড়ানোর মতো বিংশ শতকীয় আধুনিকতার তারাই ছিল প্রবর্তক।

Read More »

বাঘাযতীনের স্মৃতিতে বালেশ্বরের চষাখণ্ড আজ ‘রক্ততীর্থ’

India’s First Bengali Daily Magazine. বাঘাযতীনদের নিয়ে গান, কবিতা লেখার বিরাম নেই। সুকুমার সাহুর লেখা ‘চষাখণ্ডর সেনাপতি’ লোকের মুখে মুখে ফেরে। নজরুলের ‘নবভারতের হলদীঘাট’ কবিতার ব্রজনাথ রথ-কৃত অনুবাদ‌ও সমান জনপ্রিয়। বাঘাযতীন সম্পর্কে ছোট ছোট পুস্তিকার‌ও অভাব নেই। কিন্তু ওড়িয়া ভাষায় তাঁর কোন‌ও পূর্ণাঙ্গ জীবনীগ্রন্থ আজ পর্যন্ত লেখা হয়নি। বিষয়টি উপলব্ধি করে ওড়িয়া ভাষা সাহিত্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রী অশ্বিনীকুমার পাত্র ওড়িয়া ভাষায় বাঘাযতীনের পূর্ণাঙ্গ জীবনী লেখার আহ্বান জানিয়েছেন। আশ্বাস দিয়েছেন সরকারি খরচে গ্রন্থটি প্রকাশ করার।

Read More »

ওড়িশা-বঙ্গ সীমান্তে নাগ তথা সর্প সংস্কৃতি

India’s First Bengali Daily Magazine. আলোচ্য ভূখণ্ডে প্রাপ্ত পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শন, প্রচলিত জনশ্রুতি, লোককথা এবং বর্তমান অধিবাসীদের জীবনচর্যা থেকে একথা বলা যায় যে, প্রায় অষ্টম-নবম শতক থেকে বর্তমান কাল পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে সর্প উপাসনা চলে আসছে এবং ভারতীয় সর্পসংস্কৃতির ক্ষেত্রে আলোচ্য ভূখণ্ড একটি বিশিষ্টাঞ্চল বললে বোধহয় অত্যুক্তি হয় না। ওড়িয়া, বঙ্গ এবং ক্ষেত্রবিশেষে ঝাড়খণ্ডী বা মানভূমি সর্পসংস্কৃতিকে স্বীকার করলেও আলোচ্য ভূখণ্ডের সর্পসংস্কৃতির স্বাতন্ত্র্যকে অস্বীকার করা যায় না। বিশেষ করে সর্পদেবী রূপে কীচকেশ্বরীর প্রতিষ্ঠায়। ওড়িশা, বাংলা তথা ভারতের আর কোথাও বোধহয় সর্পদেবী রূপে কীচকেশ্বরী পূজিত হন না।

Read More »

উত্তর উপত্যকার বৃদ্ধরা

India’s First Bengali Daily Journal. বহুকাল পূর্বে এক সুন্দরী রাজকুমারীর এক রূপহীন বৃদ্ধর সঙ্গে পলায়নজনিত ঘটনার স্মারকী সেই উৎসব। বৃদ্ধটি রাজপ্রাসাদে এসেছিল কোন‌ও কাজে। রাজকুমারীর দৃষ্টি পড়ল তার ওপরে— আর সে হল ইতিহাসে ক্ষিপ্রতম ‘প্রথম দৃষ্টিতে প্রেম’-এর দৃষ্টান্ত। মনে রাখো, এ তোমাদের গতানুগতিক প্রেমকাহিনি নয়— যেখানে বৃদ্ধটি এক ছদ্মবেশী রাজকুমার বা অভিশপ্ত গন্ধর্ব হতে বাধ্য। আমাদের এ ছিল আসল বৃদ্ধ। নির্মল বার্ধক্যের উজ্জ্বল আকর্ষণেই রাজকুমারী তার প্রেমে পড়েছিল।

Read More »

লুভুর্ভা অরণ্যের এক সংবাদ

লুলুর্ভা অরণ্যের মন্ত্রিমণ্ডলের সভাপতিরূপে সিংহশেখর দীর্ঘ কুড়ি বৎসর শাসনারূঢ় ছিলেন। যে অধিবেশনে সিংহশেখর নির্বাচিত হয়েছিলেন, তার পরে আর কোনও দিন মন্ত্রিমণ্ডলের মণ্ডলাকারে বসার কথা জানা নেই। সমগ্ৰ শাসনক্ষমতা বৃদ্ধ সভাপতির হাতে ন্যস্ত ছিল। কেউ কেউ বলে সভাপতি মন্ত্রিমণ্ডলের সদস্যদের সন্তানতুল্য মনে করতেন তাই তাদের ভারাক্রান্ত করতে চাইতেন না। আবার অনেকে বলে, সভাপতির সুশাসন ও ব্যক্তিত্বের প্রভাবে অরণ্যে কোনও রকম জটিল সমস্যার উদ্ভব হয়নি; ফলে মন্ত্রিমণ্ডলের কিছু করার ছিল না।

Read More »

মহাজনী সভ্যতা

অর্থের লোভ আজ মানবিক অনুভূতিগুলোকে সম্পূর্ণ গিলে ফেলেছে। আজ আভিজাত্য, ভদ্রতা আর গুণের একমাত্র মাপকাঠি হল টাকা। যার কাছে টাকা আছে, তার চরিত্র যত কালোই হোক, সে-ই দেবতা। সাহিত্য, সঙ্গীত, শিল্প— সবই আজ টাকার পায়ে মাথা ঠুকছে। এই বিষাক্ত বাতাসে বেঁচে থাকা দিন দিন কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। আজ ডাক্তাররা মোটা ফিজ ছাড়া কথা বলেন না, আইনজীবীরা মিনিটের হিসাব করেন মোহর দিয়ে। গুণ ও যোগ্যতার বিচার হয় তার বাজারমূল্য দিয়ে। মৌলভি-পণ্ডিতরাও আজ ধনীদের কেনা গোলাম, আর সংবাদপত্রগুলো কেবল তাদেরই গুণগান গায়।

Read More »

রবীন্দ্রনাথের দৃষ্টিতে ইসলাম

হিন্দুকে মুসলমানদের আপন বলে মনে করতে হবে, একথা তিনি ‌বারবার উচ্চারণ করে গেছেন। ‘যদি ভাবি, মুসলমানদের অস্বীকার করে একপাশে সরিয়ে দিলেই দেশের‌ সকল মঙ্গলপ্রচেষ্টা সফল হবে, তাহলে বড়‌ই ভুল করব’— বলেছেন তিনি। বাউলদের সাধনার মধ্যে তিনি হিন্দু-মুসলমানের সম্মিলন আবিষ্কার করেন, অনুবাদ করেন মারাঠি সন্ত কবি তুকারামের ‘অভঙ্গ’ যেমন, ঠিক তেমনই কবীরের দোহা। মধ্যযুগের মরমী সুফি কবি কবীর, জোলা, রজব, দাদু প্রমুখের জীবনবৃত্তান্ত উৎসাহের সঙ্গে জেনে নেন ক্ষিতিমোহন সেনের কাছ থেকে, আর সত্তরোর্ধ্ব কবি পারস্যে গিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়ে আসেন কবি হাফেজকে।

Read More »

বুদ্ধ: অন্ধকারে আলোর দিশারী

তিনি বলেন গেছেন, হিংসা দিয়ে হিংসাকে জয় করা যায় না, তাকে জয় করতে প্রেম ও ভালবাসা দিয়ে। মৈত্রী ও করুণা— এই দুটি ছিল তাঁর আয়ুধ, মানুষের প্রতি ভালবাসার, সহযোগিতার, বিশ্বপ্রেমের। তাই তো তাঁর অহিংসার আহ্বান ছড়িয়ে পড়েছিল দেশ ছাড়িয়ে বিদেশে,— চীন, জাপান, মায়ানমার, তিব্বত, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটানে। এই বাংলায় যে পালযুগ, তা চিহ্নিত হয়ে আছে বৌদ্ধযুগ-রূপে। সুদীর্ঘ পাঁচ শতাব্দী ধরে সমগ্র বাংলা বুদ্ধ-অনুশাসিত ছিল। বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন ‘চর্যাপদ’ বৌদ্ধ কবিদের দ্বারাই রচিত হয়েছে।

Read More »

স্যার রোনাল্ড রস, ম্যালেরিয়া ও অন্যান্য

রোনাল্ড রসকে তাঁর গবেষণার সহায়তাকারী এক বিস্মৃত বাঙালি বিজ্ঞানীর নাম কিশোরীমোহন বন্দ্যোপাধ্যায় (১৮৭৭-১৯২৯)। তাঁর অবদান কিন্তু খুব কম নয়। তিনি ছিলেন রস-এর অধীনে সহ-গবেষক। রস নোবেল পেলে উপেন্দ্রনাথ ব্রহ্মচারীর নেতৃত্বে আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু, আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়, শিবনাথ শাস্ত্রী, আচার্য ব্রজেন্দ্রনাথ শীল, রাষ্ট্রগুরু সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ কিশোরীনাথের ভূমিকার বিষয়টি বড়লাট লর্ড কার্জনকে জানান। কার্জন এ-বিষয়টি ব্রিটিশ সরকারের গোচরে আনেন। এর ফলে ১৯০৩ সালে যখন দিল্লিতে দরবার বসে, তখন ডিউক অফ কনট-এর মাধ্যমে কিশোরীনাথকে ব্রিটিশরাজ সপ্তম এড‌ওয়ার্ড-এর তরফ থেকে স্বর্ণপদক প্রদান করা হয়। পরে কলকাতা
র সেনেট হলে তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছিল। সভাপতি ছিলেন দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ।

Read More »

দুই হুজুরের গপ্পো

১৯৩০ সালের ১৪ জুলাই, আলবার্ট আইনস্টাইন বার্লিনের উপকণ্ঠে নিজের বাড়িতে স্বাগত জানান ভারতীয় কবি, দার্শনিক ও সঙ্গীতজ্ঞ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে। তিনি ছিলেন প্রথম অ-ইউরোপীয় নোবেল বিজয়ী। তাঁদের এই সাক্ষাৎকারটি ইতিহাসের অন্যতম বুদ্ধিদীপ্ত ও মননশীল আলাপচারিতায় পরিণত হয়, যেখানে তাঁরা বিজ্ঞান ও ধর্মের চিরন্তন দ্বন্দ্ব নিয়ে আলোচনা করেন। “সায়েন্স অ্যান্ড দ্য ইন্ডিয়ান ট্রাডিশন: হোয়েন আইনস্টাইন মেট টেগোর” গ্রন্থে এই ঐতিহাসিক সাক্ষাতের বিবরণ পাওয়া যায়। এই বইতে বিশ শতকের শুরুতে ভারতের বৌদ্ধিক পুনর্জাগরণ এবং ভারতীয় ঐতিহ্য ও পাশ্চাত্য বৈজ্ঞানিক চিন্তার মেলবন্ধন তুলে ধরা হয়েছে।

Read More »

শতবর্ষী বাঙালি

বাঙালিদের মধ্যেও শতায়ু লোক নেহাত কম নেই। একটা কথা মনে রাখা জরুরি, বিখ্যাত ব্যক্তি ছাড়া সাধারণ মানুষের আয়ু নিয়ে বিশেষ কোনও গবেষণা থাকে না। আবার একটু বেশি বয়স্ক মানুষকে শতায়ু বলে চালিয়ে দেওয়ার রেওয়াজ-ও রয়েছে। তবে শতবর্ষের আয়ুলাভ যে মানুষের কাঙ্ক্ষিত, তা উপনিষদের‌ একটি বাক্যে সুন্দরভাবে ধরা পড়েছে— ‘জীবেম শরদঃ শতম্’, অর্থাৎ শতবর্ষ বাঁচতে ইচ্ছে করবে। কেবল অলস জীবন নিয়ে বাঁচবার ইচ্ছে করলেই হবে না, কর্ম করে বাঁচার কথাও বলা হয়েছে সেখানে— ‘কুর্বেন্নেবেহ কর্মাণি জিজীবিষেচ্ছতম্ সমাঃ’।

Read More »