
















































































































































































































































































সং হি তা চৌ ধু রী কালবেলা পাহাড়ি ওড়নায় সেজেছে ঝড়ের আকাশ যেখানে ভৌগোলিক সীমা নির্ধারিত হয়নি এখনও বিজ্ঞাপনের মূল্য অজস্র অন্ধকারেও জ্বলজ্বল করছে লৌহশৃঙ্খলে ইতিহাস গড়ছে যুবসমাজ ক্ষমতার ভারে উন্মাদ নগর পঞ্চায়েত পেট চিরে ফেলা হচ্ছে রক্তের নালি লালচোখের আড়ালে তৈরি হচ্ছে এক একটি নির্জন দ্বীপ যেখানে তোমার আমার
বিদায়ের সংকলন পা র্থ জি ৎ মি শ্র ভোর তখনও পুরোপুরি ফোটেনি, যখন হরিশ মুখার্জি কাশীপুর হল্টে এসে পৌঁছলেন। স্টেশনে যাওয়ার পথটা তখনও রাতেরই দখলে। পাতলা কুয়াশার এক মিহি চাদরে চারদিক ঢাকা। পায়ের নীচের বুনো ঘাসে জমে থাকা শিশিরে মৃদু আলো চিকচিক করছিল। ফিকে নীল রঙের সাইনবোর্ডটার সামনে এসে তিনি
স্ব প ন না গ বাবাকে নিয়ে ১. বাবাকে কখনও আমার ঈশ্বর মনে হয়নি বরং মনে হয়েছে এক নাবিকের মতো— আমাদের সঙ্গে নিয়ে যে দাঁড় টেনে চলেছে অবিরত। নৌকো ফেলে দাঁড় ফেলে হঠাৎ বাতাসহীন এক ঝড়ের রাতে চলে গেছে। আমাদের নৌকো এখন মাঝনদীতে দুলছে… ২. কিছু চাওয়ার ছিল না তার।
তালাশ ম ঈ নু ল হা সা ন হাতের লাঠিতে ভর করে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে নিত্যদিনের মতো ঝাঁকড়া হিজল গাছটার নীচে এসে দাঁড়াল হারাধন পাল। বেলা এখনও তেতে ওঠেনি। কালিন্দীর বুকের ওপর দিয়ে আশ্বিনের গা-সওয়া তপ্ত হাওয়া বইছে। সুরেশ পাটনির নাও ঘাটের কাছেই বাঁধা। অন্যান্য ঘাটজীবীদের আনাগোনা শুরু হলেও সরব হয়নি
বি শ্ব জি ৎ ঘো ষ প্রজন্মকথা সীমাহীন বিস্তারের কথা হলে সমাজমাধ্যমে চলে এসো— গভীর সহানুভূতি কিংবা অনন্ত অনীহা এত ছল, এত চতুরালি ওদের প্রতিশ্রুতি পালনে ব্যর্থতার ভাষা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় যাচাই করো— কোথা থেকে শব্দেরা আসে, এত বার্তা বিনিময়—! নিঃশব্দে ভেঙে যায় নিরীশ্বর ব্রত পালনের প্রহর, প্রশ্নপত্র ফাঁস হয় জন্মের
দ্বিতীয় মস্তিষ্ক বা মা প্র সা দ মু খো পা ধ্যা য় প্লেন ল্যান্ড করতেই শ্রীরাজ মোবাইলের সুইচটা অন করে। সম্পূর্ণ অচেনা আরবসাগরের তীরে এই মহানগরীতে তার কয়েক ঘণ্টার বাস, তারপর এখন থেকেই আজ রাতের ফ্লাইট ধরে দীর্ঘ উড়ান। ব্রাজিলের ফোর্টালেজা শহর। সঙ্গে থাকবেন তিন অচেনা সঙ্গী। সকলেই ভারতীয় অবশ্য
মা ন স শু ভ্র স র কা র উড়ান পশ্চিমের আকাশে তখন লাল অঙ্গার পুব-আকাশে আধখাওয়া আইসক্রিম চাঁদ একদল পায়রা উড়ে যায় সে চাঁদের দিকে অঙ্গার আলো অথচ ছুঁয়ে যায় তাদের ডানা ডানায় দীর্ঘস্থায়ী শূন্যতার ব্যথা পায়রারা ভিজিয়ে দেয় আমার চোখ পাখা মেলে আকাশে উড়তে লাগে কল্পনা নিজের দিকে
চেনা অচেনা সু দী প জো য়া র দা র রথতলা মোড়ে এই এক সমস্যা। তোপখানার দিকে যাওয়ার খালি টোটো পাওয়াই যায় না। এর কিছুটা আগে বাসস্ট্যান্ড। টোটোগুলো সেখান থেকেই ভর্তি হয়ে আসে। কদাচিৎ এখানে কেউ নামে। আর রথতলা মোড়ে যে দু’একটা টোটো দাঁড়িয়ে থাকে, তারা একা সওয়ারি নিয়ে যেতে
শু ক্লা গা ঙ্গু লি ঘূর্ণিপাক শীর্ণ দু’টি কেঠো হাতে টিপয় সাজাই— অদ্ভুত অ্যারোমা ঘরময় চৌখস দার্জিলিং পাতায়— একা একটি কাপ দোল খায় থম মেরে বাইরে চৈত্রের একটি বিকেল, আগন্তুক মনে পড়ে কলেজ স্ট্রিটের সেই ছোট্ট বেঞ্চটানা— অপেক্ষার বিকেল এবং তুমি দেরিতে এলেই আমি কথা না বলে বাইরে তাকিয়ে রাস্তা
গোসাপ নি বে দি তা ঘো ষ রা য় বখাটে, ব্রিলিয়ান্ট, মিচকে, প্রেমিক, হবু ইঞ্জিনিয়ার, নেশাখোর, ঢপবাজ, ছিচকে চোর, বিরহী, ন্যাকা— সব ধরনের স্যাম্পলই ছিল আমাদের জয় মিত্তির ঘাটে। তার মধ্যে কালু হল ডেঞ্জারাস। আমাদের এদিকে মঠ-মন্দিরের ছড়াছড়ি। আর মন্দির মানেই ভাল ভাল জুতো। পছন্দসই জুতো প্রয়োজনমতো কালু মন্দির-টন্দির থেকেই
প্রে মা শি স দে পাহাড়গ্রাফি রোদের কারসাজিতে রক-পাইথনের মতো রাস্তাটা এঁকেবেঁকে বারোয়ারি সবুজের পলস্তারার মধ্যে ঢুকে পড়েছে। গন্ধ সব সময় অডিও-ভিজুয়াল। বড় বাকলওয়ালা স্তম্ভিত গাছের কাছে দাঁড়ালে মায়ের ভাঁজে ভাঁজে ছিঁড়ে যাওয়া বেনারসির কথা মনে পড়ে। জঙ্গলের গন্ধে একটা ছেলেবেলা আছে। আছে ভয়, আবিষ্কার আর অবাধ্যতার আনন্দ। পাহাড়ে সূর্যোদয়
আধা কিমির বেলাইন ত রু ণ চ ক্র ব র্তী সেদিনের পর থেকে আর লাইনের ধার দিয়ে বাড়ি ফেরার কথা ভাবতেও পারে না কিশোর। এমনকী, দিনের বেলাতেও সে লাইন পারের রাস্তাটাকে অ্যাভয়েড করে। অথচ লাইনের ধার দিয়েই আগে কত যাতায়াত করত! আধা কিমি পথ। কত স্মৃতি। থাক সেইসব কথা, সেদিনের
অ নি ন্দ্য ভু ক্ত এসো সক্রেটিস বিষপাত্র হাতে নিলেই সক্রেটিস কেন তুমি স্থিতধী হয়ে যাও এ কি কোনও কৌশলী প্রজ্ঞা, যা তোমাকে আমাদের নেতার আসনে বসিয়েছে? বিষপাত্র হাতে তুলে দিয়েও ওরা তোমাকে ভয় পায় তোমাকে ভয় পায় সক্রেটিস। তোমার এই স্মিতহাস্য, প্রশান্ত মুখমণ্ডলেই লুকিয়ে আছে ওদের ভয় সশস্ত্র পৃথিবীতে
মাতাল আর সুস্থমস্তিষ্ক পিশাচের কথোপকথন আন্তন পাভলোভিচ চেখভ স্মি তা সে ন গু প্ত কমিসারিয়েট বিভাগের প্রাক্তন কর্মকর্তা, অবসরপ্রাপ্ত কলেজিয়েট সচিব লাখমাতভ, তার টেবিলে বসে ষোলো নম্বর পেগ গলায় ঢালতে ঢালতে ভ্রাতৃত্ব, সাম্য আর স্বাধীনতার কথা চিন্তা করছিলেন। হঠাৎ টেবিল ল্যাম্পের পেছন থেকে একটা পিশাচ উঁকি মারল… পাঠিকারা ভয় পাবেন
র ণ বী র দ ত্ত রাত্রির মধ্যে এক রাত্রি দুমকার পথে যেতে আমার কুঁড়েতে তোমাকে রাখতে চাই সারা দুপুর একা বসে থাকে রোগা রোগা ফর্সা টগর ফুল নয় বোষ্টমির ঘরের কলসির জল খেয়ে মহুয়ামদির বিশ্বাস করো তোমার জন্যই আমার এ জীবনের সব আয়োজন তুমি দেখবে সব সাজানো আমার একতারা
হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তা নীতি, শ্রয়েডিংগারের বেড়াল ও একটি সম্পর্ক সু ন ন্দ অ ধি কা রী একবার রাস্তার দিকে, পরক্ষণেই আবার ব্রিজটার দিকে ঘুরে দেখছি আমি। আমি অর্থাৎ মণিময় সান্যাল। এক বহুজাতিক কোম্পানির জেনারেল ম্যানেজার। যার মাসমাইনের ওজন এবং ক্ষমতা, এর কোনওটার সঙ্গেই এই মুহূর্তের মণিময়কে মেলানো যে কারও পক্ষে অসম্ভব।
ভা স্ক র ভ ট্টা চা র্য অসুন্দর মতিচুর চাচা কার চাচা? কার কোন মতি কবে চুরি করেছিল কেউ জানে না। পুরনো ট্রাম গুমটির পাশে ভাতের হোটেলে মুখভরা বসন্তের মতিময় স্মৃতি নিয়ে মতিচুর চাচা নিশ্চুপে থালা ধোয়, গালি শোনে, বাসন মাজে। রাত অনেক হলে নিজের ঝুপড়িতে একা ফেরা। কে কবে