Search
Generic filters
Search
Generic filters
সুদীপ জোয়ারদার

সুদীপ জোয়ারদার

সুদীপ জোয়ারদার রবিবাসরীয় আনন্দমেলায় ছোটদের গল্প দিয়ে গল্পের জগতে পা রাখেন। পরে ছোটদের গল্পের পাশাপাশি লিখেছেন বড়দের গল্পও। বিভিন্ন দৈনিক ও সাময়িক পত্রপত্রিকাতে তাঁর অনেক গল্প প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ ‘সাইকেল ও অন্যান্য গল্প’।
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

সুদীপ জোয়ারদারের ছোটগল্প

দধীচির তনুত্যাগ একটুও না থেমে ‘দধীচির তনুত্যাগ’ গড়গড় করে বলে গেল অক্ষয় সরকার। একদমে অতবড় কবিতা! চমকিত সবাই। ‘থামলেই ভুল হত।’ খৈনি-খাওয়া দাঁত বের করে

Read More »

ছোটগল্প: আপনিতুমি

ভালভাষা উৎসব সংখ্যা ২০২৩|| হঠাৎ করে স্কুলে আলাদা মর্যাদা পেয়ে যাওয়ায় ভালই লাগছে। লেখালেখি করছেন কম দিন তো নয়! যখন কলেজের ছাত্র তখনই অঘোরবাবুর লেখা ছাপা হয়ে গিয়েছে বিভিন্ন পত্রিকায়। তারপর স্কুলে ঢুকলেন। লেখা এবার চলতে লাগল জোরকদমে। কিন্তু এর জন্য আলাদা কোনও মর্যাদা স্কুলে ছিল না। লিখেছেন সুদীপ জোয়ারদার।

Read More »

ছোটগল্প: থাপ্পড়

India’s First Bengali Daily Magazine. আজ ট্রেনটা প্ল্যাটফর্ম ছাড়ার মুহূর্তে দৌড়তে দৌড়তে ওদের কম্পার্টমেন্টে এসে উঠল স্বর্ণকার। তিন সহকর্মী বসেছিল পাশাপাশি। প্রথমে মুর্তজা, পরে অশ্বিনীদা, আর জানলার ধারটিতে বদন। অশ্বিনীদা রসিক মানুষ। মজার মজার গল্প করছিলেন। বদন খুব জোর করে হাসছিল। বুকে কিন্তু হাপর চলছে। যদি স্বর্ণকার মান্থলি চেক করা শুরু করে তবে অপমান আজ বাঁধা। লোকটা ওদেরকে এতদিন দেখছে, কিন্তু কিছুতেই বিশ্বাস করবে না যে ও মান্থলি আনতে ভুলেছে। এক্ষেত্রে ও ধরেই নেয়, মান্থলি শেষ, কাটেনি ইচ্ছে করে।

Read More »

ছোটগল্প: বিড়াল

India’s First Bengali Daily Magazine. লেখা ছাপা নিয়ে গোবর্ধনবাবুর একটা অন্য দুঃখও আছে। পত্র-পত্রিকায় তাঁর যেসব লেখা ছাপার মুখ দেখে সেগুলোর বেশিরভাগই একবারে ছাপা হয় না। হয়তো একটা লেখা একটা পত্রিকায় পাঠালেন। চার-পাঁচমাস পর্যন্ত অপেক্ষা করলেন। কোনও সাড়া না পেলে সেটা আবার পাঠালেন অন্য কোথাও। আবার প্রতীক্ষা। ওখানে না ছাপা হলে আবার অন্য কোথাও। এভাবে ছাপার মুখ দেখতে কোনও কোনও লেখার দু’বছরও গড়িয়ে যায়। অনেক সময় গোবর্ধনবাবুর মনেই থাকে না, প্রথমে কোন পত্রিকা দিয়ে শুরু করেছিলেন।

Read More »

নিয়তি

ছ-ছ’টা মাস। কম সময় তো নয়! বাড়ির উদ্দেশে সেই যে লোকটা বেরল আর খোঁজ নেই। নিয়তি ফোন করেছে বার বার। কখনও শুধু রিং বেজে গেছে, কখনও ভেসে এসেছে সুইচ বন্ধ থাকার যান্ত্রিক ঘোষণা। লোকটার কিছু হল না তো! চিন্তা হয়েছে। আবার এ-ও মনে হয়েছে, খারাপ কিছু হলে তার খবর ঠিক এসে পৌঁছত কানে। মনে একটা অন্য কু-ডাক তখন থেকেই ডেকেছে। তাহলে কি…! গরু-চরানো লোকটার কথায় মনের সেই কু-ডাক আবার ডালপালা মেলে।

Read More »

স্প্যানিশ ছোটগল্প: পুতুল রানি

সত্যিকারের আমিলামিয়া আবার আমার স্মৃতিতে ফিরে এসেছে, আর আমি আবার— সম্পূর্ণ সুখী না হলেও সুস্থ বোধ করছি: পার্ক, জীবন্ত সেই শিশুটি, আমার কৈশোরের পঠনকাল— সব মিলিয়ে এক অসুস্থ উপাসনার প্রেতচ্ছায়ার ওপর জয়লাভ করেছে। জীবনের ছবিটাই বেশি শক্তিশালী। আমি নিজেকে বলি, আমি চিরকাল আমার সত্যিকারের আমিলামিয়ার সঙ্গেই বাঁচব, যে মৃত্যুর বিকৃত অনুকরণের ওপর জয়ী হয়েছে। একদিন সাহস করে আবার সেই খাতাটার দিকে তাকাই— গ্রাফ কাগজের খাতা, যেখানে আমি সেই ভুয়ো মূল্যায়নের তথ্য লিখে রেখেছিলাম। আর তার পাতার ভেতর থেকে আবার পড়ে যায় আমিলামিয়ার কার্ডটি— তার ভয়ানক শিশুসুলভ আঁকাবাঁকা লেখা আর পার্ক থেকে তার বাড়ি পর্যন্ত যাওয়ার মানচিত্র। আমি সেটা তুলে নিয়ে হাসি।

Read More »

বিজ্ঞানমনস্কতা কারে কয়?

শ্রদ্ধেয় বসুর বইতে হোমিওপ্যাথি সম্পর্কিত অধ্যায়টি তথাকথিত বিজ্ঞানমনস্কদের, বিশেষ করে মুদ্রা-মূর্ছনায় মজে থাকা, বা রাজনীতিজ্ঞ হিসেবে স্বীকৃতির দাবেদার-ঘনিষ্ঠ চিকিৎসকদের বিরক্তিকর বা অপ্রীতিকরই মনে হবার কথা। কেননা, উল্লিখিত দুটি বিষয় নিয়ে তাদের মনের গহীন কোণে প্রোথিত বিজ্ঞানবাদিতার শেকড় ওপড়ানোর সম্ভাবনা নেই বলেই মনে হয়। প্রশ্ন হল, তাঁর উপরিউক্ত বইটির কারণে তথাকথিত বিজ্ঞানমনস্ক বন্ধুদের চোখে ব্রাত্য বলে চিহ্নিত হবেন না তো? হলে আমি অন্তত আশ্চর্যচকিত হব না। দাগিয়ে দেবার পুরনো অভ্যাস বা পেটেন্ট এই মহলের বাসিন্দাদের প্রধান অস্ত্র, তা ভুক্তভোগীরা হাড়ে হাড়ে জানেন।

Read More »

অগ্নিবীর: বন্দুকের মুখে ঈশ্বর

১৯৫০ দশকে নেপালের রাজতন্ত্র ও রাজার মন্ত্রিগোষ্ঠী রানাশাহী শাসনের বিরুদ্ধে সফল সশস্ত্র বিদ্রোহ হয়েছিল। সেই বিদ্রোহে অংশ নিয়েছিলেন অনেক ভারতীয়। তাঁদের মধ্যে অনেকে বাঙালি। নেপালের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সেই প্রথম সংঘর্ষ সে-দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে মুক্তিযুদ্ধ হিসেবে চিহ্নিত। ভারত ও চীনের মধ্যে একফালি দেশ নেপালের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ সংগ্রাম সশস্ত্র ও নিরস্ত্র দুই পথ ধরে চলেছিল। ডান-বাম-অতিবাম— ত্রিমুখী রাজনৈতিক ঘাত-প্রতিঘাতের চূড়ান্ত সফলতা আসে ২০০৮ সালে রাজার শাসনের অবসানে।

Read More »

নারী: এক দৈবী আখর

আমরা ৮-ই মার্চের আন্তর্জাতিক নারীদিবসে আবহমান নারীবিশ্বকে সামান্য একটু ছুঁয়ে যেতে চাইলাম মাত্র। হাজার হাজার বছর ধরেই তাঁদের ওপর কড়া অনুশাসন, জবরদস্ত পরওয়ানা আর পুরুষতন্ত্রের দাপট। সে-সবের ফল ভুগতে হয়েছে আন্তিগোনে থেকে সীতা, দ্রৌপদী; জোয়ান অফ আর্ক থেকে আনারকলি, হাইপেশিয়া; রানি লক্ষ্মীবাঈ থেকে প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, বেগম রোকেয়া; রোজা পার্কস থেকে মালালা ইউসুফজাই— তাঁদের মতো হাজারো নামহীন নারীকে।

Read More »

মাতৃভাষা: অবিনাশী হৃৎস্পন্দন ও বিশ্বজনীন উত্তরাধিকার

প্রতিটি ভাষার নিজস্ব একটি আলো আছে, সে নিজের দীপ্তিতেই ভাস্বর। পৃথিবীতে আজ প্রায় সাত হাজার ভাষা আছে। ভাষাবিজ্ঞানীরা বলছেন, এই শতাব্দীর শেষে তার অর্ধেকেরও বেশি বিলুপ্ত হয়ে যাবে। এ তথ্য সত্যিই বেদনাদায়ক। একটি ভাষার মৃত্যু মানে কেবল কিছু শব্দের মৃত্যু নয়— সে মানে একটি জগৎদর্শনের অবলুপ্তি, একটি জাতির স্মৃতির চিরকালীন বিনাশ। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে তাই আমাদের অঙ্গীকার হোক বহুমাত্রিক। নিজের মাতৃভাষাকে ভালবাসা, তাকে চর্চায় রাখা, তার সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া। আর তার সাথে অন্য সমস্ত ভাষার প্রতি আরও বেশি করে শ্রদ্ধাশীল হওয়া।

Read More »

শংকর: বিচিত্র বিষয় ও আখ্যানের কথাকার

শংকরের জনপ্রিয়তার একটি কারণ যদি হয় সাবলীল ও সহজ গতিচ্ছন্দময় ভাষা, অন্য আরেকটি কারণ হল, নিজ সময়কে করপুটে ধারণ করা। তার সঙ্গে মিশেছে আমাদের পরিকীর্ণ জগতের বহুকিছু, আমাদের নাগালের মধ্যেই আছে, অথচ আমরা এ-পর্যন্ত যার হদিশ পাইনি, তাকে পাঠকের দরবারে এনে হাজির করা। ১৯৫৫-তে যে উপন্যাসটি দিয়ে বাংলা-সাহিত্যে তাঁর আবির্ভাব, সেই ‘কত অজানারে’ হাইকোর্টের জীবনযাপন, সেখানকার আসামি-ফরিয়াদি, উকিল-ব্যারিস্টার প্রমুখের চিত্র। লেখকের নিজ অভিজ্ঞতাপ্রসূত রচনা এটি। তিনি প্রথম জীবনে হাইকোর্টের সঙ্গে চাকরিসূত্রে যুক্ত ছিলেন।

Read More »