Search
Generic filters
Search
Generic filters
স্বপন নাগ

স্বপন নাগ

স্বপন নাগের জন্ম হাওড়া জেলার এক গ্রামে। ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের চাকরি থেকে অধুনা অবসরপ্রাপ্ত। চাকরিসূত্রেই দীর্ঘ কুড়ি বছর কেটেছে উত্তরপ্রদেশের কানপুরে। হিন্দি সাহিত্যের প্রতি আগ্রহ সেখান থেকেই। মূলত কবি। ছড়া ও রম্যরচনা ছাড়াও নিয়মিত আধুনিক হিন্দি কবিতার অনুবাদ করেন। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ: ‘ইচ্ছে আমার বনকাপাসী মাঠ’, ‘স্থির স্বপ্নে জেগে আছি’, ‘প্রিয় ২৫’, ‘বিষাদ এসে ঘর বেঁধেছে’। অনূদিত কাব্যগ্রন্থ: ‘প্রিয় ২৫’ (কেদারনাথ সিং-এর পঁচিশটি বাছাই হিন্দি কবিতার অনুবাদ)। রম্যরচনা: ‘ONLY FOR তোমার জন্য’ এবং ইংরেজিতে তর্জমায় তাঁর একডজন কবিতার একটি সংকলন ‘IDIOT’, অনুবাদ করেছেন প্রত্যূষা সরকার।
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

নিখিল সচানের হিন্দি কবিতার অনুবাদ

ওদের ভয় পেত না, শুধু মুসলমানদের ভয় পেত আমার এক বন্ধু প্রায়ই বলত বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য বলতেই ভাল লাগে বলত, কখনও একা গেছ কোনও মুসলমান

Read More »

রম্যগদ্য : তাল

ভালভাষা উৎসব সংখ্যা ২০২৩। গ্রাম ছেড়ে খুব সহজেই শহরে পাড়ি দিতে পেরেছে যে বস্তুটি, তা হল তালপাটালি। এবং তালমিছরি। যতই ঝগড়া থাকুক সই দেখে নেবার সতর্কবার্তা কিংবা সই দেখে প্রতারিত না হবার সাবধানবাণী, এই তালমিছরিই সম্ভবত বলবার মতো তালের একমাত্র শহুরে প্রতিনিধি। লিখেছেন স্বপন নাগ।

Read More »

রম্যগদ্য: যাচ্ছ কোথা

India’s First Bengali Daily Magazine. অনেকেই জানেন বারাকপুর লাগোয়া একটি রেলস্টেশনের নাম পলতা। কিন্তু ফলতা? সেটি কী? বেশ, ফলতার কথা বাদ দিলাম, দমদম ক্যান্টনমেন্টে একটি অঞ্চলের নাম নলতা, তার মানে? এইসব গলতাগুলোর লুকনো গল্পগুলি বোধকরি চিরদিনই অশ্রুত থেকে যাবে। দমদম বলতেই প্রশ্ন জাগল, কী মানে দমদম কিংবা বজবজ নামদুটির? অর্থহীন হোক, তবু মানা যায়, এই পশ্চিমবঙ্গেই কিছু জায়গা আছে যেগুলোর নাম নিয়ে সংকুচিত থাকে সেখানকার বাসিন্দারা।

Read More »

রম্যগদ্য: প্রতি পদে পদবি

India’s First Bengali Daily Magazine. বাঙালির পদবিতে বৈচিত্র্যের অভাব নেই। সেখানে নাগ আছে, হাতি আছে, সিংহও আছে। পাখি আছে, শুনিনি; তবে পাখিরা কিন্তু আছে। মেটো-পেটো-খেটো যেমন আছে, ধর-বর-কর-হর-সর-ভড়ও বড় একটা কম নেই। এমনকি সামন্ত-সেনাপতিরাও হাজির। দাঁ-খাঁ-তা-দে-শী তবলার তালসম একাক্ষরী বাঙালি পদবিরও ঘাটতি নেই। একদিকে বাইন-গাইন-পাইন তো অন্যদিকে রাহা-লাহা-সাহা-নাহা… আহা! কত বাহারি পদবির ছড়াছড়ি!

Read More »

অত দূরে বিয়ে দিয়ো না বাবা

India’s First Bengali Story Portal. বাবা, অত দূরে আমার বিয়ে দিয়ো না—/ আমার সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে/ ঘরের ছাগলই না বেচে দিতে হয়!/ সে দেশেও বিয়ে দিয়ো না আমার/ যেখানে মানুষেরও আগে থাকে ঈশ্বর,/ জঙ্গল নেই নদী নেই পাহাড় নেই/ তেমন জায়গায় আমার বিয়ে ঠিক কোরো না।/ যেখানে রাস্তায় মোটরগাড়ি ছোটে/ মনের গতির চেয়েও দ্রুত/ সেখানে তো একেবারেই নয়!

Read More »

চিরজীবী বিদ্যাসাগর

বিদ্যাসাগর ‘বর্ণপরিচয়’ লেখার মাধ্যমে শিশুশিক্ষার ক্ষেত্রে এক বিরাট ভূমিকা রেখেছিলেন। ১৮৫৫-র ১৪-ই এপ্রিল, অর্থাৎ ১২৬২-র পয়লা বৈশাখ এর প্রথম খণ্ড, ও সে বছরের-ই পয়লা আষাঢ় বইটির দ্বিতীয় খণ্ড বেরোয়। এর আগেও শিশুদের অক্ষর পরিচয় ও বাক্যগঠনের বেশ কিছু বই থাকলেও বিদ্যাসাগরের ‘বর্ণপরিচয়’ উপযোগিতার দিক দিয়ে সেগুলিকে, ও পরবর্তীকালে রবীন্দ্রনাথের ‘সহজপাঠ’-কে বহুগুণে ছাড়িয়ে গিয়েছে। তাঁর জীবিতকালেই বইটির ১৫০-এর ওপর সংস্করণ হয়, আর ছাপা হয়েছিল তিরিশ লাখের-ও বেশি। এখন-ও ও বইটির উপযোগিতা শেষ হয়ে যায়নি।

Read More »

অজানা বিভূতিভূষণ

নিতান্ত দারিদ্র্যের মধ্য থেকে তিনি উঠে এসেছিলেন বলে দারিদ্র্য ও প্রতিকূলতা নিয়ে তাঁর নিজস্ব এক দর্শন ছিল। তাই দেখি, ডায়েরির এক জায়গায় তিনি লিখছেন, ‘দুঃখ জীবনের বড় সম্পদ, দারিদ্র্য, ব্যর্থতা বড় সম্পদ— Sadness ভিন্ন profundity আসে না।’ অতীত দারিদ্র্যময় জীবনের কথা মনে করে নিজে সপ্তাহে একদিন শুধু নুন আর ভাত খেতেন।

Read More »

উত্তম উত্তম

বিশ্ব চলচ্চিত্রের ইতিহাসে কম মহা-অভিনেতা জন্মাননি। তাঁদের মধ্যে খুব সামান্য কয়েকজন আল পাচিনো, মার্লোন ব্র্যান্ডো, রবার্ট ডি নিরো, লরেন্স অলিভিয়ার, গ্রেগরি পেক, জিন-পল বেলমন্ডো, ব্রুস লি, ইনোকেন্তি স্মোকতুনভস্কি, জিন গ্যাবিন, মাইকেল কেইন প্রমুখ। কিন্তু কতজন মৃত্যুর প্রায় পঞ্চাশ বছর পরেও জনপ্রিয়তা বাড়িয়েই চলেছেন? সম্ভবত চার্লি চ্যাপলিনের পর একমাত্র উত্তম। এলিজাবেথ টেলর ‘নায়ক’ দেখে আপ্লুত হয়ে যে উত্তমের সঙ্গে ছবি করতে চেয়েছিলেন, উত্তমের অভিনয়ের এ-ও তো এক অনিবার্য স্বীকৃতি!

Read More »

সুজিত বসুর চারটি কবিতা

কেন বন্ধ ঝরোকাটি, এভাবে কেন যে বন্ধ হয়ে গেল, আমি কি পাতক/ করেছি কোনও, আমি তো শুধুই মুছি স্নেহাতুর রুক্ষ হাতে হাঁসেদের ত্বক/ ধনুকেতে কেউ বুঝি তির জোড়ে প্রার্থনায়, ব্যর্থ যেন না হয় কিছুতে লক্ষ্যভেদ/ আমিও নিশ্চিত জানি এখানেও ব্যর্থ হব, অন্ধকারে মেলে ধরি চোখ/ আবছায়া আঁধারিতে কখন যে স্বর্ণবৃত্তে বিঁধে গেছে অব্যর্থ শায়ক।

Read More »

জন্মশতবর্ষে সুকান্ত ভট্টাচার্য

সুকান্ত তাঁর সামান্য খড়কুটোর মতো জীবনকে মহার্ঘ প্রতিভার মিনারের ওপর দাঁড় করিয়েছেন। তিনি যেন প্রতিভার এক বনসাই, সাহিত্যের কত না সম্ভার নিয়ে সুকান্তর কারুবাসনা! তিনি যদি সারস্বত সাধনার একটি সুচারু তোড়া স্বল্প-পরিসর জীবনে উপহার দিয়ে যান, আমরা লক্ষ্য করব, সেখানে রয়েছে গল্প, প্রবন্ধ, নাটক, গীতিনাট্য, কাব্যনাট্য, গান, ছড়া, কবিতার বৈভব। আছে তাঁর সম্পাদিত কবিতার বই, ‘আকাল’। তিনি অনুবাদক। এমনকী উপন্যাস রচনাতেও হাত দিয়েছিলেন তিনি। চার বন্ধু মিলে বারোয়ারী। অন্য বন্ধুদের অসহযোগিতায় তা সম্পূর্ণ হতে পারেনি। আবৃত্তিকার ও অভিনেতা, নাট্য-পরিচালক রূপেও দেখেছি তাঁকে। দৈনিক ‘স্বাধীনতা’ পত্রিকার ছোটদের পাতা ‘কিশোরসভা’-র সম্পাদনাসূত্রে সাংবাদিক-ও আবার, যে সভার পঁচিশ হাজারের ওপর সভ্য ছিল।

Read More »

বাইশে শ্রাবণ

রবীন্দ্রনাথ-ও কিন্তু আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলেন। যে কবি চির আশাবাদী, একটা সময় প্রখর বিষণ্নতা গ্রাস করেছিল তাঁকেও। ইউনানি মতে একবার নিজের চিকিৎসা করান তিনি। তাইতেই এমন মানসিক বিপর্যয়। অবসাদ, কান্না পাওয়া, আত্মহননেচ্ছা, সাময়িকভাবে এসব পেয়ে বসেছিল তাঁকে। পুত্র রথীন্দ্রনাথকে চিঠিতে জানাচ্ছেন তিনি, ‘দিনরাত্রি মরবার কথা এবং মরবার ইচ্ছা আমাকে তাড়না করছে। মনে হচ্ছে আমার দ্বারা কিছুই হয় নি এবং হবে না। আমার জীবন যেন আগাগোড়া ব্যর্থ।’ কবির এহেন অনুভব, ভাবা যায়? এন্ড্রুজকে লেখা চিঠিতেও এর সমর্থন আছে, ‘l feel that l am on the brink of a breakdown.’

Read More »