Search
Generic filters
Search
Generic filters
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

অত দূরে বিয়ে দিয়ো না বাবা

নির্মলা পুতুল

ভাষান্তর: স্বপন নাগ

বাবা, অত দূরে আমার বিয়ে দিয়ো না—
আমার সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে
ঘরের ছাগলই না বেচে দিতে হয়!
সে দেশেও বিয়ে দিয়ো না আমার
যেখানে মানুষেরও আগে থাকে ঈশ্বর,
জঙ্গল নেই নদী নেই পাহাড় নেই
তেমন জায়গায় আমার বিয়ে ঠিক কোরো না।
যেখানে রাস্তায় মোটরগাড়ি ছোটে
মনের গতির চেয়েও দ্রুত
সেখানে তো একেবারেই নয়!
উঁচু উঁচু বাড়ি আর বড় বড় দোকান যেখানে
সেইখানে আমার সম্বন্ধ কোরো না বাবা।
বড় খোলা একটা উঠোন নেই যেখানে,
সকাল হয় না যেখানে মোরগের ডাকে,
আর বাড়ির পেছনে সন্ধেবেলায় যেখানে
পাহাড়ের মধ্যে ডুবতে দেখা যায় না সূর্যকে
সেখানে আমায় বিয়ে দিয়ো না।

তেমন বর বেছো না বাবা
যে পচাই আর হাড়িয়াতে ডুবে থাকে রাতদিন,
অলস নিষ্কর্মা যে ছেলে
মেলা থেকে মেয়ে ফুঁসলিয়ে নিতে ওস্তাদ যে,
আমার জন্যে তেমন বর ঠিক কোরো না বাবা।
এ তো কোনও থালা-বাটি নয় যে
ইচ্ছে হলেই পরে কখনও বদলে নিতে পারব!
কথায় কথায় যে লাঠি-ডান্ডার কথা বলে
বের করে আনে তির-ধনুক কুড়ুল
যখন ইচ্ছে চলে যায় বাংলায় আসামে কাশ্মীরে
তেমন বর আমার চাই না,
তেমন কারও হাতে তুলে দিয়ো না আমার হাত।
যে হাত কোনওদিন কোনও গাছ লাগায়নি,
যে হাতে কোনওদিন ফলায়নি কোনও ফসল,
যে হাত কাউকে কোনওদিন মদত করেনি,
কোনওদিন কোনও বোঝাও তোলেনি যে হাত,
এমনকি, যে হাত লিখতে জানে না হ-এ হাত
তার হাতে তুলে দিয়ো না আমায়।

বিয়ে যদি দিতেই হয়, সেখানে দিয়ো—
সকালে গিয়ে সন্ধের আগেই যেন
পায়ে হেঁটে ফিরে আসতে পারো।
এপারে, এই ঘাটে কখনও দুঃখে কাঁদি যদি
স্নান করতে এসে ওই ঘাটে
যেন শুনতে পাও আমার কান্না।
তোমার জন্যে যেন পাঠাতে পারি খেজুরের গুড়,
পাঠাতে পারি লাউ কুমড়ো বরবটি
মেলায় হাটে বাজারে যেতে আসতে যেন
দেখা হয়ে যায় নিজেদের লোক—
যারা শোনাতে পারে গাঁ-ঘরের গল্প,
দিতে পারে সাদাকালো গাইটির বিয়োনোর খবর।
ওদিকে যাওয়া-আসার পথে খবর দিতে পারে
এমন জায়গায়ই আমার বিয়ে দিয়ো বাবা।
সেই দেশ, যেখানে ঈশ্বর কম, মানুষ থাকে বেশি
বাঘে হরিণে একঘাটে জল খায় যেখানে
সেখানেই বিয়ে দিয়ো আমায়।

তার সঙ্গেই বিয়ে দিয়ো
যেন জোড়া কবুতরের মত থাকতে পারি সবসময়,
ঘরে-বাইরে-খেতের কাজ করা থেকে
রাত্তিরের সুখদুঃখের গল্প পর্যন্ত শুনবে যে—
তেমন বরই বেছো বাবা।
এমন বর এনো, যে বাঁশিতে তুলতে পারে সুর,
আবার, ঢোল মাদল বাজানোতেও তুখোড়;
বসন্তের দিনে রোজ আমাদের জন্যে যে
আনতে পারে টুকটুকে লাল পলাশ।
আমার খিদের কথা জেনে যে খেতে পারে না
তার সঙ্গেই আমার বিয়ে দিয়ো বাবা।

••

Advertisement

মূল হিন্দি কবিতা

उतनी दूर मत ब्याहना बाबा/ निर्मला पुतुल

बाबा!
मुझे उतनी दूर मत ब्याहना
जहाँ मुझसे मिलने जाने ख़ातिर
घर की बकरियाँ बेचनी पड़े तुम्हें
मत ब्याहना उस देश में
जहाँ आदमी से ज़्यादा
ईश्वर बसते हों
जंगल नदी पहाड़ नहीं हों जहाँ
वहाँ मत कर आना मेरा लगन
वहाँ तो क़तई नहीं
जहाँ की सड़कों पर
मन से भी ज़्यादा तेज़ दौड़ती हों मोटरगाड़ियाँ
ऊँचे-ऊँचे मकान और
बड़ी-बड़ी दुकानें
उस घर से मत जोड़ना मेरा रिश्ता
जिस में बड़ा-सा खुला आँगन न हो
मुर्ग़े की बाँग पर होती नहीं हो जहाँ सुबह
और शाम पिछवाड़े से जहाँ
पहाड़ी पर डूबता सूरज न दिखे
मत चुनना ऐसा वर
जो पोचई और हड़िया में डूबा रहता हो अक्सर
काहिल-निकम्मा हो
माहिर हो मेले से लड़कियाँ उड़ा ले जाने में
ऐसा वर मत चुनना मेरी ख़ातिर
कोई थारी-लोटा तो नहीं
कि बाद में जब चाहूँगी बदल लूँगी
अच्छा-ख़राब होने पर
जो बात-बात में
बात करे लाठी-डंडा की
निकाले तीर-धनुष, कुल्हाड़ी
जब चाहे चला जाए बंगाल, असम या कश्मीर
ऐसा वर नहीं चाहिए हमें
और उसके हाथ में मत देना मेरा हाथ
जिसके हाथों ने कभी कोई पेड़ नहीं लगाए
फ़सलें नहीं उगाईं जिन हाथों ने
जिन हाथों ने दिया नहीं कभी किसी का साथ
किसी का बोझ नहीं उठाया
और तो और!
जो हाथ लिखना नहीं जानता हो ‘ह’ से हाथ
उसके हाथ मत देना कभी मेरा हाथ!
ब्याहना हो तो वहाँ ब्याहना
जहाँ सुबह जाकर
शाम तक लौट सको पैदल
मैं जो कभी दुख में रोऊँ इस घाट
तो उस घाट नदी में स्नान करते तुम
सुनकर आ सको मेरा करुण विलाप
महुआ की लट और
खजूर का गुड़ बनाकर भेज सकूँ संदेश तुम्हारी ख़ातिर
उधर से आते-जाते किसी के हाथ
भेज सकूँ कद्दू-कोहड़ा, खेखसा, बरबट्टी
समय-समय पर गोगो के लिए भी
मेला-हाट-बाज़ार आते-जाते
मिल सके कोई अपना जो
बता सके घर-गाँव का हाल-चाल
चितकबरी गैया के बियाने की ख़बर
दे सके जो कोई उधर से गुज़रते
ऐसी जगह मुझे ब्याहना!
उस देश में ब्याहना
जहाँ ईश्वर कम आदमी ज़्यादा रहते हों
बकरी और शेर
एक घाट पानी पीते हों जहाँ
वहीं ब्याहना मुझे!
उसी के संग ब्याहना जो
कबूतर के जोड़े और पंडुक पक्षी की तरह
रहे हरदम हाथ
घर-बाहर खेतों में काम करने से लेकर
रात सुख-दुख बाँटने तक
चुनना वर ऐसा
जो बजाता हो बाँसुरी सुरीली
और ढोल-माँदल बजाने में हो पारंगत
वसंत के दिनों में ला सके जो रोज़
मेरे जूड़े के ख़ातिर पलाश के फूल
जिससे खाया नहीं जाए
मेरे भूखे रहने पर
उसी से ब्याहना मुझे!

চিত্রণ: চিন্ময় মুখোপাধ্যায়

•••

লেখক পরিচিতি

ভারতের সাঁওতাল পরগনার দুমকার দুধানী কুরুয়া গাঁয়ের এক গরিব আদিবাসী পরিবারের সন্তান কবি নির্মলা পুতুল। জন্ম ১৯৭২ সালের ৬ মার্চ। বাবা সিরিল মুর্মু, মা কান্দিনী হাঁসদা। রাজনীতিশাস্ত্রে স্নাতক নার্সিং-এ ডিপ্লোমা কবি নির্মলা পুতুলের কবিতায় গভীর মমতায় চিত্রিত হয় আদিবাসী জীবনের বঞ্চনা কুসংস্কার দারিদ্র্য জীবনযুদ্ধের প্রসঙ্গ। হিন্দি ছাড়া সাঁওতালি ভাষাতেও কবিতা লেখেন তিনি। ‘ওনোংড়হেং’ তাঁর একমাত্র প্রকাশিত সাঁওতালি কবিতার সংকলন। মুকুট বিহারী সরোজ স্মৃতি সম্মান, ভারত আদিবাসী সম্মান, রাষ্ট্রীয় যুবা পুরস্কারে তাঁকে সম্মানিত করা হয়েছে। কবিতাচর্চার পাশাপাশি নির্মলা পুতুল মানবাধিকার ও আদিবাসী মহিলা উন্নয়ন কর্মযজ্ঞেও নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। সহজ সরল ভাষায় লেখা তাঁর কবিতার আবেদন ভাষার সীমানা পেরিয়ে সমাদৃত হয়েছে ভারতের অন্যান‌্য বিভিন্ন প্রান্তেও। ইংরেজি ছাড়াও তাঁর কবিতা অনূদিত হয়েছে মরাঠি ওড়িয়া প্রভৃতি ভাষায়। ২০০৪ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম হিন্দি কাব্যগ্রন্থ ‘নগাড়ে কী তরহ বজতে শব্দ’। নির্মলা পুতুলের আর একটি উল্লেখযোগ্য হিন্দি কাব্যগ্রন্থের নাম ‘অপনে ঘর কী তালাশ মে’। অনূদিত কবিতাটি প্রথম কাব্যগ্রন্থ থেকে নির্বাচিত।

2 Responses

  1. খুব ভালো লাগলো এই লেখা। স্নেহের কন্যার বাবার প্রতি এই আবদার যথোচিত। এই আবদারের মধ্য দিয়ে গ্রাম জীবনের কন্যাদের মনোবেদনার কথা পরিস্ফূট হয়ে উঠেছে অত্যন্ত সহজ সরলভাবে। এই আবদার চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে, ভারতবর্ষীয় কন্যারা সম্পদের থেকে শান্তি এবং ভালোবাসাকে কত বেশি গুরুত্ব দিতে জানে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

7 − seven =

Recent Posts

গৌতম চক্রবর্তী

দুই হুজুরের গপ্পো

১৯৩০ সালের ১৪ জুলাই, আলবার্ট আইনস্টাইন বার্লিনের উপকণ্ঠে নিজের বাড়িতে স্বাগত জানান ভারতীয় কবি, দার্শনিক ও সঙ্গীতজ্ঞ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে। তিনি ছিলেন প্রথম অ-ইউরোপীয় নোবেল বিজয়ী। তাঁদের এই সাক্ষাৎকারটি ইতিহাসের অন্যতম বুদ্ধিদীপ্ত ও মননশীল আলাপচারিতায় পরিণত হয়, যেখানে তাঁরা বিজ্ঞান ও ধর্মের চিরন্তন দ্বন্দ্ব নিয়ে আলোচনা করেন। “সায়েন্স অ্যান্ড দ্য ইন্ডিয়ান ট্রাডিশন: হোয়েন আইনস্টাইন মেট টেগোর” গ্রন্থে এই ঐতিহাসিক সাক্ষাতের বিবরণ পাওয়া যায়। এই বইতে বিশ শতকের শুরুতে ভারতের বৌদ্ধিক পুনর্জাগরণ এবং ভারতীয় ঐতিহ্য ও পাশ্চাত্য বৈজ্ঞানিক চিন্তার মেলবন্ধন তুলে ধরা হয়েছে।

Read More »
মলয়চন্দন মুখোপাধ্যায়

আশা ভোসলে ও তাঁর বাংলা গান

সুদীর্ঘ আট দশক ধরে তিনি তাঁর সঙ্গীতের সুধায় ভরিয়ে দিয়েছেন কেবল ভারত বা এই উপমহাদেশকেই নয়, বিশ্বকে। পরিণত বয়সেই মৃত্যু হয়েছে তাঁর, যেমন কয়েক বছর আগে হয়েছিল তাঁর স্বনামখ্যাত অগ্রজা লতা মঙ্গেশকরের। আশা ভোসলে তাঁর সমগ্র জীবনে বারো হাজার গান গেয়ে গিনেস বুকে স্থান পেয়েছেন। একদিকে ধ্রুপদী সঙ্গীত, অন্যদিকে লঘু, পপ, এমনকী চটুল গানেও তাঁর সমকক্ষ খুঁজে পাওয়া কঠিন। সমসাময়িক কিংবদন্তি শিল্পীদের মধ্যে এজন্য অনায়াসে স্থান করে নিয়েছিলেন তিনি।

Read More »
গৌতম চক্রবর্তী

স্প্যানিশ ছোটগল্প: পুতুল রানি

সত্যিকারের আমিলামিয়া আবার আমার স্মৃতিতে ফিরে এসেছে, আর আমি আবার— সম্পূর্ণ সুখী না হলেও সুস্থ বোধ করছি: পার্ক, জীবন্ত সেই শিশুটি, আমার কৈশোরের পঠনকাল— সব মিলিয়ে এক অসুস্থ উপাসনার প্রেতচ্ছায়ার ওপর জয়লাভ করেছে। জীবনের ছবিটাই বেশি শক্তিশালী। আমি নিজেকে বলি, আমি চিরকাল আমার সত্যিকারের আমিলামিয়ার সঙ্গেই বাঁচব, যে মৃত্যুর বিকৃত অনুকরণের ওপর জয়ী হয়েছে। একদিন সাহস করে আবার সেই খাতাটার দিকে তাকাই— গ্রাফ কাগজের খাতা, যেখানে আমি সেই ভুয়ো মূল্যায়নের তথ্য লিখে রেখেছিলাম। আর তার পাতার ভেতর থেকে আবার পড়ে যায় আমিলামিয়ার কার্ডটি— তার ভয়ানক শিশুসুলভ আঁকাবাঁকা লেখা আর পার্ক থেকে তার বাড়ি পর্যন্ত যাওয়ার মানচিত্র। আমি সেটা তুলে নিয়ে হাসি।

Read More »
যদুনাথ মুখোপাধ্যায়

বিজ্ঞানমনস্কতা কারে কয়?

শ্রদ্ধেয় বসুর বইতে হোমিওপ্যাথি সম্পর্কিত অধ্যায়টি তথাকথিত বিজ্ঞানমনস্কদের, বিশেষ করে মুদ্রা-মূর্ছনায় মজে থাকা, বা রাজনীতিজ্ঞ হিসেবে স্বীকৃতির দাবেদার-ঘনিষ্ঠ চিকিৎসকদের বিরক্তিকর বা অপ্রীতিকরই মনে হবার কথা। কেননা, উল্লিখিত দুটি বিষয় নিয়ে তাদের মনের গহীন কোণে প্রোথিত বিজ্ঞানবাদিতার শেকড় ওপড়ানোর সম্ভাবনা নেই বলেই মনে হয়। প্রশ্ন হল, তাঁর উপরিউক্ত বইটির কারণে তথাকথিত বিজ্ঞানমনস্ক বন্ধুদের চোখে ব্রাত্য বলে চিহ্নিত হবেন না তো? হলে আমি অন্তত আশ্চর্যচকিত হব না। দাগিয়ে দেবার পুরনো অভ্যাস বা পেটেন্ট এই মহলের বাসিন্দাদের প্রধান অস্ত্র, তা ভুক্তভোগীরা হাড়ে হাড়ে জানেন।

Read More »
প্রসেনজিৎ চৌধুরী

অগ্নিবীর: বন্দুকের মুখে ঈশ্বর

১৯৫০ দশকে নেপালের রাজতন্ত্র ও রাজার মন্ত্রিগোষ্ঠী রানাশাহী শাসনের বিরুদ্ধে সফল সশস্ত্র বিদ্রোহ হয়েছিল। সেই বিদ্রোহে অংশ নিয়েছিলেন অনেক ভারতীয়। তাঁদের মধ্যে অনেকে বাঙালি। নেপালের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সেই প্রথম সংঘর্ষ সে-দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে মুক্তিযুদ্ধ হিসেবে চিহ্নিত। ভারত ও চীনের মধ্যে একফালি দেশ নেপালের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ সংগ্রাম সশস্ত্র ও নিরস্ত্র দুই পথ ধরে চলেছিল। ডান-বাম-অতিবাম— ত্রিমুখী রাজনৈতিক ঘাত-প্রতিঘাতের চূড়ান্ত সফলতা আসে ২০০৮ সালে রাজার শাসনের অবসানে।

Read More »
মলয়চন্দন মুখোপাধ্যায়

নারী: এক দৈবী আখর

আমরা ৮-ই মার্চের আন্তর্জাতিক নারীদিবসে আবহমান নারীবিশ্বকে সামান্য একটু ছুঁয়ে যেতে চাইলাম মাত্র। হাজার হাজার বছর ধরেই তাঁদের ওপর কড়া অনুশাসন, জবরদস্ত পরওয়ানা আর পুরুষতন্ত্রের দাপট। সে-সবের ফল ভুগতে হয়েছে আন্তিগোনে থেকে সীতা, দ্রৌপদী; জোয়ান অফ আর্ক থেকে আনারকলি, হাইপেশিয়া; রানি লক্ষ্মীবাঈ থেকে প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, বেগম রোকেয়া; রোজা পার্কস থেকে মালালা ইউসুফজাই— তাঁদের মতো হাজারো নামহীন নারীকে।

Read More »