Search
Generic filters
Search
Generic filters
নিবেদিতা ঘোষ রায়

নিবেদিতা ঘোষ রায়

নিবেদিতা ঘোষ রায় পাহাড় জঙ্গল জনপদে ঘুরে ঘুরে বেড়ান। কলেজ-ইউনিভার্সিটির সময় বাড়ি থেকে পালিয়েও গেছেন অনেকবার। বর্তমানে ফুল টাইম লেখক। বোধ আধ্যাত্মিক, যাপনে এথিস্ট। বহু মানুষের মধ্যে নিজের আমিকে খোঁজেন।
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

অশ্বেতর

১. সারা দুপুর লিখে বিকেল প্রায় সন্ধ্যায় ঢলে গেছে। মার কাছে গিয়ে বললাম শুনবে? বৃষ্টি আসছে দ্যাখ তো। পশ্চিমে মেঘ? শুনবে কি? তুই লিখেছিস? না

Read More »

ছোটগল্প: মোরগলাল

India’s First Bengali Daily Magazine. খালে নৌকা ঢুকল। নির্বাক নিস্পন্দ কেওড়ার সারি। সাসপেন্স আর ক্রিয়েট করতে হয় না। চারিদিকেই অব্যক্ত অসহ্য ঘোর সাসপেন্স। কী যেন সর সর শব্দ! অ্যামবিয়েন্সের জন্য গাছের পেছনে ব্যাকলাইট ফিট করা হয়েছে। একটা বাঘের লেজ সহ সিলিউট তোলা হয়েছে। বাস্তবে তা ভোলার ল্যাজ। নৌকার লম্ফটাকে ফোকাস করে শট নেওয়া হল। নৌকার কানায় এক বিরাট মুখ উঁকি দিয়েছে। ঝপ করে লম্ফটা নিভে গেল। বাতাস নেই। কঁক কঁক করে কেমন শব্দ। পাখা ঝাপটে নৌকার গলুইতে বসল মোরগলাল।

Read More »

ইসবগুল

India’s First Bengali Story Portal. হঠাৎ করে মা সিপিএম হয়ে যায়, ভুল সিদ্ধান্তে অটল। উত্তেজনায় কমলা হয়ে গেছে। আমি পাশে মানানসই কালো হয়ে দাঁড়িয়ে আছি। মার উচ্চাকাঙ্ক্ষা থামানোর সাধ্য আমার নেই। জামাই রেলিংয়ে পা ঝুলিয়ে বসে আছে, বীরেন্দর নাট টাইট দিচ্ছে। মা হাত থেকে পুরো বেরিয়ে গেছে। জামাইকে গ্লাস ধরিয়ে দিয়েছে। জামাই একচুমুকে গ্লাসটা মেরে দিল। স্টিলের গ্লাসটা পেছন পকেটে পুরে, পাঁইটটা মার হাতে ফেরত দিল।

Read More »

সিঁড়ি

India’s First Bengali Story Portal. এই রকম ক্ষুৎকাতর, এবং অবশ্যই হৃদয়সর্বস্ব সিঁড়ি আমি দেখিনি। কবাট একটা ছিল, আড়াল দরজা, কিন্তু তাকে তুমি যতই লাগিয়ে রাখো, সে ঠিক খুলে যাবেই। সিঁড়িটাই চাইত না এসব ফালতু বখেরা। পাড়ার পটলার যেমন ঘোড়ার ল্যাজের মত ঘন ঝালর মন, বাদামি। যেকোনও মেয়ের সামান্য ঈশারায় সে ট্রাপিজের খেলা থেকে শুরু করে ভাঙরা নাচ, এমনকি সাহারায় মুলোর চাষ করে ফেলতে পারে। সেইমত উদার তাকলামাকান পর্যন্ত বিস্তৃত হৃদয় সিঁড়ির দোতলায় আমরা থাকতাম।

Read More »

মাদারি কা খেল

India’s First Bengali Story Portal. একটা বেশ মেলা লেগে গেছে ভেবে দু-চারজন ঘটিগরম, ঝালমুড়ি, বেলুনঅলা বিক্রির আশায় বসে পড়েছিল। পদা আর ছেনোকে আসতে দেখে তারা শশব্যস্তে দোকানদারি গুটোতে লাগল। পদা ছেনো বিখ্যাত তোলাবাজ ও গুন্ডা। সিন্ডিকেটের হয়ে ভোটে ভাড়া খাটা ও ভেজাল বিল্ডিং মালমশলা সাপ্লাই দেওয়া তাদের কাজ। এদের কখনও লুঙ্গি বা বারমুডা ছাড়া দেখা যায়নি আজ তারা ধুতি পাঞ্জাবি পরে এসেছে। এদের মাথায় দুটো বৃহৎ ঝুড়ি। সবাই উঁকিঝুঁকি মারতে লাগল। এরা বলল বিগত চুয়াল্লিশ বছরের অস্ত্রশস্ত্র আমরা বিসর্জন দিতে এসেছি।

Read More »

জুতো

India’s First Bengali Story Portal. ক্রিসমাস আসছে, তারাগুলো যেন আকাশ থেকে নেমে এসেছে। রাতের মায়াবী ছায়ায় রহস্যময় পাইন বনে পড়ে ফেলে দিয়েছি কালুর ধর্মবাটা অনিশ্চিত জুতো। গোলাপি স্ট্র্যাপ, সাদা পুঁতি। কত জায়গায় যে জুতো ফেলে আসতে হয়েছে আমায়। ভুটান রাজার রাজবাড়ির পেছনে খাদের নীচে আজও পড়ে আছে আমার ধর্মবাটার জুতো। শিমুলতলায় লাট্টু পাহাড়ের নিচে দিলীপের চায়ের দোকানে বেঞ্চির তলায় ছেঁড়া হাওয়াই কে জানে আকাশের দিকে মুখ করে তারা গুনছে কিনা!

Read More »

ঘুষ

India’s First Bengali Story Portal. তাসা পার্টির সঙ্গে ভোট প্রচারে পাড়ার পটলা নাচতে নাচতে যায়, জিতলে আবীর ওড়ায়। সে যে দলই হোক ক্ষমতার পাত্র থেকে ছিটকে যেটুকু আসে তাতেই গা সেঁকে নেওয়া যায়। অল্পসল্প দরদাম করে সরকারি টিচারের চাকরিটা হয়ে যায়। পকেটমারেরও তার পেশার সততা, মূল্যবোধ আছে, শিক্ষকের নাই। ধীরে ধীরে স্কুল কলেজগুলো ভরে যাবে, অসাধু পান চিবোনো তাঁবেদারে, সবচেয়ে ডেলিকেট কাজ যাদের, মানুষ গড়ার কাজ। ও কিছু না। মিড ডে মিল আছে তো।

Read More »

সবুজ মিডাসের ছোঁয়া

India’s First Bengali Story Portal. মানুষ তার ও প্রকৃতির মাঝখানে আর একটা জগৎ সৃষ্টি করেছে প্রকৃতির সঙ্গে যার যোগ নেই। খরচের খাতায় বিপুল ব্যয়। জমার খাতা শূন্য। হিমালয়ের হিমবাহগুলোর উপরিভাগ ৫০ সেন্টিমিটার হারে গলে যাচ্ছে। ফলে জলস্তর উষ্ণ হয়ে বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়ছে বার বার। বিপন্ন মৌমাছির মত পতঙ্গরাও শেষ হচ্ছে, যারা পরাগ মিলন দিয়ে এই বাস্তুতন্ত্রকে সচল রাখে।

Read More »

শেরপা

India’s First Bengali Story Portal. সামনে শো-কেসে তাকিয়ে থাকি। তেনজিং-এর বউয়ের হাতে বোনা কবেকার সেই ফুটিফাটা জীর্ণ মোজা। সুইস অভিযাত্রী বন্ধু ল্যাম্বার্টের দেওয়া ঐতিহাসিক লাল মাফলার। সুইসদের দেওয়া জুতো। ইংরেজদের দেওয়া জ্যাকেট, ডেনম্যানের ফেলে যাওয়া সেই হনুমান টুপি। কাচের বাতির তলায় শুয়ে আছে সেই আইস অ্যাক্স, যা দিয়ে তেনজিং বরফ খুঁড়েছিল। শিরশির করে মন, বহু দূর থেকে বরফ ঠান্ডা হাওয়া এসে লাগে। ল্যাম্বার্টের ছবি দেখি ফ্রস্ট বাইটে অর্ধেক কাটা পা নিয়ে যে পাহাড়ি ছাগলের মত ওপরে চড়ত।

Read More »

বাংলা আওয়াজ

The First Bengali Online Story Portal. বাজারের পাশেই রবীন্দ্রনাথের মর্মর মূর্তি। খর্বকায়, কালিবর্ণ, কুৎসিত, আগুনে পোড়া, ঘোর সন্দিদ্ধ, বিরক্ত মুখ। পেছনে হাত দিয়ে ঝুঁকে পড়ে কী দেখছেন যেন। বাজারের দরদামের দিকে নজর রাখছেন বোধহয়। চারপাশে নানা মনীষীদের পাথুরে নজরদারি। বাসস্ট্যান্ডে দুরন্ত সব বাণী লেখা। সর্বত্র রবীন্দ্রনাথ ঝুঁকে আছেন। নির্জন আবর্জনার পাশে, শূন্য খাঁ খাঁ রাস্তায়, নেতাজি সামরিক পোশাকে হাত তুলে দিল্লি যেতে বলছেন, মিউনিসিপ্যালিটির সাজানো বাগানে বিবেকানন্দ দীপ্ত ভঙ্গিমায় দাঁড়িয়ে আছেন, পায়ের তলায় ম্রিয়মাণ, উদাসী কুকুর ঘুমোচ্ছে।

Read More »

লিটল বুদ্ধ

বুদ্ধের নিজেরই পুজোফুজোয় মন নেই। থাঙ্কার সামনে চালের ওপর রাখা পাথছম মিন্তো ফুলের পাতলা ডানার দিকে তাকিয়ে ঘুমিয়ে পড়েছে। মনাস্ট্রির সর্দার রাঁধুনি ইয়াপচুঙ বাঁশের মত সোজা, ঢ্যাঙা, সরু, কোথাও বাঁকেনি-চোরেনি-ঢেউ খেলেনি, গোঁপখানাই যা একটু দেখার। মোটা কড়িকাঠের শতাব্দীর ধোঁয়া অন্ধকার ঠেলে, বাঁশের চোংয়ে বানানো দুধ মাখন নুন দেওয়া টেমি চা দিয়ে যাচ্ছে। ছেলে বুড়ো বাচ্চা, মোটা মোটা নেপালি বুড়িরা জপযন্ত্র ঘোরাতে ঘোরাতে ছিপি খোলা ভসভসে সোডার মত হাসছে।

Read More »

কারখানা বিরিয়ানি

আব্বাস ছিল অন্যরকম। না কামানো দাঁড়ি, রোগা ভোগা আব্বাস আমায় বিরিয়ানি চিনিয়েছিল। কামারহাটি অদ্ভুত জায়গা। লাল নীল শরবতের বোতলের গায়ে ট্রি রি রিং শব্দ উঠছে। একপাশে সবজির বাজার। ঢাউস কুমড়ো আলুর গাদার ওপর উঠে চেঁচাচ্ছে বিক্রেতা। ভ্যানে বিক্রি হচ্ছে পুরোনো জামা, চকরাবকরা বারমুডা। লাঠির ডগায় জরিদার কুর্তা পায়জামা পত পত করে উড়ছে। শেরওয়ানি সেলাই হচ্ছে। শাড়িতে চুমকি জরি সুতোর কাজ তুলছে ছোকরা বুড়ো। আব্বাস ছিল শিল্পী, সূক্ষ্ণ কারবারি। বিরিয়ানি নিয়ে ফান্ডা ছিল উচ্চস্তরের।

Read More »

সাধু

সংসারীর অতীত ভবিষ্যৎ বর্তমান আছে। সাধুর নেই। অতীত অনুশোচনার, ভবিষ্যৎ আতঙ্কের। গঙ্গার দুপাড় দিয়ে বেলা ডোবার আলো বয়ে যায়। চিমটে, কম্বল, কমুণ্ডল, ভেল্কি, ভেক, সব পড়ে থাকে, ভাব তার নিজস্ব নৌকায় উঠে পাড়ি দিয়েছে বহুদূর। একদিন ‘যাই একটু ঘুরে আসি’ বলে ভরদুপুরে কাকা সেই যে গেলেন। আর ফেরেননি। মাঝে মাঝে খবর আসত, তাকে দেখা গেছে, কাশীতে মণিকর্ণিকা ঘাটে, গাড়োয়ালের কোনও অঘোরী সাধুর আখড়ায় প্রবল শীতের রাতে খিচুড়ি রাঁধছেন। একবার হাওড়া স্টেসনে এসেছিলেন। বাড়ি আসেননি, ফিরতি ট্রেনে উঠে চললেন কোথায় বলেননি।

Read More »

কচুরি

বিবর্ণ ঘুপচি, স্যাঁতসেঁতে অন্ধকার, পেরেকওলা কেঠো বেঞ্চ, সামান্য উঁচু তক্তায় ময়দার বস্তা, ঢাউস ডেকচি, মধ্যে একটি মোটা ঘোর কৃষ্ণবর্ণ লোক পুকুরে ছিপ ফেলার ভঙ্গিতে যমরাজের শাস্তিদানের কড়াইতে স্থিরনিষ্ঠ প্রজ্ঞাবান শিল্পীর মত রাশি কচুরি ভেজে তুলছেন। তার বিরাট ভুঁড়িটি জ্যালজেলে সুতির ফঙ্গবেনে গামছায় নির্ভর করে ঝুলছে। শুধু গিঁটমারা ওইটুকু বস্ত্র কী করে তার সব কিছু ধরে রেখেছে সে রহস্য কেউ ফাঁস করেনি। তাদের মাথার পেছনে তাম্র যুগের গভীর কালিমালিপ্ত দেওয়ালে তেলকিটকিটে গেঞ্জি, লুঙ্গি, জাঙিয়া, গামছা, হাফ প্যান্ট ঝুলছে।

Read More »

দুই হুজুরের গপ্পো

১৯৩০ সালের ১৪ জুলাই, আলবার্ট আইনস্টাইন বার্লিনের উপকণ্ঠে নিজের বাড়িতে স্বাগত জানান ভারতীয় কবি, দার্শনিক ও সঙ্গীতজ্ঞ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে। তিনি ছিলেন প্রথম অ-ইউরোপীয় নোবেল বিজয়ী। তাঁদের এই সাক্ষাৎকারটি ইতিহাসের অন্যতম বুদ্ধিদীপ্ত ও মননশীল আলাপচারিতায় পরিণত হয়, যেখানে তাঁরা বিজ্ঞান ও ধর্মের চিরন্তন দ্বন্দ্ব নিয়ে আলোচনা করেন। “সায়েন্স অ্যান্ড দ্য ইন্ডিয়ান ট্রাডিশন: হোয়েন আইনস্টাইন মেট টেগোর” গ্রন্থে এই ঐতিহাসিক সাক্ষাতের বিবরণ পাওয়া যায়। এই বইতে বিশ শতকের শুরুতে ভারতের বৌদ্ধিক পুনর্জাগরণ এবং ভারতীয় ঐতিহ্য ও পাশ্চাত্য বৈজ্ঞানিক চিন্তার মেলবন্ধন তুলে ধরা হয়েছে।

Read More »

আশা ভোসলে ও তাঁর বাংলা গান

সুদীর্ঘ আট দশক ধরে তিনি তাঁর সঙ্গীতের সুধায় ভরিয়ে দিয়েছেন কেবল ভারত বা এই উপমহাদেশকেই নয়, বিশ্বকে। পরিণত বয়সেই মৃত্যু হয়েছে তাঁর, যেমন কয়েক বছর আগে হয়েছিল তাঁর স্বনামখ্যাত অগ্রজা লতা মঙ্গেশকরের। আশা ভোসলে তাঁর সমগ্র জীবনে বারো হাজার গান গেয়ে গিনেস বুকে স্থান পেয়েছেন। একদিকে ধ্রুপদী সঙ্গীত, অন্যদিকে লঘু, পপ, এমনকী চটুল গানেও তাঁর সমকক্ষ খুঁজে পাওয়া কঠিন। সমসাময়িক কিংবদন্তি শিল্পীদের মধ্যে এজন্য অনায়াসে স্থান করে নিয়েছিলেন তিনি।

Read More »

স্প্যানিশ ছোটগল্প: পুতুল রানি

সত্যিকারের আমিলামিয়া আবার আমার স্মৃতিতে ফিরে এসেছে, আর আমি আবার— সম্পূর্ণ সুখী না হলেও সুস্থ বোধ করছি: পার্ক, জীবন্ত সেই শিশুটি, আমার কৈশোরের পঠনকাল— সব মিলিয়ে এক অসুস্থ উপাসনার প্রেতচ্ছায়ার ওপর জয়লাভ করেছে। জীবনের ছবিটাই বেশি শক্তিশালী। আমি নিজেকে বলি, আমি চিরকাল আমার সত্যিকারের আমিলামিয়ার সঙ্গেই বাঁচব, যে মৃত্যুর বিকৃত অনুকরণের ওপর জয়ী হয়েছে। একদিন সাহস করে আবার সেই খাতাটার দিকে তাকাই— গ্রাফ কাগজের খাতা, যেখানে আমি সেই ভুয়ো মূল্যায়নের তথ্য লিখে রেখেছিলাম। আর তার পাতার ভেতর থেকে আবার পড়ে যায় আমিলামিয়ার কার্ডটি— তার ভয়ানক শিশুসুলভ আঁকাবাঁকা লেখা আর পার্ক থেকে তার বাড়ি পর্যন্ত যাওয়ার মানচিত্র। আমি সেটা তুলে নিয়ে হাসি।

Read More »

বিজ্ঞানমনস্কতা কারে কয়?

শ্রদ্ধেয় বসুর বইতে হোমিওপ্যাথি সম্পর্কিত অধ্যায়টি তথাকথিত বিজ্ঞানমনস্কদের, বিশেষ করে মুদ্রা-মূর্ছনায় মজে থাকা, বা রাজনীতিজ্ঞ হিসেবে স্বীকৃতির দাবেদার-ঘনিষ্ঠ চিকিৎসকদের বিরক্তিকর বা অপ্রীতিকরই মনে হবার কথা। কেননা, উল্লিখিত দুটি বিষয় নিয়ে তাদের মনের গহীন কোণে প্রোথিত বিজ্ঞানবাদিতার শেকড় ওপড়ানোর সম্ভাবনা নেই বলেই মনে হয়। প্রশ্ন হল, তাঁর উপরিউক্ত বইটির কারণে তথাকথিত বিজ্ঞানমনস্ক বন্ধুদের চোখে ব্রাত্য বলে চিহ্নিত হবেন না তো? হলে আমি অন্তত আশ্চর্যচকিত হব না। দাগিয়ে দেবার পুরনো অভ্যাস বা পেটেন্ট এই মহলের বাসিন্দাদের প্রধান অস্ত্র, তা ভুক্তভোগীরা হাড়ে হাড়ে জানেন।

Read More »

অগ্নিবীর: বন্দুকের মুখে ঈশ্বর

১৯৫০ দশকে নেপালের রাজতন্ত্র ও রাজার মন্ত্রিগোষ্ঠী রানাশাহী শাসনের বিরুদ্ধে সফল সশস্ত্র বিদ্রোহ হয়েছিল। সেই বিদ্রোহে অংশ নিয়েছিলেন অনেক ভারতীয়। তাঁদের মধ্যে অনেকে বাঙালি। নেপালের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সেই প্রথম সংঘর্ষ সে-দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে মুক্তিযুদ্ধ হিসেবে চিহ্নিত। ভারত ও চীনের মধ্যে একফালি দেশ নেপালের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ সংগ্রাম সশস্ত্র ও নিরস্ত্র দুই পথ ধরে চলেছিল। ডান-বাম-অতিবাম— ত্রিমুখী রাজনৈতিক ঘাত-প্রতিঘাতের চূড়ান্ত সফলতা আসে ২০০৮ সালে রাজার শাসনের অবসানে।

Read More »

নারী: এক দৈবী আখর

আমরা ৮-ই মার্চের আন্তর্জাতিক নারীদিবসে আবহমান নারীবিশ্বকে সামান্য একটু ছুঁয়ে যেতে চাইলাম মাত্র। হাজার হাজার বছর ধরেই তাঁদের ওপর কড়া অনুশাসন, জবরদস্ত পরওয়ানা আর পুরুষতন্ত্রের দাপট। সে-সবের ফল ভুগতে হয়েছে আন্তিগোনে থেকে সীতা, দ্রৌপদী; জোয়ান অফ আর্ক থেকে আনারকলি, হাইপেশিয়া; রানি লক্ষ্মীবাঈ থেকে প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, বেগম রোকেয়া; রোজা পার্কস থেকে মালালা ইউসুফজাই— তাঁদের মতো হাজারো নামহীন নারীকে।

Read More »