Search
Generic filters
Search
Generic filters
স্মিতা সেনগুপ্ত

স্মিতা সেনগুপ্ত

ড. স্মিতা সেনগুপ্তর জন্ম ও স্কুলের গণ্ডি পেরোনো কলকাতায়। কলেজে ভর্তি হওয়ার পরই ১৯৮৪ সালে মস্কোতে রাশিয়ান ভাষা পড়তে যাওয়ার সুযোগ হয় এবং প্রায় চার দশক ধরে সপরিবারে মস্কো শহরেই বসবাস। ১৯৯৪ সালে মস্কোর গণমৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ধ্বনিতত্ত্ব বিষয়ে রুশ ও বাংলা ভাষার তুলনামূলক গবেষণায় পিএইচ.ডি শেষ করে ১৯৯৬ সালে মস্কোস্থিত রাশিয়ান স্টেট লাইব্রেরিতে (সাবেক লেনিন লাইব্রেরি) কর্মজীবনের শুরু এবং লাইব্রেরির ওরিয়েন্টাল ডিপার্টমেন্টের ক্যাটালগিং সেক্টরের প্রধান হিসেবে এখনও লাইব্রেরির কাজের সঙ্গেই জড়িত। লাইব্রেরির কাজের পাশাপাশি বছর তিনেক মস্কো স্টেট ইউনিভার্সিটিতে বাংলা ভাষা পড়ানোর সময় অনুবাদ করায় উৎসাহ জাগে এবং কাজের ফাঁকে সময় পেলেই রুশ সাহিত্য অনুবাদ করা নেশায় পরিণত হয়। অদূর ভবিষ্যতে লাইব্রেরির কাজে ইস্তফা দিয়ে অনুবাদের কাজেই বেশি সময় দেওয়ার ইচ্ছে।
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

রাশিয়ার গল্প ।। অনুবাদ: স্মিতা সেনগুপ্ত

মাতাল আর সুস্থমস্তিষ্ক পিশাচের কথোপকথন আন্তন পাভলোভিচ চেখভ স্মি তা  সে ন গু প্ত কমিসারিয়েট বিভাগের প্রাক্তন কর্মকর্তা, অবসরপ্রাপ্ত কলেজিয়েট সচিব লাখমাতভ, তার টেবিলে বসে

Read More »

রাশিয়ার গল্প: প্রেমে ফেলা

ওলগা সাভেলিয়েভা অনুবাদ: ড. স্মিতা সেনগুপ্ত দেখামাত্র আমার পছন্দ হয়ে গেছিল মিশাকে। কিন্তু আমি তক্ষুনি বুঝিনি কেন। দেখতে আর পাঁচটা ছেলের মতোই। আশেপাশে আরও সুন্দর,

Read More »

নারায়ণগঞ্জের দুর্গাপুজো

বাংলাদেশের নানা জেলার‌ রামকৃষ্ণ মিশনে ঘোরার অভিজ্ঞতায় দেখেছি, সব জায়গাতেই আচারপরায়ণ মহারাজ ও ব্রহ্মচারীদের সুমধুর ব্যবহার। এখানে এসেই যখন এখানকার অধ্যক্ষ মহারাজ স্বামী একনাথানন্দজির সঙ্গে আলাপ হল, মুহূর্তের মধ্যেই তিনি অন্তরঙ্গ হয়ে উঠলেন। আমাকে পূজামণ্ডপে নিয়ে তাঁর কাছে বসালেন। ষষ্ঠীর রাতে নববস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠান‌ ছিল। আমাকে দিয়েও বস্ত্রদান করালেন। এই যে আচরণ, এতে করে আমি যে কী পরিমাণ সম্মানিত বোধ করলাম, তা বলার‌ নয়। কেবল‌ তাই নয়, সমবেত দর্শক-শ্রোতার সামনে আমাকে কিছু বলার আমন্ত্রণ-ও জানালেন। আমাকে আপ্লুত করল তাঁর এই আহ্বান।

Read More »

দুর্গাপূজা ও প্রসঙ্গত

এতদিন ধরে অন্য কোনও দেবদেবীর পুজো কোথাও হয় না। দুর্গাপুজোর এটি একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য। আরও একটি বৈশিষ্ট্য, এই পুজো উপলক্ষে কত যে পত্রপত্রিকা বেরোয়, তার কোনও সীমা নেই। কলকাতা যেহেতু এ-পুজোর প্রাণকেন্দ্র, স্বভাবতই এখান থেকে সবচেয়ে বেশি পুজোসংখ্যা পত্রিকা বেরোয়। প্রতিটি দৈনিক পত্রিকা বিরাট আকারে পুজোর অর্ঘ্য সাজায়। প্রসঙ্গত, সত্যজিৎ রায় তাঁর যে দু’টি ভিন্নধারার লেখার মাধ্যমে দীর্ঘ পঞ্চাশ বছরের ওপর জনপ্রিয়তার শীর্ষে, তা কিন্তু এই পুজোর ‘দেশ’ আর’ আনন্দমেলা’-র সূত্রেই।

Read More »

পবিত্র সরকারের বিশেষ রচনা

বাংলাদেশের প্রগতিশীল মানুষদের রবীন্দ্রনাথ সম্বন্ধে একটু বেশি দুর্বলতা আছে। রবীন্দ্রনাথ আমাদের কাছে যত কিছু, তাঁদের কাছেও তত কিছু তো বটেই, কিন্তু তারও চেয়ে অনেকটা বেশি। তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের একজন সেনাপতি। বাহান্নর ভাষা-আন্দোলনের সময় থেকে, আয়ুব শাহি ফরমানে রেডিয়োতে রবীন্দ্রসঙ্গীত নিষেধ আর রবীন্দ্র-শতবার্ষিকীর ওপর ফতোয়া জারি থেকে রবীন্দ্রনাথ বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের এক মহাশক্তিধর যোদ্ধা, তাঁর সম্বন্ধে এঁরা তাই এত স্পর্শকাতর।

Read More »

মীরাতুন নাহারের প্রবন্ধ

হিন্দু-সাম্প্রদায়িকতা এবং মুসলমান-সাম্প্রদায়িকতা উভয়কেই তিনি যুক্তি ও তথ্যদ্বারা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় ধ্বংসাত্মক বলে বোঝাতে চেয়েছেন দেশবাসীকে। কিন্তু ধর্মনিরপেক্ষতার আদর্শের দ্বারা অনুপ্রাণিত দেশবাসীকে তিনি হিন্দুত্ববাদী সাম্প্রদায়িকতার বিপদ সম্পর্কে অধিকতর সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন, যদিও তাঁর মূল লক্ষ্য ছিল ‘সাম্প্রদায়িকতার বিষ’ দেশবাসীর মন থেকে নিষ্কাশন করে দেশকে বিপন্মুক্ত করা।

Read More »

গৌতম ঘোষের প্রবন্ধ

চলচ্চিত্রের ধর্ম হল সময়কে ধরে রাখা, সময়ের স্মৃতিমালাকে ধরে রাখা। সেই পদ্ধতি, সেই প্রক্রিয়া কিন্তু চলতেই থাকবে। এখন আমাদের আরও মানবিক হতে হবে। চলচ্চিত্র যারা তৈরি করবেন তারা শুধুমাত্র সস্তার বিনোদন সরিয়ে রেখে একটু মানবিক ছবি করবেন। যেখানে প্রকৃতি ও মানুষের সম্পর্ক, মানুষ ও সমাজের সম্পর্ক, মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক থাকবে। যা আমরা বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ক্লাসিক সব সিনেমায় দেখেছি, সেই ভাবনায় ভাবতে হবে।

Read More »

সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়ের বিশেষ নিবন্ধ

বস্তুত সুকান্ত কবিতার চাইতে বড়। তিনি এক প্রতীকচিহ্ন। সারা ভারতে যখন কবিকে ভাবা হয়েছে জনতার একজন প্রতিনিধি হিসেবে, তখন সুকান্তকেই ভাবা হয়েছে। তামিল বা হিন্দি সিনেমাতেও হয়েছে। যেমন রাজেশ খান্নার ‘অনুরোধ’ নামের ছবিটিতে যে কবিটি রাজেশের বন্ধু ছিলেন তার নাম সুকান্ত। অথবা অতদূরে কেন যাই, বাংলায় উত্তম-তনুজার ‘দেনা পাওনা’ ছবিতে উত্তম যে বন্ধুর চিকিৎসার জন্য কলকাতায় আসেন, তার নামও তো সুকান্ত। তিনিও তো ফুসফুসের রোগী।

Read More »