Search
Generic filters
Search
Generic filters
Picture of মলয়চন্দন মুখোপাধ্যায়

মলয়চন্দন মুখোপাধ্যায়

মলয়চন্দন মুখোপাধ্যায় কবি ও প্রাবন্ধিক।

সোমা দত্তের প্রবন্ধ

পিতৃতন্ত্র আসলে নারীপুরুষ নিরপেক্ষ গঠনতন্ত্র। দেবতা বা দেবী যেই হোন, ক্ষমতার কেন্দ্রে নারী বা পুরুষ যে কেউ থাকুক না কেন, তার প্রতি প্রশ্নাতীত আনুগত্যই এর মূল বিষয়। গুরুশিষ্য পরম্পরাও আসলে এই গঠনতন্ত্রকে রক্ষা করার জন্যই নির্মিত। যৌনতা এক্ষেত্রে ভোগের বিষয়, ক্ষমতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ব্যবহৃত। শাস্ত্রীয় নৃত্য সুচারু উপায়ে এই অভিপ্রায়

ভাস্কর ভট্টাচার্যের তিনটি কবিতা

ভা স্ক র ভ ট্টা চা র্য অসুন্দর মতিচুর চাচা কার চাচা? কার কোন মতি কবে চুরি করেছিল কেউ জানে না। পুরনো ট্রাম গুমটির পাশে ভাতের হোটেলে মুখভরা বসন্তের মতিময় স্মৃতি নিয়ে মতিচুর চাচা নিশ্চুপে থালা ধোয়, গালি শোনে, বাসন মাজে। রাত অনেক হলে নিজের ঝুপড়িতে একা ফেরা। কে কবে

প্রদীপ বকশির প্রবন্ধ

মার্ক্স-এঙ্গেলস-রচনাসমগ্র সম্পাদনা ও প্রকাশনা প্রসঙ্গে প্র দী প ব ক শি   রূপরেখা সংক্ষিপ্তসার—গুরুত্বপূর্ণ নাম ও শব্দ— সংকেত ও শব্দ সংক্ষেপ নিবন্ধের পাঠ 0.ভূমিকা উদ্ভব: 1.1. প্রথম পর্ব: 1851-1883-1895 1.2. দ্বিতীয় পর্ব: 1902-1917 বিকাশ: 2.1. প্রথম মেগা (মেগা১) 2.1.1. প্রথম ব্যবস্থাপক: মস্কোর ক. মার্ক্সের ও ফ. এঙ্গেলসের ইনস্টিটিউট প্রথম সম্পাদক:

কল্পোত্তমের কবিতা

ক ল্পো ত্ত ম সাড়া যখন সাড়া দাও উন্মত্ত হয়ে উঠি ছুটে যাই এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ছুটে যাই আলোর দিকে, আবির্ভাবের দিকে। অন্ধকার থেকে পা বাড়িয়ে আসে যারা আসে সবুজের দিকে, সবুজ হতে সবুজ হয়েছ কোনওদিন? অবুঝ? অবুঝ হয়ে সাড়া দিলেও ততটাই আনন্দের হাতছানি ততটাই উন্মত্ততা— সাড়া দাও,

মার্কিন প্রবন্ধ ।। অনুবাদ: গৌতম চক্রবর্তী

আমরা ভাষার উপকরণের সঙ্গে আমাদের ইন্দ্রিয়গত সম্পৃক্ততায় আনন্দ পাই, আমরা শব্দ ও জগৎকে যুক্ত করতে চাই— নিজেদের ও বস্তুর মধ্যেকার ব্যবধান মুছে ফেলতে চাই— এবং একই সঙ্গে আমরা উদ্বেগ ও সংশয়ে ভুগি, কারণ আমরা তা করতে অক্ষম। তবুও ভাষার এই অক্ষমতাই আমাদেরকে আমাদের ধারণা ও নিজস্ব সত্তাকে জগৎ থেকে আলাদা

মঙ্গোলিয়ার কবিতা ।। অনুবাদ: বাণী চক্রবর্তী

মেন্ড-ওয়ো গোম্বোজাভ বা ণী চ ক্র ব র্তী আমি আসছি সূর্য এবং চাঁদের সাহচর্যে বহু বছর এবং সময় কাটিয়েছি! সাথে ছিল সেই উঁচুনিচু ঢেউখেলানো রাস্তা, বুদ্ধিমান মানুষদের পরিত্যক্ত বিপজ্জনক মোড়! পাহাড়ের চড়াই-উতরাই, ছোট ছোট টিলা অতিক্রম করে শত শত অগভীর নদী পার হয়ে আমি পথপরিক্রমা করে চলেছি, ভাবনায় সাজাতে সাজাতে

মিতা নাগ ভট্টাচার্যের কবিতা

একতারা মি তা না গ ভ ট্টা চা র্য বিস্তীর্ণ জনপথ হাঁটছিল রমণী একা পায়ে নেই শৃঙ্খল। সে মুক্ত অর্গল। অনর্গল কণ্টক। দগ্ধায় হৃদপাঁজর। চেয়েছিল বাঁচতে নিয়ে পদ্মসুখ। এখন সঙ্গী কেবল বিবর্ণ, রিক্ত, অসুখ তবু মেয়ে বাঁচতে একতারা উন্মুখ। চোরাবালি, মরুভূম তবু একতারা তোলে সুর। °°° চিত্রণ: চিন্ময় মুখোপাধ্যায়

সঞ্জয় চট্টোপাধ্যায়ের ছোটগল্প

ডুলুংমারির জঙ্গলে স ঞ্জ য় চ ট্টো পা ধ্যা য় এবারের গন্তব্যস্থল পুরুলিয়ার বাগমুন্ডি পাহাড়ের অদূরে কলাইকুস্মান্ডি নামের এক ছোট পাহাড়। পাহাড়ের একেবারে গা-ঘেঁষে ছোট গ্রাম কলাইকুস্মান্ডি। পাহাড়ের নামানুসারেই গ্রামের এমন নাম। প্রতিবছর পৌষ সংক্রান্তিতে পাহাড়ের উপর ওখানকার আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ তাদের এক দেবীর আরাধনায় মোষ বলি দেয়। বলির পর

অর্থিতা মণ্ডলের কবিতা

প্রতীক্ষা অ র্থি তা ম ণ্ড ল আপাতত বিশ্রাম, তারপর ঝাঁপানের ভেতর থেকে বিষকন্যা ফুল আঁকে রোজ কিংবা ঘাম, অশ্রু, দাগ… মুহুর্মুহু ভেঙে যাচ্ছে লোকাচার, ধু ধূু চোখ দুয়ারের খসে পড়া কপাটে… গোল্লাছুট উঠোনে নতজানু বিগত শতক, আমাদের মায়া রঙের গেরস্থালি আগুন ছুঁয়ে যে সব মৃতদেহ ভেসে গেছে আজ, ধূপ

সিদ্ধার্থ মজুমদারের বিশেষ নিবন্ধ

শেষ পর্যন্ত ইতিহাস ডারউইনকেই বেশি মনে রেখেছে। কিন্তু সেই ইতিহাসের প্রান্তে অ্যালফ্রেড রাসেল ওয়ালেসের নামও সমান শ্রদ্ধার সঙ্গে উচ্চারিত হওয়া উচিত। কারণ বিবর্তনের ধারণাটি কোনও একক প্রতিভার আকস্মিক আবিষ্কার ছিল না; সময়ের পরিপক্বতা, দীর্ঘ পর্যবেক্ষণ এবং বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধিৎসা— এই তিনের সম্মিলিত ফসল ছিল বিবর্তন-তত্ত্বের বৈজ্ঞানিক রূপায়ণ। পৃথিবীর দুই প্রান্তে, পরস্পরের

প্রদীপ ঘোষের কবিতা

প্র দী প ঘো ষ মেধার অপমৃত্যুর কারণ আঁধারের পরেও যদি ধূসরেরই দিশা . বুঝতে হবে ফলিতার্থে আলো গিলে ফেলে . জীবনের ব্ল্যাকহোল, রাহু। কারণ সোহম উচ্চারণ এক সর্বনাশা প্রবণতা। জ্ঞান, মেধারই অনুপ্রাস। […]

জয়ন্ত সরকারের কবিতা

জ য় ন্ত স র কা র পুতুলনাচের ইতিকথা (উৎসর্গ: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়) অদৃশ্য সুতোয় বাঁধা জীবনের সেই অনন্ত ঝুলন মাঝে দু-একটা তারা আর আধভাঙা চাঁদ তমসা যোজনা করে আলোক-আবহে কখনও চটুল গান, কখনও-বা মুজরায় ঠমকি চমকি— ঘুরেফিরে নাচের ভেতর, নিজস্ব ছায়ায়, বাসে ট্রেনে কিংবা গণমঞ্চে আমাদেরই পাশে হেঁটে যায়, মাঝে-মাঝে

তরুণ সিংহ মহাপাত্রের বিশেষ রচনা

‘দ্বিতীয় শ্রীক্ষেত্র’ বারিপদায় সুভদ্রার রথ টানেন মহিলারা ত রু ণ সিং হ ম হা পা ত্র বারিপদা ‘দ্বিতীয় শ্রীক্ষেত্র।’ বারিপদার রথযাত্রা ওড়িশার দ্বিতীয় বৃহত্তম। প্রাচীনত্ব, ঐতিহ্য আর জনসমাগমে ‘শ্রীক্ষেত্র’ পুরীর পরেই বারিপদার স্থান। ষোড়শ শতকের শেষার্ধে, ওড়িশার রাজনৈতিক ইতিহাসের এক সংকটকালে বারিপদায় জগন্নাথ মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন ভঞ্জবংশের রাজা বৈদ্যনাথ ভঞ্জ।

রাশিয়া ভ্রমণ: বিজন সাহা

ভ্রমণবিহীন ভ্রমণকাহিনি বি জ ন সা হা উত্তর গোলার্ধে বিশেষ করে রাশিয়ায় গ্রীষ্ম মানেই কোথাও বেরিয়ে পড়া। লোকজন সাধারণত দক্ষিণমুখী হয়। আমি নিজে পছন্দ করি পুরনো রুশ শহর ভ্রমণ করতে যেসব জায়গা থেকে শুরু হয়েছে আজকের রাশিয়া। বহুল আলোচিত গোল্ডেন রিংয়ের শহরগুলো ভ্রমণ করা হলেও উত্তরের শহরগুলোয় এখনও যাওয়া হয়নি।

ফৌজিয়া সিরাজের বিশেষ রচনা

'আমি যখন পথনাটক করেছি তখন কিন্তু পথনাটককে ঘিরে উৎসাহ যেমন দেখেছি, তেমন জনপ্রিয়তাও দেখেছি। এখন যদি পথনাটক দেখতে মানুষের উৎসাহের অভাব দেখা যায়, তা হলে আমার ধারণা, নাটকের বিষয় নির্বাচন বা উপস্থাপনায় কোনও গন্ডগোল হচ্ছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যে আঙ্গিকগত পরিবর্তনটা থাকা দরকার সেটা থাকছে না। পথনাটক নাটক নয় বা

হাঁসুলী মিত্রের কবিতা

হাঁ সু লী মি ত্র ইংরাজ কবিদের স্মরণে কবি, কবে তুমি লিখেছিলে— যে কবিতা আমি আজ পড়ি! যে কবিতা তোমার আমার পরিচয়। আমি তোমার জীবনকালের আকাশে পৌঁছে যাই— আমি তোমার দেখা মেঘকে খুঁজে পাই, জানলার ফাঁক দিয়ে দেখা রক্তিম মেঘে— সে তোমার কাছ থেকে যেন আনে শীতলতার মাঝে তোমার ভাবনার

মহালয়া

এই চণ্ডীপাঠকে অভাবিত মাত্রা দিয়েছে কলকাতার আকাশবাণী কেন্দ্র। ১৯২৭ সালে স্থাপিত হওয়া এই বেতার প্রচারকেন্দ্র থেকে (তখন নাম ছিল 'Indian State Broadcasting Service') ১৯৩১-এর ১১-ই অক্টোবর সর্বপ্রথম মহালয়ার অনুষ্ঠান প্রচারিত হয়। স্তোত্রপাঠে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র। পরিকল্পনা বাণীকুমার, প্রকৃত নাম বৈদ্যনাথ ভট্টাচার্য। সঙ্গীত পরিচালনায় রাইচাঁদ বড়াল ও পঙ্কজকুমার মল্লিক। অচিরেই এটি তুমুল

আবু রাইহানের বিশেষ নিবন্ধ

জীবনানন্দ থেকে বিনয় আ বু রা ই হা ন বিশ্বের সব দেশের সাহিত্যকর্মে অগ্রজদের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। সাহিত্যের অন্যান্য শাখার তুলনায় সূক্ষ্মতম মাধ্যম কবিতায় প্রভাবের মাত্রা সঘন। বাংলা কবিতায় বিদেশি কবিদের প্রভাবের পাশাপাশি বাংলা ভাষার অগ্রজ কিংবা সমকালীন কবিদেরও সুস্পষ্ট প্রভাব রয়েছে, কোনও কোনও ক্ষেত্রে তা ব্যাপকতর। হোমার, শেক্সপিয়র-সহ

অমিতাভ ভট্টাচার্যের প্রবন্ধ

একদিকে আমাদের ঐতিহ্য— ব্রহ্ম সৎ না অসৎ, এক না অনেক, চিৎ না অচিৎ সে নিয়ে তুমুল তক্কবিতক্ক, জগৎ মায়া বা শূন্য কি না সে নিয়ে বিবাদ-বিসংবাদ, তাল ঢিপ করিয়া পড়ে না পড়িয়া ঢিপ করে তা নিয়ে বিচার-বিশ্লেষণ। আবার অন্য দিকে, ভারতেই প্রথম শূন্য আবিষ্কার হয়েছিল, তুলো থেকে সুতো তৈরি হয়েছিল,

রুহের বিশেষ নিবন্ধ

বিশিষ্ট গবেষক, যুক্তিবাদী নিরঞ্জন ধর তাঁর 'বিবেকানন্দ: অন্য চোখে' বইতে লিখছেন— 'বিবেকানন্দ স্বভাব সন্ন্যাসী ছিলেন না, ছিলেন অভাব সন্ন্যাসী।' ফলত ওই গেরুয়া পোশাকের মধ্য দিয়েই উঁকি দিত তাঁর ভোগবাদী মন। নিবেদিতার মতো আর এক অনুরাগী ইসাবেলাকে তিনি চিঠিতে লিখছেন— ‘কিছু একটা করে দেখাও। মাদ্রাজে আমার জন্য একটা গৃহ নির্মাণ করতে