হি ন্দো ল ভ ট্টা চা র্য জরুরি অবস্থা রক্তক্ষরণের পর যেভাবে জীবন শেখে আহত শরীর বোতলের মধ্য থেকে বুদ্বুদের মতো ওঠে তোমার বিষাদ তেমন প্রতিটি জল বহমান, প্রতি শ্বাস, পৃথিবীকে প্রতিদিন আরও বেশি আঁকড়ে ধরে বলতে ইচ্ছে হয়, তুমি বাঁচো ও বাঁচাও যদিও বিষাক্ত ক্ষত, কাটাকুটি, রক্ত, পুঁজ, গভীর
ইউক্রেনে প্রথম দু’টি রাত র থী ন চ ক্র ব র্তী যাক, শেষপর্যন্ত ইউক্রেনের মাটিতে পা রাখা সম্ভব হল! ভিসা পাওয়ার জন্য কলকাতায় নিজের অফিস সামলিয়ে এক সপ্তাহে তিনবার দিল্লিতে ইউক্রেন দূতাবাসে হাজির হতে হয়েছে। উড়ানে ডেইলি প্যাসেঞ্জারি আর কী। তিনবারের বেলায় হাল ছেড়ে দিয়ে কলকাতায় ফিরেছিলাম। শেষমেশ ওই দূতাবাসের
ম ল য় গো স্বা মী চোর গহিন তমিস্রায় চোর এসেছিল। চোরের দু’হাত কাটা পা খঞ্জ। তোমার ঘুমন্ত ডান-হাত এলিয়েছিল চিত্রবিচিত্র কোলবালিশে। আঙুলের ফাঁক দিয়ে সে জলের মতন নামল মেঝেয়। নামার সময় তোমার আঙুলের স্পর্শ তার গায়ে জোনাকির আলোর মতন ডোরা হয়ে গেল!… ঘরের তমিস্রায় সে চুরি করবে কী! বরঞ্চ
ইলিশের আলো শ্যা ম লে শ ঘো ষ শিশির গলায় সুতুলি। সুতলি বাঁধা ঘুনসিতে। ঘুনসিতে ধরা হাফপ্যান্ট। কোমরে খানিক গোঁজা। প্যান্টের সামনেটা ফাঁকা। বোতাম নেই। প্যান্টের ফাঁক গলে দেকুর সিসি দর্শন দেয়। হিসি করার প্রত্যঙ্গটাকে ওই নামে সে চেনে। শিশির মতো সেও কোমরে ঝুলছে। হাতের মুঠোয় এতক্ষণ প্রাণ ছিল। তিনটে
দে বা শি স চ ন্দ কুশল–জিজ্ঞাসা কেমন আছ— এই কুশল–জিজ্ঞাসায় এতই আপত্তি তোমার! অবাক অবাক কেবলই অবাক, জিজ্ঞেস করব না আর কোনওদিন; ভোরের প্রথম আলো— দিনের শুরুয়াত শিশিরের দূর্বাসনে পাতব না সুন্দরের আসন। তোমাকে আঘাত দিতে চাই না, তোমাকে কেন, কাউকেই দুঃখ দিতে রাজি নই, আমার আচরণে কেউ ন্যূনতম
যাজ্ঞসেনী বে বী সা উ এই যে সুসময়, অথবা কদাকার তাহাকে তুমি ডাকো শ্রী নন্দিনী! আঁচল ভরা ফুলে, মাথায় চুড়োখোঁপা তুমি কি তাহাকেও ডুবাবে প্রেমে? এ পথে বালুকণা, এ পথ নির্মম হেঁটেছে যারা, তারা তো ভিক্ষুক… সাধন ছড়াবে না? এ মরু প্রান্তরে? কেহ কি বাজাবে না জিভের বাঁশি! নিভেছে সাঁঝ
রাত-জ্বলা পোকা নু শা ন জা ন্না ত চৌ ধু রী ।। ১ ।। দক্ষিণে, শিরাজের তখত নিয়ে জান্দ আমিরদের নিজেদের ভেতর কামড়াকামড়ি। উত্তর থেকে বারবার নেমে আসছে কাজার সর্দারের ফৌজ। ইস্পাহানের হাকিম কে, শহরের লোক তা বছর না ঘুরতেই ভুলে যেত। সৈন্যদল বাড়ি বাড়ি হানা দিচ্ছিল, আর শহরের শিক্ষিত
কবিতাগুচ্ছ ম ণি শং ক র বি শ্বা স কুদৃষ্টি রাস্তার চোখগুলি মনে পড়ে স্নানঘরেও মেয়েটি ভয় পাচ্ছে নগ্ন হতে °°° ক্ল্যাইম্যাক্স মুনমুনকে খুঁজছি সকাল থেকে। দক্ষিণ মেরুর দিকে মিনিবাস যাচ্ছে। স্মৃতির ভিতরে বক, অটো ও মিথিলা ইত্যাদি উড়ছে। সেখানেও মুনমুন নেই। ইতস্তত রাবার, চুলের যত্ন, বাংলা লিরিকের ভেজা ত্বক
পরিচয় ডরিস লেসিং মা ন ব সা ধ ন বি শ্বা স ক্যাথারিনকে বলেছিলাম ওকে আমার আরেক কিশোর-বন্ধু ফিলিপের সঙ্গে আলাপ করিয়ে দেব। ফিলিপ লন্ডন শহরতলির আবাসিক স্কুলে পড়ে। যেদিন যাওয়ার কথা, সেদিন এগারোটায় বেরনোর কথা ছিল। সেদিন ক্যাথারিন তৈরি হয়ে এসে পড়ল ন’টায়। গায়ে আনকোরা নীল স্কার্ট, জুতোও বেশ
শু ভ্র ব ন্দ্যো পা ধ্যা য় কেন্দ্র হারানো বৃত্ত ১ বিকেল ঘষটানো সন্ধের কমলা আমি মেলে রাখি প্রত্যক্ষতায় জিভের মাংসের শুদ্ধতম লালটুকু সাজানো টুকরো সর্বস্ব উজাড় একটা রৌদ্রোজ্জ্বল হিমেল সুতো সেলাই করে গেছে আমাদের যাবতীয় চৈত্রকালীন শুকনো পাতা এখন কেবল শ্রুতিহীন মাতৃভাষা এবং পানীয়ে মিশে থাকা ছায়ার ছাই আত্মআক্রমণে
ট্রমা-চিহ্নিত সেলফিগুলি অ রি জি ৎ চ ক্র ব র্তী অজ্ঞাত পাণ্ডুলিপি থেকে উদ্ধারকৃত দু’টি টীকা (লেখকের নাম অনুপস্থিত। পাণ্ডুলিপির শেষ কয়েকটি পৃষ্ঠা বহু আগেই নষ্ট হয়ে গেছে।) এক পুরনো কোনও ঘরে অনেকদিন ধরে আলো না জ্বললেও, ঘরের কোণে রাখা কাঠের চেয়ারটা আলো আর ছায়াকে ঠিক চিনে ফেলে। মানুষ চলে
কবিতাগুচ্ছ শু ভ দী প রা য় চৌ ধু রী দৃষ্টি অন্ধের যষ্টির মতো ধরতে চেয়েছি অন্ধ আসলে কী ধরে? প্রতিবিম্ব? ছায়া? নাকি শান্ত অন্ধকারে নিজের আত্মাটি এ ভ্রান্ত বাদানুবাদে ভারী হয়ে আছি যে চোখে তোমাকে দেখি, সেই চোখ তুমি ধাত্রীবিদ্যা জানা কোনো গ্রামীণ বধূর গোধূলি আলোর মুখে অসময়ে ফুল
বিপত্নীকসঙ্ঘ ম ল য় চ ন্দ ন মু খো পা ধ্যা য় ।। প্রথম দৃশ্য।। (সুখারামবাবুর বসার ঘর। সোফা, সেন্টার টেবিল, বইয়ের আলমারি, দেয়ালে ছবি। একপাশে তার প্রয়াতা স্ত্রীর ছবি, গলায় বাসি মালা-সহ। সোফায় মুখোমুখি বসে সুখারাম এবং বাণপ্রস্থবাবু)। সুখারাম: তা হলে কাজের কাজ কিছু একটা করতে যাচ্ছি,
পি য়া স ম জি দ অনিমিখ তোমার ভেতর যত ময়ূরতা, কেকা; আমি বন থেকে তার দিকে লক্ষ করে আছি। আমার চোখের সবুজ লোকালয়ের বাকি সব দৃশ্য এড়িয়ে তোমার নিহিত সৌন্দর্যে নিহত হয়ে শুনেছে দিনের অ-কথিত বাণীর জন্য রাতে বীণার মতো বাজবে নীল সমুদ্রস্বপ্ন, আজীবন পরস্পর-মূক আমাদের আলাপ হবে প্রথম
জিতকা স্ব প ন কু মা র ম ণ্ড ল ১ হাটবারে বিদ্যাখাড়ির পাড়ে রাস্তা জুড়ে জমাটি ভিড়। মোরগ লড়াই চলছে। কাঁতিদার লড়াইয়ের তাগদ দেখে জোড় স্বীকার করে। অস্ত্র বাঁধা হয় দুই মোরগের পায়। বিপিন পেল্লায় পাখরা মোরগের মাথায় চুমু খেয়ে ছেড়ে দেয় মাঠে। অন্য দিকে, বাহারি লালি মোরগ ছাড়ে
হৈ ম ন্তী ব ন্দ্যো পা ধ্যা য় মোহনার দিকে লুম্পেন হয়েছে রাত, রাহাজানি করে নিয়ে গেছে মন জ্যোৎস্নার গভীরদেশে ঘরবাড়ি তার গাঢ় হলুদের মতো উচ্ছল হয়েছে পাতাজল চুইয়ে পড়ছে মনে, আর কতদূর ঘরবাড়ি তোমার হে প্রেমিক? সর্বাঙ্গ জুড়ে গোলাপি শীতলতা। এক-একটা স্পর্শ বহুজীবনের আরাধ্যের মতো মনে হয়, শুধু মন
ডিঙি চ ম্পা রা য় ‘ও যদু… জাল নিয়া এগাও।’ মাঝ-নদীতে কারেন্ট জাল পাতছিল কালিচরণ। যদুকে ঘাটে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে হাঁক দিল। যদিও কালিচরণ জানে, যদু কিছুতেই এ-বেলায় নদীতে নামবে না। বরাবর দেখে আসছে, সবাই জাল পেতে বাড়ি ফিরলে তবেই যদু নদীতে নামে। নিজেদের মধ্যে মাঝে মাঝে আলোচনা করে— যদুর
সু দী প্ত মা জি মেঘ জংলা হাওয়ার গন্ধে জাগা নেশার মতো উড়িয়ে দিচ্ছ ওড়না তোমার, দিদিমণি এখন কি আর তেমন সবুজ বয়স আছে কুড়িয়ে আনতে পারব তোমার চশমাখানি শ্যামল বনের অমল ছায়ায় হাসনুহেনা হাসির হররা জাগিয়ে তুলছে আপনমনে কুসুম কুসুম স্নিগ্ধ, ভেজা, গাছের ছায়ায় বৃষ্টিমুখর কণ্ঠ থেকে কী গান