Search
Generic filters
Search
Generic filters
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

ব্রিটিশ গল্প ।। অনুবাদ: মানব সাধন বিশ্বাস

পরিচয়

ডরিস লেসিং

মা ন ব সা ধ ন  বি শ্বা স

ক্যাথারিনকে বলেছিলাম ওকে আমার আরেক কিশোর-বন্ধু ফিলিপের সঙ্গে আলাপ করিয়ে দেব। ফিলিপ লন্ডন শহরতলির আবাসিক স্কুলে পড়ে। যেদিন যাওয়ার কথা, সেদিন এগারোটায় বেরনোর কথা ছিল। সেদিন ক্যাথারিন তৈরি হয়ে এসে পড়ল ন’টায়। গায়ে আনকোরা নীল স্কার্ট, জুতোও বেশ মানানসই। চুল সবেসবেই বাঁধা হয়েছে— একেবারে শিল্পী হেনোয়াঁর আঁকা সেই সোনালি-গোলাপি বালিকার ছবির মতো দেখাচ্ছিল। সে জীবন থেকে আগের চেয়েও বেশি করে, আরও কিছু পেতে চায়।
ক্যাথারিন কাছের একটা সাদা বাড়িতে থাকে। বাড়িটার সামনে একটা নদী আছে। ভরা জোয়ারে নদীটার বাদামি স্রোত তোড়ে বইতে থাকে। ফ্ল্যাট সাফ-সুতরো রাখার কাজে ক্যাথারিন আমায় সাহায্য করে। যতটা ভালভাবে পারে, কাজটা যত্ন ক’রে করে। মেয়েটার কাজই বলে দেয়, সব মিলিয়ে ছোট ফ্ল্যাটগুলো বড় বড় বাড়ির তুলনায় বেশি রোমান্টিক। আজকাল আমরা দু’জন যখন একসঙ্গে বসে চা খাই, এটা-ওটা কথা বলি, তার অনেকটাই হয় ফিলিপকে নিয়ে। ফিলিপের বয়েস মোটামুটি পনেরো। খাবারদাবার থেকে শুরু করে গানবাজনায় ফিলিপের রুচিবোধ খাঁটি ও রীতিমতো ক্ষুরধার। ফিলিপের বইপত্র ঘরের এদিক-সেদিকে ছড়িয়ে থাকে। একদিন ক্যাথারিন আইজাক ব্যাবেলের গল্পের বইটা পড়তে চাইল। আন্দাজ করলাম ট্রেনে যাওয়ার সময়টায় সে বইটা পড়ে ফেলবে। ক্যাথারিনের বয়েস তেরো। চিন্তায় পড়লাম। তাকে বোঝাতেও চাইলাম, ওরকম একটা বই ওর বেশ খটমট শক্ত লাগতে পারে। কিন্তু সে বলল, ‘ফিলিপও তো দিব্যি পড়ে, তাই না?’
ট্রেনে আমি কাগজ পড়ছিলাম। মেয়েটার মুখে থমথমে ভাবটা বেশ চোখে পড়ল। সে ব্যাবেলের বইটার পাতা উল্টে যাচ্ছিল। কেননা সে মনে মনে ঠিকই করে নিয়েছে, তাকে ফিলিপের মানানসই হয়ে উঠতে হবে। ফিলিপ আর তার উচ্চাশার মধ্যের কোনও বাধা সে রাখতে চায় না।
ফিলিপের স্কুলচত্বর সত্যিই চোখ মেলে দেখার মতো। মার্জিত শোভন সৌন্দর্যে ভরপুর এবং ব্যয়বহুল। স্কুলচত্বরের মাঠে বেশ ঝকঝকে, দুই সদ্য নবীন-নবীনা একসঙ্গে দিব্যি সহজ ছন্দে হাঁটছিল। রোদ এসে ওদের বন্ধুসুলভ মাথায় স্নিগ্ধ আলো ছড়িয়ে দিচ্ছিল। মুখোমুখি দিব্যি আলাপ করছিল দু’জন। আমি ওদের দেখছিলাম, পেছনে পেছনে হাঁটছিলাম। ক্যাথারিনের বাঁ-হাতে ধরা ছিল ব্যাবেলের গল্পের সেই বইটা।
লাঞ্চ সেরে আমরা সিনেমায় গেলাম। ফিলিপ মনে করে, মুভি দেখাটা শুধুই ক্ষণিকের বিনোদন, অভ্যেসটা বুদ্ধিমান মানুষের পক্ষে বড় বেমানান। তবে নিছক আমাদের খাতিরে সে আজ নিজেকে ছাড় দিল। আর তার কথা ভেবে ওই ছোট্ট আধাশহরে যে-দুটো মুভি চলছিল, আমরা তার একটা বেছে নিলাম। সেটা তুলনায় একটু বেশি সিরিয়াস। সে এক ভালমানুষ ধর্মযাজকের গল্প। অদ্ভুতভাবে মানুষটি সর্বক্ষণ নিউ ইয়র্ক শহরের দাগি আসামিদের পাশে থাকতেন, প্রাণে বাঁচিয়ে দিতেন। তাঁর এই ধরনের নিখাদ ভালোমানুষি নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে তিনি সবাইকে বাঁচাতে পারলেও একজনকে গ্যাসচেম্বারে যাওয়ার চরম সাজা থেকে শেষ পর্যন্ত বাঁচাতে পারেননি। শেষে আমি আর ফিলিপ বেরিয়ে দাঁড়িয়ে রইলাম ক্যাথারিনের জন্যে। অন্ধকারে হাপুসনয়নে কান্না থেমে গেলে সে সোনালি সন্ধের ঝলমলে আলোর মুখোমুখি হল।
হলে ঢোকার মুখে মূর্তিমান গেটকিপার যেন ওত পেতে ছিল। মনে হল লোকটা সব ছেড়ে কান্নাকাটি করা লাল চোখের অপেক্ষায় ছিল। সে ক্যাথারিনের বেসাহারা হাতটা শক্ত করে চেপে ধরেছিল। বিশ্রী গলাখাঁকারি দিয়ে লোকটা বলছিল, ‘দাঁড়াও দাঁড়াও! কাঁদছিলে কেন? কৃতকর্মের খেসারত হিসেবে লোকটা তো উচিত সাজাটাই পেল, সেটাই ধরতে পারলে না?’ ক্যাথারিন অবাক বিস্ময়ে তার দিকে তাকিয়েছিল।
ক্যাথারিনকে শেষ অব্দি ছাড়িয়ে আনতে আনতে ফিলিপ খানিকটা বেজার মুখে বলল, ‘কিছু লোক আছে, যারা ভাল করে বুঝিয়ে দিলেও, কোনটা ঠিক আর কোনটা যে ভুল, বুঝতে পারে না।’ গেটকিপার ঘাড় ঘুরিয়ে অন্ধকারে আবার কোনও লাল চোখের সন্ধান করতে লাগল। আমরা একসঙ্গে স্টেশনে চলে গেলাম, আর কোনও কথা হয়নি। দুনিয়ার নিষ্ঠুরতায় কচিকাঁচারা চুপচাপ হয়ে যায়।
দেখি আবার ক্যাথারিনের চোখ জলে ভরে এল। সে বলল, ‘এ যে একেবারে পুরোপুরি পাশবিক। ভাবতে পারছি না।’ ফিলিপ বলল, ‘বিষয়টা নিয়ে আমাদের ভাবা উচিত। কেননা কিছু না করলে এ জিনিস চলতেই থাকবে বেলাগাম, এ তো চোখের সামনে পরিষ্কার দেখছি।’
লন্ডনে ফেরার ট্রেনে ক্যাথারিন আমার পাশে বসেছিল। তার সামনের খোলা বইটায় মেলে ধরা ছিল গল্পগুলো। হঠাৎ তাল কেটে সে বলল, ‘ফিলিপের কপাল ভীষণ ভাল। ওরকম একটা স্কুলে যদি যেতে পারতাম! বাগানে ঘোরার সময় ফিলিপকে মেয়েটা ‘হ্যালো’ বলল, সেটা খেয়াল করেছ?’
‘ভেবেছিলাম ও-সব জিনিস ও বড্ড বেশি সেকেলে ভাবে।’
‘সত্যিই কি তাই?’
অল্প সময়ের মধ্যেই বইয়ের পাতায় ক্যাথারিনের মাথা ঝুঁকে পড়ল। তবে পরক্ষণেই মাথা তুলে বলল, ‘উনি খুব নামকরা লেখক, তাই না?’
‘চমৎকার লেখেন। দারুণ। সবচেয়ে সেরা লেখকদের একজন।’
‘কেন?’
‘দেখ, কথাটা হল— ওঁর লেখা সব সহজসরল ভাষায়। লক্ষ্য কর, ওঁর শব্দের ব্যবহার কত কম, তবু গল্পগুলো কেমন শক্তিশালী।’
‘বুঝলাম। তাঁকে চেনো তুমি? লন্ডনে থাকেন?’
‘না। উনি বেঁচে নেই।’
‘ও—, তাই? তা হলে তুমি এমন করে বললে, আমি তো ধরেই নিলাম, উনি বেঁচে।’
‘সেজন্যে দুঃখিত। আমি কিন্তু মৃত মানুষ হিসেবে তাঁকে দেখি না।’
‘কবে মারা গেলেন?’
‘উনি খুন হয়েছিলেন। সেও আজ মোটামুটি বছর কুড়ি হল।’
‘কুড়ি বছর!’ মেয়েটার হাত বইটাকে আমার দিকে ঠেলতে লাগল। তবে তারপরে সে লম্বা হাঁফ ছেড়ে থিতু হয়ে বলল, ‘এই নভেম্বরে আমি চোদ্দো বছরে পড়ব।’ এটা বলে তার নিজের মনে হল সে বড় বিপদে পড়ে গেল। তার চোখদুটো যেন আমায় চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিল।
এ সময়ে মাফ চেয়ে নেওয়ার প্রয়োজনটা বুঝেও তার কাছে প্রকাশ করতে পারলাম না। তবে কিছু বলার আগেই ধীরস্থির শান্তভাবে সে আবার বলল, ‘ওনাকে খুন করা হয়েছিল। তাই তো বললে তুমি, তাই না?’
‘হ্যাঁ।’
‘যে লোকটা তাকে মেরেছিল, আশা করি সে যখন বুঝতে পারল যে, সে একজন নামজাদা লেখককে খুন করেছে, তখন সে নিশ্চয়ই আফসোস করেছিল।’
‘আমি সেরকমই তো আশা করি।’
‘মারা যাওয়ার সময়ে তাঁর বয়েস হয়েছিল?’
‘না, না, বেশ কমবয়েসি ছিলেন।’
‘খুব দুঃখের, তাই না?’
‘হ্যাঁ, আমারও তাই মনে হয়। খুবই খারাপ ব্যাপার।’
‘ওনার কোন গল্পটা তোমার সবচেয়ে বেশি পছন্দের? মানে, আমি বলতে চাইছি, ঠিক করে বলো আমায়, তোমার চোখে একেবারে সবচেয়ে সেরা কোনটা?’
আমি বেছে নিলাম হাঁসের মাথা গুঁড়িয়ে দেওয়ার গল্পটা। ধীরে ধীরে সে গল্পটা পড়তে লাগল। ততক্ষণ আমি ওর মুখের দিকে চেয়ে অপেক্ষা করছিলাম। ভেবে দেখলাম, বইটা ওর কাছ থেকে টেনে নেওয়া দরকার— এখনই। যে করেই হোক, এই নিতান্ত ছেলেমানুষ সুকুমারমতি ব্যক্তিটিকে অন্তত আপাতত আইজাক ব্যাবেলের ছোঁয়াচ থেকে বাঁচানোর তাগিদ ছিল।
গল্পটা শেষ করে ক্যাথারিন বলল, ‘ঠিক আছে, তবে কিছু কিছু অংশ ঠিক মাথায় ঢুকল না। ওনার সবকিছু খুঁটিয়ে দেখার একটা মজাদার স্টাইল আছে। নইলে কেন বুটপরা পুরুষমানুষের পা মেয়েদের মতো লাগতে যাবে?’ এবার সে বইটা আমার দিকে ঠেলে দিয়ে বলল, ‘সাঙ্ঘাতিক ব্যাপার।’
আমি বললাম, ‘আসলে তোকে বুঝতে হবে, কী ধরনের জীবন কাটিয়েছেন উনি। প্রথমত, উনি ছিলেন একজন রাশিয়ান ইহুদি। এ তো খুবই মুস্কিলের কথা। তার ওপর নিজের অভিজ্ঞতায় ভাল করেই দেখেছেন বিপ্লব গৃহযুদ্ধ, আরও নানান…।’
আমার কথাগুলো ওর জ্বলে ওঠা নারাজ চোখের স্বচ্ছ কাচের দৃষ্টিতে মোটেই দাগ কাটল না। আমি বললাম, ‘ক্যাথারিন, শোন বাছা, আরেকটু বড় হয়ে নে, তারপর না হয় আরেকবার চেষ্টা করে দেখিস। কে জানে, তখন হয়তো আরও ভালভাবে বুঝতে পারবি।’
কৃতজ্ঞতা জানানোর মতো সমঝদার গলায় ক্যাথারিন বলল, ‘ঠিক, সেটাই সবচেয়ে ভাল। আর যাই হোক, ফিলিপ আমার চেয়ে দু’বছরের বড়, তাই তো?’
সপ্তাহখানেক পরে ক্যাথারিনের একটা চিঠি পেলাম।
‘ফিলিপের স্কুলে আমায় নিয়ে গিয়ে ফিলিপের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিলে, তার জন্যে তোমায় অশেষ ধন্যবাদ। সেদিনটাই আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর দিন। তুমি আমায় সঙ্গে নিয়েছিলে, তাই তোমায় জানাই আমার গভীর কৃতজ্ঞতা। সেদিন থেকেই আমি মুভির পাপী পুরুত চরিত্র নিয়ে অনেক ভেবেছি। সত্যি বলতে কি, এই মুভিই কোন সন্দেহের লেশ না রেখে আমায় বুঝিয়ে দিয়েছে যে, প্রাণদণ্ড জিনিসটা কতটা ঘোর অনৈতিক। সেদিন যা শিখলাম, তা কখনও ভুলব না, সারাজীবন সঙ্গে থাকবে। স্বনামধন্য লেখক আইজ্যাক ব্যাবেল সম্পর্কে তুমি আমায় যা যা বলেছ, সেসবও ভেবেছি। বেশ বুঝতে পারছি, তাঁর লেখায় একটা অদ্ভুত সচেতন সরলতার স্টাইল আছে। তাই, বলতে একটুও দ্বিধা নেই, এই স্টাইলই তাঁকে অনন্য লেখক হিসেবে মহত্ব দিয়েছে। আমি আজকাল আমার স্কুলের রচনা লেখায় তাঁর পথেই হাঁটছি— সেই অসাধারণ স্টাইলে লেখা শেখার চেষ্টা করছি।
ভালবাসা নিয়ো।
ক্যাথারিন।
পুনশ্চঃ— তুমি কি আমার পার্টি নিয়ে কোনও কথা ফিলিপকে বলেছ? আমি তাকে লিখেছিলাম, এখনও জবাব পাইনি। একটু খোঁজ নিয়ে দেখো, সে আসছে কি না। আশা করি সে আসবে, কেননা সে যদি না আসে, আমি কিন্তু বাঁচব না।
পুনঃপুনশ্চঃ— আমি যে এসব তোমায় বলেছি, অনুগ্রহ করে তাকে বোলো না।’

°°°

চিত্রণ: সৌজন্য চক্রবর্তী

লেখক পরিচিতি

ডরিস লেসিং (১৯১৯-২০১৩) ইংরেজি সাহিত্যের অসামান্য ব্রিটিশ সাহিত্যকার। জন্ম ১৯১৯ সালে ইরানের (তৎকালীন পার্সিয়া) কের্মানশা শহরে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে তাঁর বাবা এবং মা দু’জনই সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হন। বাবার একটি পা বাদ দিতে হয়, মা কাজ হারান। এর দুই বছর পরে তাঁরা তেহেরান শহরে স্বল্পকাল থিতু ছিলেন। তাঁদের নিতান্ত অস্বছল পরিবার ১৯৪৯-এ শেষ পর্যন্ত স্বদেশ যুদ্ধোত্তর ইংল্যান্ডে ফিরে যাওয়ার আগে আফ্রিকার জিম্বাবুয়ে (তৎকালীন আফ্রিকান ব্রিটিশ উপনিবেশ দক্ষিণ রোডেশিয়া-র একটি কৃষিখামারে কাজ করতেন। ফলে মাত্র তেরো বছর বয়েসের পর তাঁর প্রথাগত পড়াশোনায় ইতি টানতে হয়। তবে যাবতীয় প্রতিবন্ধকতাকে অগ্রাহ্য করে তাঁর তিনি বিশ্বসাহিত্যের অন্যতম দিকপাল লেখিকা হিসেবে সাফল্যের শিখরে প্রতিষ্ঠিত হন। আজীবন নিবিড়ভাবে সমাজ ও রাজনীতি সচেতন থেকে মূলত বিশ শতকের পৃথিবীর নানা ঘটনাবহুল সামাজিক ও রাজনৈতিক টানাপড়েনে বিপর্যস্ত পটভূমিতে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাপন তাঁর অননুকরণীয় সাবলীল অনবদ্য বর্ণনশৈলীতে পাঠকের সামনে উঠে আসে। প্রথম যৌবনে কমিউনিস্ট হিসেবেও একসময় সক্রিয় ছিলেন।
সাহিত্যে অনন্য অবদানের স্বীকৃতিতে তাঁকে ২০০৭ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাসগুলির মধ্যে ‘The Grass Is Singing’ (১৯৫০), পাঁচ খণ্ডের ‘Children of Violence’ (১৯৫২-৬০), ‘The Golden Notebook’ (১৯৬২), ‘The Memoirs of a Survivor’ (১৯৭৫), দুই পর্বের আত্মস্মৃতিমূলক ‘Under My Skin’ (১৯৯৪) এবং ‘Walking In the Shade’ (১৯৯৭)। গল্প সংকলন ‘Through The Tunnel’ (১৯৫৫), ‘A Man and the Two Women’ (১৯৬৩), ‘The Story of a Non-Marrying Man’ (১৯৭২), ‘Stories’ (১৯৭৮), ‘The Temptation of Jack Orkney’ (১৯৭৮) ‘This Was the Old Chief’s Country’ (১৯৫১), ‘The Sun Between Their Feet’ (১৯৭৩) প্রভৃতি বিশেষ উল্লেখযোগ্য। লেসিং ২০১৩ সালে লন্ডনে বিরানব্বই বছর বয়সে প্রয়াত হন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

2 × 4 =

Recent Posts

মানব সাধন বিশ্বাস

ব্রিটিশ গল্প ।। অনুবাদ: মানব সাধন বিশ্বাস

পরিচয় ডরিস লেসিং মা ন ব সা ধ ন  বি শ্বা স ক্যাথারিনকে বলেছিলাম ওকে আমার আরেক কিশোর-বন্ধু ফিলিপের সঙ্গে আলাপ করিয়ে দেব। ফিলিপ লন্ডন

Read More »
প্রেমাশিস দে

প্রেমাশিস দের কবিতা

প্রে মা শি স  দে পাহাড়গ্রাফি রোদের কারসাজিতে রক-পাইথনের মতো রাস্তাটা এঁকেবেঁকে বারোয়ারি সবুজের পলস্তারার মধ্যে ঢুকে পড়েছে। গন্ধ সব সময় অডিও-ভিজুয়াল। বড় বাকলওয়ালা স্তম্ভিত

Read More »
নিবেদিতা ঘোষ রায়

নিবেদিতা ঘোষ রায়ের ছোটগল্প

গোসাপ নি বে দি তা  ঘো ষ  রা য় বখাটে, ব্রিলিয়ান্ট, মিচকে, প্রেমিক, হবু ইঞ্জিনিয়ার, নেশাখোর, ঢপবাজ, ছিচকে চোর, বিরহী, ন্যাকা— সব ধরনের স্যাম্পলই ছিল

Read More »
স্বপন নাগ

স্বপন নাগের কবিতা

স্ব প ন  না গ বাবাকে নিয়ে ১. বাবাকে কখনও আমার ঈশ্বর মনে হয়নি বরং মনে হয়েছে এক নাবিকের মতো— আমাদের সঙ্গে নিয়ে যে দাঁড়

Read More »
তরুণ চক্রবর্তী

তরুণ চক্রবর্তীর ছোটগল্প

আধা কিমির বেলাইন ত রু ণ  চ ক্র ব র্তী সেদিনের পর থেকে আর লাইনের ধার দিয়ে বাড়ি ফেরার কথা ভাবতেও পারে না কিশোর। এমনকী,

Read More »
অনিন্দ্য ভুক্ত

অনিন্দ্য ভুক্তর কবিতা

অ নি ন্দ্য  ভু ক্ত এসো সক্রেটিস বিষপাত্র হাতে নিলেই সক্রেটিস কেন তুমি স্থিতধী হয়ে যাও এ কি কোনও কৌশলী প্রজ্ঞা, যা তোমাকে আমাদের নেতার

Read More »