
শুভ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের কবিতা
শু ভ্র ব ন্দ্যো পা ধ্যা য় কেন্দ্র হারানো বৃত্ত ১ বিকেল ঘষটানো সন্ধের কমলা আমি মেলে রাখি প্রত্যক্ষতায় জিভের মাংসের শুদ্ধতম লালটুকু সাজানো টুকরো

শু ভ্র ব ন্দ্যো পা ধ্যা য় কেন্দ্র হারানো বৃত্ত ১ বিকেল ঘষটানো সন্ধের কমলা আমি মেলে রাখি প্রত্যক্ষতায় জিভের মাংসের শুদ্ধতম লালটুকু সাজানো টুকরো

না স রী ন জা হা ন ভ্রমণে যাও তোমাকে বলেছি— বিদায়! তুমি ভ্রমণে যাও। সবুজ অলৌকিক অব্দি খেয়ে ফেলছে ব্ল্যাকহোল! আমি ফিরে এলাম, আমি,

মায়ের নাম শ তা ব্দী দা শ সুহাসিনী ভারি অপ্রস্তুতে পড়লেন। দুই ছেলে আপিসে বেরিয়েছে। কর্তা দুপুরের ঘুম দিচ্ছেন। এ ব্যাপারটা কীভাবে যে একা সামলাবেন,

হি ন্দো ল ভ ট্টা চা র্য জরুরি অবস্থা রক্তক্ষরণের পর যেভাবে জীবন শেখে আহত শরীর বোতলের মধ্য থেকে বুদ্বুদের মতো ওঠে তোমার বিষাদ তেমন

ইউক্রেনে প্রথম দু’টি রাত র থী ন চ ক্র ব র্তী যাক, শেষপর্যন্ত ইউক্রেনের মাটিতে পা রাখা সম্ভব হল! ভিসা পাওয়ার জন্য কলকাতায় নিজের অফিস

ম ল য় গো স্বা মী চোর গহিন তমিস্রায় চোর এসেছিল। চোরের দু’হাত কাটা পা খঞ্জ। তোমার ঘুমন্ত ডান-হাত এলিয়েছিল চিত্রবিচিত্র কোলবালিশে। আঙুলের ফাঁক দিয়ে

ইলিশের আলো শ্যা ম লে শ ঘো ষ শিশির গলায় সুতুলি। সুতলি বাঁধা ঘুনসিতে। ঘুনসিতে ধরা হাফপ্যান্ট। কোমরে খানিক গোঁজা। প্যান্টের সামনেটা ফাঁকা। বোতাম নেই।