হি ন্দো ল ভ ট্টা চা র্য
জরুরি অবস্থা
রক্তক্ষরণের পর যেভাবে জীবন শেখে আহত শরীর
বোতলের মধ্য থেকে বুদ্বুদের মতো ওঠে তোমার বিষাদ
তেমন প্রতিটি জল বহমান, প্রতি শ্বাস, পৃথিবীকে প্রতিদিন
আরও বেশি আঁকড়ে ধরে বলতে ইচ্ছে হয়, তুমি বাঁচো ও বাঁচাও
যদিও বিষাক্ত ক্ষত, কাটাকুটি, রক্ত, পুঁজ, গভীর খাদান
লেগে আছে এ শরীরে, পচে যাওয়া নষ্ট জমি ভাঙা রাস্তাঘাট
খোঁড়া গর্তে জমে আছে পাপ ও সংশয়, দ্বিধা, তোমাকে চাওয়ার
ছল-চাতুরীর পর শরীরের মাপমতো জামা ও মুখোশ।
তবুও জীবন ভাল, চাবুকের দাগ ভাল, পিঠে শতচ্ছিন্ন সংশোধন
অন্ধকার মানচিত্রে ইতিহাস পুড়ছে, তারও ভস্ম হাহাকার
রক্তশূন্য, তবু তার দু’চোখে আকাশ, নীল ক্রমশ ধূসর
তোমাকে কীভাবে আমি ছেড়ে যাব অন্ধকারে, অসুখ, তোমায়
ছেড়ে যায়নি, আমি কার চিকিৎসায় নীলকণ্ঠ হয়েছি, মন্থন?
তোমায় আদর করি, ছেড়ে যেয়ো না, মানুষের পাপ
বড় বেশি আলোকিত, দাঁত-নখ-খিদে-লিঙ্গ উৎসব প্রধান।
তবুও মৃত্যুর চেয়ে ভাল এই বেঁচে থাকা, পৃথিবী, তোমায়
রক্তক্ষরণের পর যেমন তোমারই কাছে ফিরে যেতে চায়।
°°°
চিত্রণ: দেবাশিস সাহা





