Search
Generic filters
Search
Generic filters
দত্তাত্রেয় দত্ত

দত্তাত্রেয় দত্ত

দত্তাত্রেয় দত্ত অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। শিল্প-সাহিত্যের যাবতীয় শাখায় কৌতূহলী এবং কিছু নাটক, প্রবন্ধ, অনুবাদ ও কাব্যগ্রন্থের প্রণেতা। কয়েকটি নাট্যদলের সঙ্গে যোগাযোগ আছে এবং দু-একটি নাট্যপত্রিকার সম্পাদকমণ্ডলীতে আছেন।
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

প্রবন্ধ: আবৃত্ত কবিতা

India’s First Bengali Daily Magazine. আবৃত্তিকারের অন্যতম দায় হলো আবৃত্তির যোগ্য, অর্থাৎ অভিব্যক্তি দেওয়ার যোগ্য কবিতার খোঁজ রাখা। যে-কোনো কবিতা ‘আবৃত্তি’ করা যায় না। কবির নামের মহিমায় নিজেকে মহিমান্বিত করার চেষ্টাও ভুল। রবীন্দ্রকাব্যের অধিকাংশ আবৃত্তিকার রবীন্দ্রনাথকে এযুগের দর্শকচেতনার কাছে নিয়ে আসতে পারেন না। গৌণতর কবিদের সঙ্গে শ্রোতাদের পরিচয় করানো আজ বেশি প্রয়োজন; কিন্তু তাঁদের আবার অনেক রচনা আছে, যেগুলোকে কেন যে লেখক ‘কবিতা’ বলছেন, কেউ জানে না: শুধুই খানিকটা নির্জলা গদ্য— যা লিখিত কথাগুলোর বেশি কিছুর ইঙ্গিত রাখতে পারছে না।

Read More »

দত্তাত্রেয় দত্তর কবিতা

The First Bengali Online Story Portal. ছন্দের জটিল জালে ধরা পড়ে শব্দেরা বাধায়/ সহসা বিদ্রোহ বড়। তাদের নিষ্ঠুর কেটেকুটে/ টেবিলে সাজানো যায় মনোহর; হয়তো মানায়/ মামুলি পদ্যের ভোজে। কিন্তু জীবন যায় ছুটে// শব্দদের। কবিরও তা যায় না কি? নিয়ম-নিগড়ে/ বাঁধা পড়ে গিয়ে সে-ও স্বভাবের সঙ্গে প্রতারণা/ ক’রে সৃষ্টি করে কাব্য; ক্রমাগত যে-শিল্প সে গড়ে,/ ক্রমাগত বোঝে, তার না-গড়া রয়েছে আধখানা।

Read More »

ষ্র’ডিঙ্গারের বেড়াল

ঘুণধরা সমিধ সে দুখদেহ ইন্ধন এ-কালহুতাশনে/ যে-চিতাশরীর জ্বলে অস্থিসুদ্ধ পুড়ে হয় জলেতে বিলীন;/ পোড়া কাঠ নাভিকুণ্ড পড়ে থাকে সিক্ত তটে এখানে ওখানে/ ওষ্ঠ, উপস্থ, মুষ্ক, আলিঙ্গন, সবই তো তখন অর্থহীন।// তবুও অস্তিত্ব খুঁড়ে তুলে ছুড়ে ফেলে দেওয়া যায় না তো তাকে/ হারিয়েছে কিনা যেই নাড়িয়ে দেখতে যাই কালের কঙ্কাল/ তখনই দেখি সে আছে। স্মৃতি-মর্গে যতক্ষণ দোর দেওয়া থাকে/ ততক্ষণ নেই। তাই থেকে-নেই ষ্র’ডিঙ্গারের বেড়াল।

Read More »

যে ‘অয়দিপাউস’ নাম সর্বলোকখ্যাত

অয়দিপাউস কীভাবে মরেছিল, এ-রহস্যের কোনও সমাধান হয়নি। হোমারে তার অন্ধত্বের কোনও উল্লেখই নেই; তিনি বলছেন য়োকাস্তের মৃত্যুর পরে সে রাজত্ব চালিয়ে যায় এবং শেষে যুদ্ধক্ষেত্রে মরে। এছাড়া থিবসেই তার দেহ দাহ করা ও সে-উপলক্ষ্যে ক্রীড়া-প্রতিযোগিতার একটা উল্লেখ আছে। সফোক্লিসের নাটকে দেখি সে অন্ধ হয়ে দেশ থেকে বিতাড়িত; আবার ইউরিপিডিসে সে থিবসের মহাযুদ্ধকালেও থিবসেই অন্তরীণ হয়ে আছে; সঙ্গে আছে য়োকাস্তা।

Read More »

আমেরিকার স্বাধীনতা: আড়াইশো বছর

১৬০৭ থেকে ১৭৮৩ পর্যন্ত সময়কাল আমেরিকায় ব্রিটেনের ঔপনিবেশিক রাজত্ব। আজকের দিনে যে আমেরিকা, তা কিন্তু পুরোটা ব্রিটিশদের দখলে ছিল না। ছিল ভার্জিনিয়া, ম্যাসাচুসেটস, নিউ ইয়র্ক, পেনসিলভেনিয়া-সহ ১৩টি রাজ্য। আর কানাডার বেশ কিছু অঞ্চল। আমেরিকার অন্যান্য স্থানে ফরাসি, ডাচ, নরওয়েজিয়, সুইডিস উপনিবেশ-ও ছিল। তাছাড়া রাশিয়া আমেরিকার আলাস্কা থেকে ক্যালিফোর্নিয়া পর্যন্ত দখল করে। পরে সে আলাস্কা আমেরিকার কাছে বিক্রিও করে দেয়।

Read More »

গোদাবরীর গোমুখে

গঙ্গার মর্ত্যে আগমন নিয়ে যেমন ভগীরথের গল্প, তেমনই গোদাবরীর উৎসস্থলে না এলে জানা যেত না, দক্ষিণের গঙ্গা নিয়েও আছে হাজার গল্প। যে গল্প জানাবে আজও এই অঞ্চলের মানুষ অনেক সময়েই কাছাকাছি আর কোনও পানীয়জল না পেয়ে কষ্ট করে হলেও এই উৎসস্থলে এসেই শীতল এই পানীয়জল নিয়ে যান নিজেদের কাজের জন্য। গঙ্গা বা অন্য নদী সে শুধু ধার্মিক আবেগের কারণে পবিত্র না, হাজার প্রাণীর ‘তৃষ্ণা’ মেটাবার জন্য সে হয়ে ওঠে ‘দেবী’ বা ‘পবিত্র’। সে পথে মিশে যায় হাজার গল্প-কষ্ট কিংবা দিনযাপনের চরম বাস্তবতা।

Read More »

রুহের কবিতাগুচ্ছ

একই আলোকমালায় কাটিয়েছি/ বহুকাল দু’জনে…/ বলিনি কখনও।/ তারা খসা দেখেছি একসাথে, যদিও/ গোপন থেকেছে চাওয়া-পাওয়া।/ মাঝে বহুদিন, বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মতো/ একা… নীরবে বয়েছি যাতনা।/ আজ মিথ্যের নেই অবকাশ/ তোমাকে কি পড়েনি মনে/ কোনও মুহূর্ত বা ক্ষণে/ ভাবিনি কি একান্ত বন্ধু আমার—/ এতদিন পরে, পুনর্মিলনে বলেছ/ পাখি হতে চেয়েছিলে এ জীবনে

Read More »

যুদ্ধ: বৈশ্বিক কসাইখানা, পুঁজির সংকট ও শ্রমের মুক্তি

অবিক্রীত পণ্যের পাহাড় যখন পুঁজির পুনরুৎপাদনকে বাধাগ্রস্ত করে, তখন পুঁজিপতিরা তীব্র আতঙ্কে ভোগে। এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য তারা প্রতিযোগী পুঁজিপতির বাজার ও পণ্য ধ্বংস করতে চায়। আর এই ধ্বংসের বৈধ হাতিয়ার হিসেবে তারা রাষ্ট্র ও সামরিক বাহিনীকে ব্যবহার করে যুদ্ধ বাধিয়ে দেয়। অর্থাৎ, উদ্বৃত্ত পণ্য এবং অতিরিক্ত শ্রমকে ধ্বংস করে পুঁজির ভারসাম্য ফিরিয়ে আনাই বুর্জোয়া যুদ্ধের মূল উদ্দেশ্য। এই শোষণের প্রক্রিয়াকে আড়াল করতে রাষ্ট্র একদল বুদ্ধিজীবী ও নীতিবিদ লালন করে, যারা কৃত্রিম ‘দেশপ্রেম’ ও ‘জাতীয়তাবাদ’-এর আফিম খাইয়ে শ্রমিককে বিভ্রান্ত রাখে, যাতে তারা শোষক ও শোষিতের মধ্যকার মৌলিক শ্রেণি-পার্থক্য ভুলে যায়।

Read More »

বিশ্বকাপ জৌলুসে আর্জেন্টিনা গণহত্যার বধ্যভূমি

বুয়েনস আইরেসের রিভার প্লেটের যে স্টেডিয়ামে তখন খেলা হত, তার মাত্র এক মাইল দূরে ছিল সামরিক সরকারের বন্দিশিবির নেভি স্কুল অব ম্যাকনিকস। সাংবাদিক ডেভিড কক্স ফুটবল বিশ্বকাপের খবর সংগ্রহ করতে গেছিলেন। তিনি ‘ডার্টি ওয়ার’ বইতে লিখেছিলেন, যখন স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনার ম্যাচ চলত তখন ওই টর্চার সেল থেকে কান্নার শব্দ শোনা যেত। আর্জেন্টিনার ভুবনমোহিনী ফুটবলে লেগে আছে রক্ত।

Read More »

ধর্মযুদ্ধ

এই যে সংবাদমাধ্যমে প্রতিদিন শতমুখে বিদ্বেষ ছড়ানো হয়, এই যে ফেসবুক জুড়ে বিশেষ সম্প্রদায়কে চিহ্নিত করে সম্মানীয় নেতা-মন্ত্রীদের কুৎসিত ইঙ্গিত, হিংসার প্রদর্শনী— এর প্রতিক্রিয়া কোথায় গিয়ে ঠেকে তাঁরা কি জানেন? পাড়ায় পাড়ায়, রকের আড্ডায়, ক্লাবের আড্ডায়— সর্বত্র বয়োজ্যেষ্ঠদের নির্বোধ অসংযত উচ্চারণ কোন শিশুর হৃদয়ে কেমন ভাবে প্রোথিত হয় তাঁরা কি জানেন? ভেবে দেখেছেন কি এই বিদ্বেষিতার মধ্যে কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে আগামী প্রজন্ম?

Read More »