দে বা শি স চ ন্দ
কুশল–জিজ্ঞাসা
কেমন আছ—
এই কুশল–জিজ্ঞাসায়
এতই আপত্তি তোমার!
অবাক অবাক কেবলই অবাক,
জিজ্ঞেস করব না আর কোনওদিন;
ভোরের প্রথম আলো— দিনের শুরুয়াত
শিশিরের দূর্বাসনে পাতব না সুন্দরের আসন।
তোমাকে আঘাত দিতে চাই না,
তোমাকে কেন, কাউকেই
দুঃখ দিতে রাজি নই,
আমার আচরণে
কেউ ন্যূনতম
দুঃখ পাক
চাই না।
আসলে কিছুদিন কোনও খবর
না পেলে স্বাভাবিক ভাবেই চিন্তা হয়,
তাই ফোন করেছিলাম, তুমি ফোন ধরোনি,
উল্টে প্রত্যাখ্যানের ঝাঁঝালো হোয়াটসঅ্যাপ—
‘আমার কোনও খবর তোমায় নিতে হবে না, প্লিজ’;
যা স্তম্ভিত করেছে, কুশল–সংবাদ জিজ্ঞেস করাও অপরাধ!
তা বেশ, নতুন কিছু শিখলাম— প্রিয়জনের, ভালবাসার
লোকেরা কেমন আছে জানতে ফোন করা অন্যায়!
ভালবাসা পারস্পরিক যাপনবিন্যাসে ছড়িয়ে যায়,
মনের গভীরে একবার যার বিস্তার ঘটে যায়
তাকে কি চাইলেই সরিয়ে দেওয়া যায়?
তুমি জানো ভালবাসা থেকে যায়
দু’জনের অস্থির ইথারতরঙ্গে।
তোমার এই হোয়াটসঅ্যাপ আমাকে
অবাক করেছে, আমার একতরফা ভালবাসা
তোমাকে বিব্রত করে থাকলে আমি সত্যি দুঃখিত,
আমার চিন্তিত জিজ্ঞাসা তোমাকে বিব্রত করুক চাই না।
তার চেয়ে নাগরিক-চাতুর্যের সরষেখেতে
মায়াবী হলুদ রহস্যের ম্যানহোলে
হারিয়ে যাব, নাগাল পাবে না
আর কেউ কোনওদিন।
°°°
চিত্রণ: দেবাশিস সাহা





