আঞ্চলিক জীববৈচিত্রের সুরক্ষা শু ভ্র মু খো পা ধ্যা য় প্রতিদিনের জীবনে একসঙ্গে জড়িয়ে থাকা অজস্র জীব আমাদের জীবনযাত্রার সহযাত্রী। চারপাশের এই জীববৈচিত্র প্রতিনিয়ত আমাদের চলার পথ যেমন সুগম করছে, তেমনই আমাদের বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য নিখরচায় রক্ষা করে চলেছে। এইসব জীববৈচিত্র আমাদের দিনাতিপাতের চিরাচরিত নানান অভ্যাস, ধর্মাচরণ, অর্থকরী রসদ সংগ্রহ কিংবা
বৌদ্ধধর্মে ধ্যান ন ন্দি নী ক র চ ন্দ ধ্যান হল মনকে শান্ত ও একাগ্রতার সাথে মনোনিবেশ করার একটি বিশেষ অনুশীলন। এর মাধ্যমে আবেগীয় স্থিতিশীলতা অর্জন করা যায়। সাধারণত মেরুদণ্ড সোজা রেখে শান্তভাবে বসে এটি অনুশীলন করা হয়। এই সময় শ্বাসপ্রশ্বাস বা কোনও মন্ত্রের ওপর মনোযোগ নিবদ্ধ করা হয়। নিয়মিত
যে গান আপনি রোজ শোনেন, সেটাই হিন্দুত্বের বিরুদ্ধে সবচেয়ে পুরনো প্রতিরোধ অ ঞ্জ ন মু খো পা ধ্যা য় এক জোড়া ভাঙা মূর্তি, একটা প্রশ্ন কয়েক বছর আগে কলকাতার এক রাস্তায় বিদ্যাসাগরের একটা মূর্তি ভাঙা হয়েছিল। খবরটা অনেকেই দেখেছেন, ভুলেও গেছেন। কিন্তু প্রশ্নটা থেকে যায়— যে মানুষটা সারাজীবন বিধবাবিবাহের জন্য
মন্তব্যের আয়নায় উত্তর গোয়ার সমুদ্রসৈকত গৌ ত ম কু মা র দে গোয়া আর বিনোদন শব্দদুটো প্রায় সমার্থক। মস্তির ফাঁদ পাতা গোয়ার ভুবন বিশেষত তার রোম্যান্টিক বালুকাবেলার বর্ণময় হাতছানি দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে বিদেশেও পৌঁছে গেছে অনেকদিন আগেই। নীলিমায় নীল একঝাঁক সোনালি সৈকতে ঝকঝকে সূর্যালোকের মিশেলে তৈরি হয় অমোঘ আকর্ষণের আলো
বুড়ীমা: দেশে আতশবাজি সাম্রাজ্যের একমাত্র সম্রাজ্ঞী রূ প ম চ ট্টো পা ধ্যা য় পুজো এখন তার সাবেকি রূপ হারিয়েছে বটে, কিন্তু অনেক নতুন বৈশিষ্ট্য হাজির হয়েছে বঙ্গজীবনে। পুজোর বেড়ানো, পুজোর পত্রিকা, নিত্যনতুন পুজোর থিম, পুজোর পার্টি— সব মিলিয়ে পুজো বাঙালিকে এখনও অন্যভাবে নাড়া দেয়। বিশ্বকর্মাপুজো— পুজোর হলুদ সিগন্যাল, পুজো
গো বি ন্দ কু ণ্ডু দিশাহীন নিদ্রাহীন প্রতিটি রাত্রি কাটাই গভীর হতাশা নিয়ে, আমি কারও স্বপ্নের রাজপুত্র হয়ে উঠিনি কোনও দিন। এই পৃথিবীর মায়াজালে জড়ানো পরিত্যক্ত মাকড়শার মতো ঝুলে থাকি রাত্রিদিন। না, আমার জন্মলগ্নে পাঞ্চজন্য বাজেনি বা পুষ্পাভিষেক হয়নি। যদিও হবার কথাও নয়। এই পৃথিবীতে বেঁচে আছে আমার জীবন্ত কঙ্কাল,
ম্যাজিক রিয়ালিজম: বাস্তবতার ভেতরে জাদুর নিঃশব্দ আনাগোনা ত ন্ম য় চ ট্টো পা ধ্যা য় বাস্তবতা কখনও কখনও বড্ড ক্লান্তিকর আর যুক্তিনির্ভর হয়ে পড়ে। মানুষ তখন সেখান থেকে মুক্তি পেতে একটা ফাঁকফোকর খোঁজে বইকি। সে চায় একটু আলো, একটু অলৌকিক ঢুকে পড়ুক সেই ফাঁক দিয়ে। এই ফাঁকটাই হল ম্যাজিক রিয়ালিজম।
চর্যাপদে বাংলার ব্রাত্য জনজীবন উ ত্ত ম ম ণ্ড ল খ্রিস্টীয় ১০০০ থেকে ১২০০ অব্দ পর্যন্ত সময়কালে বাংলা সাহিত্যে লৌকিক আটপৌরে ভাষার বদলে দেশীয় কথ্য ভাষায় লেখা ব্রাত্য বাঙালি জীবনের বারোমাস্যা নিয়ে চর্যাগানের দেখা মেলে। পণ্ডিত হরপ্রসাদ শাস্ত্রী (খ্রি: ১৮৫৩-১৯৩২) দুষ্প্রাপ্য বৌদ্ধ শাস্ত্রগ্রন্থের খোঁজে ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে তৃতীয়বার নেপাল ভ্রমণকালে নেপালের
মহাকাশের ঈগল অলটিমিটার সু জি ত ব সু চাঁদ যে পৃথিবীর একটি উপগ্রহ, তা আমরা সবাই জানি। আমরা অবশ্যই তার সৌন্দর্য উপভোগ করি কিন্তু বিজ্ঞানীদের কাছে তার তেমন কদর নেই। তার কারণ তার কোনও ব্যবহারিক উপযোগিতা নেই। নিজেদের প্রয়োজনে মানুষ মহাকাশে অনেক কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠিয়েছে। আমেরিকা, রাশিয়া, চীন, ইওরোপ এরা
সেই চক্রান্ত-ঘর স ব্য সা চী স র কা র শ্রীপেরামবুদুরে গেলে, আপনি একটু থামবেন। হত্যার ইতিহাস যদি জানেন। দেশবাসী জানে। আপনিও জানেন। আপনি দুঃখ হয়তো পান। নাও পেতে পারেন। সে অনেক দিন চলে গেল দেশের। অনেক দিন চলছে। আসছে অনেকদিন। এই তো ইতিহাস। এত ভনিতা করছি, এই ঘরটা ভাল
যে শব্দে আসে উমা দী প ক সা হা শারদ-প্রভাতের নির্মল আকাশে যখন সাদা মেঘের ভেলা ভেসে বেড়ায়, কাশফুলের শুভ্র ঢেউ যখন নদীতীরকে অলংকৃত করে, তখন বাঙালির মনেও বেজে ওঠে এক অদৃশ্য সুর। সেই সুর কেবল শরতের নয়, সেই সুর আগমনির। আর আগমনি সুরের প্রাণকেন্দ্রে রয়েছে এক অনন্য বাদ্যযন্ত্র— ঢাক।
বিরিয়ানি অ প রা জি তা মৈ ত্র বিরিয়ানি ভালবাসেন না এমন মানুষ কমই আছেন এদেশে। যদিও সুবাসের ইতিহাস বলে, বিরিয়ানির আদি নিবাস মধ্যপ্রাচ্য। কালে কালে সে ভারতীয় উপমহাদেশের রসনার অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হয়ে উঠেছে। বিরিয়ানির ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যাবে, আদিতে প্রায় হাজার চারেক বছর আগে বাণিজ্যপথ ধরে সে ভারতে এসেছিল।
আছে দুঃখ আছে মৃত্যু স ঞ্জী ব রা হা বাবার মৃত্যুর পর আমরা দিশেহারা। কী করব, কী না করব ভাবছি। বাবার স্মরণসভায় সবাই ভারাক্রান্ত হৃদয়ে বসে স্মৃতিচারণ করছি আর আমরা ভাইবোন আত্মীয় পরিজনরা চোখের জলে ভেসে যাচ্ছি। এমন সময় এক বন্ধুপত্নী হারমোনিয়াম টেনে নিয়ে গাইতে আরম্ভ করল, ‘আছে দুঃখ, আছে
খেলার পুতুল সু ত প ন চ ট্টো পা ধ্যা য় শেষবিকেলে আবির নিজের সেক্রেটারিকে ডেকে বলল, তিনদিনের জন্য কলকাতা যেতে চাই। ট্র্যাভেল এজেন্সিকে মেল লিখে দাও। শোভনা বলল, হোটেল বুকিং? তাজ বেঙ্গল না গ্র্যান্ড? তাজ। বলে রিসিভারটা নামিয়ে রাখল আবির। কলকাতা শহরটা তার চেনা, হাতের তালুর মতো। স্বচ্ছ, যদিও