Search
Generic filters
Search
Generic filters
দিবাকর পুরকায়স্থ

দিবাকর পুরকায়স্থ

দিবাকর পুরকায়স্থর জন্ম গত শতকের পঞ্চাশের দশকে ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলের এক ছোট পার্বত্য শহরে। কলেজ জীবন থেকেই কলকাতা এবং পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন লিটল ম্যাগাজিনে কবিতা লেখা শুরু করেন‌। মাঝে চাকরির‌ বাধ্যবাধকতায় লেখালেখিতে সাময়িক ছেদ পড়ে। ২০১৫ সালে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বাঙালিদের জ্বলন্ত সমস্যা নিয়ে লেখা তাঁর ইংরেজি উপন্যাস ‘লগ আউট নর্থ ইস্ট ইন্ডিয়া’ পেঙ্গুইন আমেরিকা থেকে প্রকাশিত এবং উচ্চপ্রশংসিত হয়। এই বই লেখার ফলে ওয়াশিংটন লাইব্রেরি কংগ্রেসে লেখক হিসাবে রেজিস্ট্রিকৃত হয়ে দুর্লভ সম্মান লাভ করেন‌। ২০২১-এ তাঁর লেখা ‘সোস্যালি ডিসটেনসড’-ও সমালোচকদের দ্বারা উচ্চপ্রশংসিত। বর্তমান সময়ে তিনি বাংলা লেখায় মনোনিবেশ করেছেন এবং বিভিন্ন পত্রিকা, ম্যাগাজিন, ওয়েবজিন এবং ব্লগজিনে তাঁর লেখা কবিতা, গল্প প্রকাশিত হচ্ছে। লেখক বর্তমানে ভারতের‌ ব্যাঙ্গালোর মহানগরীতে বসবাস করছেন।
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

বঙ্গদেশের নাটকের ইতিকথা

India’s First Bengali Daily Journal. বঙ্গদেশের নাটকের ইতিহাস বেশ‌ পুরোনো। খ্রিস্টীয় নবম শতাব্দীতে বাংলা নাটকের প্রথম সন্ধান পাওয়া গেছে। তবে নাট্যচর্চায় বাঙালি তৎকালীন প্রচলিত লোকনাট্য রীতি, যা মোটামুটি গীতিনির্ভর ছিল, তাই গ্রহণ করেছিল। এই প্রসঙ্গে মনে রাখতে হবে বাংলায় সেসময় বৌদ্ধ ধর্মের প্রসার সম্পূর্ণ। তাই সে-সময়ের গীতিনাটকে বৌদ্ধ ধর্মীয় গীতবাদ্য ছিল লক্ষ্যণীয়। যদিও স্বয়ং বুদ্ধ নৃত্যগীত নিষিদ্ধ করেছিলেন, তবে মনে হয়, মহামতি অশোকের সময়কাল থেকে উত্তর ভারতের মগধ থেকে বাংলায় গীতিনাট্যের আগমন ঘটে। তবে এসব গীতিনাটকে গান এবং নৃত্যের বাইরে কোনও সংলাপ থাকত কিনা তা সঠিকভাবে জানা যায় না।

Read More »

দিবাকর পুরকায়স্থর গুচ্ছকবিতা

India’s First Bengali Daily Journal. তিরতির করে কাঁপছে জলের উপর আধখানা/ হলুদ চাঁদ/ কাঁপে ভৈরবের জল‌,/ আর কুলুকুলু করে বয়ে চলেছে/ নীচের দিকে মিলনের আকাঙ্ক্ষায়/ দূরে, বহুদূরে ঝলমল করছে ঈদের চাঁদ।

Read More »

অমর একুশে ফেব্রুয়ারি

India’s First Bengali Daily Journal. জোরে বইছে উত্তুরে হাওয়া,/ কিছু কথা, কিছু শব্দ আজ হারিয়ে যাচ্ছে নাকি?/ বাজারের থলে আর মাছের আঁশের নীচে,/ ঘুমিয়ে পড়েছে বুঝি নীরবে প্রাচীন কথামালা।// পাড়ার কুকুরগুলো কনকনে শীতের রাতে/ আজকাল আর ঘেউ ঘেউ করতে চায় না।/ বুড়ো কুকুরের মেরুদণ্ড বেঁকে গেছে আজ, আর/ ছানাপোনাগুলো কুঁই কুঁই করে বিজাতীয় সুরে।

Read More »

পল ভেরলেনের কবিতাগুচ্ছ

India’s First Bengali Daily Journal. রহস্যময় পাখিগুলো গান করে/ শব্দহীন নির্বাক প্রেম করে/ প্রিয়া, তোমার দুচোখে/ আকাশের রং লেগে থাকে// কারণ, তোমার আশ্চর্য কণ্ঠস্বর/ তোমার পাগল করা দৃষ্টি/ আমার জগৎসংসার/ বিব্রত করার জন্য সৃষ্টি// কারণ তোমার বিরল‌ মধুর গন্ধ/ তোমার রাজহাঁসের মত বিষণ্ণতা,/ আর তোমার নির্দোষ সরলতা/ এবং তোমার সুবাস।// ও! তোমার সম্পূর্ণ সত্ত্বার জন্য/ সুর এত তীব্র, এত তীক্ষ্ম/ যেন এক দেবদূতের স্বরধ্বনি/ এবং মেঘের হারানো সুগন্ধ

Read More »

দাঁড়াও পথিকবর

India’s First Bengali Daily Magazine. অবিভক্ত বাংলার যশোর জেলার এক বর্ধিষ্ণু গ্রাম। পাশে কুলুকুলু করে বয়ে চলেছে কপোতাক্ষ নদী। গ্রামের নাম সাগরদাঁড়ি। এই গ্রামের ধনী রাজনারায়ণ দত্ত এবং তাঁর স্ত্রী জাহ্নবী দেবীর ঘর আলো করে জন্মায় এক ছেলে। তারিখ ছিল ইংরেজি ২৫-এ জানুয়ারি। তখন কি কেউ ভেবেছিলেন যে, এই কপোতাক্ষ সাক্ষী হয়ে থাকবে এক প্রবাদপুরুষের? কপোতাক্ষের টলটলে জল‌ প্রতিমুহূর্তে মধুকুঞ্জের সামনে দিয়ে চলে যাওয়া প্রতি পথচারীকে বলবে, ‘দাঁড়াও পথিকবর! জন্ম যদি তব বঙ্গে…’।

Read More »

ডেকামেরন: প্রথম দিনের প্রথম গল্প

India’s First Bengali Daily Magazine. চিয়াপেলেট্টোর মহিলা আসক্তি ছিল চরম এবং কুকুর যেরকম বংশদণ্ড তারিয়ে তারিয়ে চিবিয়ে আনন্দ লাভ করে, মহিলাদের ওপর তিনি তদ্রূপ ব্যবহার করতে অভ্যস্ত ছিলেন। মামলা চলাকালে প্রতিপক্ষের তরফে যারা সাক্ষ্য দিতে প্রস্তুত হত, তাদেরকে নিশাকালে তিনি নিজে প্রচণ্ড প্রহার করতেন এবং কোনও কোনও ক্ষেত্রে এই প্রহারে দু-একজনের ভবলীলা সাঙ্গ হয়েছিল শোনা যায় কিন্তু প্রমাণাভাবে ওর বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হয়নি।

Read More »

বাংলা ভাষার ইতিহাস এবং অভিধান

India’s First Bengali Daily Magazine. জনৈক মনোএল দা আসসুম্পসাঁউ নামের এক পর্তুগিজ প্রথম বাংলা ভাষার শব্দকোষ এবং ব্যাকরণ লিখতে প্রবৃত্ত হন। তাঁর সংকলিত পুস্তকে প্রধানত পর্তুগিজ থেকে বাংলা এবং বাংলা থেকে পর্তুগিজ শব্দসংগ্রহই ছিল। এই পুস্তকে তিনি পর্তুগিজ পাদ্রীদের নির্দেশ মেনে যেসব শব্দাবলি ধর্ম প্রচার এবং ব্যবসার সঙ্গে খাপ খায়, তাই লিখলেন। আবার বাংলা শব্দ লিখতে সুবিধার জন্য রোমান লিপি ব্যবহার করেন। এই বই ১৭৩৪ সালে লিখিত এবং প্রকাশ হয় ১৭৫০ সালে।

Read More »

বাংলা সাহিত্যে নারী সাহিত্যিক

India’s First Bengali Daily Magazine. বাংলা সাহিত্যের ভাণ্ডারে মহিলাদের দানের পরিমাণ দিন দিন বাড়ছে। প্রবন্ধ, ভ্রমণ-কাহিনি, কাব্য ও কথাসাহিত্যের ক্ষেত্রে তাঁদের কেউ কেউ বহু উঁচুতে অবস্থান করছেন। এই দীর্ঘ যাত্রাপথে বর্তমান কাল অব্দি যাঁরা এই ইতিহাসের জের টানবেন, সাহিত্যক্ষেত্রে নারীদের অভিযানের একটা মোটামুটি তালিকা পেশ‌ করলাম।

Read More »

নবনারী কুঞ্জর

India’s First Bengali Daily Magazine. আগেকার দিনে অনেক নারী অসম্ভব দক্ষতায় এই রূপ ধারণ করতে পারঙ্গম ছিলেন। প্রাচীনকাল থেকে নবনারী কুঞ্জর, অষ্টনারী তুরঙ্গ (ঘোড়া) নির্মিতিতে মেয়েরা ওস্তাদ ছিলেন। আশ্চর্যের বিষয়, এদের ওপর চড়ে অনেক রাজা নাকি বিহার করতেন! বিশিষ্ট ফরাসি পর্যটক ট্যাভার্নিয়ার (Jean-Baptiste Tavernier, ১৬০৫-৮৯) তাঁর ভারত-ভ্রমণের অবকাশে তখনকার গোলকুন্ডা নগরীর সুলতান কুতুব শাহের (১৬২৬-৭২) কথা উল্লেখ করে লিখেছেন যে, সুলতান নবনারী কুঞ্জর-এর পিঠে হাওদা চাপিয়ে নগর পরিভ্রমণে বেরতেন।

Read More »

দিবাকর পুরকায়স্থর কবিতাগুচ্ছ

India’s First Bengali Daily Magazine. স্বাধীনতা দিবসে অমৃত মহোৎসব ছিল।/ রাজধানী কলকাতা পর্ব শেষ,/ এখন বসিরহাট হয়ে বাগদা এসেই ওরা দেখল/ সামনে কাঁটাতার/ দূরে উড়ছে নিশান পতপত করে,/ বাজছে গানের সুর—/ ‘ঝান্ডা উঁচা রহে হমারা’।// পাশে পটলের খেতে ঝটাপটি, ঝাপটিয়ে ডানা/ মাটি আঁচড়ায় পাখি। পাশে কাঁদে ছানা।

Read More »

একটা মিথ্যা

India’s First Bengali Daily Magazine. বাণীকান্তের ঘরে আবার শুরু হল অশান্তি। বউয়ের শরীরের নেশা ধীরে ধীরে কেটে গেল কুশলের এবং ওর পুরোনো জীবনধারা ফের ওর ওপর ভর করল। ফের শুরু হল দেরি করে রাতে ফেরা, মাঝে মাঝে কোথাও দুই-তিনদিনের জন্য ডুব মারা ওর অভ্যাসে পরিণত হল। একদিন বাপ বাণীকান্ত জিজ্ঞেস করলে জবাব দিল, ‘জাতির কাজ করছি, নূতন অসমের সৃষ্টি করব আমরা।’ বাণীকান্তর বুক কেঁপে উঠল।

Read More »

নারায়ণগঞ্জের দুর্গাপুজো

বাংলাদেশের নানা জেলার‌ রামকৃষ্ণ মিশনে ঘোরার অভিজ্ঞতায় দেখেছি, সব জায়গাতেই আচারপরায়ণ মহারাজ ও ব্রহ্মচারীদের সুমধুর ব্যবহার। এখানে এসেই যখন এখানকার অধ্যক্ষ মহারাজ স্বামী একনাথানন্দজির সঙ্গে আলাপ হল, মুহূর্তের মধ্যেই তিনি অন্তরঙ্গ হয়ে উঠলেন। আমাকে পূজামণ্ডপে নিয়ে তাঁর কাছে বসালেন। ষষ্ঠীর রাতে নববস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠান‌ ছিল। আমাকে দিয়েও বস্ত্রদান করালেন। এই যে আচরণ, এতে করে আমি যে কী পরিমাণ সম্মানিত বোধ করলাম, তা বলার‌ নয়। কেবল‌ তাই নয়, সমবেত দর্শক-শ্রোতার সামনে আমাকে কিছু বলার আমন্ত্রণ-ও জানালেন। আমাকে আপ্লুত করল তাঁর এই আহ্বান।

Read More »

দুর্গাপূজা ও প্রসঙ্গত

এতদিন ধরে অন্য কোনও দেবদেবীর পুজো কোথাও হয় না। দুর্গাপুজোর এটি একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য। আরও একটি বৈশিষ্ট্য, এই পুজো উপলক্ষে কত যে পত্রপত্রিকা বেরোয়, তার কোনও সীমা নেই। কলকাতা যেহেতু এ-পুজোর প্রাণকেন্দ্র, স্বভাবতই এখান থেকে সবচেয়ে বেশি পুজোসংখ্যা পত্রিকা বেরোয়। প্রতিটি দৈনিক পত্রিকা বিরাট আকারে পুজোর অর্ঘ্য সাজায়। প্রসঙ্গত, সত্যজিৎ রায় তাঁর যে দু’টি ভিন্নধারার লেখার মাধ্যমে দীর্ঘ পঞ্চাশ বছরের ওপর জনপ্রিয়তার শীর্ষে, তা কিন্তু এই পুজোর ‘দেশ’ আর’ আনন্দমেলা’-র সূত্রেই।

Read More »

পবিত্র সরকারের বিশেষ রচনা

বাংলাদেশের প্রগতিশীল মানুষদের রবীন্দ্রনাথ সম্বন্ধে একটু বেশি দুর্বলতা আছে। রবীন্দ্রনাথ আমাদের কাছে যত কিছু, তাঁদের কাছেও তত কিছু তো বটেই, কিন্তু তারও চেয়ে অনেকটা বেশি। তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের একজন সেনাপতি। বাহান্নর ভাষা-আন্দোলনের সময় থেকে, আয়ুব শাহি ফরমানে রেডিয়োতে রবীন্দ্রসঙ্গীত নিষেধ আর রবীন্দ্র-শতবার্ষিকীর ওপর ফতোয়া জারি থেকে রবীন্দ্রনাথ বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের এক মহাশক্তিধর যোদ্ধা, তাঁর সম্বন্ধে এঁরা তাই এত স্পর্শকাতর।

Read More »

মীরাতুন নাহারের প্রবন্ধ

হিন্দু-সাম্প্রদায়িকতা এবং মুসলমান-সাম্প্রদায়িকতা উভয়কেই তিনি যুক্তি ও তথ্যদ্বারা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় ধ্বংসাত্মক বলে বোঝাতে চেয়েছেন দেশবাসীকে। কিন্তু ধর্মনিরপেক্ষতার আদর্শের দ্বারা অনুপ্রাণিত দেশবাসীকে তিনি হিন্দুত্ববাদী সাম্প্রদায়িকতার বিপদ সম্পর্কে অধিকতর সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন, যদিও তাঁর মূল লক্ষ্য ছিল ‘সাম্প্রদায়িকতার বিষ’ দেশবাসীর মন থেকে নিষ্কাশন করে দেশকে বিপন্মুক্ত করা।

Read More »

গৌতম ঘোষের প্রবন্ধ

চলচ্চিত্রের ধর্ম হল সময়কে ধরে রাখা, সময়ের স্মৃতিমালাকে ধরে রাখা। সেই পদ্ধতি, সেই প্রক্রিয়া কিন্তু চলতেই থাকবে। এখন আমাদের আরও মানবিক হতে হবে। চলচ্চিত্র যারা তৈরি করবেন তারা শুধুমাত্র সস্তার বিনোদন সরিয়ে রেখে একটু মানবিক ছবি করবেন। যেখানে প্রকৃতি ও মানুষের সম্পর্ক, মানুষ ও সমাজের সম্পর্ক, মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক থাকবে। যা আমরা বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ক্লাসিক সব সিনেমায় দেখেছি, সেই ভাবনায় ভাবতে হবে।

Read More »

সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়ের বিশেষ নিবন্ধ

বস্তুত সুকান্ত কবিতার চাইতে বড়। তিনি এক প্রতীকচিহ্ন। সারা ভারতে যখন কবিকে ভাবা হয়েছে জনতার একজন প্রতিনিধি হিসেবে, তখন সুকান্তকেই ভাবা হয়েছে। তামিল বা হিন্দি সিনেমাতেও হয়েছে। যেমন রাজেশ খান্নার ‘অনুরোধ’ নামের ছবিটিতে যে কবিটি রাজেশের বন্ধু ছিলেন তার নাম সুকান্ত। অথবা অতদূরে কেন যাই, বাংলায় উত্তম-তনুজার ‘দেনা পাওনা’ ছবিতে উত্তম যে বন্ধুর চিকিৎসার জন্য কলকাতায় আসেন, তার নামও তো সুকান্ত। তিনিও তো ফুসফুসের রোগী।

Read More »