Search
Generic filters
Search
Generic filters
অমিতাভ ভট্টাচার্য

অমিতাভ ভট্টাচার্য

অমিতাভ ভট্টাচার্য মূলত ‘গল্পিকা’, কবিতা, ছড়া, প্রবন্ধ লেখেন। এখনও অবধি একটি ছাপা বই ও দুটি ই-বুক প্রকাশিত, সেগুলি যথাক্রমে ‘মিসঅ্যানথ্রোপ, পটল-চিংড়ি ও অন্যান্য গল্পিকা’, ‘বিন্দাস ভ্রমণ’, এবং ‘কমিউনিস্টরা কী চান?’
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

অমিতাভ ভট্টাচার্যের গুচ্ছ কবিতা

এখনও কলম হয়নি দুর্বিনীত/ কবিতা এখনও নিছকই ব্যক্তিগত/ যৌবন শোনে শিবতাণ্ডব স্তোত্র/ মিথ্যে এখন জলের মতনই সত্য।//
নির্ভীক মানে উলঙ্গ চাটুকার,/ বুঝিয়ে ছাড়বে, ধর্ম থাকতে/ ভাতের কী দরকার?/ প্রগতিশীলেরা জল মাপে বুঝেশুনে/ দালালি তো তারা করবেই প্রতিবার।// স্বাধীন হয়েছি কত যুগ কত কাল/ নির্বাচনের গুরুতর ইস্যু/ বিনে পয়সার চাল।/ ছড়িয়ে দিলেই আজও অগুন্তি কাক,/ খালিপেটে ভারী মনোরম লাগে/ প্রগতির হাঁকডাক।

Read More »

ধর্ম কেন নিজেকে ‘বিজ্ঞান’ প্রমাণে মরিয়া

বিজ্ঞানের কোনও সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠিত হলেই ধর্মের পাণ্ডারা বলতে থাকেন এ তো আমাদের ধর্মগ্রন্থে বহুদিন ধরেই আছে। তাঁরা অবশ্য সবসময়ই কোনও বৈজ্ঞানিক সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠার পরেই দাবিটা তোলেন। ডারউইন বিবর্তনবাদের কথা তোলার পরে ভারতের কিছু লোক বলেছিলেন, আমাদের অবতারের ধারাটা দেখুন, মাছ, কচ্ছপ আর শুয়োর এবং তারপরে মানুষ। আমাদের এখানে প্রাচীনকালেও বিবর্তনের ধারণা ছিল। কিন্তু মুশকিল হচ্ছে ডারউইনের বিবর্তনবাদ বাজারে আসার আগে তাঁরা এটা কেউ বুঝতে পারেননি।

Read More »

শুধুই প্রকৃতিপ্রেমী নন, বাস্তববাদেরও নিখুঁত শিল্পী বিভূতিভূষণ

বিভূতিভূষণের কথাসাহিত্যে বাস্তববাদ নিয়ে লেখা এগিয়েছে ভারি মনোজ্ঞ-সুখপাঠ্য ভাষায়, ছোট ছোট প্রবন্ধে ভাগ করে। কোথাও কোনও না-বোঝার জায়গা বা ধোঁয়াশা নেই। প্রচুর উদাহরণ দিয়ে লেখক প্রমাণ করেছেন বিভূতিভূষণ শুধুই প্রকৃতিপ্রেমী নন, তিনি বাস্তববাদেরও একজন নিখুঁত শিল্পী। বইটি পড়ার সঙ্গে সঙ্গে আরও একবার যেন নতুন করে পড়া হয়ে যায় বিভূতিভূষণের কালজয়ী সৃষ্টিগুলিকে।

Read More »

অনধিকার চর্চা

সভ্যতা যে যে সুবিধে দিয়েছে তা প্রত্যেক মানুষের জন্যে বরাদ্দ করতে হবে। এই হল মোদ্দা কথা। ঘরে এসি চালিয়ে স্কচে চুমুক দিতে দিতে ল্যাপটপে এয়ারলাইন্সের টিকিট বুক করার পরে ‘একেই কি বলে সভ্যতা’ নামক ফেসবুক গ্রুপে বীরভূমে কয়লাখনি হলে তসরের পোকার কী হবে, কিংবা কীভাবে বিলিতি দারু আদিবাসীদের সংস্কৃতিকে ধ্বংস করছে সে নিয়ে জ্ঞানবর্ষণ খুবই স্বার্থপরের মত কাজ বলেই মনে হয়।

Read More »

মার্কসীয় নন্দনতত্ত্ব কোন মাপকাঠিতে শিল্পসাহিত্যকে বিচার করে

শিল্পসাহিত্যে স্পষ্ট মেসেজ খুঁজে না পেলে তাকে শিল্পসাহিত্য বলে না-মানা যেমন একটি একদেশদর্শী চিন্তা, তেমনই কোনও উদ্দেশ্য ছাড়াই শুধুই সৃষ্টির জন্যে শিল্পসাহিত্যর কথা যাঁরা বলেন তাঁরা নেহাতই মিথ্যা বাগাড়ম্বর করেন। শিল্পসাহিত্যর একটা উদ্দেশ্য তো থাকতেই হবে, শিল্পর জন্যে শিল্প কথাটা শুনতে ভাল তবে তা সোনার পাথরবাটিতে কাঁঠালের আমসত্ত্ব খাওয়ার মত।

Read More »

‘ঋণং কৃত্বা ঘৃতং পিবেৎ’ বিকৃতি, চার্বাকদের হেয় করতে

প্রাচীন ভারতের নানান সূত্র ঘেঁটে রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য প্রমাণ করেছেন যে চার্বাকদের নামে চলা একটি শ্লোক ‘ঋণং কৃত্বা ঘৃতং পিবেৎ’ আদতে একটি বিকৃতি, চার্বাকদের অপদস্থ করার জন্যে। কাণ্ডটি ঘটিয়েছিলেন সায়ণ-মাধব তাঁর ‘সর্বদর্শন সংগ্রহ’ বইতে।

Read More »

মহাভারত : চিরায়ত সাহিত্য বনাম ধর্মগ্রন্থ

ধর্ম কোথায়? ‘মহাভারত’ তো অধর্মময়! এমনকি ‘মহাভারত’-এ যেসব অন্য গল্প ঢুকেছে সেগুলোতেও, সে কচ দেবযানী, যযাতী, নল দময়ন্তী, দুষ্মন্ত শকুন্তলা, সবেতেই অধর্মেরই জয়জয়কার। আসলে কবিরা সমাজের ছবি এঁকেছেন। ‘মহাভারত’-এর সমাজ মোটেই ধর্মশাস্ত্রে বর্ণিত আদর্শ সমাজ নয়।

Read More »

সুকুমার অনুরাগীরা প্রবন্ধগুলি পড়লে উপকৃতই হবেন

সুকুমার রায়ের সাহিত্য ছোটবেলায় পড়লে একরকম লাগবে। কিন্তু বুদ্ধি পাকলে সেখানে খুঁজে পাওয়া যাবে অনেক কিছু। যাকে কেবলই ননসেন্স আজগুবির লাইনে ফেলা যাবে না। এই প্রবন্ধে রামকৃষ্ণবাবু সেই ভাবনারই খেই ধরিয়ে দেওয়ার কাজটি করেছেন।

Read More »

আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল ও দুই বিখ্যাত বাঙালি

কী অসাধারণ শিক্ষাই না আমরা পেতে পারি, উৎসাহিত হয়ে পারি খেলোয়াড়দের থেকে! একটি উদাহরণ: প্রথম বিশ্বকাপে সোনাজয়ী উরুগুয়ে দলে ছিলেন হেক্টর কাস্ত্রো। তেরো বছর বয়সে মেশিনে তাঁর ডানহাত কাটা পড়েছিল। অদম্য উৎসাহে তিনি ফুটবল খেলেছেন, জাতীয় দলে স্থান করে নিয়েছেন, আর ফাইনালে জয়সূচক গোলটিও তাঁর-ই করা! তাঁর স্বদেশবাসী তাঁকে ডাকতেন— ‘এল ডিভিনো মানকো’, অর্থাৎ একহাত-বিশিষ্ট ঈশ্বর।

Read More »

আমেরিকার স্বাধীনতা: আড়াইশো বছর

১৬০৭ থেকে ১৭৮৩ পর্যন্ত সময়কাল আমেরিকায় ব্রিটেনের ঔপনিবেশিক রাজত্ব। আজকের দিনে যে আমেরিকা, তা কিন্তু পুরোটা ব্রিটিশদের দখলে ছিল না। ছিল ভার্জিনিয়া, ম্যাসাচুসেটস, নিউ ইয়র্ক, পেনসিলভেনিয়া-সহ ১৩টি রাজ্য। আর কানাডার বেশ কিছু অঞ্চল। আমেরিকার অন্যান্য স্থানে ফরাসি, ডাচ, নরওয়েজিয়, সুইডিস উপনিবেশ-ও ছিল। তাছাড়া রাশিয়া আমেরিকার আলাস্কা থেকে ক্যালিফোর্নিয়া পর্যন্ত দখল করে। পরে সে আলাস্কা আমেরিকার কাছে বিক্রিও করে দেয়।

Read More »

গোদাবরীর গোমুখে

গঙ্গার মর্ত্যে আগমন নিয়ে যেমন ভগীরথের গল্প, তেমনই গোদাবরীর উৎসস্থলে না এলে জানা যেত না, দক্ষিণের গঙ্গা নিয়েও আছে হাজার গল্প। যে গল্প জানাবে আজও এই অঞ্চলের মানুষ অনেক সময়েই কাছাকাছি আর কোনও পানীয়জল না পেয়ে কষ্ট করে হলেও এই উৎসস্থলে এসেই শীতল এই পানীয়জল নিয়ে যান নিজেদের কাজের জন্য। গঙ্গা বা অন্য নদী সে শুধু ধার্মিক আবেগের কারণে পবিত্র না, হাজার প্রাণীর ‘তৃষ্ণা’ মেটাবার জন্য সে হয়ে ওঠে ‘দেবী’ বা ‘পবিত্র’। সে পথে মিশে যায় হাজার গল্প-কষ্ট কিংবা দিনযাপনের চরম বাস্তবতা।

Read More »

রুহের কবিতাগুচ্ছ

একই আলোকমালায় কাটিয়েছি/ বহুকাল দু’জনে…/ বলিনি কখনও।/ তারা খসা দেখেছি একসাথে, যদিও/ গোপন থেকেছে চাওয়া-পাওয়া।/ মাঝে বহুদিন, বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মতো/ একা… নীরবে বয়েছি যাতনা।/ আজ মিথ্যের নেই অবকাশ/ তোমাকে কি পড়েনি মনে/ কোনও মুহূর্ত বা ক্ষণে/ ভাবিনি কি একান্ত বন্ধু আমার—/ এতদিন পরে, পুনর্মিলনে বলেছ/ পাখি হতে চেয়েছিলে এ জীবনে

Read More »

যুদ্ধ: বৈশ্বিক কসাইখানা, পুঁজির সংকট ও শ্রমের মুক্তি

অবিক্রীত পণ্যের পাহাড় যখন পুঁজির পুনরুৎপাদনকে বাধাগ্রস্ত করে, তখন পুঁজিপতিরা তীব্র আতঙ্কে ভোগে। এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য তারা প্রতিযোগী পুঁজিপতির বাজার ও পণ্য ধ্বংস করতে চায়। আর এই ধ্বংসের বৈধ হাতিয়ার হিসেবে তারা রাষ্ট্র ও সামরিক বাহিনীকে ব্যবহার করে যুদ্ধ বাধিয়ে দেয়। অর্থাৎ, উদ্বৃত্ত পণ্য এবং অতিরিক্ত শ্রমকে ধ্বংস করে পুঁজির ভারসাম্য ফিরিয়ে আনাই বুর্জোয়া যুদ্ধের মূল উদ্দেশ্য। এই শোষণের প্রক্রিয়াকে আড়াল করতে রাষ্ট্র একদল বুদ্ধিজীবী ও নীতিবিদ লালন করে, যারা কৃত্রিম ‘দেশপ্রেম’ ও ‘জাতীয়তাবাদ’-এর আফিম খাইয়ে শ্রমিককে বিভ্রান্ত রাখে, যাতে তারা শোষক ও শোষিতের মধ্যকার মৌলিক শ্রেণি-পার্থক্য ভুলে যায়।

Read More »

বিশ্বকাপ জৌলুসে আর্জেন্টিনা গণহত্যার বধ্যভূমি

বুয়েনস আইরেসের রিভার প্লেটের যে স্টেডিয়ামে তখন খেলা হত, তার মাত্র এক মাইল দূরে ছিল সামরিক সরকারের বন্দিশিবির নেভি স্কুল অব ম্যাকনিকস। সাংবাদিক ডেভিড কক্স ফুটবল বিশ্বকাপের খবর সংগ্রহ করতে গেছিলেন। তিনি ‘ডার্টি ওয়ার’ বইতে লিখেছিলেন, যখন স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনার ম্যাচ চলত তখন ওই টর্চার সেল থেকে কান্নার শব্দ শোনা যেত। আর্জেন্টিনার ভুবনমোহিনী ফুটবলে লেগে আছে রক্ত।

Read More »