Search
Generic filters
Search
Generic filters
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

দীপক সাহার বিশেষ প্রতিবেদন

যে শব্দে আসে উমা

দী প ক  সা হা

শারদ-প্রভাতের নির্মল আকাশে যখন সাদা মেঘের ভেলা ভেসে বেড়ায়, কাশফুলের শুভ্র ঢেউ যখন নদীতীরকে অলংকৃত করে, তখন বাঙালির মনেও বেজে ওঠে এক অদৃশ্য সুর। সেই সুর কেবল শরতের নয়, সেই সুর আগমনির। আর আগমনি সুরের প্রাণকেন্দ্রে রয়েছে এক অনন্য বাদ্যযন্ত্র— ঢাক। দুর্গাপুজো মানেই ঢাকে কাঠি। ঢাকের আওয়াজ ছাড়া দুর্গাপুজোর কল্পনা যেন অসম্পূর্ণ। আবহমানকাল থেকে আজ পর্যন্ত বাংলার দুর্গোৎসবের প্রাণস্পন্দন হয়ে রয়েছে ঢাক। দেবী দুর্গার আগমনের সংবাদ, উৎসবের উন্মাদনা, আরতির মুগ্ধতা, বিসর্জনের বিষাদ— সবকিছুরই ভাষা যেন এই ঢাক। আধুনিকতার যুগে ডিজিটাল সাউন্ড, ডিজে মিউজিক, ইলেকট্রনিক ড্রাম কিংবা নানা বিদেশি বাদ্যযন্ত্রের দাপট যতই বাড়ুক না কেন, দুর্গাপুজোর প্রাণস্পন্দন আজও ঢাকের বোলেই ধ্বনিত হয়। আবহমানকাল থেকে আজ পর্যন্ত বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসবকে প্রাণবন্ত করে তুলেছে ঢাক। এই ঢাক কেবল একটি বাদ্যযন্ত্র নয়; এটি বাংলার সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, আবেগ এবং শিকড়ের প্রতীক। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে দুর্গাপুজোর সঙ্গে ঢাক এমনভাবে মিশে গেছে যে, ঢাকের শব্দ শুনলেই বাঙালির মনে ভেসে ওঠে মণ্ডপ, প্রতিমা, ধূপ-ধুনো আর উৎসবের রঙিন স্মৃতি।

মহালয়ার ভোর বাঙালির কাছে এক আবেগঘন মুহূর্ত। দেবীপক্ষের সূচনা, পিতৃপক্ষের অবসান এবং দেবীর আগমনের বার্তা বহন করে। বেতারে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রর উদাত্তস্বরে মোহময়ী কণ্ঠে চণ্ডীপাঠের সঙ্গে যখন ঢাকের গম্ভীর আওয়াজ মিশে যায়, তখন মনে হয় সমগ্র প্রকৃতি যেন এক নতুন উৎসবের প্রস্তুতি নিচ্ছে। সেই মুহূর্তে ঢাকের প্রতিটি বোল হয়ে ওঠে দেবী দুর্গার আগমনের আহ্বান। অনেক গ্রামে এখনও মহালয়ার দিন প্রথম ঢাক বাজানোর একটি অলিখিত রীতি রয়েছে। ঢাকিরা সেই দিন নতুন উদ্যমে তাদের বাদ্যযন্ত্রকে প্রস্তুত করেন। চামড়ার টান পরীক্ষা করেন, কাঠির ভারসাম্য মিলিয়ে নেন। কারণ তাঁদের বাজনাতেই শুরু হবে বছরের সবচেয়ে বড় উৎসবের আবহ। ঢাকের শব্দের মধ্যে এক আশ্চর্য শক্তি রয়েছে। মানুষের মনে আনন্দ, উদ্দীপনা এবং প্রত্যাশার জন্ম দেয় এই শব্দ। যেন বহুপ্রতীক্ষিত অতিথির আগমনের সংবাদ বহন করে আনে।

ঢাকের ইতিহাস বাংলার লোকজ সংস্কৃতির ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। প্রাচীনকাল থেকেই বাংলায় নানা ধরনের চর্মবাদ্যের প্রচলন ছিল। লোক উৎসব, মেলা, ধর্মীয় অনুষ্ঠান এবং সামাজিক আচার-অনুষ্ঠানে এসব বাদ্যযন্ত্র ব্যবহৃত হত। তবে দুর্গাপুজোর সঙ্গে ঢাকের সম্পর্ক ধীরে ধীরে এতটাই গভীর হয়ে ওঠে যে, একটিকে অন্যের থেকে আলাদা করে ভাবাই কঠিন। মধ্যযুগে জমিদারবাড়ির দুর্গাপুজোয় ঢাক ছিল অপরিহার্য। বিশাল আয়োজনের প্রতিটি পর্বে ঢাক বাজানো হত। জমিদাররা দূরদূরান্ত থেকে দক্ষ ঢাকিদের আমন্ত্রণ জানাতেন। তাঁদের বাজনায় জমে উঠত পুজোর পরিবেশ। সময়ের সঙ্গে জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হয়েছে। দুর্গাপুজোও বারোয়ারি রূপ পেয়েছে। কিন্তু ঢাকের গুরুত্ব কমেনি। বরং সাধারণ মানুষের উৎসবে ঢাক আরও বেশি করে আপন হয়ে উঠেছে। আজকের থিম-ভিত্তিক পুজো, কর্পোরেট স্পনসরশিপ কিংবা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির যুগেও ঢাক সেই একই গুরুত্ব নিয়ে উপস্থিত। কারণ এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাংলার বহু প্রজন্মের স্মৃতি ও অনুভব।

একটি ঢাক তৈরি করা নিছক কারিগরি কাজ নয়; এটি এক ধরনের শিল্প। সাধারণত বড় আকারের কাঠকে ফাঁপা করে ঢাকের মূল কাঠামো তৈরি করা হয়। এরপর দুই পাশে পশুর চামড়া টেনে বাঁধা হয়। চামড়ার গুণমান, টান এবং বাঁধনের কৌশলের ওপর নির্ভর করে ঢাকের স্বর। একজন অভিজ্ঞ কারিগর জানেন কোন কাঠের শরীর থেকে কেমন ধ্বনি বের হবে। তিনি জানেন কোথায় কতটা পুরুত্ব রাখতে হবে, কোথায় কতটা ফাঁপা করতে হবে। একটি ভাল ঢাক তৈরিতে বহুদিনের শ্রম এবং দক্ষতা লাগে। ঢাকের সঙ্গে ঝুলে থাকে রঙিন পালক বা শোলা দিয়ে তৈরি সাজসজ্জা। বিশেষ করে সাদা কাশফুলের মতো পালক লাগানো ঢাক পুজোর সময় এক অপূর্ব দৃশ্য সৃষ্টি করে। দূর থেকে সেই সাজানো ঢাক দেখে বোঝা যায়, উৎসবের দিন এসে গেছে।

দুর্গাপুজোর আলোয় আলোকিত মণ্ডপ, মনোরম প্রতিমা বা চমকপ্রদ থিমের পেছনে যেমন শিল্পীদের অবদান রয়েছে, তেমনই রয়েছে ঢাকিদের অবিরাম পরিশ্রম। অথচ তাঁদের কথা অনেক সময় আলোচনার কেন্দ্রে আসে না। বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পূর্ব বর্ধমান, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, মালদহ-সহ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলার অসংখ্য পরিবার প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ঢাক বাজানোর সঙ্গে যুক্ত। বছরের অধিকাংশ সময় তাঁরা কৃষিকাজ, শ্রমজীবী পেশা বা অন্য কাজে যুক্ত থাকেন। কিন্তু শরৎ এলেই কাঁধে ঢাক তুলে তাঁরা বেরিয়ে পড়েন শহর ও মফস্বলের পথে। কলকাতার বড় বড় পুজো থেকে শুরু করে গ্রামের ছোট মণ্ডপ— সবখানেই তাঁদের চাহিদা। অনেক ঢাকি মাসখানেকের জন্য বাড়ি ছেড়ে থাকেন। পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে তাঁরা এই কষ্ট স্বীকার করেন। তাঁদের বাজনায় যে আবেগ, যে নিষ্ঠা এবং যে শিল্পবোধ ফুটে ওঠে, তা কেবল অনুশীলনের ফল নয়; এটি উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত সাংস্কৃতিক সম্পদ।

দুর্গাপুজোর এমন কোনও গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত নেই, যেখানে ঢাকের উপস্থিতি নেই। ষষ্ঠীর বোধনের সময় ঢাকের গম্ভীর আওয়াজ যেন দেবীকে জাগ্রত করার আহ্বান। সপ্তমীর নবপত্রিকা স্নানে ঢাকের তাল নদীর জলের সঙ্গে মিশে এক রহস্যময় আবহ তৈরি করে। অষ্টমীর অঞ্জলিতে ঢাকের মৃদু ছন্দ ভক্তির অনুভূতিকে আরও গভীর করে তোলে। তবে সবচেয়ে নাটকীয় মুহূর্ত আসে সন্ধিপুজোয়। অষ্টমী ও নবমীর সন্ধিক্ষণে যখন ১০৮ প্রদীপ জ্বলে ওঠে, ধূপের ধোঁয়ায় চারদিক আচ্ছন্ন হয়ে যায়, তখন ঢাকের দ্রুত ও তীব্র বোল সমগ্র পরিবেশকে অলৌকিক করে তোলে। মনে হয় দেবী যেন সত্যিই উপস্থিত। আবার সন্ধ্যার আরতিতে ধুনুচি নাচের সঙ্গে ঢাকের তাল মিশে সৃষ্টি করে উৎসবের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দৃশ্যগুলির একটি। ঢাকিরা তখন তাঁদের সমস্ত দক্ষতা উজাড় করে দেন। কখনও ধীর, কখনও দ্রুত, কখনও হঠাৎ বিরতি— এই ওঠানামার মধ্যেই সৃষ্টি হয় আবেগের জোয়ার।

ঢাকেরও নিজস্ব ভাষা আছে। এই ভাষা শব্দের নয়, ছন্দের। একজন দক্ষ ঢাকি বিভিন্ন অনুষ্ঠানের জন্য ভিন্ন ভিন্ন বোল ব্যবহার করেন। আগমনি ঢাকের সুর আলাদা। আরতির ঢাকের তাল আলাদা। বিসর্জনের ঢাক আবার সম্পূর্ণ ভিন্ন আবেগ বহন করে। অভিজ্ঞ ঢাকি পরিবেশ বুঝে তাল পরিবর্তন করতে পারেন। কখন উচ্ছ্বাস বাড়াতে হবে, কখন আবেগ জাগাতে হবে, কখন বিষাদের সুর আনতে হবে— সবই তাঁর জানা। লোকসংস্কৃতি গবেষকদের মতে, ঢাকের এই বৈচিত্রময় বোল বাংলার মৌখিক ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে তা মুখে মুখে, হাতে হাতে সঞ্চারিত হয়েছে।

Advertisement

দুর্গাপুজোর অন্যতম আকর্ষণ ধুনুচি নাচ। কিন্তু ঢাক ছাড়া কি ধুনুচি নাচ কল্পনা করা যায়? ধুনুচির ধোঁয়ার কুণ্ডলী, আরতির আলো এবং ঢাকের বেগবান তাল— এই তিনের মিলনে সৃষ্টি হয় এক মোহময় পরিবেশ। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবাই অংশ নেন এই নৃত্যে। ঢাকের প্রতিটি বোল তাদের শরীরকে ছন্দময় করে তোলে। অনেক ক্ষেত্রে ঢাকিরা ধুনুচি নাচের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিশেষ ছন্দ বাজান। সেই মুহূর্তে দর্শক ও অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে এক অদ্ভুত সংযোগ তৈরি হয়। উৎসব তখন কেবল দেখার বিষয় থাকে না; হয়ে ওঠে অনুভবের বিষয়।

বর্তমান যুগে প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে নানা ধরনের আধুনিক বাদ্যযন্ত্র সহজলভ্য হয়েছে। ডিজিটাল সাউন্ড সিস্টেম, ইলেকট্রনিক ড্রাম, সিনথেসাইজার, রিমিক্স ট্র্যাক— সবই পুজোর অংশ হয়ে উঠেছে। অনেক মণ্ডপে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন সাউন্ডবক্সে গান বাজানো হয়। কখনও কখনও ডিজের তালে তরুণদের উচ্ছ্বাসও চোখে পড়ে। কিন্তু এসবের মধ্যেও যখন একটি আসল ঢাক বাজতে শুরু করে, তখন চারপাশের পরিবেশ যেন মুহূর্তে বদলে যায়। কারণ ঢাক কেবল শব্দ উৎপন্ন করে না; এটি আবহ সৃষ্টি করে। এর প্রতিটি ধ্বনি মানুষের স্মৃতি, সংস্কৃতি এবং আবেগকে স্পর্শ করে। ডিজিটাল প্রযুক্তি সেই অনুভূতির বিকল্প হতে পারে না। এই কারণেই আধুনিকতার ঝড়ের মধ্যেও দুর্গাপুজোর মূল সুর আজও ঢাকের বোলেই বাঁধা।

একসময় ঢাক বাজানো ছিল পুরুষদের একচ্ছত্র ক্ষেত্র। কিন্তু সময় বদলেছে। বর্তমানে বহু নারী ঢাকি দুর্গাপুজোর মণ্ডপে সমান দক্ষতায় ঢাক বাজাচ্ছেন। কলকাতা এবং জেলার বিভিন্ন স্থানে নারী ঢাকিদের দল গড়ে উঠেছে। তাঁরা প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন, পুরস্কার পাচ্ছেন এবং সামাজিক বাধা ভেঙে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন। এই পরিবর্তন কেবল একটি শিল্পচর্চার বিস্তার নয়; এটি সমাজের অগ্রগতিরও প্রতীক। ঢাক আজ আর নির্দিষ্ট কোনও গোষ্ঠীর সম্পদ নয়; এটি সকলের সাংস্কৃতিক অধিকার।

আজ পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে দুর্গাপুজো অনুষ্ঠিত হয়। লন্ডন, নিউ ইয়র্ক, টরন্টো, মেলবোর্ন, দুবাই কিংবা টোকিও— যেখানেই বাঙালির বসতি, সেখানেই দুর্গোৎসব। প্রবাসী বাঙালিরা পুজোর সময় বিশেষভাবে ঢাকের ব্যবস্থা করেন। অনেক ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গ থেকেই ঢাকি নিয়ে যাওয়া হয়। বিদেশের মাটিতে যখন ঢাকের বোল ওঠে, তখন প্রবাসী হৃদয়ে জেগে ওঠে মাতৃভূমির স্মৃতি। এক মুহূর্তের জন্য মনে হয়, হাজার হাজার কিলোমিটার দূরত্ব মুছে গেছে। ঢাকের আওয়াজ তাঁদের ফিরিয়ে নিয়ে যায় শৈশবের পুজোমণ্ডপে, গ্রামের বাড়িতে কিংবা কলকাতার চেনা রাস্তায়।

দশমীর দিন ঢাকের সুরে অন্যরকম আবেগ মিশে থাকে। চার দিনের আনন্দ, উল্লাস, মিলনমেলা শেষ হতে চলেছে। দেবী বিদায় নেবেন। বিসর্জনের শোভাযাত্রায় ঢাকের শব্দ কখনও তীব্র, কখনও বিষণ্ণ। মনে হয় যেন আনন্দ আর বেদনা পাশাপাশি হাঁটছে। একদিকে বিজয়ার উচ্ছ্বাস, অন্য দিকে বিচ্ছেদের কষ্ট। এই সময় ঢাকের প্রতিটি বোল যেন বলে— আসছে বছর আবার হবে। এই প্রত্যাশাই বাঙালিকে নতুন করে অপেক্ষা করতে শেখায়।

দুর্গাপুজো বাঙালির আত্মার উৎসব। এই উৎসবের রং আছে, আলো আছে, শিল্প আছে, সঙ্গীত আছে। কিন্তু এর প্রাণ কোথায়? সেই প্রশ্নের উত্তর একটাই— ঢাক। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে ঢাক বাংলার উৎসব-সংস্কৃতিকে প্রাণ দিয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তি এসেছে, নতুন বাদ্যযন্ত্র এসেছে, বিনোদনের ধরন বদলেছে; কিন্তু ঢাকের আবেদন অম্লান। কারণ এটি কেবল একটি বাদ্যযন্ত্র নয়, এটি বাঙালির সম্মিলিত স্মৃতি, ঐতিহ্য এবং আবেগের প্রতীক। শরতের নীল আকাশের নিচে, কাশবনের পাশে, আলোকিত মণ্ডপের সামনে কিংবা বিদেশের কোনও প্রবাসী পুজোয়— যেখানেই ঢাকের কাঠি পড়ে, সেখানেই জেগে ওঠে বাঙালির উৎসবপ্রাণ মন। তাই আজও বলা যায়, আধুনিক বাদ্যযন্ত্রের ভিড়েও দুর্গাপুজো মানেই ঢাকে কাঠি; আবহমানকাল থেকে আজ পর্যন্ত ঢাকের বোলেই মেতে ওঠে দুর্গাপুজোর আঙিনা, আর সেই বোলেই ধ্বনিত হয় বাংলার চিরন্তন সাংস্কৃতিক আত্মপরিচয়।

চিত্র: গুগল

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

seven − 2 =

Recent Posts

রথীন চক্রবর্তী

ইউক্রেন ভ্রমণ: রথীন চক্রবর্তী

ইউক্রেনে প্রথম দু’টি রাত র থী ন  চ ক্র ব র্তী যাক, শেষপর্যন্ত ইউক্রেনের মাটিতে পা রাখা সম্ভব হল! ভিসা পাওয়ার জন্য কলকাতায় নিজের অফিস

Read More »
বিজন সাহা

রাশিয়া ভ্রমণ: বিজন সাহা

ভ্রমণবিহীন ভ্রমণকাহিনি বি জ ন  সা হা উত্তর গোলার্ধে বিশেষ করে রাশিয়ায় গ্রীষ্ম মানেই কোথাও বেরিয়ে পড়া। লোকজন সাধারণত দক্ষিণমুখী হয়। আমি নিজে পছন্দ করি

Read More »
সুজিত বসু

সুজিত বসুর বিশেষ প্রতিবেদন

মহাকাশের ঈগল অলটিমিটার সু জি ত  ব সু চাঁদ যে পৃথিবীর একটি উপগ্রহ, তা আমরা সবাই জানি। আমরা অবশ্যই তার সৌন্দর্য উপভোগ করি কিন্তু বিজ্ঞানীদের

Read More »
সব্যসাচী সরকার

সব্যসাচী সরকারের বিশেষ প্রতিবেদন

সেই চক্রান্ত-ঘর স ব্য সা চী  স র কা র শ্রীপেরামবুদুরে গেলে, আপনি একটু থামবেন। হত্যার ইতিহাস যদি জানেন। দেশবাসী জানে। আপনিও জানেন। আপনি দুঃখ

Read More »
তরুণ সিংহ মহাপাত্র

তরুণ সিংহ মহাপাত্রের বিশেষ রচনা

‘দ্বিতীয় শ্রীক্ষেত্র’ বারিপদায় সুভদ্রার রথ টানেন মহিলারা ত রু ণ  সিং হ  ম হা পা ত্র বারিপদা ‘দ্বিতীয় শ্রীক্ষেত্র।’ বারিপদার রথযাত্রা ওড়িশার দ্বিতীয় বৃহত্তম। প্রাচীনত্ব,

Read More »
দীপক সাহা

দীপক সাহার বিশেষ প্রতিবেদন

যে শব্দে আসে উমা দী প ক  সা হা শারদ-প্রভাতের নির্মল আকাশে যখন সাদা মেঘের ভেলা ভেসে বেড়ায়, কাশফুলের শুভ্র ঢেউ যখন নদীতীরকে অলংকৃত করে,

Read More »