Search
Generic filters
Search
Generic filters
শুদ্ধসত্ত্ব ঘোষ

শুদ্ধসত্ত্ব ঘোষ

শুদ্ধসত্ত্ব ঘোষ বিবিধ লিটল ম্যাগাজিন, ওয়েব ম্যাগাজিন ও দৈনিক, সাপ্তাহিক পত্রিকাদিতে নিয়মিত লেখেন। উপন্যাস, নাটক, প্রবন্ধ, গল্প, কবিতা ইত্যাদি শাখায় বিচরণ। প্রকাশিত বই ‘মহাভারত’ (প্রথম থেকে ষষ্ঠ খণ্ড অবধি), ‘ভীষণ গোপনে বেঁচে আছি’ (কবিতা), ‘রঙ্গমঞ্চ’ এবং ‘ঘৃণার সীমান্তে’ (উপন্যাস)। লেখার পাশাপাশি নাট্য এবং চলচ্চিত্রের সঙ্গে স্বেচ্ছাশ্রমীরূপে যুক্ত।
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

থিয়েটার এবং প্লেগ

অঁতনা আখতু অনুবাদ: শুদ্ধসত্ত্ব ঘোষ ক্যালিয়ারি এই ছোট্ট নগরটির মহাফেজখানায়, যা সার্দেইনাতে, একটি বিস্ময়কর ঐতিহাসিক তথ্যের বিবরণ আছে। এপ্রিলের শেষে অথবা মে-র শুরুতে এক রাত্রে,

Read More »

গদার: দরজা-ফ্রান্স, বাস্তব-আমেরিকা এবং খোকাবাবুর দল

India’s First Bengali Daily Magazine. পেডার গ্রোংগার্ড এই সব তুলে এনেছেন তাঁর প্রবন্ধ ‘একটা দুটো জিনিস যা আমি জানি ইউরোপ কিম্বা আমেরিকার সিনেমা সম্পর্কে’ প্রবন্ধে। এই সকল কথা কিছু কিছু ফিল্ম নয়ারের কথা, সিনেমা বিষয়ক সিনেমার কথা এবং কাটাকাটি। বড় বড় দাদা-দিদিরা আমাদের খোকাবাবুদের দিকে চেয়ে থেকেই চোখ নষ্ট করে ফেলেছে। গদারের নষ্ট আখ্যান তাদের কাছে খুব ভারি। ঋত্বিক, সত্যজিৎ বিগত। মৃণাল এখন কাজের বাইরে। বাকি পাখি সব করে রব, কিন্তু রাতি পোহায় না।

Read More »

কালিকাপ্রসাদ: যেদিন ‘মধ্যপথে ঠেকল গাড়ি’

সিলেট, ময়মনসিংহ, কুষ্টিয়া, রাজশাহী, যশোর, নদিয়া, বীরভূম, বর্ধমান, মুর্শিদাবাদের বাউল ফকিরি গান— সে সব তত্ত্বতালাশ আপনার। মঞ্চে অবিরল ঝরেছে। এই বাংলার সেই সব যা এবারে আপনার কাছে ঋণ শুধবে। বা শুধবে সুধার ঋণ। বাংলার ভাঁটফুল, নদী ও নক্ষত্র ছিন্ন খঞ্জনার পা’য় যেমন যেভাবে বেজেছিল, আপনার সুধাকরতায়। এখন শূন্য লিখতে লিখছি অতীত কাল দিয়ে। বেজেছিল। অথচ বাজবেও। যা রয়ে গেল তা বাজবে তো। তবু গাড়ি কেন দীর্ঘ থেকে হ্রস্ব হবার পথে আমাদের নিঃস্ব করে কালিকা?

Read More »

তাঁর হাতে বই, মাথায় আলোকিত মানুষ

ভিখারির পায়ে লক্ষ্মী— এই আপ্তবাক্য সম্বল করে তিনি হেঁটে চলেছেন। কিন্তু এই ভিখারি সেই ভিখারি নন যিনি আত্মস্বার্থে ভিক্ষাবৃত্তিকে পেশা করেছেন। এই ভিখারি ভিক্ষা করেন না, দাবি করেন। নিজের জন্য তিনি ভিক্ষা করেননি কখনও। বরং যেখানে চাইতে গিয়েছেন সেখানে সদর্পে বলেছেন, তিনি জাতির হয়ে চাইতে এসেছেন, জাতির জন্য। দান করাটা মহত্ব নয়, না করাটাই অন্যায়, কর্তব্যচ্যুতি।

Read More »

ছোটগল্প: ফাউ

গরমকালে ছুটির দিনে ছাদে পায়চারি করতে বেশ লাগে। ঠান্ডা হাওয়ায় জুড়োয় শরীরটা। আকাশের একপাশে আবির। সন্ধে হবে হবে। অন্যদিকে কাঁচা হলুদ। চায়ের ট্রে নিয়ে জমিয়ে বসেছে রুমা। বিয়ের পর কি মানুষ প্রেম করতে ভুলে যায়? নিত্যদিন ভাত রুটি ডালের গল্পে প্রেম থাকে না কোথাও? অনেকদিন রুমার সঙ্গে শুধু শুধু ঘুরতে যায়নি ও।

Read More »

নারীকে আপন ভাগ্য জয় করিবার…

মনু-পরাশর-বৃহস্পতি-কৌটিল্যদের অনুশাসন এসে নারী প্রগতির রাশ টেনে ধরল। নারীর শিক্ষালাভের ইতি ঘটল, অন্তঃপুরে বাস নির্দিষ্ট হল তাঁর জন্য। তাঁকে বাঁধা হল একের পর এক অনুশাসনে। বলা হল, স্বাধীনতা বলে কোনও পদার্থ থাকবে না তাঁর, ‘ন স্ত্রী স্বাতন্ত্র্যমর্হতি’! কুমারী অবস্থায় পিতা-মাতার অধীন থাকবে সে, বিয়ের পর স্বামীর, বার্ধক্যে সন্তানের। ধাপে ধাপে তাঁর ওপর চাপানো হতে লাগল কঠিন, কঠিনতর, কঠিনতম শাস্তি।

Read More »

গরিব হওয়ার সহজ উপায়

এককালে পর্তুগিজ-মগরা আমাদের নিম্নবঙ্গ থেকে দাস সংগ্রহ করত মালয়-বার্মাতে শ্রমিকের কাজের জন্য, ইংরেজ সাহেবরাও কিনত গোলাম। আজ আবার মানুষ সস্তা হয়েছে। ঔপনিবেশিক শাসকের দরকার নেই। খোলাবাজারে নিজেরাই নিজেদের কিনছে দেশের মানুষ। মানুষ বিক্রির মেলা বসে এখন গ্রামগঞ্জের হাটে হাটে।

Read More »

মহাশ্বেতা দেবী: স্বনামে চিহ্নিত অনশ্বর প্রতিভা

গ্রামশি-বর্ণিত ও পরবর্তীতে বহুলচর্চিত ‘সাব অলটার্ন’-এর আগেই মহাশ্বেতার লেখায় ব্রাত্যজনসংহিতা মূর্ত; ‘অরণ্যের অধিকার’ প্রকাশিত হয় ১৯৭৭-এ। আর সাব অলটার্ন-তত্ত্ব প্রথম দানা বাঁধছে ১৯৮২-তে জ্ঞানেন্দ্র পাণ্ডে, রণজিৎ গুহ, গৌতম ভদ্র, শাহেদ আমিন, পার্থ চট্টোপাধ্যায়দের সঙ্কলন প্রকাশের মাধ্যমে। অবশ্য তার বহু আগেই ইতিহাস রচনায় সাব অলটার্ন চেতনায় স্থিতধী দেখা গেছে রবীন্দ্রনাথকে। স্বামী বিবেকানন্দ মূর্খ, চণ্ডাল ও দরিদ্র ভারতবাসীর মাহাত্ম্য বুঝিয়ে গেছেন, আর বিভূতিভূষণকেও আমরা সামগ্রিক বিচারে প্রান্তিক মানুষের কথাকার রূপেই পাই। কিন্তু মহাশ্বেতা আরও ব্যাপক, গভীর, তন্ময়, নিবিড়, ও নিঃসন্দেহে দলিত জনতার কথাকার।

Read More »

সারদাদেবী: এক অনন্যা মাতৃরূপা

ব্রাহ্মণ ঘরের মেয়ে ও বধূ হয়ে তিনি কিনা মুসলমান ঘরামি আমজাদকে খেতে দিয়ে তার এঁটোকাটা নিজের হাতে পরিষ্কার করেন! বিধর্মী খ্রিস্টান নিবেদিতার সঙ্গে বসে আহার করেন! আর তাঁর চেয়েও বড় কথা, সে যুগের বিচারে বিপ্লবাত্মক ঘটনা, স্বামীর মৃত্যুর পর যে দীর্ঘ চৌত্রিশ বছর বেঁচেছিলেন তিনি, বিধবাবিবাহের প্রবর্তক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর-ও যা কল্পনায় আনতে গেলে নির্ঘাত মূর্ছা যেতেন, লালপেড়ে শাড়ি আর সোনার বালায় ভূষিতা থাকতেন তিনি! আজকের উচ্চশিক্ষিত সমাজেও ক’জন পারবেন এ-কাজ করতে, বা নিদেন এ কাজকে সমর্থন করতে?

Read More »

জীবনচক্রের মহাকাব্য নবান্ন: শ্রম, প্রকৃতি ও নবজন্মের দ্বান্দ্বিকতা

নবান্ন। এটি কেবল একটি ঋতুভিত্তিক পার্বণ নয়; এটি সেই বৈদিক পূর্ব কাল থেকে ঐতিহ্যের নিরবচ্ছিন্ন ধারায় (যা প্রাচীন পুথি ও পাল আমলের লোক-আচারে চিত্রিত) এই সুবিস্তীর্ণ বদ্বীপ অঞ্চলের মানুষের ‘অন্নময় ব্রহ্মের’ প্রতি নিবেদিত এক গভীর নান্দনিক অর্ঘ্য, যেখানে লক্ষ্মীদেবীর সঙ্গে শস্যের অধিষ্ঠাত্রী লোকদেবতার আহ্বানও লুকিয়ে থাকে। নবান্ন হল জীবন ও প্রকৃতির এক বিশাল মহাকাব্য, যা মানুষ, তার ধৈর্য, শ্রম এবং প্রকৃতির উদারতাকে এক মঞ্চে তুলে ধরে মানব-অস্তিত্বের শ্রম-মহিমা ঘোষণা করে।

Read More »