
গোধূলি বলয়
‘গোধূলি বলয়’। সাহিত্যে এই সুন্দর শব্দযুগলের অর্থ, কল্পনা আর বাস্তবের মধ্যবর্তী এক অবস্থা; an undefined state between fantasy and reality। তবে বিজ্ঞানের জগতে এই গোধূলি

‘গোধূলি বলয়’। সাহিত্যে এই সুন্দর শব্দযুগলের অর্থ, কল্পনা আর বাস্তবের মধ্যবর্তী এক অবস্থা; an undefined state between fantasy and reality। তবে বিজ্ঞানের জগতে এই গোধূলি

India’s First Bengali Daily Magazine. প্রায় বেশিরভাগ গাছের ফুলই সাধারণত হয় উজ্জ্বল রঙের আর এই উজ্জ্বল রংই তো পাখি-পতঙ্গদের আকর্ষণ করে পরাগমিলন ঘটায়। কিন্তু এই বিশেষ ধরনের সবুজ ফুলগুলো বেশ অন্য রকম, যেন ছদ্মবেশধারী (camouflaged) আর খুব নীচের দিকে পাতার আড়ালে মাটির খুব কাছাকাছি নিজেদেরকে লুকিয়ে রেখেছে। তাই পাখি বা পতঙ্গের দ্বারা এদের পরাগমিলন সম্ভব হওয়ার কথা নয়। তাহলে প্রশ্ন হল, এই শ্রেণির ফুলের পরাগমিলন হয় কীভাবে?

India’s First Bengali Daily Magazine. ফ্লেমিঙ্গোর পালকের আকর্ষণীয় উজ্জ্বল গোলাপি রং… এ কিন্তু জন্মসূত্রে পাওয়া অথবা কোনও জিনগত কারণের ফলে নয়। বস্তুত সদ্যোজাত ফ্লেমিঙ্গো শিশুর গায়ের রং থাকে ধূসর (dull grey)। এরপর ধীরে ধীরে বেড়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে রঙের পরিবর্তন হতে থাকে। কীভাবে? এই রং পরিবর্তনের কারণ হল ফ্লেমিঙ্গোদের খাদ্যাভ্যাস। এই যে উজ্জ্বল গোলাপি রং… এর উৎস হল বিটা ক্যারোটিন নামে একটি রাসায়নিক যৌগ। এই বিটা ক্যারোটিন যৌগ হল কমলা রঙের একটি পিগমেন্ট।

India’s First Bengali Daily Magazine. জুলাই মাসের শুক্লপক্ষে পূর্ণিমার দিন যত এগিয়ে আসে স্ত্রী মাছেরা প্রস্তুত হতে থাকে প্রসবের (spawning) জন্য। অবশেষে আসে সেই পূর্ণিমার রাত। সেই রাতে সংঘটিত হয় এক অপরূপ দৃশ্য। রাত যত গভীর হয় স্ত্রী মাছেরা দলে দলে লেগুন সংলগ্ন চ্যানেল থেকে অজস্র ডিম ছাড়তে ছাড়তে (spawning) ওপরে উঠতে থাকে বিস্তীর্ণ সমুদ্রের উপরিভাগের দিকে নিষিক্তকরণের উদ্দেশে। আর এই স্ত্রী মাছেদের অনুসরণ করে ঠিক পিছন পিছন পুরুষ মাছেরা দলবদ্ধভাবে ছুটতে থাকে। স্ত্রী মাছেদের দ্বারা প্রসবিত রুপোলি ধারার আকারে নির্গত অজস্র ডিমের গুচ্ছকে আগলে নিয়ে এগোতে থাকে পুরুষ মাছের দল।

ট্রমা-চিহ্নিত সেলফিগুলি অ রি জি ৎ চ ক্র ব র্তী অজ্ঞাত পাণ্ডুলিপি থেকে উদ্ধারকৃত দু’টি টীকা (লেখকের নাম অনুপস্থিত। পাণ্ডুলিপির শেষ কয়েকটি পৃষ্ঠা বহু আগেই

পি য়া স ম জি দ অনিমিখ তোমার ভেতর যত ময়ূরতা, কেকা; আমি বন থেকে তার দিকে লক্ষ করে আছি। আমার চোখের সবুজ লোকালয়ের বাকি

জিতকা স্ব প ন কু মা র ম ণ্ড ল ১ হাটবারে বিদ্যাখাড়ির পাড়ে রাস্তা জুড়ে জমাটি ভিড়। মোরগ লড়াই চলছে। কাঁতিদার লড়াইয়ের তাগদ দেখে

সু দী প্ত মা জি মেঘ জংলা হাওয়ার গন্ধে জাগা নেশার মতো উড়িয়ে দিচ্ছ ওড়না তোমার, দিদিমণি এখন কি আর তেমন সবুজ বয়স আছে কুড়িয়ে

ডিঙি চ ম্পা রা য় ‘ও যদু… জাল নিয়া এগাও।’ মাঝ-নদীতে কারেন্ট জাল পাতছিল কালিচরণ। যদুকে ঘাটে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে হাঁক দিল। যদিও কালিচরণ জানে,

হৈ ম ন্তী ব ন্দ্যো পা ধ্যা য় মোহনার দিকে লুম্পেন হয়েছে রাত, রাহাজানি করে নিয়ে গেছে মন জ্যোৎস্নার গভীরদেশে ঘরবাড়ি তার গাঢ় হলুদের মতো