Search
Generic filters
Search
Generic filters

বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে ‘এক্ষণ’ পত্রিকা: একটি ধ্রুবতারা

আধুনিক বাংলা সাহিত্যে লিটল ম্যাগাজিন একটা বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে, এ কথা আমরা সবাই জানি। শহর কলকাতা সহ পশ্চিমবঙ্গের প্রত্যন্ত গ্রাম এবং দিল্লি ও মুম্বাই থেকেও অগণিত লিটল ম্যাগাজিন বেরিয়েছে। লেখার হাত মকশো করার সময় অনেক ছোট ছোট ছেলেমেয়েও ছোট পত্রিকা বের করেছে, যেগুলোর আয়ু দু-এক বছরের মধ্যেই শেষ। মানুষের সদিচ্ছে সেখানে কার্যকর হয়নি দুটি কারণে। অর্থ ও ভাল লেখা যেমন একটি, আর একটি কারণ সম্পাদনা। ধারাবাহিক প্রকাশিত হয়েছে বেশ কয়েকটি লিটল ম্যাগাজিন। এগুলির মধ্যে অবশ্যই উল্লেখযোগ্য নির্মাল্য আচার্য ও সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত ‘এক্ষণ’ পত্রিকা। পত্রিকার প্রথম সংখ্যাটি প্রকাশ হয়েছিল ১৩৬৮ সনের বৈশাখ মাসে। প্রথম সংখ্যা থেকে এই পত্রিকা পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল।

ষাটের দশকে বাংলা সাহিত্যের গতিপ্রকৃতি নিয়ে আন্দোলন হয়েছিল, হাংরি জেনারেশন ও শাস্ত্র-বিরোধী সাহিত্য। তাদের পত্রিকাও প্রকাশ হয়। কয়েক বছরের মধ্যে তাদের আর খুঁজে পাওয়া যায় না। আন্দোলন সত্ত্বেও তাঁরা দীর্ঘস্থায়ী কোনও ছাপ ফেলতে পারেননি।

‘এক্ষণ’ পত্রিকা ছিল যাবতীয় আন্দোলনের বাইরে। মনে রাখতে হবে, পত্রিকাগোষ্ঠীর লক্ষ্য ছিল সৃষ্টি, চমক নয়! এই নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গিই এক্ষণকে বিশেষ করেছে। উদ্দেশ্য সাহিত্য। উদ্দেশ্য আন্দোলন নয়। পত্রিকার সযত্ন সম্পাদনা এই কথাই প্রমাণ করে। দু-একটি ব্যতিক্রম ছাড়া এই পত্রিকা ছিল মূলত প্রবন্ধের। আজকের দিনে একথা ভাবা প্রায় অসম্ভব। তবে গল্প-কবিতা-নাটক-উপন্যাস-চিত্রনাট্য এবং স্মৃতিকথাও অনেক ছাপা হয়েছে। দু-একটি ব্যতিক্রম ছাড়া এক্ষণ পত্রিকায় মূলত তরুণ লেখকদের লেখাই প্রকাশ হত। তরুণ যাঁরা তাঁদের মানসসঞ্জাত নতুন ভাবনার ক্ষেত্র ছিল এক্ষণ।

প্রথম থেকে শেষ সংখ্যা পর্যন্ত একজন শিল্পীরই আঁকা প্রচ্ছদপট। তিনি সত্যজিৎ রায়। পত্রিকার নামকরণও তাঁরই!

তখনকার তরুণ লেখক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়, অতীন বন্দোপাধ্যায়, মতি নন্দী, বরেন গঙ্গোপাধ্যায় এবং সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের অনেক উল্লেখযোগ্য গল্প ছাপা হয়েছিল এক্ষণ পত্রিকায়। আর প্রবন্ধ? কেমন ধরনের প্রবন্ধ এই পত্রিকায় ছাপা হত একটু দেখা যাক! রবীন্দ্রনাথের ইতালি সফর ও রমাঁ রলাঁ— অবন্তীকুমার সান্যাল, সাহিত্যিক সমালোচনা— অরুণ মিত্র, দাস ক্যাপিটাল প্রসঙ্গে— অশোক মিত্র, বুদ্ধদেব বসুর কাব্য জিজ্ঞাসা— অশ্রুকুমার সিকদার, প্রসঙ্গ বিভূতিভূষণ— কার্তিক লাহিড়ী, অর্ধেন্দুশেখর মুস্তাফি— গিরিশচন্দ্র ঘোষ, মুঘল যুগে কৃষক বিদ্রোহ— গৌতম ভদ্র, দান্তের জীবনী— চঞ্চলকুমার চট্টোপাধ্যায়, ঈশ্বরের প্রতিদ্বন্দ্বী শশী ও রিউ— নবনীতা দেব সেন, ইউরোপীয় সংগীতের সন্ধানে— নীরদচন্দ্র চৌধুরী, ছক ও ছন্দ— পরিতোষ সেন, মেট্রোপলিটন মন— বিনয় ঘোষ (বিনয় ঘোষের অজস্র প্রবন্ধ এই পত্রিকায় ছাপা হয়েছে), রবীন্দ্র সংগীতে ভাববার কথা— সত্যজিৎ রায়! মাত্র কয়েকটি প্রবন্ধের উদাহরণ, পত্রিকার পঁয়ত্রিশ বছরের জীবনে এমন অসংখ্য বৈদগ্ধ্যপূর্ণ প্রবন্ধ পাঠকের তৃষ্ণা মিটিয়েছে।

ঐতিহাসিক রাধারমণ মিত্র ধারাবাহিক লিখেছেন ‘কলকাতার টুকিটাকি’, যা ছিল ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে কলকাতার ইতিহাস! একাধিক পুরস্কারে ভূষিত সুধীর চক্রবর্তীর ‘গভীর নির্জন পথে’ এই এক্ষণ পত্রিকাতেই ছাপা হয়েছিল।

এক্ষণের কথা বলতে গেলে সত্যজিৎ রায়ের নাম আসবেই। প্রথম থেকে শেষ সংখ্যা পর্যন্ত একজন শিল্পীরই আঁকা প্রচ্ছদপট। তিনি সত্যজিৎ রায়। পত্রিকার নামকরণও তাঁরই! কমলকুমার মজুমদারকে খুঁজে আনা ও তাঁর প্রকৃত প্রতিভাকে পাঠকের সামনে পেশ করার অবদানও সত্যজিৎ রায়ের।

নির্মাল্য আচার্য ও সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত ‘এক্ষণ’ পত্রিকা। পত্রিকার প্রথম সংখ্যাটি প্রকাশ হয়েছিল ১৩৬৮ সনের বৈশাখ মাসে।

বিশেষ সংখ্যার মধ্যে অতিশয় উল্লেখযোগ্য, দান্তে সংখ্যা ও কাল মার্ক্স সংখ্যা; যেদুটি সংখ্যা অবশ্যই ইতিহাস সৃষ্টিকারী। কমলকুমার মজুমদার নামে যে একজন মহান লেখক ছিলেন এই পত্রিকার প্রকাশ না হলে আমরা বোধহয় তা জানতেই পারতাম না, কারণ এহেন লেখকের উপন্যাস-গল্প-প্রবন্ধ ধারাবাহিক প্ৰকাশ করেছিল এক্ষণ, এবং চিত্রনাট্যও যে ছাপার যোগ্য তা আমরা জানতে পারলাম এই পত্রিকা থেকেই।

পরবর্তীকালে অনেক পত্রিকাই চিত্রনাট্য প্রকাশ করতে থাকে যার কৃতিত্ব অবশ্যই এক্ষণ পত্রিকার! সত্যজিৎ রায়ের সিনেমার প্রায় সবক’টি চিত্রনাট্য এক্ষণে ছাপা হয়েছে! এই পত্রিকাটি আধুনিক সাহিত্যের একটা নতুন ধারা আমাদের চিনিয়েছে, সেটি হল পুনর্মুদ্রণ! উনবিংশ শতাব্দীর অনেক অনেক বিখ্যাত গ্রন্থ যেগুলি এখন অবলুপ্ত সেইসকল গ্রন্থের পুনর্মুদ্রণ হয়েছে এক্ষণে। এখানেই শেষ নয়! উনবিংশ শতাব্দীর অনেক গৃহবধূর স্মৃতিকথা ছাপা হয়েছে এই পত্রিকায়। কৈলাসিনী দেবী এবং ইন্দিরা দেবী চৌধুরানীর স্মৃতিকথাও এই পত্রিকায় প্রকাশ হয়েছিল এবং প্রকাশমাত্রই সাড়া ফেলে দিয়েছিল অপ্রকাশিত মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়! তাঁর ডায়েরি-চিঠিপত্র-লেখালেখির খসড়া ইত্যাদির অজস্র ডায়েরি ছাপা হয়েছে এক্ষণ পত্রিকার একাধিক সংখ্যায়! একটি সংখ্যায় প্রকাশিত হয় ‘দিবারাত্রির কাব্য’ উপন্যাসের আদি তথা প্রাথমিক পাঠ। চমৎকার সম্পাদনা করেছিলেন যুগান্তর চক্রবর্তী, পরবর্তীকালে যা ‘অপ্রকাশিত মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়’ নামে পুস্তক আকারে প্রকাশিত হয়!

দু-একটি ব্যতিক্রম ছাড়া এই পত্রিকা ছিল মূলত প্রবন্ধের। আজকের দিনে একথা ভাবা প্রায় অসম্ভব।

এই পত্রিকায় যা কিছু ছাপা হয়েছে তার পিছনে উদ্যেশ্য ছিল, চমক নয়! বেশ কয়েকটি সংখ্যা প্রকাশের পর একার চেষ্টায় নির্মাল্য আচার্য পত্রিকা প্রকাশ করে যান! অপর সম্পাদক সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় চিত্রতারকার খ্যাতি ও সময়াভাবে সম্পাদনা থেকে সরতে বাধ্য হন। একা নির্মাল্য আচার্য সাধকের একনিষ্ঠতায়, নির্মোহভাবে পত্রিকাটি আমৃত্যু সম্পাদনা করে যান।

প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয় ১৩৬৮ সনে এবং শেষ সংখ্যাটি ১৪০২। সম্পাদক নির্মাল্য আচার্যের মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে পত্রিকা প্রকাশ বন্ধ হয়ে যায়! শেষতম সংখ্যাটিতে প্রকাশকের কথায় জানানো হয়েছে: ‘কিছু কিছু উদ্যোগ বা প্রতিষ্ঠান থাকে যা কেবল একজন ব্যক্তির চিন্তা-রুচি-দর্শন আর কর্তব্যনিষ্ঠার গুণে তার নিজস্ব বৈশিষ্ট্য অর্জন করে! এক্ষণ ছিল একান্তভাবেই নির্মাল্যবাবুর পত্রিকা। তাঁর অবর্তমানে পত্রিকার বিশিষ্ট চরিত্র বজায় রেখে প্রকাশ করা অসম্ভব। তাই এই সংখ্যাটি এক্ষণের শেষ সংখ্যা হিসাবে প্রকাশ করা হল।’

বঙ্গ সাহিত্যে ভারতবর্ষ, প্রবাসী, কল্লোল, কালিকলম, শনিবারের চিঠি, পরিচয়-এর পাশাপাশি এক্ষণ একটা বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে একথা ঐতিহাসিক সত্য।

চিত্র: গুগল

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

four × 4 =

Recent Posts

মলয়চন্দন মুখোপাধ্যায়

নারায়ণগঞ্জের দুর্গাপুজো

বাংলাদেশের নানা জেলার‌ রামকৃষ্ণ মিশনে ঘোরার অভিজ্ঞতায় দেখেছি, সব জায়গাতেই আচারপরায়ণ মহারাজ ও ব্রহ্মচারীদের সুমধুর ব্যবহার। এখানে এসেই যখন এখানকার অধ্যক্ষ মহারাজ স্বামী একনাথানন্দজির সঙ্গে আলাপ হল, মুহূর্তের মধ্যেই তিনি অন্তরঙ্গ হয়ে উঠলেন। আমাকে পূজামণ্ডপে নিয়ে তাঁর কাছে বসালেন। ষষ্ঠীর রাতে নববস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠান‌ ছিল। আমাকে দিয়েও বস্ত্রদান করালেন। এই যে আচরণ, এতে করে আমি যে কী পরিমাণ সম্মানিত বোধ করলাম, তা বলার‌ নয়। কেবল‌ তাই নয়, সমবেত দর্শক-শ্রোতার সামনে আমাকে কিছু বলার আমন্ত্রণ-ও জানালেন। আমাকে আপ্লুত করল তাঁর এই আহ্বান।

Read More »
মলয়চন্দন মুখোপাধ্যায়

দুর্গাপূজা ও প্রসঙ্গত

এতদিন ধরে অন্য কোনও দেবদেবীর পুজো কোথাও হয় না। দুর্গাপুজোর এটি একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য। আরও একটি বৈশিষ্ট্য, এই পুজো উপলক্ষে কত যে পত্রপত্রিকা বেরোয়, তার কোনও সীমা নেই। কলকাতা যেহেতু এ-পুজোর প্রাণকেন্দ্র, স্বভাবতই এখান থেকে সবচেয়ে বেশি পুজোসংখ্যা পত্রিকা বেরোয়। প্রতিটি দৈনিক পত্রিকা বিরাট আকারে পুজোর অর্ঘ্য সাজায়। প্রসঙ্গত, সত্যজিৎ রায় তাঁর যে দু’টি ভিন্নধারার লেখার মাধ্যমে দীর্ঘ পঞ্চাশ বছরের ওপর জনপ্রিয়তার শীর্ষে, তা কিন্তু এই পুজোর ‘দেশ’ আর’ আনন্দমেলা’-র সূত্রেই।

Read More »
মলয়চন্দন মুখোপাধ্যায়

মহালয়া

এই চণ্ডীপাঠকে অভাবিত মাত্রা দিয়েছে কলকাতার আকাশবাণী কেন্দ্র। ১৯২৭ সালে স্থাপিত হওয়া এই বেতার প্রচারকেন্দ্র থেকে (তখন নাম ছিল ‘Indian State Broadcasting Service’) ১৯৩১-এর ১১-ই অক্টোবর সর্বপ্রথম মহালয়ার অনুষ্ঠান প্রচারিত হয়। স্তোত্রপাঠে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র। পরিকল্পনা বাণীকুমার, প্রকৃত নাম বৈদ্যনাথ ভট্টাচার্য। সঙ্গীত পরিচালনায় রাইচাঁদ বড়াল ও পঙ্কজকুমার মল্লিক। অচিরেই এটি তুমুল জনপ্রিয় হয়। অদ্যাপি, প্রায় শতবর্ষ হতে চলল, অনুষ্ঠানটির জনপ্রিয়তায় বিন্দুমাত্র ভাটা পড়েনি। সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে শিল্পীর পরিবর্তন হয়েছে, মহালয়ার প্রাক্-সূর্যোদয়ে এখনও কী কলকাতা, কী কানপুর-ঢাকা-ম্যাসাচুসেটস-আগরতলা-আন্দামান-মেহেরপুর-টোকিওর বাঙালি এটা শুনতে ভোলেন না।

Read More »
মলয়চন্দন মুখোপাধ্যায়

চিরজীবী বিদ্যাসাগর

বিদ্যাসাগর ‘বর্ণপরিচয়’ লেখার মাধ্যমে শিশুশিক্ষার ক্ষেত্রে এক বিরাট ভূমিকা রেখেছিলেন। ১৮৫৫-র ১৪-ই এপ্রিল, অর্থাৎ ১২৬২-র পয়লা বৈশাখ এর প্রথম খণ্ড, ও সে বছরের-ই পয়লা আষাঢ় বইটির দ্বিতীয় খণ্ড বেরোয়। এর আগেও শিশুদের অক্ষর পরিচয় ও বাক্যগঠনের বেশ কিছু বই থাকলেও বিদ্যাসাগরের ‘বর্ণপরিচয়’ উপযোগিতার দিক দিয়ে সেগুলিকে, ও পরবর্তীকালে রবীন্দ্রনাথের ‘সহজপাঠ’-কে বহুগুণে ছাড়িয়ে গিয়েছে। তাঁর জীবিতকালেই বইটির ১৫০-এর ওপর সংস্করণ হয়, আর ছাপা হয়েছিল তিরিশ লাখের-ও বেশি। এখন-ও ও বইটির উপযোগিতা শেষ হয়ে যায়নি।

Read More »
মলয়চন্দন মুখোপাধ্যায়

অজানা বিভূতিভূষণ

নিতান্ত দারিদ্র্যের মধ্য থেকে তিনি উঠে এসেছিলেন বলে দারিদ্র্য ও প্রতিকূলতা নিয়ে তাঁর নিজস্ব এক দর্শন ছিল। তাই দেখি, ডায়েরির এক জায়গায় তিনি লিখছেন, ‘দুঃখ জীবনের বড় সম্পদ, দারিদ্র্য, ব্যর্থতা বড় সম্পদ— Sadness ভিন্ন profundity আসে না।’ অতীত দারিদ্র্যময় জীবনের কথা মনে করে নিজে সপ্তাহে একদিন শুধু নুন আর ভাত খেতেন।

Read More »
মলয়চন্দন মুখোপাধ্যায়

উত্তম উত্তম

বিশ্ব চলচ্চিত্রের ইতিহাসে কম মহা-অভিনেতা জন্মাননি। তাঁদের মধ্যে খুব সামান্য কয়েকজন আল পাচিনো, মার্লোন ব্র্যান্ডো, রবার্ট ডি নিরো, লরেন্স অলিভিয়ার, গ্রেগরি পেক, জিন-পল বেলমন্ডো, ব্রুস লি, ইনোকেন্তি স্মোকতুনভস্কি, জিন গ্যাবিন, মাইকেল কেইন প্রমুখ। কিন্তু কতজন মৃত্যুর প্রায় পঞ্চাশ বছর পরেও জনপ্রিয়তা বাড়িয়েই চলেছেন? সম্ভবত চার্লি চ্যাপলিনের পর একমাত্র উত্তম। এলিজাবেথ টেলর ‘নায়ক’ দেখে আপ্লুত হয়ে যে উত্তমের সঙ্গে ছবি করতে চেয়েছিলেন, উত্তমের অভিনয়ের এ-ও তো এক অনিবার্য স্বীকৃতি!

Read More »