Search
Generic filters
Search
Generic filters
শঙ্কর রায়

শঙ্কর রায়

শঙ্কর রায় প্রবীণ সাংবাদিক ও কলমচি। প্রধানত বাম রাজনীতি ও ইতিহাস এবং পরিবেশ নিয়ে লেখেন।
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

নকশালপন্থীরা আত্মসমালোচনায় অনীহ কেন

India’s First Bengali Daily Magazine. প্রায় সব নকশালপন্থী দল চারু মজুমদারের সমালোচনা করে না, নকশালবাদী আন্দোলনে হঠকারিতার জন্যও না। ‘জয় আমাদের হবেই, কারণ চিনের চেয়ারম্যান আমাদের চেয়ারম্যান’ এই আশ্বাস যে শূন্যগর্ভ ছিল, সেটাও প্রকাশ্যে স্বীকার করতে চায় না। বিপ্লবের সাফল্যের গ্যারান্টি কখনও ব্যক্তি মাও হতে পারেন না, এই বাস্তবিকতা সেই সময় কারও ভাবনায় এল না? চারু মজুমদারের মাও-প্রশস্তি প্রায় অন্ধত্বের পর্যায়ে পৌঁছেছিল। তিনি নিজেকে ১৯৬২-৬৩ সালেই চিনের কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য মনে করতেন।

Read More »

রবীন্দ্রনাথের চোখে ‘সোশ্যালিজ্‌ম্‌’

রাশিয়ায় অবিভক্ত বলশেভিক পার্টির প্রতিষ্ঠার (১৮৯৮) ছ’বছর আগে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘সাধনা’ মাসিক পত্রিকায় সমাজতন্ত্র নিয়ে একটি ছোট অথচ বিশেষ প্রণিধানযোগ্য নিবন্ধ লেখেন, শিরোনাম ছিল ‘সোশ্যালিজ্‌ম্‌’। শুরুতেই লিখেছেন, “বিলাতি খবরের কাগজে দেখা যায় য়ুরোপে সোশ্যালিস্ট সম্প্রদায়ের উপদ্রব প্রতিদিন গুরুতর হইয়া উঠিতেছে। ইহাদের দ্বারা সেখানে আজ হউক বা দুই দিন পরে হউক, একটা প্রচণ্ড সামাজিক বিপ্লব ঘটা অসম্ভব নহে। অতএব সোশ্যালিজ্‌ম্‌ মতটা কী তাহা আলোচনা করিয়া দেখিতে কৌতূহল জন্মে।…

Read More »

মাও-নিক্সন মোলাকাতের পঞ্চাশতম বার্ষিকী ও তার পশ্চাদপট

প্রকৃত সত্য এই যে, নিক্সন নিজের উদ্যোগে বা নিজের প্রবল উৎসাহবশত মাও-এর সঙ্গে দেখা করেছিলেন, বা আগ বাড়িয়ে পেইচিং-এ প্রকাশ্যে বা গোপনে মাও-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চেয়েছিলেন, তা মোটেই নয়। বরং উল্টোটাই ঘটেছিল। মাও-নিক্সন সাক্ষাৎকারের দশ বছর পরে একথা জানা যায় সরকারিভাবেই। মাও-এর জীবনীকার ও বন্ধু এডগার স্নো মারফত হাত ধরাধরির প্রস্তুতি গড়ে ওঠে। মাও-এর সনির্বন্ধ অনুরোধেই।

Read More »

পার্টিতন্ত্র ও নানা ভ্রান্ত চেতনার কুপ্রভাব গেড়ে বসেছে: প্রদীপ বকশি

প্রথম ফরাসি রাজনৈতিক বিপ্লবের Assemblée nationale-এর (১৭ জুন ১৭৮৯- ৩০ সেপ্টেম্বর ১৭৯১) কালপর্ব হতে শুরু করে আজ পর্যন্ত রাজনীতিতে পরিবর্তনকামী বামপন্থা আর রক্ষণশীল দক্ষিণপন্থা ধারাবাহিকভাবে বিরোধীপক্ষ ও শাসকপক্ষ হিসেবে জায়গা পাল্টাচ্ছে। তবে প্রায়ই কোনও চিন্তা না করেই সাবেক বামপন্থীরা রাজনৈতিকভাবে পরিবর্তন বিরোধী, রক্ষণশীল ও প্রতিক্রিয়াশীল শাসক হয়ে পড়লেও তাঁদের বামপন্থী বলা হয়।

Read More »

প্রমোদ দাশগুপ্ত: যে জীবন বর্ণময়, বিতর্কিতও

মুজফফর আহমেদ, ডাঙ্গে প্রমুখ তো বটেই, প্রমোদবাবু, বিশ্বনাথ মুখার্জি, রণদিভে, হরেকৃষ্ণ কোঙারের মত নেতাদের নিয়েও আমাদের অহঙ্কার ছিল যে, তাঁরা ভারতের মুক্তি সংগ্রামের পথে, বহুবার কারাবরণ করে কমিউনিস্ট পার্টিতে এসেছিলেন, কিন্তু উপদলবাদের চোরাবালিতে পা দিয়ে এঁদের অবদান অনেকাংশে ব্যাহত হয়েছে। এঁদের সমালোচনা করার পূর্বশর্ত এঁদের নিঃশর্ত আত্মত্যাগ, যা কমিউনিস্টদের মধ্যেই বেশি ছিল, অন্তত আনুপাতিকভাবে।

Read More »

আমেরিকার স্বাধীনতা: আড়াইশো বছর

১৬০৭ থেকে ১৭৮৩ পর্যন্ত সময়কাল আমেরিকায় ব্রিটেনের ঔপনিবেশিক রাজত্ব। আজকের দিনে যে আমেরিকা, তা কিন্তু পুরোটা ব্রিটিশদের দখলে ছিল না। ছিল ভার্জিনিয়া, ম্যাসাচুসেটস, নিউ ইয়র্ক, পেনসিলভেনিয়া-সহ ১৩টি রাজ্য। আর কানাডার বেশ কিছু অঞ্চল। আমেরিকার অন্যান্য স্থানে ফরাসি, ডাচ, নরওয়েজিয়, সুইডিস উপনিবেশ-ও ছিল। তাছাড়া রাশিয়া আমেরিকার আলাস্কা থেকে ক্যালিফোর্নিয়া পর্যন্ত দখল করে। পরে সে আলাস্কা আমেরিকার কাছে বিক্রিও করে দেয়।

Read More »

গোদাবরীর গোমুখে

গঙ্গার মর্ত্যে আগমন নিয়ে যেমন ভগীরথের গল্প, তেমনই গোদাবরীর উৎসস্থলে না এলে জানা যেত না, দক্ষিণের গঙ্গা নিয়েও আছে হাজার গল্প। যে গল্প জানাবে আজও এই অঞ্চলের মানুষ অনেক সময়েই কাছাকাছি আর কোনও পানীয়জল না পেয়ে কষ্ট করে হলেও এই উৎসস্থলে এসেই শীতল এই পানীয়জল নিয়ে যান নিজেদের কাজের জন্য। গঙ্গা বা অন্য নদী সে শুধু ধার্মিক আবেগের কারণে পবিত্র না, হাজার প্রাণীর ‘তৃষ্ণা’ মেটাবার জন্য সে হয়ে ওঠে ‘দেবী’ বা ‘পবিত্র’। সে পথে মিশে যায় হাজার গল্প-কষ্ট কিংবা দিনযাপনের চরম বাস্তবতা।

Read More »

রুহের কবিতাগুচ্ছ

একই আলোকমালায় কাটিয়েছি/ বহুকাল দু’জনে…/ বলিনি কখনও।/ তারা খসা দেখেছি একসাথে, যদিও/ গোপন থেকেছে চাওয়া-পাওয়া।/ মাঝে বহুদিন, বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মতো/ একা… নীরবে বয়েছি যাতনা।/ আজ মিথ্যের নেই অবকাশ/ তোমাকে কি পড়েনি মনে/ কোনও মুহূর্ত বা ক্ষণে/ ভাবিনি কি একান্ত বন্ধু আমার—/ এতদিন পরে, পুনর্মিলনে বলেছ/ পাখি হতে চেয়েছিলে এ জীবনে

Read More »

যুদ্ধ: বৈশ্বিক কসাইখানা, পুঁজির সংকট ও শ্রমের মুক্তি

অবিক্রীত পণ্যের পাহাড় যখন পুঁজির পুনরুৎপাদনকে বাধাগ্রস্ত করে, তখন পুঁজিপতিরা তীব্র আতঙ্কে ভোগে। এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য তারা প্রতিযোগী পুঁজিপতির বাজার ও পণ্য ধ্বংস করতে চায়। আর এই ধ্বংসের বৈধ হাতিয়ার হিসেবে তারা রাষ্ট্র ও সামরিক বাহিনীকে ব্যবহার করে যুদ্ধ বাধিয়ে দেয়। অর্থাৎ, উদ্বৃত্ত পণ্য এবং অতিরিক্ত শ্রমকে ধ্বংস করে পুঁজির ভারসাম্য ফিরিয়ে আনাই বুর্জোয়া যুদ্ধের মূল উদ্দেশ্য। এই শোষণের প্রক্রিয়াকে আড়াল করতে রাষ্ট্র একদল বুদ্ধিজীবী ও নীতিবিদ লালন করে, যারা কৃত্রিম ‘দেশপ্রেম’ ও ‘জাতীয়তাবাদ’-এর আফিম খাইয়ে শ্রমিককে বিভ্রান্ত রাখে, যাতে তারা শোষক ও শোষিতের মধ্যকার মৌলিক শ্রেণি-পার্থক্য ভুলে যায়।

Read More »

বিশ্বকাপ জৌলুসে আর্জেন্টিনা গণহত্যার বধ্যভূমি

বুয়েনস আইরেসের রিভার প্লেটের যে স্টেডিয়ামে তখন খেলা হত, তার মাত্র এক মাইল দূরে ছিল সামরিক সরকারের বন্দিশিবির নেভি স্কুল অব ম্যাকনিকস। সাংবাদিক ডেভিড কক্স ফুটবল বিশ্বকাপের খবর সংগ্রহ করতে গেছিলেন। তিনি ‘ডার্টি ওয়ার’ বইতে লিখেছিলেন, যখন স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনার ম্যাচ চলত তখন ওই টর্চার সেল থেকে কান্নার শব্দ শোনা যেত। আর্জেন্টিনার ভুবনমোহিনী ফুটবলে লেগে আছে রক্ত।

Read More »

ধর্মযুদ্ধ

এই যে সংবাদমাধ্যমে প্রতিদিন শতমুখে বিদ্বেষ ছড়ানো হয়, এই যে ফেসবুক জুড়ে বিশেষ সম্প্রদায়কে চিহ্নিত করে সম্মানীয় নেতা-মন্ত্রীদের কুৎসিত ইঙ্গিত, হিংসার প্রদর্শনী— এর প্রতিক্রিয়া কোথায় গিয়ে ঠেকে তাঁরা কি জানেন? পাড়ায় পাড়ায়, রকের আড্ডায়, ক্লাবের আড্ডায়— সর্বত্র বয়োজ্যেষ্ঠদের নির্বোধ অসংযত উচ্চারণ কোন শিশুর হৃদয়ে কেমন ভাবে প্রোথিত হয় তাঁরা কি জানেন? ভেবে দেখেছেন কি এই বিদ্বেষিতার মধ্যে কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে আগামী প্রজন্ম?

Read More »