Search
Generic filters
Search
Generic filters
Picture of তপোমন ঘোষ

তপোমন ঘোষ

তপোমন ঘোষ (আসল নাম ঋষি ঘোষ) সংবাদপত্রে ফিচার লিখছেন গত দুই দশক ধরে। প্রকাশিত ও সম্পাদিত বইয়ের সংখ্যা সবমিলিয়ে ছ’টি। গবেষণা করেছেন নয়ের দশকের বাংলা সাহিত্যের বিপণনসম্ভাবনা নিয়ে। যাদবপুর ও রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র তিনি। গবেষণা করেছেন বাংলা কবিতা, রবীন্দ্রনাথের রাজনৈতিক প্রবন্ধ, আধুনিক কথাসাহিত্য, দলিত সাহিত্য সহ সাংস্কৃতিক বিদ্যাচর্চার নানা বিষয়ে। চলচ্চিত্রবিদ্যা ও আন্তঃ সাংস্কৃতিক বিদ্যাচর্চার একজন উৎসাহী গবেষক। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরের গবেষণাপত্রের সংখ্যা পঞ্চাশের উপরে। গঙ্গাভাঙন নিয়ে একটি ইন্দো-বাংলা গবেষণাপ্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। একটি জাতীয় পুরস্কারজয়ী চলচ্চিত্রের ভাষাগত রূপান্তরের কাজ করেছেন। কর্মসূত্রে মালদার গৌড় মহাবিদ্যালয়ের বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের অধ্যাপক।

হিন্দোল ভট্টাচার্যের কবিতা

হি ন্দো ল ভ ট্টা চা র্য জরুরি অবস্থা রক্তক্ষরণের পর যেভাবে জীবন শেখে আহত শরীর বোতলের মধ্য থেকে বুদ্বুদের মতো ওঠে তোমার বিষাদ তেমন প্রতিটি জল বহমান, প্রতি শ্বাস, পৃথিবীকে প্রতিদিন আরও বেশি আঁকড়ে ধরে বলতে ইচ্ছে হয়, তুমি বাঁচো ও বাঁচাও যদিও বিষাক্ত ক্ষত, কাটাকুটি, রক্ত, পুঁজ, গভীর

ইউক্রেন ভ্রমণ: রথীন চক্রবর্তী

ইউক্রেনে প্রথম দু’টি রাত র থী ন চ ক্র ব র্তী যাক, শেষপর্যন্ত ইউক্রেনের মাটিতে পা রাখা সম্ভব হল! ভিসা পাওয়ার জন্য কলকাতায় নিজের অফিস সামলিয়ে এক সপ্তাহে তিনবার দিল্লিতে ইউক্রেন দূতাবাসে হাজির হতে হয়েছে। উড়ানে ডেইলি প্যাসেঞ্জারি আর কী। তিনবারের বেলায় হাল ছেড়ে দিয়ে কলকাতায় ফিরেছিলাম। শেষমেশ ওই দূতাবাসের

মলয় গোস্বামীর কবিতা

ম ল য় গো স্বা মী চোর গহিন তমিস্রায় চোর এসেছিল। চোরের দু’হাত কাটা পা খঞ্জ। তোমার ঘুমন্ত ডান-হাত এলিয়েছিল চিত্রবিচিত্র কোলবালিশে। আঙুলের ফাঁক দিয়ে সে জলের মতন নামল মেঝেয়। নামার সময় তোমার আঙুলের স্পর্শ তার গায়ে জোনাকির আলোর মতন ডোরা হয়ে গেল!… ঘরের তমিস্রায় সে চুরি করবে কী! বরঞ্চ

শ্যামলেশ ঘোষের ছোটগল্প

ইলিশের আলো শ্যা ম লে শ ঘো ষ শিশির গলায় সুতুলি। সুতলি বাঁধা ঘুনসিতে। ঘুনসিতে ধরা হাফপ্যান্ট। কোমরে খানিক গোঁজা। প্যান্টের সামনেটা ফাঁকা। বোতাম নেই। প্যান্টের ফাঁক গলে দেকুর সিসি দর্শন দেয়। হিসি করার প্রত্যঙ্গটাকে ওই নামে সে চেনে। শিশির মতো সেও কোমরে ঝুলছে। হাতের মুঠোয় এতক্ষণ প্রাণ ছিল। তিনটে

দেবাশিস চন্দের কবিতা

দে বা শি স চ ন্দ কুশল–জিজ্ঞাসা কেমন আছ— এই কুশল–জিজ্ঞাসায় এতই আপত্তি তোমার! অবাক অবাক কেবলই অবাক, জিজ্ঞেস করব না আর কোনওদিন; ভোরের প্রথম আলো— দিনের শুরুয়াত শিশিরের দূর্বাসনে পাতব না সুন্দরের আসন। তোমাকে আঘাত দিতে চাই না, তোমাকে কেন, কাউকেই দুঃখ দিতে রাজি নই, আমার আচরণে কেউ ন্যূনতম

দত্তাত্রেয় দত্তর প্রবন্ধ

অজস্র ত্রুটি ও অপব্যাখ্যায় পরিকীর্ণ ব্রুকের এই ফাঁপা মহাভারত-নাট্য সম্বন্ধে সংক্ষেপে কিছু বলতে গেলে বলতে হয়, ওটা হলো মহাভারতের মলাট অবলম্বনে ব্রুকের বানানো একটা গপ্পো মাত্র: মহাভারতের নাম-না-শোনা পশ্চিমা দর্শকমণ্ডলীকে ঘেবড়ে দেবার জন্য তৈরি। তাই আমাদের দেশেও চট্ করে পশ্চিমা হয়ে যাবার লোভে অনেকেই ব্রুকের মহাভারতের স্তুতি গেয়ে থাকেন— বিশেষত

বেবী সাউয়ের কবিতা

যাজ্ঞসেনী বে বী সা উ এই যে সুসময়, অথবা কদাকার তাহাকে তুমি ডাকো শ্রী নন্দিনী! আঁচল ভরা ফুলে, মাথায় চুড়োখোঁপা তুমি কি তাহাকেও ডুবাবে প্রেমে? এ পথে বালুকণা, এ পথ নির্মম হেঁটেছে যারা, তারা তো ভিক্ষুক… সাধন ছড়াবে না? এ মরু প্রান্তরে? কেহ কি বাজাবে না জিভের বাঁশি! নিভেছে সাঁঝ

নুশান জান্নাত চৌধুরীর ছোটগল্প

রাত-জ্বলা পোকা নু শা ন জা ন্না ত চৌ ধু রী ।। ১ ।। দক্ষিণে, শিরাজের তখত নিয়ে জান্দ আমিরদের নিজেদের ভেতর কামড়াকামড়ি। উত্তর থেকে বারবার নেমে আসছে কাজার সর্দারের ফৌজ। ইস্পাহানের হাকিম কে, শহরের লোক তা বছর না ঘুরতেই ভুলে যেত। সৈন্যদল বাড়ি বাড়ি হানা দিচ্ছিল, আর শহরের শিক্ষিত

মণিশংকর বিশ্বাসের কবিতাগুচ্ছ

কবিতাগুচ্ছ ম ণি শং ক র বি শ্বা স কুদৃষ্টি রাস্তার চোখগুলি মনে পড়ে স্নানঘরেও মেয়েটি ভয় পাচ্ছে নগ্ন হতে °°° ক্ল্যাইম্যাক্স মুনমুনকে খুঁজছি সকাল থেকে। দক্ষিণ মেরুর দিকে মিনিবাস যাচ্ছে। স্মৃতির ভিতরে বক, অটো ও মিথিলা ইত্যাদি উড়ছে। সেখানেও মুনমুন নেই। ইতস্তত রাবার, চুলের যত্ন, বাংলা লিরিকের ভেজা ত্বক

ব্রিটিশ গল্প ।। অনুবাদ: মানব সাধন বিশ্বাস

পরিচয় ডরিস লেসিং মা ন ব সা ধ ন বি শ্বা স ক্যাথারিনকে বলেছিলাম ওকে আমার আরেক কিশোর-বন্ধু ফিলিপের সঙ্গে আলাপ করিয়ে দেব। ফিলিপ লন্ডন শহরতলির আবাসিক স্কুলে পড়ে। যেদিন যাওয়ার কথা, সেদিন এগারোটায় বেরনোর কথা ছিল। সেদিন ক্যাথারিন তৈরি হয়ে এসে পড়ল ন’টায়। গায়ে আনকোরা নীল স্কার্ট, জুতোও বেশ

শুভ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের কবিতা

শু ভ্র ব ন্দ্যো পা ধ্যা য় কেন্দ্র হারানো বৃত্ত ১ বিকেল ঘষটানো সন্ধের কমলা আমি মেলে রাখি প্রত্যক্ষতায় জিভের মাংসের শুদ্ধতম লালটুকু সাজানো টুকরো সর্বস্ব উজাড় একটা রৌদ্রোজ্জ্বল হিমেল সুতো সেলাই করে গেছে আমাদের যাবতীয় চৈত্রকালীন শুকনো পাতা এখন কেবল শ্রুতিহীন মাতৃভাষা এবং পানীয়ে মিশে থাকা ছায়ার ছাই আত্মআক্রমণে

অরিজিৎ চক্রবর্তীর ছোটগল্প

ট্রমা-চিহ্নিত সেলফিগুলি অ রি জি ৎ চ ক্র ব র্তী অজ্ঞাত পাণ্ডুলিপি থেকে উদ্ধারকৃত দু’টি টীকা (লেখকের নাম অনুপস্থিত। পাণ্ডুলিপির শেষ কয়েকটি পৃষ্ঠা বহু আগেই নষ্ট হয়ে গেছে।) এক পুরনো কোনও ঘরে অনেকদিন ধরে আলো না জ্বললেও, ঘরের কোণে রাখা কাঠের চেয়ারটা আলো আর ছায়াকে ঠিক চিনে ফেলে। মানুষ চলে

শুভদীপ রায়চৌধুরীর কবিতাগুচ্ছ

কবিতাগুচ্ছ শু ভ দী প রা য় চৌ ধু রী দৃষ্টি অন্ধের যষ্টির মতো ধরতে চেয়েছি অন্ধ আসলে কী ধরে? প্রতিবিম্ব? ছায়া? নাকি শান্ত অন্ধকারে নিজের আত্মাটি এ ভ্রান্ত বাদানুবাদে ভারী হয়ে আছি যে চোখে তোমাকে দেখি, সেই চোখ তুমি ধাত্রীবিদ্যা জানা কোনো গ্রামীণ বধূর গোধূলি আলোর মুখে অসময়ে ফুল

মলয়চন্দন মুখোপাধ্যায়ের রম্য নাটক

বিপত্নীকসঙ্ঘ ম ল য় চ ন্দ ন মু খো পা ধ্যা য়   ।। প্রথম দৃশ্য।।   (সুখারামবাবুর বসার ঘর। সোফা, সেন্টার টেবিল, বইয়ের আলমারি, দেয়ালে ছবি। একপাশে তার প্রয়াতা স্ত্রীর ছবি, গলায় বাসি মালা-সহ। সোফায় মুখোমুখি বসে সুখারাম এবং বাণপ্রস্থবাবু)। সুখারাম: তা হলে কাজের কাজ কিছু একটা করতে যাচ্ছি,

ড. শ্যামল কান্তি দত্তর প্রবন্ধ

হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রমুখ যে প্রকৃত বাংলা ভাষার স্বপ্ন দেখেছেন, সে লোকায়ত বাংলা ভাষা প্রথম সফলভাবে সাহিত্য সভায় এসেছিল চৈতন্য প্রভাবেই। বর্তমানে বাংলা ভাষা যে অন্তর্জাল-আন্তর্জাতিকতার আলোয় অবহেলিত তা থেকে মুক্ত করার উপায়ও ঐ শ্রীচৈতন্যের চেতনাজাত মানবিক প্রেম-ভক্তি তথা ‘অচিন্ত্যভেদাভেদতত্ত্ব’ চর্চায়।

পিয়াস মজিদের কবিতা

পি য়া স ম জি দ অনিমিখ তোমার ভেতর যত ময়ূরতা, কেকা; আমি বন থেকে তার দিকে লক্ষ করে আছি। আমার চোখের সবুজ লোকালয়ের বাকি সব দৃশ্য এড়িয়ে তোমার নিহিত সৌন্দর্যে নিহত হয়ে শুনেছে দিনের অ-কথিত বাণীর জন্য রাতে বীণার মতো বাজবে নীল সমুদ্রস্বপ্ন, আজীবন পরস্পর-মূক আমাদের আলাপ হবে প্রথম

স্বপনকুমার মণ্ডলের ছোটগল্প

জিতকা স্ব প ন কু মা র ম ণ্ড ল ১ হাটবারে বিদ্যাখাড়ির পাড়ে রাস্তা জুড়ে জমাটি ভিড়। মোরগ লড়াই চলছে। কাঁতিদার লড়াইয়ের তাগদ দেখে জোড় স্বীকার করে। অস্ত্র বাঁধা হয় দুই মোরগের পায়। বিপিন পেল্লায় পাখরা মোরগের মাথায় চুমু খেয়ে ছেড়ে দেয় মাঠে। অন্য দিকে, বাহারি লালি মোরগ ছাড়ে

হৈমন্তী বন্দ্যোপাধ্যায়ের কবিতাগুচ্ছ

হৈ ম ন্তী ব ন্দ্যো পা ধ্যা য় মোহনার দিকে লুম্পেন হয়েছে রাত, রাহাজানি করে নিয়ে গেছে মন জ্যোৎস্নার গভীরদেশে ঘরবাড়ি তার গাঢ় হলুদের মতো উচ্ছল হয়েছে পাতাজল চুইয়ে পড়ছে মনে, আর কতদূর ঘরবাড়ি তোমার হে প্রেমিক? সর্বাঙ্গ জুড়ে গোলাপি শীতলতা। এক-একটা স্পর্শ বহুজীবনের আরাধ্যের মতো মনে হয়, শুধু মন

চম্পা রায়ের ছোটগল্প

ডিঙি চ ম্পা রা য় ‘ও যদু… জাল নিয়া এগাও।’ মাঝ-নদীতে কারেন্ট জাল পাতছিল কালিচরণ। যদুকে ঘাটে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে হাঁক দিল। যদিও কালিচরণ জানে, যদু কিছুতেই এ-বেলায় নদীতে নামবে না। বরাবর দেখে আসছে, সবাই জাল পেতে বাড়ি ফিরলে তবেই যদু নদীতে নামে। নিজেদের মধ্যে মাঝে মাঝে আলোচনা করে— যদুর

সুদীপ্ত মাজির কবিতা

সু দী প্ত মা জি মেঘ জংলা হাওয়ার গন্ধে জাগা নেশার মতো উড়িয়ে দিচ্ছ ওড়না তোমার, দিদিমণি এখন কি আর তেমন সবুজ বয়স আছে কুড়িয়ে আনতে পারব তোমার চশমাখানি শ্যামল বনের অমল ছায়ায় হাসনুহেনা হাসির হররা জাগিয়ে তুলছে আপনমনে কুসুম কুসুম স্নিগ্ধ, ভেজা, গাছের ছায়ায় বৃষ্টিমুখর কণ্ঠ থেকে কী গান