Search
Generic filters
Search
Generic filters
কুণাল বিশ্বাস

কুণাল বিশ্বাস

কুণাল বিশ্বাসের জন্ম ২৭ মার্চ, ১৯৯১। কবি বিনয় মজুমদারের স্মৃতিপুষ্ট ঠাকুরনগরে বাড়ি। কারিগরী বিদ্যায় স্নাতক, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পূর্ত দফতরে কর্মরত। প্রিয়: কলনবিদ্যা, স্বদেশ সেন, রাহুল দেববর্মণ ও পশ্চিম ইয়োরোপীয় চিত্রকলা। 'এই সময়' কাগজে রিপোর্টাজ, 'কৌরব অনলাইন', 'এই সহস্রধারা', 'হাওয়া ৪৯' পত্রিকায় গল্প, 'ভাষালিপি', 'সর্বনাম', 'অহিরা' ও 'কবিয়াল' পত্রিকা এবং 'চার নম্বর প্ল্যাটফর্ম', 'আপনপাঠ', 'চলভাষ', 'যাপনচিত্র' ও 'তবুও প্রয়াস' ওয়েবজিনে কবিতা এযাবৎ প্রকাশিত। কবিতার বই: ‘ভ্যান গঘের প্রিয় রঙ’ (ভাষালিপি)।
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

কুণাল বিশ্বাসের কবিতাগুচ্ছ

India’s First Bengali Daily Magazine. ওকে তো বাতাস দেব, আর দেব খলিল আতর/ পুরুষ বুকের থেকে সিকিভাগ ভয় খুলে নেব/ ভাবে সে মুদ্রায় জয়ী, আড়াআড়ি নদী পার হবে/ পিছনে স্যাঙাত ডাকু ধেয়ে পরপার// নদী শেষ হয়ে গেলে মাটির কোদাল বিবরণ/ ডাকুরাও নেই, ওদের শবের কাছে/ মধ্যাহ্ন চিলের ডাক, রমণ আসলে শুরু/ আসল নদীর শেষে মোহনার গ্রাম/ পরীদল মুখোমুখি চিৎ হয়ে আছে

Read More »

বিনিদ্র রাত্রির পরে

India’s First Bengali Daily Magazine. ‘অঘ্রানের অনুভূতিমালা’ বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে আন্ডাররেটেড কাব্যগুলোর একটা। ছ’টি দীর্ঘ কবিতা। আপাতভাবে মহাপয়ারে বাঁধা সঙ্গমের বর্ণনা। এই বই বাজারসফল নয়। অথচ এমনই কাব্য যাকে অনায়াসে ‘ত্রিপিটক’-এর পাশে রেখে পড়া যায়, বাউলের দেহতত্ত্ব দিয়ে যাচাই করে দেখা যায়। এই ছ’টি দীর্ঘকবিতা এক কালসীমাবৃত্ত, যার ভিতর চব্বিশ ঘণ্টা লুকিয়ে আছে। আর আছে বিন্যস্ত সরল স্ট্রিম অফ কনশাসনেস।

Read More »

কুণাল বিশ্বাসের কবিতাগুচ্ছ

হে গভীর শ্বেত, পাঠাও হারানো লেখা/ আমার জানালা ভাল নেই/ ভোরের বদলে খাকি রোদের সকাল/ দরজায় ফাঁকে// কে চায় ফলবিহীন গাছ/ রৌদ্র, মেলে দেওয়া গামছায়/ সব ঘাম থিতু হয়ে আছে// কে দেবে গোপন খামে লিখে/ জলচিঠি, বিছে মেঘ, শেষ জুনিপার

Read More »

দুই হুজুরের গপ্পো

১৯৩০ সালের ১৪ জুলাই, আলবার্ট আইনস্টাইন বার্লিনের উপকণ্ঠে নিজের বাড়িতে স্বাগত জানান ভারতীয় কবি, দার্শনিক ও সঙ্গীতজ্ঞ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে। তিনি ছিলেন প্রথম অ-ইউরোপীয় নোবেল বিজয়ী। তাঁদের এই সাক্ষাৎকারটি ইতিহাসের অন্যতম বুদ্ধিদীপ্ত ও মননশীল আলাপচারিতায় পরিণত হয়, যেখানে তাঁরা বিজ্ঞান ও ধর্মের চিরন্তন দ্বন্দ্ব নিয়ে আলোচনা করেন। “সায়েন্স অ্যান্ড দ্য ইন্ডিয়ান ট্রাডিশন: হোয়েন আইনস্টাইন মেট টেগোর” গ্রন্থে এই ঐতিহাসিক সাক্ষাতের বিবরণ পাওয়া যায়। এই বইতে বিশ শতকের শুরুতে ভারতের বৌদ্ধিক পুনর্জাগরণ এবং ভারতীয় ঐতিহ্য ও পাশ্চাত্য বৈজ্ঞানিক চিন্তার মেলবন্ধন তুলে ধরা হয়েছে।

Read More »

আশা ভোসলে ও তাঁর বাংলা গান

সুদীর্ঘ আট দশক ধরে তিনি তাঁর সঙ্গীতের সুধায় ভরিয়ে দিয়েছেন কেবল ভারত বা এই উপমহাদেশকেই নয়, বিশ্বকে। পরিণত বয়সেই মৃত্যু হয়েছে তাঁর, যেমন কয়েক বছর আগে হয়েছিল তাঁর স্বনামখ্যাত অগ্রজা লতা মঙ্গেশকরের। আশা ভোসলে তাঁর সমগ্র জীবনে বারো হাজার গান গেয়ে গিনেস বুকে স্থান পেয়েছেন। একদিকে ধ্রুপদী সঙ্গীত, অন্যদিকে লঘু, পপ, এমনকী চটুল গানেও তাঁর সমকক্ষ খুঁজে পাওয়া কঠিন। সমসাময়িক কিংবদন্তি শিল্পীদের মধ্যে এজন্য অনায়াসে স্থান করে নিয়েছিলেন তিনি।

Read More »

স্প্যানিশ ছোটগল্প: পুতুল রানি

সত্যিকারের আমিলামিয়া আবার আমার স্মৃতিতে ফিরে এসেছে, আর আমি আবার— সম্পূর্ণ সুখী না হলেও সুস্থ বোধ করছি: পার্ক, জীবন্ত সেই শিশুটি, আমার কৈশোরের পঠনকাল— সব মিলিয়ে এক অসুস্থ উপাসনার প্রেতচ্ছায়ার ওপর জয়লাভ করেছে। জীবনের ছবিটাই বেশি শক্তিশালী। আমি নিজেকে বলি, আমি চিরকাল আমার সত্যিকারের আমিলামিয়ার সঙ্গেই বাঁচব, যে মৃত্যুর বিকৃত অনুকরণের ওপর জয়ী হয়েছে। একদিন সাহস করে আবার সেই খাতাটার দিকে তাকাই— গ্রাফ কাগজের খাতা, যেখানে আমি সেই ভুয়ো মূল্যায়নের তথ্য লিখে রেখেছিলাম। আর তার পাতার ভেতর থেকে আবার পড়ে যায় আমিলামিয়ার কার্ডটি— তার ভয়ানক শিশুসুলভ আঁকাবাঁকা লেখা আর পার্ক থেকে তার বাড়ি পর্যন্ত যাওয়ার মানচিত্র। আমি সেটা তুলে নিয়ে হাসি।

Read More »

বিজ্ঞানমনস্কতা কারে কয়?

শ্রদ্ধেয় বসুর বইতে হোমিওপ্যাথি সম্পর্কিত অধ্যায়টি তথাকথিত বিজ্ঞানমনস্কদের, বিশেষ করে মুদ্রা-মূর্ছনায় মজে থাকা, বা রাজনীতিজ্ঞ হিসেবে স্বীকৃতির দাবেদার-ঘনিষ্ঠ চিকিৎসকদের বিরক্তিকর বা অপ্রীতিকরই মনে হবার কথা। কেননা, উল্লিখিত দুটি বিষয় নিয়ে তাদের মনের গহীন কোণে প্রোথিত বিজ্ঞানবাদিতার শেকড় ওপড়ানোর সম্ভাবনা নেই বলেই মনে হয়। প্রশ্ন হল, তাঁর উপরিউক্ত বইটির কারণে তথাকথিত বিজ্ঞানমনস্ক বন্ধুদের চোখে ব্রাত্য বলে চিহ্নিত হবেন না তো? হলে আমি অন্তত আশ্চর্যচকিত হব না। দাগিয়ে দেবার পুরনো অভ্যাস বা পেটেন্ট এই মহলের বাসিন্দাদের প্রধান অস্ত্র, তা ভুক্তভোগীরা হাড়ে হাড়ে জানেন।

Read More »

অগ্নিবীর: বন্দুকের মুখে ঈশ্বর

১৯৫০ দশকে নেপালের রাজতন্ত্র ও রাজার মন্ত্রিগোষ্ঠী রানাশাহী শাসনের বিরুদ্ধে সফল সশস্ত্র বিদ্রোহ হয়েছিল। সেই বিদ্রোহে অংশ নিয়েছিলেন অনেক ভারতীয়। তাঁদের মধ্যে অনেকে বাঙালি। নেপালের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সেই প্রথম সংঘর্ষ সে-দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে মুক্তিযুদ্ধ হিসেবে চিহ্নিত। ভারত ও চীনের মধ্যে একফালি দেশ নেপালের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ সংগ্রাম সশস্ত্র ও নিরস্ত্র দুই পথ ধরে চলেছিল। ডান-বাম-অতিবাম— ত্রিমুখী রাজনৈতিক ঘাত-প্রতিঘাতের চূড়ান্ত সফলতা আসে ২০০৮ সালে রাজার শাসনের অবসানে।

Read More »

নারী: এক দৈবী আখর

আমরা ৮-ই মার্চের আন্তর্জাতিক নারীদিবসে আবহমান নারীবিশ্বকে সামান্য একটু ছুঁয়ে যেতে চাইলাম মাত্র। হাজার হাজার বছর ধরেই তাঁদের ওপর কড়া অনুশাসন, জবরদস্ত পরওয়ানা আর পুরুষতন্ত্রের দাপট। সে-সবের ফল ভুগতে হয়েছে আন্তিগোনে থেকে সীতা, দ্রৌপদী; জোয়ান অফ আর্ক থেকে আনারকলি, হাইপেশিয়া; রানি লক্ষ্মীবাঈ থেকে প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, বেগম রোকেয়া; রোজা পার্কস থেকে মালালা ইউসুফজাই— তাঁদের মতো হাজারো নামহীন নারীকে।

Read More »