Search
Generic filters
Search
Generic filters
তীর্থঙ্কর মৈত্র

তীর্থঙ্কর মৈত্র

তীর্থঙ্কর মৈত্র (২ জুন ১৯৫৯- ২১ অগাস্ট ২০২৫) কবি ও গীতিকার। একদা সম্পাদনা করেছেন 'বিনয় পরিমণ্ডল' ও 'অনুরাধা' পত্রিকা। তাঁর উল্লেখযোগ্য প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ: 'হে মেঘের ভাস্কর্য', 'সমুদ্রের বিস্তারের মতো তুমি', ‘রানু এক জ্বর', 'বৃষ্টির ভালো হোক', ‘বসন্তের গিটার', 'শালিকের ঠোঁটে খড়', 'এসেছে নতুন ঘোড়া', ‘‘তুমি আর 'না' করো না’’, ‘রানু তুমি আজও আলো' ইত্যাদি।
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

অপ্রকাশিত: তীর্থঙ্কর মৈত্রের কবিতা 

হলুদ পাতার ফাঁকে সব স্মৃতি সুখ আনে, সব গান আকাশে মিলায়! হলুদ পাতার ফাঁকে, তোমার প্রেমিক খুঁজে যায় আহত ঘুড়ির স্বপ্ন— অঘ্রাণের বিকেলবেলায়! তবুও মাটির

Read More »

তীর্থঙ্কর মৈত্রর কবিতাগুচ্ছ

India’s First Bengali Daily Magazine. কত আকাশের জন্ম প্রতিদিন, জন্ম হয় কত অনন্তের;/ কত প্রজাপতি কাজ করে চলে, ফুল ফোটে, কত যে রঙের;/ কে জানে, কে রাখে সে হিসাব, খোঁজ? হলুদের পাশেতে কোন রং/ ভাল লাগে, কার পাশে কী মানায়, মনে এসে কে জানায়, কে জানে!/ বুঝি সে সুন্দর? তার আছে যে অন্তর, সে না জানালে কী করে জানি?/ আজন্ম যা বোঝায় সে, তাই বুঝি, খোঁজালেই খুঁজি তাকে আমি

Read More »

তীর্থঙ্কর মৈত্রের একগুচ্ছ কবিতা

চারিদিকে কোলাহল, জগতে বিমান উড়ানের ফলে/ তোমার এই ‘মুক্ত’ ভাব, আগন্তুক এক যেন চিরকাল;/ আকাশের এই নীল তাঁবুর আশ্রয়ে সে তো ঊর্ধ্বগামী—/ এ কথা চড়াই পাখি বোঝে বলো, বোঝে? শুধু তার ডালে/ উড়ে এসে বসে ভাবে— ‘তারা মুক্ত সব আকাশের তলে।’/ ডানার বাতাসে ঝরা পাতা সে কি ভাবে মনে মনে— ‘মুক্ত’?/ পাতাকুড়ানির মেয়ে, নিয়ে যায় তাকে দেখো— সেও সুখী।/ ভাত ফোটে মনে তার, শীতের সন্ধ্যায়, মাটির উনুনে।

Read More »

জীবনচক্রের মহাকাব্য নবান্ন: শ্রম, প্রকৃতি ও নবজন্মের দ্বান্দ্বিকতা

নবান্ন। এটি কেবল একটি ঋতুভিত্তিক পার্বণ নয়; এটি সেই বৈদিক পূর্ব কাল থেকে ঐতিহ্যের নিরবচ্ছিন্ন ধারায় (যা প্রাচীন পুথি ও পাল আমলের লোক-আচারে চিত্রিত) এই সুবিস্তীর্ণ বদ্বীপ অঞ্চলের মানুষের ‘অন্নময় ব্রহ্মের’ প্রতি নিবেদিত এক গভীর নান্দনিক অর্ঘ্য, যেখানে লক্ষ্মীদেবীর সঙ্গে শস্যের অধিষ্ঠাত্রী লোকদেবতার আহ্বানও লুকিয়ে থাকে। নবান্ন হল জীবন ও প্রকৃতির এক বিশাল মহাকাব্য, যা মানুষ, তার ধৈর্য, শ্রম এবং প্রকৃতির উদারতাকে এক মঞ্চে তুলে ধরে মানব-অস্তিত্বের শ্রম-মহিমা ঘোষণা করে।

Read More »

বুদ্ধদেব বসু: কালে কালান্তরে

বুদ্ধদেব বসুর অন্যতম অবদান যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে তুলনামূলক সাহিত্য (Comparative Literature) বিষয়টির প্রবর্তন। সারা ভারতে বিশ্ববিদ্যালয়-মানে এ বিষয়ে পড়ানোর সূচনা তাঁর মাধ্যমেই হয়েছিল। এর ফল হয়েছিল সুদূরপ্রসারী। এর ফলে তিনি যে বেশ কয়েকজন সার্থক আন্তর্জাতিক সাহিত্যবোধসম্পন্ন সাহিত্যিক তৈরি করেছিলেন তা-ই নয়, বিশ্বসাহিত্যের বহু ধ্রুপদী রচনা বাংলায় অনুবাদের মাধ্যমে তাঁরা বাংলা অনুবাদসাহিত্যকে সমৃদ্ধ করে গেছেন। অনুবাদকদের মধ্যে কয়েকজন হলেন নবনীতা দেবসেন, মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, সুবীর রায়চৌধুরী প্রমুখ। এবং স্বয়ং বুদ্ধদেব।

Read More »

দেবময় ঘোষের ছোটগল্প

দরজায় আটকানো কাগজটার থেকে চোখ সরিয়ে নিল বিজয়া। ওসব আইনের বুলি তার মুখস্থ। নতুন করে আর শেখার কিছু নেই। এরপর, লিফটের দিকে না গিয়ে সে সিঁড়ির দিকে পা বাড়াল। অ্যাপার্টমেন্ট থেকে বেরিয়ে উঠে বসল গাড়িতে। চোখের সামনে পরপর ভেসে উঠছে স্মৃতির জলছবি। নিজের সুখের ঘরের দুয়ারে দাঁড়িয়ে ‘ডিফল্ট ইএমআই’-এর নোটিস পড়তে মনের জোর চাই। অনেক কষ্ট করে সে দৃশ্য দেখে নিচে নেমে আসতে হল বিজয়াকে।

Read More »

তালিবানি কবিতাগুচ্ছ

তালিবান। জঙ্গিগোষ্ঠী বলেই দুনিয়াজোড়া ডাক। আফগানিস্তানের ঊষর মরুভূমি, সশস্ত্র যোদ্ধা চলেছে হননের উদ্দেশ্যে। মানে, স্বাধীন হতে… দিনান্তে তাঁদের কেউ কেউ কবিতা লিখতেন। ২০১২ সালে লন্ডনের প্রকাশনা C. Hurst & Co Publishers Ltd প্রথম সংকলন প্রকাশ করে ‘Poetry of the Taliban’। সেই সম্ভার থেকে নির্বাচিত তিনটি কবিতার অনুবাদ।

Read More »

নিখিল চিত্রকরের কবিতাগুচ্ছ

দূর পাহাড়ের গায়ে ডানা মেলে/ বসে আছে একটুকরো মেঘ। বৈরাগী প্রজাপতি।/ সন্ন্যাস-মৌনতা ভেঙে যে পাহাড় একদিন/ অশ্রাব্য-মুখর হবে, ছল-কোলাহলে ভেসে যাবে তার/ ভার্জিন-ফুলগোছা, হয়তো বা কোনও খরস্রোতা/ শুকিয়ে শুকিয়ে হবে কাঠ,/ অনভিপ্রেত প্রত্যয়-অসদ্গতি!

Read More »

নগর জীবন ছবির মতন হয়তো

আরও উপযুক্ত, আরও আরও সাশ্রয়ী, এসবের টানে প্রযুক্তি গবেষণা এগিয়ে চলে। সময়ের উদ্বর্তনে পুরনো সে-সব আলোর অনেকেই আজ আর নেই। নিয়ন আলো কিন্তু যাই যাই করে আজও পুরোপুরি যেতে পারেনি। এই এলইডি আলোর দাপটের সময়কালেও।

Read More »