Search
Generic filters
Search
Generic filters
মোহাম্মদ কাজী মামুন

মোহাম্মদ কাজী মামুন

মোহাম্মদ কাজী মামুনের জন্ম বাংলাদেশের ফরিদপুরে জেলায়। পৈতৃক নিবাস শরীয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলা; তবে মাদারিপুর জেলার শিবচর উপজেলায় অবস্থিত নানাবাড়িতেই শৈশবের আনন্দমুখর সময় বেশি কেটেছে। এসএসসি আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, এইচএসসি ঢাকা কলেজ, বিবিএ এবং এমবিএ (অনার্স) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং ডিপার্টমেন্ট থেকে সম্পন্ন হয়েছে। এমবিএ পরীক্ষার রেজাল্ট প্রকাশিত হওয়ার আগেই একটি বেসরকারি ব্যাংকে ম্যানেজমেন্ট ট্রেনি হিসেবে যোগদান, বর্তমানে ওই ব্যাংকেরই একটি শাখার প্রধান হিসেবে কর্মরত। বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে আর্থিক বিষয়াদির ওপর আর্টিকেল প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন সাহিত্য পত্রিকায় ও পেইজে কিছু ছোটগল্প প্রকাশিত হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনও গ্রন্থ প্রকাশিত হয়নি।
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

বালকেরা অচেনা থাকে : এক অবিস্মরণীয় পাঠ অভিজ্ঞতা

ঘাসফুল নদী থেকে প্রকাশিত ‘বালকেরা অচেনা থাকে’ গল্পগ্রন্থটি যতই এগোনো হয়, একটা অনুতাপ ভর করতে থাকে পাঠকের মনে— কেন আগে সন্ধান পায়নি এই অমূল্য রত্নসম্ভারের! হ্যাঁ, রত্নসম্ভারই, কারণ একটা-দুটো নয়, প্রায় দশটি রত্ন, তাও নানা জাতের— লুকিয়ে ছিল গল্পগ্রন্থটির অনাবিষ্কৃত খনিতে।

Read More »

ছোটগল্প: ডজ

ভালভাষা উৎসব সংখ্যা ২০২৩|| সব সময় যিনি বলতে থাকেন শরীর ভাল নেই, সময় ফুরিয়ে আসছে দ্রুত, সেই তিনিই যখন গ্রামের বাড়ি যেতে চাইলেন, আর তাও আমাদের সবাইকে ছেড়ে, একা একা, তখন পরিবারের সবাই আঁৎকে উঠল এবং গোলটেবিল বৈঠকে বসল। কিন্তু যেতে না দেবার সব ষড়যন্ত্র ছিন্ন করে নিজের ব্রিফকেসটা হাতে একদিন বাসে চড়ে বসলেন আর ঠিক ঠিক পৌঁছেও গেলেন। লিখেছেন মোহাম্মদ কাজী মামুন।

Read More »

‘জ্যোস্নায় সূর্যজ্বালা’: একটি অনিশ্চিত যাত্রা, একটি জিজ্ঞাসা

India’s First Bengali Daily Journal. লেখিকা কি কোনও শ্রেণিসংগ্রামের গাঁথা আঁকতে চেয়েছেন উপন্যাসটিতে? গোর্কির ‘মা’ বা ‘একদিন যারা মানুষ ছিল’ উপন্যাসের মত? আসলে উপন্যাসটি পুঙ্খানুপুঙ্খ পাঠ করলে বোঝা যায়, এমন কোনও দিকে নিয়ে যাওয়া লেখিকার উদ্দেশ্য ছিল না, তিনি যেন এক পর্যটক, যুগযন্ত্রণাকে বুঝে নিতে চেয়েছেন সমূলে, হ্যাঁ, একজন লেখকের দায়িত্ববোধ থেকেই, তিনি খুবই নিঃশব্দে চোখ খুলে দিতে চেয়েছেন প্রথমে দবিরের, পরে মতির মাধ্যমে, একজন কল্পিত নেতার চরিত্রকে সামনে রেখে, কিন্তু যখন মতি চোখ মেলতে শুরু করেছে, তখনই পর্দা টেনে দিয়েছেন মঞ্চের।

Read More »

যাদুর গোলকে ভ্রমণ

India’s First Bengali Daily Journal. এই ভ্রমণটা আদ্যোপান্ত একটা সাংস্কৃতিক ভ্রমণ; একজন প্রিয় লেখককে তাঁর দেশ, তাঁর মানুষ, তাঁর রীতিনীতি দিয়ে আবিষ্কারের চেষ্টা। এজন্য এয়ারপোর্টে ভাড়া করা ট্যাক্সি ড্রাইভারকে লেখক, তাঁর ভ্রমণসঙ্গী মার্কেস-অনুবাদক আনিসুজ জামান আর কবিবন্ধু তাপস গায়েন অনুরোধ জানান স্থানীয় খাবারের স্বাদ পাওয়া যাবে এমন একটি রেস্টুরেন্টে নিয়ে যেতে। এই রেস্তোরাঁয় লেখকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এক ওয়েটার মেয়ে যার “নাদুস-নুদুস, চোখেমুখে হাসির একটা ফেনা ভাসমান ওর অভিব্যক্তির মাধুর্যের কারণে। এটা যে খদ্দের মুগ্ধ করার জন্য নয় তা বোঝা যায় ওর বন্ধুসুলভ আচরণে ও সম্বোধনের মধ্যে।”

Read More »

ছোটগল্প: বিবর্তনের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

India’s First Bengali Daily Journal. হঠাৎ বিদ্যুৎ চমকের মত ঘটনাটা তার মনে পড়ে যায়! সেদিন নিজের স্যান্ডেলটা খুঁজে পাচ্ছিল না সেতু; পরে আবিষ্কৃত হয়, সেটি পায়ে চাপিয়েই বের হয়েছিল নুরু বাইরের দোকান থেকে আলুপুরি কিনে আনতে। বাঘের মত ঝাঁপিয়ে পড়েছিল সেতু, চড়-থাপ্পড়-লাথির সাথে জুটেছিল স্যান্ডেল থেরাপি, স্যান্ডেল দিয়ে পিষে দিয়েছিল সে নুরুর পায়ের খুদে আঙুলগুলো, গলগল করে রক্ত বেরিয়েছিল অনেকক্ষণ ধরে! যে ক্ষত তৈরি হয়েছিল, তা এক সময় গ্যাংরিনের আকার ধারণ করেছিল!

Read More »

ছোটগল্প: বিদেশি চুইংগাম

India’s First Bengali Daily Magazine. এবার আরও ভাল করে লক্ষ্য করল মোরসালিন, দেখল, একটা প্লাস্টিকের গামলা গোটা পঞ্চাশেক ঠোঙা ধরে রেখেছে, আর ছেলেটি ধরে রেখেছে তার দেহাকৃতির সাথে সংঘর্ষরত গামলাটিকে, পেটের ঠিক ওপরে… সে তাকিয়ে রয়েছে অর্ধনিমীলিত চোখে… উপরের অপসৃয়মান সূর্যের আলো তার মুখে আলো-আঁধারের ঢেউ তুলে যাচ্ছিল…

Read More »

মোহাম্মদ কাজী মামুনের কবিতা

India’s First Bengali Daily Magazine. সে ছিল উড়ালপথ এক ভীষণ/ আর নারকেল গাছটার সাথে ছিল তার কতকালের গাঁটছড়া।/ উড়ালের ধাতব শরীর থেকে যানগুলি যখন ছড়িয়ে দিত হলকা/ গাছটা শুকোত একটু একটু করে/ আর কেঁদে-কেটে বুক ভাসাত রাত্র গভীর হলেই।// কিন্তু সেদিন কী হল! এল সে দ্রিম দ্রিম শব্দ করে/ তারপর উড়তে উড়তে আটকে গেল/ গাছটির শাখা-প্রশাখায় আচ্ছা করে।/ শহরকে কেউ দেখেছে কভু চড়তে গাছে?/ আর উড়াল পথও কি কখনও থেমে থাকে?

Read More »

নকশাকাটা নওশা

India’s First Bengali Daily Magazine. হঠাৎ একটা পেট-বোতল পায়ের কাছে এসে পড়ে তার, কেউ সফট ড্রিংকসে চুমুক শেষে ছুড়ে দিয়েছে নিশ্চিত। নিক্ষেপকারীকে খুঁজে না পেলেও কয়েক গজ সামনেই একটি মাঝারি আকারের ওয়েস্ট বিন দেখতে পেল। বোতলটা কালই সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা-কর্মীদের হাতে করে ওখানে পৌঁছে যাবে। কিন্তু বোতলটা এতটা সময় পড়ে থাকবে, আর একে একে পথচারীদের পায়ে পিষ্ট হয়ে চ্যাপ্টা হতে থাকবে, তার মানে হয় না! বাঁ-পায়ের এক জোরালো শটে মারুফ বোতলটাকে তার বন্দরে পৌঁছে দেয়।

Read More »

মহাজনী সভ্যতা

অর্থের লোভ আজ মানবিক অনুভূতিগুলোকে সম্পূর্ণ গিলে ফেলেছে। আজ আভিজাত্য, ভদ্রতা আর গুণের একমাত্র মাপকাঠি হল টাকা। যার কাছে টাকা আছে, তার চরিত্র যত কালোই হোক, সে-ই দেবতা। সাহিত্য, সঙ্গীত, শিল্প— সবই আজ টাকার পায়ে মাথা ঠুকছে। এই বিষাক্ত বাতাসে বেঁচে থাকা দিন দিন কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। আজ ডাক্তাররা মোটা ফিজ ছাড়া কথা বলেন না, আইনজীবীরা মিনিটের হিসাব করেন মোহর দিয়ে। গুণ ও যোগ্যতার বিচার হয় তার বাজারমূল্য দিয়ে। মৌলভি-পণ্ডিতরাও আজ ধনীদের কেনা গোলাম, আর সংবাদপত্রগুলো কেবল তাদেরই গুণগান গায়।

Read More »

রবীন্দ্রনাথের দৃষ্টিতে ইসলাম

হিন্দুকে মুসলমানদের আপন বলে মনে করতে হবে, একথা তিনি ‌বারবার উচ্চারণ করে গেছেন। ‘যদি ভাবি, মুসলমানদের অস্বীকার করে একপাশে সরিয়ে দিলেই দেশের‌ সকল মঙ্গলপ্রচেষ্টা সফল হবে, তাহলে বড়‌ই ভুল করব’— বলেছেন তিনি। বাউলদের সাধনার মধ্যে তিনি হিন্দু-মুসলমানের সম্মিলন আবিষ্কার করেন, অনুবাদ করেন মারাঠি সন্ত কবি তুকারামের ‘অভঙ্গ’ যেমন, ঠিক তেমনই কবীরের দোহা। মধ্যযুগের মরমী সুফি কবি কবীর, জোলা, রজব, দাদু প্রমুখের জীবনবৃত্তান্ত উৎসাহের সঙ্গে জেনে নেন ক্ষিতিমোহন সেনের কাছ থেকে, আর সত্তরোর্ধ্ব কবি পারস্যে গিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়ে আসেন কবি হাফেজকে।

Read More »

বুদ্ধ: অন্ধকারে আলোর দিশারী

তিনি বলেন গেছেন, হিংসা দিয়ে হিংসাকে জয় করা যায় না, তাকে জয় করতে প্রেম ও ভালবাসা দিয়ে। মৈত্রী ও করুণা— এই দুটি ছিল তাঁর আয়ুধ, মানুষের প্রতি ভালবাসার, সহযোগিতার, বিশ্বপ্রেমের। তাই তো তাঁর অহিংসার আহ্বান ছড়িয়ে পড়েছিল দেশ ছাড়িয়ে বিদেশে,— চীন, জাপান, মায়ানমার, তিব্বত, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটানে। এই বাংলায় যে পালযুগ, তা চিহ্নিত হয়ে আছে বৌদ্ধযুগ-রূপে। সুদীর্ঘ পাঁচ শতাব্দী ধরে সমগ্র বাংলা বুদ্ধ-অনুশাসিত ছিল। বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন ‘চর্যাপদ’ বৌদ্ধ কবিদের দ্বারাই রচিত হয়েছে।

Read More »

স্যার রোনাল্ড রস, ম্যালেরিয়া ও অন্যান্য

রোনাল্ড রসকে তাঁর গবেষণার সহায়তাকারী এক বিস্মৃত বাঙালি বিজ্ঞানীর নাম কিশোরীমোহন বন্দ্যোপাধ্যায় (১৮৭৭-১৯২৯)। তাঁর অবদান কিন্তু খুব কম নয়। তিনি ছিলেন রস-এর অধীনে সহ-গবেষক। রস নোবেল পেলে উপেন্দ্রনাথ ব্রহ্মচারীর নেতৃত্বে আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু, আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়, শিবনাথ শাস্ত্রী, আচার্য ব্রজেন্দ্রনাথ শীল, রাষ্ট্রগুরু সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ কিশোরীনাথের ভূমিকার বিষয়টি বড়লাট লর্ড কার্জনকে জানান। কার্জন এ-বিষয়টি ব্রিটিশ সরকারের গোচরে আনেন। এর ফলে ১৯০৩ সালে যখন দিল্লিতে দরবার বসে, তখন ডিউক অফ কনট-এর মাধ্যমে কিশোরীনাথকে ব্রিটিশরাজ সপ্তম এড‌ওয়ার্ড-এর তরফ থেকে স্বর্ণপদক প্রদান করা হয়। পরে কলকাতা
র সেনেট হলে তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছিল। সভাপতি ছিলেন দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ।

Read More »

দুই হুজুরের গপ্পো

১৯৩০ সালের ১৪ জুলাই, আলবার্ট আইনস্টাইন বার্লিনের উপকণ্ঠে নিজের বাড়িতে স্বাগত জানান ভারতীয় কবি, দার্শনিক ও সঙ্গীতজ্ঞ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে। তিনি ছিলেন প্রথম অ-ইউরোপীয় নোবেল বিজয়ী। তাঁদের এই সাক্ষাৎকারটি ইতিহাসের অন্যতম বুদ্ধিদীপ্ত ও মননশীল আলাপচারিতায় পরিণত হয়, যেখানে তাঁরা বিজ্ঞান ও ধর্মের চিরন্তন দ্বন্দ্ব নিয়ে আলোচনা করেন। “সায়েন্স অ্যান্ড দ্য ইন্ডিয়ান ট্রাডিশন: হোয়েন আইনস্টাইন মেট টেগোর” গ্রন্থে এই ঐতিহাসিক সাক্ষাতের বিবরণ পাওয়া যায়। এই বইতে বিশ শতকের শুরুতে ভারতের বৌদ্ধিক পুনর্জাগরণ এবং ভারতীয় ঐতিহ্য ও পাশ্চাত্য বৈজ্ঞানিক চিন্তার মেলবন্ধন তুলে ধরা হয়েছে।

Read More »

শতবর্ষী বাঙালি

বাঙালিদের মধ্যেও শতায়ু লোক নেহাত কম নেই। একটা কথা মনে রাখা জরুরি, বিখ্যাত ব্যক্তি ছাড়া সাধারণ মানুষের আয়ু নিয়ে বিশেষ কোনও গবেষণা থাকে না। আবার একটু বেশি বয়স্ক মানুষকে শতায়ু বলে চালিয়ে দেওয়ার রেওয়াজ-ও রয়েছে। তবে শতবর্ষের আয়ুলাভ যে মানুষের কাঙ্ক্ষিত, তা উপনিষদের‌ একটি বাক্যে সুন্দরভাবে ধরা পড়েছে— ‘জীবেম শরদঃ শতম্’, অর্থাৎ শতবর্ষ বাঁচতে ইচ্ছে করবে। কেবল অলস জীবন নিয়ে বাঁচবার ইচ্ছে করলেই হবে না, কর্ম করে বাঁচার কথাও বলা হয়েছে সেখানে— ‘কুর্বেন্নেবেহ কর্মাণি জিজীবিষেচ্ছতম্ সমাঃ’।

Read More »