চরের মানুষ সীতা বাউরি চিৎকার করতে করতে ছুটেছে— সনাতনদা, ও সনাতনদা, একটু চলো! নদীর চরে কে মরে পড়ে আছে গো! সনাতন পিছন ফিরে তাকাতে দেখে সীতা চিৎকার করতে করতে তার দিকে আসছে। অনেকটা পথ ছুটে আসায় তার মুখ ঘামে...
বেঁচে থাকার প্রাচীন পদ্ধতি সব ক’টা সবুজ ঝরে গেলে শেষে অট্টহাসের মুখে তাচ্ছিল্য এঁকে আবার ভরিয়ে দেব সবুজ পাতায় জানি শিকড়ে সঞ্চিত রস জোগাবে রসদ বন্ধ করেছ আজ হাতে হাত রাখা ডালপালা ছেঁটে জানো না তো শিকড়ের...
র্যাটরেস আটকে গেছি, দুবেলা কান্না পায়। স্বপ্ন দেখার প্রথাগত কোনো শিক্ষা আমার ছিল না। পার্থপ্রতিম এই সব দুঃখকষ্ট। আর আছে পুঁজিবাদ, তার তাক-ঝাঁক.. ওগো শপিং মল, আমিও তোমার বুকে দৌড়ে গেছি কত আগ্রহভরে বাথরুম...
উপসংহার এত যে কথা ছিল, গহনে আনমনে কোথায় তারা আজ? শূন্যবাক শ্রাবণে বেজে ওঠে অচেনা একতারা— বৈরাগীর চোখ ধূসর দিন। অথচ এই জলে তুমুল ভেসে গেল সকল মুখচোরা ছন্দপাঠ; তোমাকে ডেকেছিল একক সাঁঝদিয়া— সেটুকু ভাললাগা...
জঙ্গলে ভালবাসা জঙ্গলে জংলিরা থাকে, সুসভ্য মানুষ থাকে শহরে ও গ্রামে নগ্নপদে চলে ওরা, মাটির কোমল ছায়া জংলির শরীরে নরম ঘাসের বুকে পদক্ষেপ জংলিদের, সুসভ্যেরা চড়ে বাসে-ট্রামে বিষাক্ত ধোঁয়ার জ্বালা বুকে নিয়ে...
মন্ত্রী এলে কুকুরের পটি পায় বড়বাবু এই নিয়ে পাঁচবার রাস্তাটায় গাড়ি চেপে যাতায়াত করলেন। প্রতিবারেই কিছু না কিছু ভুলত্রুটির মাঝে কাউকে না কাউকে ধমকানিও দিলেন। অবশ্য যা গেল তাতে ধমকানিটা খুব স্বাভাবিক ব্যাপার।...
কাশফুল শরতের অন্যতম অনুষঙ্গ শরৎকালে নদীর তীরে কাশফুল ফোটে, আকাশে ভেসে বেড়ায় সাদা মেঘের ভেলা, সাদা বকের সারি দেখা যায় আকাশে। প্রকৃতি ঘোষণা করে মা দুর্গার আগমনী-বার্তা। সত্যজিৎ রায়ের ‘পথের পাঁচালী’ যারা...
১. দাহকাজ শেষে জলের উচ্ছ্বাস আগুনের কি শীত করে? নগরে প্লাবন ভিটেমাটি উচ্ছেদ জলের কি তেষ্টা মেটে? দাবদাহে সূর্যম্পশ্যা ছায়া কি ক্লান্ত হয় বাঁশি মেঠোসুর বাউলের অযৌন-জনন সুর কি আশ্রয় পায় গাছের কোটরে মায়া-আর্শিতে...
মূল কবিতা শূন্যতা মেঘলা দিন, মুখভার দুপুর একটানা ফিসফিস্ বৃষ্টি সূর্য নেই আকাশও নেই আমিও যেন কিছু একটা নেই-এর মধ্যেই রয়েছি নেই নেই মনে হলে আছে আছে ভাবতে হয় যা আছে তা আমার মধ্যে সমুদ্রের এপার-ওপার হয়ে আছে...