Search
Generic filters
Search
Generic filters
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

মৃণাল সেন: অনন্যতাসমূহ

সিনেমায় মৃণাল কী কী অভিনবত্ব নিয়ে এসেছেন? একেবারে শুরুতে যে ছবি করলেন, সেই ‘রাত-ভোর’-কে তিনি নিজেই পরে নিজের ছবি বলে স্বীকার করতে চাননি। ১৯৫৫-তে তৈরি সে ছবি না পেয়েছে বাণিজ‍্যিক সাফল্য, না পেয়েছে সমালোচকদের প্রশংসা। অথচ ছবিতে উত্তমকুমার, সাবিত্রী, কালী ব‍্যানার্জি, ছবি বিশ্বাসের মতো অভিনেতা, সলিল চৌধুরীর মতো সুরকার, রামানন্দ সেনগুপ্তের মতো ক‍্যামেরাম‍্যান, রমেশ যোশীর মতো সম্পাদক, সবাই ছিলেন।

মৃণাল আলোচিত হবেন যেসব বৈশিষ্ট্যের জন্য, তার সূত্রপাত তাঁর দ্বিতীয় ছবি ‘নীল আকাশের নীচে’ দিয়ে। এপর্যন্ত বাংলা ছবির কাহিনিকাররা ছিলেন বাঙালি গল্প-ঔপন্যাসিক। এই প্রথম বাংলার বাইরের লেখক,— হিন্দি কথাসাহিত্যিক মহাদেবী বর্মার গল্প অবলম্বনে ছবি করলেন তিনি। পরে ওড়িয়াভাষী বিখ‍্যাত লেখক কালিন্দীচরণ পাণিগ্রাহীর ‘মাটির মনীষ’ নিয়ে ছবি করেছেন তিনি, করেছেন মুন্সী প্রেমচাঁদের কাহিনি নিয়েও। বাংলা ছবির কাহিনিতে সর্বভারতীয়তা তিনি-ই প্রথম এনেছেন, সত‍্যজিৎ রায়ের প্রেমচাঁদ নিয়ে ছবি তৈরির ঢের আগে। মহিলা লেখকদের লেখাও কি বাংলায় তিনিই প্রথম এনেছিলেন?

মৃণালের আরও এক অনন্যতা, চার চারটি ভাষায় ছবি নির্মাণ। বাংলা ছাড়াও হিন্দি, তেলুগু এবং ইংরেজি। পরবর্তীতে সত‍্যজিৎ ইংরেজি, হিন্দি ও উর্দুতে ছবি করলেও এক্ষেত্রে মৃণাল এগিয়ে।

সর্বভারত মিলেছে এভাবে মৃণালের ছবিতে। আমাদের মনে পড়বে মালয়ালম ছবি ‘চেম্মিন’— রামু কারাইতের মতো বিখ‍্যাত মালয়ালম চিত্রপরিচালকের কথা, যে ছবির কাহিনিকার জ্ঞানপীঠ-বিজেতা মালয়ালম লেখক তাকাষি শিবশঙ্কর পিল্লাই। ছবিটি তোলা হয় মারাঠীতে, সম্পাদনায় বম্বের হৃষিকেশ মুখোপাধ‍্যায়, আর সঙ্গীত পরিচালনায় বাংলার সলিল চৌধুরী। তেমনই ‘গাইড’ আর ‘রুদালি’।

প্রথমটির কাহিনিকার পদ্মবিভূষণ তামিল ইংরেজিভাষী লেখক (তিনি ছাড়া মূলক রাজ আনন্দ ও রাজা রাও ভারতীয় ত্রয়ী, যাঁরা ইংরেজিতে লিখে প্রাক্ অরুন্ধতী রায়-চেতন ভকত-অমিত চৌধুরী আমলে খ‍্যাতি পেয়েছেন। ছবির নায়ক দেব আনন্দ পঞ্জাবিভাষী, আর নায়িকা ওয়াহিদা রহমানের মাতৃভাষা তামিল। সঙ্গীত পরিচালক শচীন দেববর্মণ বাঙালি-ত্রিপুরী, গীতিকার শৈলেন্দ্রর ঐতিহ্য বিহার-রাওয়ালপিন্ডি! গায়ক মহম্মদ রফি অমৃতসর ও লাহোরের যুগ্ম ঐতিহ্যে লালিত, এবং মান্না দে নিপাট বাঙালি। গায়িকা লতা মঙ্গেশকর, পদবিতেই প্রকাশ, মারাঠী। এই সর্বভারতীয়তা বোধ হয় নিজের অজান্তেই ভারতীয় চলচ্চিত্রে নিয়ে এলেন ছবির চিত্রনাট‍্যকার-পরিচালক বিজয় আনন্দ, ছবির নায়ক দেব আনন্দ-এর ভাই। প্রসঙ্গত, ২০২৩ মৃণালের মতো দেব আনন্দের-ও জন্মশতবর্ষ।

‘রুদালী’-তেও কল্পনা লাজমী-ভূপেন হাজারিকা-ডিম্পল কাপাডিয়ার ত্রিবেণীসঙ্গম, কাহিনির রাজস্থানী প্রেক্ষাপট ও অসমীয়া ভাওয়াইয়ার যুগলবন্দী সত‍্যিই ছবিটিকে যথার্থ ভারতীয় করে তুলেছে। মৃণাল সেনকে বলতে চাই চলচ্চিত্রে ভারতীয়তা আনবার ভগীরথ।

মৃণালের আরও এক বৈশিষ্ট্য, তিনি স্থির চিত্রনাট‍্যতে বিশ্বাসী নন। যদিও উইলিয়াম ওয়াইলার থেকে সত‍্যজিৎ রায়, ডেভিড লিন, এটেনবোরো চিত্রনাট‍্যের গুরুত্ব বিষয়ে সর্বদা সজাগ। হিচকক তো এমন-ও বলেছেন, ছবি করতে তিনটে জিনিস লাগে, ‘Script, script and script’, আর স্পিলবার্গের মধ‍্যেও রয়েছে হিচককের কথার প্রতিধ্বনি,— ‘Audience …are easy to please if its a good story’। মৃণাল কিন্তু চিত্রনাট্যে ভয়ানক পরিযায়ী। এক ভাবনা থেকে সম্পূর্ণ অন্য ভাবনায় চলে যায় তাঁর ছবির পরম্পরা, গোদার-আইজেনস্টাইনের মতো। এতে আমোদ পান মৃণাল।

তাঁর ছবি, খুব বাধ‍্য না হলে বিখ‍্যাত বাংলা গল্প-উপন্যাসের মধ‍্যে বিশ্বস্ত থাকে না। কাহিনির রদবদল ঘটে বহুলাংশে। এমনকি রবীন্দ্রনাথের কাহিনিতেও তিনি যে একবারমাত্র নিবিষ্ট হয়েছিলেন, ‘ইচ্ছাপূরণ’, সেখানেও ডিকনস্ট্রাকশনের ইচ্ছা পূরণ করেছিলেন তিনি।

তাঁর দ্বিতীয় ছবি ‘নীল আকাশের নীচে’ থেকেই নিজস্বতায় স্বকীয় তিনি। ছবিতে কাহিনির সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই তিরিশের দশকে জাপানের চীন-আগ্রাসনের সাম্রাজ‍্যবাদিতা তুলে ধরেছিলেন। রবীন্দ্রনাথ-ও সমসময়ে জাপানের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন। তাঁর সুদীর্ঘকালের জাপানি বন্ধু নোগুচির সঙ্গে পত্রযুদ্ধ পর্যন্ত হয়েছিল এই জাপানি আগ্রাসন নিয়ে। তাছাড়া মৃণালের ছবিটিতে ছিল মার্ক্সবাদের সপক্ষে বক্তব‍্য।

ছবিটি দিল্লির রাষ্ট্রপতিভবনে প্রদর্শিত হয় প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু, তাঁর মেয়ে ইন্দিরা ও রাষ্ট্রপতি বাবু রাজেন্দ্রপ্রসাদের সামনে। ছিলেন মৃণাল সেন এবং ছবির প্রযোজক-সঙ্গীতশিল্পী হেমন্ত মুখোপাধ‍্যায়। জওহরলাল ছবিটির উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছিলেন। পরবর্তীকালে ১৯৬২-র চীন-ভারত যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে ছবিটির প্রদর্শনী সরকার-কর্তৃক নিষিদ্ধ হলে সাংসদ হীরেন্দ্রনাথের হস্তক্ষেপে প্রধানমন্ত্রী নেহরু ছবিটির ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবার ব‍্যবস্থা করেন।

মৃণাল সেন সম্পর্কে বলতে গিয়ে এক সাক্ষাৎকারে তাঁর পুত্র কুণালের উক্তি, বাবা চিত্রনাট্য লেখার সময় বাড়ি ছেড়ে অন্য কোথাও চলে যেতেন। কখনও দিঘা, আবার নিদেন হাওড়া স্টেশনের গেস্ট হাউস। কলকাতায় তাঁর কোনও বন্ধুর বাড়িতে, নিতান্ত কোথাও না যেতে পারলে। কুণাল আরও বলেছেন, পারিবারিক বন্ধনকে খুব মর্যাদা দিতেন মৃণাল। পুত্র-পুত্রবধূকে ‘বন্ধু’ ডাকতেন। মৃণালের আত্মজীবনী ‘তৃতীয় ভুবন’-এও এর সমর্থন পাই, যেখানে তিনি নিজেকে ‘ভালোবাসার কাঙাল’ বলে উল্লেখ করেন। সহধর্মিণী গীতার প্রতি ভালবাসা তো বটেই, ছিল শ্রদ্ধাবোধ। ‘ইন্টারভিউ’ ছবিতে নায়ক-নায়িকার ভারতীয় যাদুঘর দিয়ে হাঁটার দৃশ‍্যটিকে আমাদের মনে না হয়ে পারে না, প্রেমিক মৃণাল তাঁর চিরসখী গীতার সঙ্গে হাঁটছেন। তাঁর চিত্রনাট্যের নিবিড় শ্রোতা ও সমালোচক গীতা, শত কাজের অবসরে নিরাবিল অবসর কাটিয়ে আসেন তাঁরা আন্দামানে গিয়ে, তাঁর ছবিতে অভিনয় করেন গীতা (বিপরীতে, সত‍্যজিতের ছবিতে আমরা বিজয়াকে অভিনয়ে পাই না, যদিও বিয়ের আগেই বিজয়া দুটি বাংলা ও দুটি হিন্দি ছবিতে নায়িকার ভূমিকায় সাফল্যের সঙ্গে অভিনয় করেছিলেন)। মৃণালের পারিবারিক চিত্রে ছেলে-ছেলের বউ কাছে না থাকার (তাঁরা দুজনেই কানাডা থাকেন) এক চাপা বেদনা আত্মজীবনীতে রয়েছে। মৃণাল যেমন তাঁর বাবার প্রতি খুব আকর্ষণ বোধ করতেন, সন্তানের প্রতিও। এই নাজুক সম্পর্ক তাঁর ছবির পারিবারিক সম্পর্কগুলো তৈরির নেপথ‍্যে ক্রিয়াশীল বলেই আমাদের প্রত‍্যয়।

‘নীল আকাশের নীচে’ প্রশংসিত ছবি, অন্যদিকে খানিক পরের ছবি ‘বাইশে শ্রাবণ’-পরবর্তী ‘আকাশ কুসুম’ হয়ে দাঁড়াল চরম বিতর্কিত, বিশেষ করে ছবিটি নিয়ে সত‍্যজিৎ-মৃণালের মসীযুদ্ধে, কলকাতার বিখ‍্যাত ‘The Statesman’ পত্রিকায়। বিতর্ক ছিল ছবির সামাজিক বাস্তবতা নিয়ে। কাহিনিকার আশিস বর্মণের প্রাথমিক নেতিবাচক চিঠি বেরোয় স্টেটসম‍্যানে। পরে মৃণাল ও সত‍্যজিৎ জড়িয়ে পড়েন। দীর্ঘ দু’মাস ধরে চিঠির লড়াইশেষে পত্রিকার সম্পাদক ইতি টানেন বাগযুদ্ধের। এর মধ‍্য দিয়ে একটা নিপাট সত‍্য বেরিয়ে আসে, সত‍্যজিৎ এবং মৃণালের দর্শনপ্রেক্ষিত একেবারেই আলাদা।

>>> ক্রমশ >>>

চিত্র: গুগল

আরও পড়ুন…

মৃণাল সেন: শতবর্ষের ওপার থেকে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

seventeen + eight =

Recent Posts

প্রসেনজিৎ চৌধুরী

অগ্নিবীর: বন্দুকের মুখে ঈশ্বর

১৯৫০ দশকে নেপালের রাজতন্ত্র ও রাজার মন্ত্রিগোষ্ঠী রানাশাহী শাসনের বিরুদ্ধে সফল সশস্ত্র বিদ্রোহ হয়েছিল। সেই বিদ্রোহে অংশ নিয়েছিলেন অনেক ভারতীয়। তাঁদের মধ্যে অনেকে বাঙালি। নেপালের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সেই প্রথম সংঘর্ষ সে-দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে মুক্তিযুদ্ধ হিসেবে চিহ্নিত। ভারত ও চীনের মধ্যে একফালি দেশ নেপালের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ সংগ্রাম সশস্ত্র ও নিরস্ত্র দুই পথ ধরে চলেছিল। ডান-বাম-অতিবাম— ত্রিমুখী রাজনৈতিক ঘাত-প্রতিঘাতের চূড়ান্ত সফলতা আসে ২০০৮ সালে রাজার শাসনের অবসানে।

Read More »
মলয়চন্দন মুখোপাধ্যায়

নারী: এক দৈবী আখর

আমরা ৮-ই মার্চের আন্তর্জাতিক নারীদিবসে আবহমান নারীবিশ্বকে সামান্য একটু ছুঁয়ে যেতে চাইলাম মাত্র। হাজার হাজার বছর ধরেই তাঁদের ওপর কড়া অনুশাসন, জবরদস্ত পরওয়ানা আর পুরুষতন্ত্রের দাপট। সে-সবের ফল ভুগতে হয়েছে আন্তিগোনে থেকে সীতা, দ্রৌপদী; জোয়ান অফ আর্ক থেকে আনারকলি, হাইপেশিয়া; রানি লক্ষ্মীবাঈ থেকে প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, বেগম রোকেয়া; রোজা পার্কস থেকে মালালা ইউসুফজাই— তাঁদের মতো হাজারো নামহীন নারীকে।

Read More »
তন্ময় চট্টোপাধ্যায়

মাতৃভাষা: অবিনাশী হৃৎস্পন্দন ও বিশ্বজনীন উত্তরাধিকার

প্রতিটি ভাষার নিজস্ব একটি আলো আছে, সে নিজের দীপ্তিতেই ভাস্বর। পৃথিবীতে আজ প্রায় সাত হাজার ভাষা আছে। ভাষাবিজ্ঞানীরা বলছেন, এই শতাব্দীর শেষে তার অর্ধেকেরও বেশি বিলুপ্ত হয়ে যাবে। এ তথ্য সত্যিই বেদনাদায়ক। একটি ভাষার মৃত্যু মানে কেবল কিছু শব্দের মৃত্যু নয়— সে মানে একটি জগৎদর্শনের অবলুপ্তি, একটি জাতির স্মৃতির চিরকালীন বিনাশ। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে তাই আমাদের অঙ্গীকার হোক বহুমাত্রিক। নিজের মাতৃভাষাকে ভালবাসা, তাকে চর্চায় রাখা, তার সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া। আর তার সাথে অন্য সমস্ত ভাষার প্রতি আরও বেশি করে শ্রদ্ধাশীল হওয়া।

Read More »
মলয়চন্দন মুখোপাধ্যায়

শংকর: বিচিত্র বিষয় ও আখ্যানের কথাকার

শংকরের জনপ্রিয়তার একটি কারণ যদি হয় সাবলীল ও সহজ গতিচ্ছন্দময় ভাষা, অন্য আরেকটি কারণ হল, নিজ সময়কে করপুটে ধারণ করা। তার সঙ্গে মিশেছে আমাদের পরিকীর্ণ জগতের বহুকিছু, আমাদের নাগালের মধ্যেই আছে, অথচ আমরা এ-পর্যন্ত যার হদিশ পাইনি, তাকে পাঠকের দরবারে এনে হাজির করা। ১৯৫৫-তে যে উপন্যাসটি দিয়ে বাংলা-সাহিত্যে তাঁর আবির্ভাব, সেই ‘কত অজানারে’ হাইকোর্টের জীবনযাপন, সেখানকার আসামি-ফরিয়াদি, উকিল-ব্যারিস্টার প্রমুখের চিত্র। লেখকের নিজ অভিজ্ঞতাপ্রসূত রচনা এটি। তিনি প্রথম জীবনে হাইকোর্টের সঙ্গে চাকরিসূত্রে যুক্ত ছিলেন।

Read More »
সুজিত বসু

সুজিত বসুর তিনটি কবিতা

তারপরে একদিন আকাশে মেঘের সাজ, মুখরিত ধারাবারিপাত/ রঙিন ছাতার নিচে দু’গালে হীরের গুঁড়ি, মন মেলে ডানা/ আরো নিচে বিভাজিকা, নিপুণ শিল্পীর হাতে গড়া দুই উদ্ধত শিখর/ কিছুটা অস্পষ্ট, তবু আভাসে ছড়ায় মায়া বৃষ্টিস্নাত নাভি/ তখনই হঠাৎ হল ভূমিকম্প, পাঁচিলের বাধা ভাঙে বেসামাল ঝড়/ ফেরা যে হবে না ঘরে মুহূর্তে তা বুঝে যাই, হারিয়েছি চাবি/ অনেক তো দিন গেল, অনেক ঘুরেছি পথে, বিপথে অনেক হল ঘোরা/ তাকে তো দেখেছি, তাই নাই বা পড়ুক চোখে অজন্তা ইলোরা।

Read More »
সর্বাণী বন্দ্যোপাধ্যায়

ছোটগল্প: ফাউ

গরমকালে ছুটির দিনে ছাদে পায়চারি করতে বেশ লাগে। ঠান্ডা হাওয়ায় জুড়োয় শরীরটা। আকাশের একপাশে আবির। সন্ধে হবে হবে। অন্যদিকে কাঁচা হলুদ। চায়ের ট্রে নিয়ে জমিয়ে বসেছে রুমা। বিয়ের পর কি মানুষ প্রেম করতে ভুলে যায়? নিত্যদিন ভাত রুটি ডালের গল্পে প্রেম থাকে না কোথাও? অনেকদিন রুমার সঙ্গে শুধু শুধু ঘুরতে যায়নি ও।

Read More »