
সায়ন্তনী ভট্টাচার্যর কবিতা
কুণ্ডলী পাকানো মানুষ মানুষ গুটিয়ে যাচ্ছে। গুটিয়ে যেতে যেতে সে দেখল শিরার আকাল, কলিজায় কী নেই, কে নেই আর সেতু থেকে পড়তে পড়তে মহানন্দা, তিস্তা,

কুণ্ডলী পাকানো মানুষ মানুষ গুটিয়ে যাচ্ছে। গুটিয়ে যেতে যেতে সে দেখল শিরার আকাল, কলিজায় কী নেই, কে নেই আর সেতু থেকে পড়তে পড়তে মহানন্দা, তিস্তা,

ট্রমা-চিহ্নিত সেলফিগুলি অ রি জি ৎ চ ক্র ব র্তী অজ্ঞাত পাণ্ডুলিপি থেকে উদ্ধারকৃত দু’টি টীকা (লেখকের নাম অনুপস্থিত। পাণ্ডুলিপির শেষ কয়েকটি পৃষ্ঠা বহু আগেই

পি য়া স ম জি দ অনিমিখ তোমার ভেতর যত ময়ূরতা, কেকা; আমি বন থেকে তার দিকে লক্ষ করে আছি। আমার চোখের সবুজ লোকালয়ের বাকি

জিতকা স্ব প ন কু মা র ম ণ্ড ল ১ হাটবারে বিদ্যাখাড়ির পাড়ে রাস্তা জুড়ে জমাটি ভিড়। মোরগ লড়াই চলছে। কাঁতিদার লড়াইয়ের তাগদ দেখে

সু দী প্ত মা জি মেঘ জংলা হাওয়ার গন্ধে জাগা নেশার মতো উড়িয়ে দিচ্ছ ওড়না তোমার, দিদিমণি এখন কি আর তেমন সবুজ বয়স আছে কুড়িয়ে

ডিঙি চ ম্পা রা য় ‘ও যদু… জাল নিয়া এগাও।’ মাঝ-নদীতে কারেন্ট জাল পাতছিল কালিচরণ। যদুকে ঘাটে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে হাঁক দিল। যদিও কালিচরণ জানে,

হৈ ম ন্তী ব ন্দ্যো পা ধ্যা য় মোহনার দিকে লুম্পেন হয়েছে রাত, রাহাজানি করে নিয়ে গেছে মন জ্যোৎস্নার গভীরদেশে ঘরবাড়ি তার গাঢ় হলুদের মতো