Search
Generic filters
Search
Generic filters
তপোমন ঘোষ

তপোমন ঘোষ

তপোমন ঘোষ (আসল নাম ঋষি ঘোষ) সংবাদপত্রে ফিচার লিখছেন গত দুই দশক ধরে। প্রকাশিত ও সম্পাদিত বইয়ের সংখ্যা সবমিলিয়ে ছ’টি। গবেষণা করেছেন নয়ের দশকের বাংলা সাহিত্যের বিপণনসম্ভাবনা নিয়ে। যাদবপুর ও রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র তিনি। গবেষণা করেছেন বাংলা কবিতা, রবীন্দ্রনাথের রাজনৈতিক প্রবন্ধ, আধুনিক কথাসাহিত্য, দলিত সাহিত্য সহ সাংস্কৃতিক বিদ্যাচর্চার নানা বিষয়ে। চলচ্চিত্রবিদ্যা ও আন্তঃ সাংস্কৃতিক বিদ্যাচর্চার একজন উৎসাহী গবেষক। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরের গবেষণাপত্রের সংখ্যা পঞ্চাশের উপরে। গঙ্গাভাঙন নিয়ে একটি ইন্দো-বাংলা গবেষণাপ্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। একটি জাতীয় পুরস্কারজয়ী চলচ্চিত্রের ভাষাগত রূপান্তরের কাজ করেছেন। কর্মসূত্রে মালদার গৌড় মহাবিদ্যালয়ের বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের অধ্যাপক।
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

যে গম্ভীরা বুকে নিয়ে মালদা ছেড়েছিলেন বিনয় সরকার

১৯২৫ সালে যখন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতির অধ্যাপক হিসাবে যোগ দিচ্ছেন, তখনও জোর গলায় সওয়াল করে গেছেন গম্ভীরার এই সর্বতোমুখিতা নিয়ে। ১৯১৭ সালে প্রকাশিত তাঁর বিখ্যাত বই ‘The Folk Element in Hindu Culture’ প্রকাশিত হচ্ছে লন্ডনের লংম্যানস থেকে, যার আধার এই জামতলির গম্ভীরা। তাঁর শেষ কর্মস্থল ছিল আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়। সেখানেই মারা যান ১৯৪৯-এ। কিন্তু মালদার লোকজীবন ও লোকসংস্কৃতি থেকে কোনওদিন বেরোতে চাননি। গর্ব করে বলতেন, এপ্রিল-মে মাসে জামতল্লীর গম্ভীরা আমার বুকের মধ্যে শুনতে পাবে।

Read More »

বাঙ্গিটোলার ছানার মণ্ডা এবং সত্তরোর্ধ্ব ষষ্ঠীচরণ

ভক্তি, বিশ্বাস এবং অলৌকিকত্বের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা এই মিষ্টি অমর হয়ে আছে আধুনিক বাংলা সাহিত্যে। ‘ভূতনি দিয়ারা’ খ্যাত ঔপন্যাসিক জয়ন্ত জোয়ারদারের ছোটগল্প ‘খারিজ’-এ দেখা যায়, অমৃতি মোড়ে একটি পরিবার আকুল আগ্রহে অপেক্ষা করে আছে, কখন তাদের আত্মীয় মায়ের প্রসাদী বাঙ্গিটোলার মণ্ডা নিয়ে পৌঁছাবেন। এক পথ দুর্ঘটনা অবশ্য তাকে আর পৌঁছতে দেয় না। অভিজিৎ সেন বা অমর মিত্রের উপন্যাস ও ছোটগল্পেও এই মিষ্টির উল্লেখ পাওয়া যায়।

Read More »

গম্ভীরার কিংবদন্তি সুফি মাস্টার: পড়েছিলেন ব্রিটিশের রোষানলেও

১৯০৫। এল বঙ্গভঙ্গের হাওয়া। সরকারি ডাকবিভাগের কিশোর কর্মীটি লিখে ফেললেন— ‘তুমি ঘুঁটের আগুন তুষের ধোঁয়া/ লাগিয়ে দিলে বঙ্গে/ আজ হাবুডুবু খায় ভারতবাসী— স্বরাজ তরঙ্গে।’ সেই গানও ঝড় তুলল। আর যায় কোথায়? যদিও গানের ভণিতায় নিজের নাম উল্লেখ করতেন না ওস্তাদ সুফি, তাও বিশেষ সূত্র ধরে ব্রিটিশ পুলিশ হানা দিল তাঁর বাড়িতে। বাজেয়াপ্ত হল গানের খাতা। বয়স অল্প বলে সতর্ক করেই ছেড়ে দিলেন সহৃদয় বাঙালি দারোগা। কিন্তু পরবর্তী সময়ে পুলিশ তাঁকে সহজে ছাড়েনি।

Read More »